রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:১২ পি.এম
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রশিবির আয়োজিত নবীনবরণ অনুষ্ঠানে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম উপস্থিত হন।
তিনি মন্তব্য করেন, চাকরির পরীক্ষায় মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বাড়ানোর মাধ্যমে সরকার নিজেদের দলীয় লোক নিয়োগের এজেন্ডা হাতে নিয়েছে। নুরুল ইসলাম সাদ্দাম মন্তব্য করেন, যদি সরকার এ সিদ্ধান্ত থেকে বিরত না থাকে, তবে আবারও আন্দোলন শুরু করা হবে। তিনি বললেন, “শতভাগ মেধার ভিত্তিতেই দেশ গড়ে উঠবে এবং মেধার ভিত্তিতেই শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করতে হবে।”
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রশিবিরের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে, শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় এসব কথা বলেন তিনি।
নুরুল ইসলাম সাদ্দাম আরও বলেন, “পিএসসি সংস্কার করতে হবে, নির্বাচন কমিশন সংস্কার করতে হবে, মহা হিসাব নিরীক্ষকের ওই জায়গাটাও সংস্কার করতে হবে।” রাষ্ট্রের সাংবিধানিক কাঠামোগুলোকে সংস্কার করা প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, “পিএসসির গঠনমূলক সব সংস্কার করতে হবে। জুলাইয়ের অন্যতম দাবি ছিল সাংবিধানিক সব সংস্কার করা।”
তিনি বলেন, সংস্কারের জন্য সংবিধান সংস্কার কমিটিতে শপথ নিতে হবে। জামায়াতে ইসলামীর শপথ নেওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বললেন, “তবে তারা (বিএনপি) শপথ নেয়নি।” সেইসাথে তিনি উল্লেখ করলেন, “আপনারা মনে করছেন, তরুণ প্রজন্ম কিছুই বোঝে না, তারা এমনি এমনি জুলাই বিপ্লব করেছে। সরকারকে অনুরোধ জানাই, বর্তমান প্রজন্মকে দুর্বল মনে করবেন না, আমাদের মেধাকে নষ্ট করবেন না।” তিনি মন্তীব্য করেন, “বিশ্ববিদ্যালয় যে আন্দোলন করেছে, সেই আন্দোলনের কারণেই আপনারা ক্ষমতায় এসেছেন।”
আরও পড়ার জন্য তিনি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আবাসন সংকট নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, “এলাকা এলাকার রাস্তাঘাটে বিশ্ববিদ্যালয় বানানো হচ্ছে, কিন্তু শিক্ষার্থীদের শতভাগ থাকার বন্দোবস্ত করা হচ্ছে না।”
তিনি বলেন, “যে বিশ্ববিদ্যালয় তার ছাত্রদের থাকার জায়গা দিতে পারে না, সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের থাকার নৈতিক কোনো অধিকার নেই।”
শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট প্রসঙ্গে বলেন, “শিক্ষার্থীরা এত কষ্ট করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পায়, কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় তাদের থাকার সিটের ব্যবস্থা করতে পারে না।” রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে হয়তো ৩০ শতাংশ শিক্ষার্থী থাকতে পারে, আর ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থী বাইরে থাকে। এই ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থীর থাকার বন্দোবস্ত বিশ্ববিদ্যালয় করতে পারেনি।
তিনি বলেন, “পিএসসিতে হাজার হাজার কোটি টাকা বাজেট দেওয়া হয়, অথচ বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন করা হয় না।” শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায় করতে শেখা উচিত। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে বলতে হবে, “আগামী দুই বছরের মধ্যে শতভাগ আবাসনের ব্যবস্থা করা হবে।”
নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, “শিক্ষার্থীরা জুলাইয়ের পরে এসে সব গণরুম ভেঙে দিয়ে চুরমার করে ফেলেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণরুম ভেঙে দিয়ে ছোট ছোট সিট করে দেওয়া হয়েছে। প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা এখন মেধার ভিত্তিতে সিট পাচ্ছে।”
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মেহেদী হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় হুইপ ও সংসদ সদস্য মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল, সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ, রাকসু ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ, শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সালসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা।
অনুষ্ঠানে প্রায় চার হাজার নিবন্ধিত নবীন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের আলোচিত ইসলামি বক্তা জাকির নায়েকের প্রত্যর্পণ সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এই বিষয়টি সম্পর্কে আলোচনা হয়, যা ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি উল্লেখ করেন।
আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, ব্যক্তিগত পর্যায়ের আলোচনায় স্বাভাবিকভাবেই সেসব স্পর্শকাতর বিষয় উঠে আসে। দুই দেশের স্বার্থ এবং সম্পর্কের ব্যবস্থাপনার জন্য এই বিষয়টির গোপনীয়তা রক্ষা করা প্রয়োজন। তবে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার তালিকায় বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
জাকির নায়েকের প্রত্যর্পণের সম্ভাবনা নিয়ে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী জানান, যেকোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হলে তার দেশকে আইনের শাসন বজায় রাখতে হবে। তিনি বলেন, ভারত সরকারের প্রত্যর্পণের দাবির প্রেক্ষাপট তারা উপলব্ধি করছেন। তবে যেকোনো পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে আইনকে সম্মান জানিয়ে এবং দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গুরুত্ব বজায় রেখে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে এগোতে হবে।
ভারতের সরকার ইতোমধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে জাকির নায়েককে ফেরত পাঠানোর জন্য প্রত্যর্পণের আবেদন জানিয়ে রেখেছে। তবে মালয়েশিয়ার অবস্থান হলো, যদি নির্দিষ্ট এবং গ্রহণযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়, তাহলে প্রচলিত আইনি ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা হবে।
এদিকে উল্লেখ্য, এর আগে পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবে জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারি করার আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছিল আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ ১৩ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক চকলেট দিবস। এই মিষ্টি স্বাদের খাবারকে কেন্দ্র করে সারা বিশ্ব জুড়ে নানা আয়োজন থাকে। দিনটি কেবল চকলেট খাওয়ার জন্য নয়, বরং এর ইতিহাস জানার, বিভিন্ন স্বাদের চকলেট চেখে দেখার এবং প্রিয়জনের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার সুযোগও রয়েছে।
চকলেটের প্রতি ভালোবাসা না থান মানুষের সংখ্যা অনেকটাই কম। দুধ চকলেট, গাঢ় চকলেট কিংবা বিভিন্ন স্বাদের মিষ্টি চকলেট—পছন্দের ধরন ভিন্ন হলেও চকলেট আমাদের মধ্যে অনেকের কাছে বিশেষ এক আনন্দের খাবার হয়ে ওঠে।
আন্তর্জাতিক চকলেট দিবসে ঘরেই আয়োজন করা যেতে পারে একটি ছোট্ট চকলেট আসর। দুধ চকলেট, গাঢ় চকলেট এবং ভিন্ন মাত্রার কোকোযুক্ত চকলেটকে ছোট ছোট টুকরো করে সাজানো যেতে পারে।
প্রতিটি টুকরো খাওয়ার পর পানি বা সাদামাটা বিস্কুট নিয়ে খেলে স্বাদের পার্থক্য বোঝা সহজ হয়। কোন টুকরোটিতে ফলের মতো স্বাদ রয়েছে, কোনটিতে তেতো ভাব আছে অথবা কোনটিতে মিষ্টি ও মোলায়েম স্বাদ—এভাবে সবাই নিজের পছন্দের চকলেট বেছে নিতে পারবেন।
আজকের এই দিনে শিশুদের রান্নাঘরের সঙ্গে পরিচিত করার জন্য ভালো সময়। চকলেট, বাদামের মাখন ও ওটস দিয়ে সহজেই তৈরি করা যায় চকলেটের ছোট বল। গলানো চকলেটের সঙ্গে বাদামের মাখন ও ওটস মিশিয়ে ছোট ছোট বল বানিয়ে কিছুক্ষণ ঠান্ডা করে নিলেই তৈরি হয়। শিশুরা ওটস গোনা, মিশ্রণ নেড়ে দেওয়া কিংবা বলের ওপর নকশা করার মতো কাজগুলো করতে পারে। বড় শিশুরা উপকরণ মাপা ও সময় ঠিক রাখার দায়িত্ব নিতে পারে।
তবে যদি কারও জন্য কোনো খাবারে অ্যালার্জি বা বিশেষ খাদ্য সমস্যা থাকে, তাহলে উপকরণের তালিকা দেখে নেওয়া প্রয়োজন। প্রয়োজনে আলাদা পাত্র ও রান্নার জায়গা ব্যবহার করা ভালো।
চকলেটের মিষ্টি স্বাদের সঙ্গে নোনতা বাদামের মচমচে স্বাদও বেশ ভালোভাবে মিলে যায়। তাই চকলেটের পাশে অল্প নোনতা বাদাম রাখা যেতে পারে। কিন্তু যদি কোন কারণে বাদাম উপযোগী না হয়, তাহলে বাদামকে এড়িয়ে চলাই ভালো। বাড়তি চকলেটের মিষ্টি পরিচিতজন বা প্রতিবেশীর সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া যেতে পারে। উপকরণের তালিকা লিখে দিলে তা সহায়ক হবে।
দিনের শেষে পরিবারের সবাই মিলে বসে কোনো প্রিয় গল্পের বই পড়া যেতে পারে। শিশুদের নিয়ে গল্পের চরিত্রগুলোর সংলাপ অভিনয় করে পড়লেও আনন্দের পরিবেশ তৈরি হবে। গল্প পড়ার সময় শেষ চকলেটের টুকরোটি খাওয়ার জন্য রেখে দিতে পারেন। এতে রান্নাঘরের ব্যস্ততার পর দিনের শেষটিও হতে পারে শান্ত ও আনন্দময়।
চকলেট দিবসের শুরু যেভাবে হয়েছিল, তা অভিজ্ঞান অনুযায়ী কয়েক হাজার বছরের পুরোনো ইতিহাস রয়েছে। দক্ষিণ মেক্সিকো অঞ্চলের প্রাচীন জনগণের মধ্যে কোকো বীজ থেকে পানীয় তৈরি করা হতো প্রায় চার হাজার বছর আগে। তখন চকলেট ছিল বিশেষ ও মূল্যবান খাবার। অন্যান্য সামাজিক ও ধর্মীয় আচারেও এর ব্যবহার ছিল।
মায়া ও আজটেকদের মধ্যে কোকো বীজের ব্যবহার আরও প্রসারিত হয়। কোনো এক সময় কোকো বীজ বিনিময়ের মাধ্যম হিসাবেও ব্যবহৃত হতে থাকে। মায়ারা চকলেটকে দেবতাদের পানীয় হিসাবে দেখতো।
প্রায় ষোড়শ শতকে চকলেট ইউরোপে আসে। পরে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে চকলেটের দোকান জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। চকলেট তৈরির প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে তা সাধারণ মানুষের জন্যও সহজলভ্য হয়ে যায়।
উনিশ শতকের মাঝামাঝি থেকে শেষভাগে ইউরোপে চকলেটের বার তৈরি ও বিক্রি শুরু হয়। এরপর ধীরে ধীরে কেক, বিস্কুট, মিষ্টি, পানীয়সহ নানা খাবারে চকলেটের ব্যবহার ছড়িয়ে পড়ে।
চকলেট কেবল মিষ্টান্ন তৈরিতেই ব্যবহৃত হয় না বরং কিছু রান্নায় গাঢ় চকলেট বা কোকোও ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন মাংসের খাবার, ঝোল, সালাদ ও অন্যান্য পদেও বিশেষ স্বাদ আনতে চকলেট ব্যবহার করা সম্ভব।
এছাড়া চকলেট দিয়ে কেক, ব্রাউনি, বিস্কুট, কাপকেক কিংবা চুলা ছাড়াই নানারকম খাবার তৈরি করা যায়।
আন্তর্জাতিক চকলেট দিবস তাই কেবল চকলেট খাওয়ার উপলক্ষ নয়। প্রিয় খাবারটির ইতিহাস জানা, নতুন স্বাদ চেখে দেখা, নিজের হাতে কিছু তৈরি করা এবং পরিবারের সদস্য ও বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার একটি সুন্দর সুযোগ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতি ট্রিলিয়ন ডলারে রূপান্তরের লক্ষ্যে এভিয়েশন খাতকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাবে পরিণত করতে সরকার কাজ করছে।
তিনি উল্লেখ করেন, দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় এভিয়েশন খাতের ভূমিকা অনস্বীকার্য। বিমানবন্দরগুলো দেশের প্রবেশদ্বার এবং রাষ্ট্রের আয়নার মতো। এজন্য বিমানবন্দরগুলোর পরিকল্পিত উন্নয়নের জন্য এভিয়েশন মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা হচ্ছে।
রাজধানীর ইউনাইটেড কনভেনশন হলে বণিক বার্তা আয়োজিত এভিয়েশন খাতের সম্ভাবনা, নীতিগত সংস্কার ও ভবিষ্যৎ করণীয় বিষয়ক পলিসি কনক্লেভে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আজ এসব তথ্য তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। এভিয়েশন খাতের বিভিন্ন অংশীজনদেরও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে দেখা গেছে।
বিমানমন্ত্রী এসময় উল্লেখ করেন, প্রায় ৪২ বছর পর সিভিল এভিয়েশন রুলস-১৯৮৪ সংশোধন করে নতুন ‘সিভিল এভিয়েশন রুলস-২০২৬’ প্রণয়ন করা হচ্ছে। নতুন বিধিমালায় ব্যবসা ও বেসরকারি বিনিয়োগবান্ধব করার পাশাপাশি যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন এবং বেসামরিক বিমান চলাচলের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় বিধান রাখা হবে।
তিনি এয়ারলাইন্স প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আপনারাই আমাদের মূল অংশীজন।’ বিনিয়োগ সহজীকরণে নতুন বিধিমালা প্রণয়নের ক্ষেত্রে এয়ারলাইন্সগুলোর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা আবশ্যক।
মন্ত্রী আরও জানান, বেসরকারি এয়ারলাইন্সগুলোর সুবিধা বিবেচনায় নিয়ে বিমান রক্ষণাবেক্ষণ-সংক্রান্ত বিধান সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া, উড়োজাহাজের জটিল যন্ত্রাংশের রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত ও ওভারহলের ক্ষেত্রে বিদ্যমান জটিলতা নিরসনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বললেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় একটি ভঙ্গুর ও বিশৃঙ্খল এভিয়েশন খাত পেয়েছে। বিমানবন্দর ও বিমানসেবায় যাত্রী হয়রানির নানা অভিযোগও ছিল। এসব হয়রানি কমানো সরকারের অন্যতম লক্ষ্য বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, সেবার মানোন্নয়নে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সঙ্গে দ্বিতীয় গ্রাউন্ড হ্যান্ডলার নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দেশি-বিদেশি এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আন্তর্জাতিক মানের রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত ও ওভারহল (এমআরও) ইউনিট স্থাপন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, বেসরকারি উদ্যোগে বেসামরিক বিমানবন্দর স্থাপন ও বিদ্যমান বিমানবন্দর সম্প্রসারণের প্রক্রিয়া সহজীকরণেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন, সরকারি উদ্যোগগুলোর বাস্তবায়নে সময় প্রয়োজন। এভিয়েশন খাতের উন্নয়নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সহযোগিতা প্রয়োজন বলে তিনি জানান।
গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানানোর সময় তিনি বলেন, বিমানবন্দরসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপতথ্য প্রচার হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে বণিক বার্তাসহ দেশের গণমাধ্যমগুলোকে অপতথ্য এবং বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিরুদ্ধে আরও সতর্ক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী এবং দায়িত্বশীল ও স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
অনুষ্ঠানে এভিয়েশন খাতের বিদ্যমান সমস্যা, সম্ভাবনা এবং এসব সমস্যা সমাধানে করণীয় নিয়ে অংশীজনেরা বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ