রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৩৮ পি.এম
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা সতর্ক করে জানিয়েছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) যদি যথাযথভাবে পরিচালিত না হয়, তাহলে এটি মানবজাতির জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে এই বিষয়টি উঠে এসেছে। সম্প্রতি একটি ব্যক্তিগত তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে তিনি এই সতর্কবার্তা দেন এবং এআই প্রযুক্তির ঝুঁকি মোকাবেলার জন্য কার্যকর নীতিমালা তৈরি করার আহ্বান জানান ডেমোক্র্যাট নেতাদের প্রতি।
ওবামা বলেন, এআই খাতটি খুব দ্রুত ব্যক্তিগত মালিকানায় বিস্তৃত হচ্ছে এবং যদি এটি উপযুক্ত নিয়ন্ত্রণে না আনা হয়, তাহলে এটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠবে। তিনি আগামীর মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা যদি প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পান, তবে হাউসের মাইনরিটি লিডার হাকিম জেফ্রিসকে এআই নীতি বিষয়ে একটি উন্মুক্ত আলোচনার কাঠামো তৈরি করার পরামর্শ দেন। এছাড়া, ২০২৮ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রার্থীদেরও এআই-এর নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবেলায় স্পষ্ট পরিকল্পনা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
সম্প্রতি 'অ্যানথ্রোপিক' গবেষকরা এআই প্রযুক্তির অনিয়ন্ত্রিত অগ্রগতির ফলে মানবজাতির বিলুপ্তির ঝুঁকির কথা তুলে ধরেন। এর ফলস্বরূপ মার্কিন আইনপ্রণেতারা এই প্রযুক্তির ওপর কঠোর নিয়ম আরোপের দাবি জানান।
এআই এজেন্টদের বিভ্রান্তিকর আচরণ এবং নিরাপত্তা উদ্বেগের সৃষ্টি হওয়ার কারণে বেশ কয়েকজন গবেষক প্রতিষ্ঠান ছেড়ে যাওয়ার পর এই আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে অ্যানথ্রোপিকের প্রধান নির্বাহী দারিও আমোদি নতুন এআই মডেল তৈরির গতি কমানোর পরামর্শ দিলে ওপেনএআই-এর স্যাম অল্টম্যান ও এক্সএআই-এর ইলন মাস্কও এই পরামর্শে সম্মতি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রেম ও রোমান্সনির্ভর সিনেমা এবং নাটক নির্মাণ ও সম্প্রচার বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছেন আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান মামুন। তিনি দাবি করেছেন, যুবসমাজের নৈতিক অবক্ষয় এবং সামাজিক বিশৃঙ্খলা রোধের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী করতে এই আবেদন তিনি করেছেন।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) জনস্বার্থে এই আইনজীবী হাইকোর্টে রিট পিটিশনটি করেন। এর আগে তিনি গত ২৭ আগস্ট একই বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে সংশ্লিষ্টদের আইনি নোটিশ পাঠিয়েছিলেন। ওই নোটিশটি ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি করেছিল।
রিট পিটিশনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডের চেয়ারম্যানকে বিবাদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
আবেদনে বলা হয়েছে, দেশের বর্তমান চলচ্চিত্র ও নাটক অঙ্গনে প্রেম ও মাত্রাতিরিক্ত রোমান্টিক বিষয়বস্তুর অবাধ সম্প্রচার সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে দাবি করা হয়েছে। এসব গণমাধ্যমে পরকীয়া, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক, ব্যভিচার ও ধর্ষণের মতো বিষয়গুলোকে স্বাভাবিকভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, এ ধরনের বিষয়বস্তু যুবসমাজ ও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা এবং ক্যারিয়ার থেকে বিচ্যুত করছে।
একই সঙ্গে সমাজের ঐতিহ্যবাহী নৈতিক কাঠামো দুর্বল হয়ে সামাজিক বিশৃঙ্খলা এবং নৈরাজ্য তৈরি হচ্ছে। রিটে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের বিভিন্ন গবেষণাধর্মী প্রতিবেদনের উল্লেখ রয়েছে, যেখানে দাবি করা হয়েছে যে লাগামহীন রোমান্টিক ও উসকানিমূলক সিনেমা যুবসমাজের মনস্তাত্ত্বিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। পাশাপাশি নারীর প্রতি সহিংসতা ও বিভিন্ন অপরাধ বৃদ্ধিতেও এসব কনটেন্ট ভূমিকা রাখছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
আবেদনে বলা হয়েছে, সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার কথা বলা হলেও শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে আইনের মাধ্যমে যুক্তিসংগত বাধানিষেধ আরোপের সুযোগ রয়েছে। আবেদনকারীর দাবি, জননৈতিকতা ধ্বংস করে এবং সামাজিক অপরাধে প্ররোচনা দেয়—এমন কোনো কনটেন্ট অবাধ সম্প্রচারের ক্ষেত্রে সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদের সুরক্ষা দাবি করতে পারে না।
এ ছাড়া, সংবিধানের ২৩ অনুচ্ছেদে উল্লেখ করে রিটে বলা হয়েছে, জাতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব। শুধু প্রেমভিত্তিক কনটেন্ট নির্মাণ ও সম্প্রচার বন্ধ নয়, যুবসমাজের সৃজনশীল মেধার বিকাশ এবং দেশপ্রেম জাগ্রত করতে বিজ্ঞান, শিক্ষা, ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ ও প্রতিরক্ষাভিত্তিক চলচ্চিত্র ও নাটক নির্মাণ এবং সম্প্রচারে সংশ্লিষ্টদের প্রতি বাধ্যতামূলক নির্দেশনা জারির আবেদনও করা হয়েছে। আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান মামুন জানিয়েছেন, তিনি গত ২৭ আগস্ট এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে বিবাদীদের আইনি নোটিশ পাঠিয়েছিলেন। তবে, নোটিশের পরও কার্যকর প্রশাসনিক পদক্ষেপ না নেওয়ায় জনস্বার্থে এবং জাতীয় সংস্কৃতি রক্ষার লক্ষ্যে হাইকোর্টে রিটটি দায়ের করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং জানিয়েছেন, ব্রিকসের ১১টি দেশের জন্য একটি ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ওপেন-সোর্স জোন’ গড়ে তুলতে তারা নেতৃত্ব দেবে।
নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ১১ জাতির এই জোটের সম্মেলনে তিনি এই কথা বলেন, যা ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা।
চীনের এআই কোম্পানিগুলো বর্তমান সময়ে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ওপেন-সোর্স এআই মডেল তৈরি করে চলেছে। এসব তৈরি করা মডেলের মূল কোড ব্যবহারকারীদের জন্য উন্মুক্ত থাকে। ফলে ব্যবহারকারীরা তাদের নিজস্ব প্রয়োজন অনুযায়ী এই কোড পরিবর্তন ও ব্যবহার করতে সক্ষম হন।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এআই নির্মাতারা সাধারণত বদ্ধ পদ্ধতিকে অধিক গুরুত্ব দিচ্ছেন। নয়াদিল্লি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবর প্রদান করেছে।
চীনা নেতার ‘ওপেন-সোর্স ও অন্তর্ভুক্তিমূলক এআই উদ্যোগ’ এর অংশ হিসেবে এ প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
সি চিনপিং আরও উল্লেখ করেন, এ উদ্যোগের আওতায় ব্রিকস দেশগুলোর জন্য ‘এআই বিষয়ে বিশেষায়িত গবেষণা ও প্রশিক্ষণ’ কার্যক্রম চালু করা হবে। এর লক্ষ্য হল ‘এআইয়ের জন্য একটি উন্মুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলা।’
ব্রিকস জোটটি ২০০৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা চীন, রাশিয়া ও ভারতসহ একাধিক দেশের নিয়ে গঠিত।
জোটটির উদ্দেশ্য পশ্চিমা শক্তির প্রভাবাধীন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে আরও বেশি প্রভাব প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে উদীয়মান বড় অর্থনীতির দেশগুলোকে একটি প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা।
সি চিনপিং ‘ব্যাপক ঐকমত্যভিত্তিক বৈশ্বিক এআই শাসন কাঠামো’ প্রতিষ্ঠার জন্যও আহ্বান জানিয়েছেন।
চলতি মাসে যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সি চিনপিংয়ের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এসময়, দ্রুত বিকাশমান এই প্রযুক্তির ওপর বিশ্ব নিয়ন্ত্রণের উদ্বেগের কারণে এআই পরিচালনা ব্যবস্থা আলোচনা করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম রাজধানীর যানজট ও রাস্তায় হকারদের অব্যবস্থাপনাকে বড় একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। বিশেষভাবে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরে রিকশা এবং হকারের সংখ্যা বাড়ানোর ফলে ঢাকার সড়ক ব্যবস্থাপনা অনেকটাই অচল হয়ে পড়েছে।
সম্প্রতি দেশের একটি সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার প্রদানকালে এ বিষয়ে তার অভিমত প্রকাশ করেন ডিএসসিসি প্রশাসক।
সাক্ষাৎকারে এক প্রশ্নের উত্তরে মো. আব্দুস সালাম বলেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত ছিল এবং কার্যকরভাবে পরিচালিত হচ্ছিল না। দায়িত্ব গ্রহণের পর আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার ছিল এই সিটি করপোরেশনকে একটি কার্যকর প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা। জনগণের জন্য নাগরিক সেবাগুলো দ্রুত এবং যথাযথভাবে ঠিকভাবে নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি।
এছাড়া, তিনি বলেন, নগরবাসীর মৌলিক নাগরিক সমস্যাগুলোর সমাধানে আমাদের অন্যতম অগ্রাধিকার। বিশেষ করে মশার উপদ্রব, ড্রেনেজের সমস্যা, জলাবদ্ধতা, সড়কবাতি সহ নানা নাগরিক সমস্যা কমানোও আমাদের লক্ষ্য।
তিনি উল্লেখ করেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন দীর্ঘদিন ধরে অভিভাবকহীন ও অকার্যকর অবস্থায় ছিল। তবে এখন আমরা এটিকে কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করার চেষ্টা করছি। যেখানে সমস্যা হচ্ছে, কেন হচ্ছে এবং কীভাবে দ্রুত সমাধান করা যায়, এসব বিষয়ে আমরা নজর দিচ্ছি।
মো. আব্দুস সালাম আরও বলেন, সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে রাজধানী ঢাকার সব নাগরিক সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়। এজন্য নগরবাসীর দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন। নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে জনগণের অংশগ্রহণ এবং সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি।
তিনি বলেন, সিটি করপোরেশনকে কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা, দ্রুত নাগরিক সেবা প্রদান করা, মশা, ড্রেনেজ, জলাবদ্ধতা এবং সড়কবাতির বিভিন্ন সমস্যা কমানো—এসব বিষয়কে আমরা প্রধান অগ্রাধিকারে ফেলেছি।
ডিএসসিসি প্রশাসক যোগ করেন, নাগরিকদের অভিযোগ শুনতে এলাকার ভিত্তিতে গণশুনানির ব্যবস্থা করেছি। যে কোনও নাগরিক সিটি করপোরেশন কার্যালয়ে এসে সরাসরি অভিযোগ জানাতে পারেন। এছাড়া, একটি অ্যাপ চালু করেছি, যেটির মাধ্যমে নগরের যেকোনো সমস্যা খুব দ্রুত আমাদের জানানো যাবে। গণমাধ্যমে সমস্যা উদ্ভাষণের সঙ্গে সঙ্গেই আমরা তাৎক্ষণিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করি।
এছাড়া, প্রধানমন্ত্রী যে প্রত্যাশা করেছেন, সে অনুযায়ী ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে ‘গ্রিন সিটি, ক্লিন সিটি’ হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদের। শহর পরিষ্কার রাখার জন্য নাগরিকদেরও সহযোগিতা প্রয়োজন।
মো. আব্দুস সালাম বলেন, যানজট এবং রাস্তার হকারদের অব্যবস্থাপনা বড় একটি সমস্যা। বিশেষত, ৫ আগস্টের পর রিকশা এবং হকারের সংখ্যা বৃদ্ধির ফলে ঢাকা শহরের সড়ক ব্যবস্থাপনা অনেকটাই অচল হয়ে পড়েছে।
অটোরিকশার বেপরোয়া চলাচল নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বলেন, হকারদের ব্যবস্থাপনার পর অটোরিকশাকে রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে চারটি জোনে ভাগ করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। যেখানে প্রতিটি জোনে অটোরিকশাগুলি নিজ নিজ জোনের মধ্যে চলাচল করবে।
সঙ্গে সঙ্গে গণপরিবহন ব্যবস্থাপনার বিষয়ে তিনি বলেন, গণপরিবহনকে একটি সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার দাবি তুলেছেন। গণপরিবহন ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলার অভাব ঘটছে, যা ঢাকার যানজটের অন্যতম কারণ। তাই যেখানে-সেখানে বাস পার্কিং করা এবং যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা বন্ধ করতে হবে।
ডেঙ্গু পরিস্থিতির বিষয়ে মো. আব্দুস সালাম জানান, মশা সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করা সম্ভব নয়। মশা নিয়ন্ত্রণের ওপর কাজ চলছে। তবে মশা নিয়ন্ত্রণের কাজে পরিবেশের ক্ষতি করা যাবে না। আমাদের কীটতত্ত্ববিদরা অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারের অনুমতি দেয় না, কারণ এর ফলে পরিবেশ ও অন্যান্য উপকারী কীটপতঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, আমাদের এমনভাবে কাজ করতে হবে যাতে মশা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি পরিবেশও সুরক্ষিত থাকে। গত বছরের তুলনায় এ বছর ডেঙ্গুর প্রকোপ অনেকটা কমেছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে আমরা কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছি, ফলে মশার উপদ্রব আগের তুলনায় কমেছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের পক্ষে মশা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়, নাগরিকদের সচেতন হতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ