রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৩১ পি.এম
রবিবার সচিবালয়ে, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেংগলি সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান মন্তব্য করেন, গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে এবং নিশ্চিতভাবে জনগণের অংশগ্রহণ ও জবাবদিহি সুনিশ্চিত করার জন্য শক্তিশালী স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা গড়ে তোলার কোন বিকল্প নেই।
তিনি কোনোভাবেই বলেন, গণতন্ত্রের ভিত্তি যদি তৃণমূল পর্যায়ে শক্তিশালী না হয়, তাহলে রাষ্ট্রের সামগ্রিক গণতান্ত্রিক কাঠামোও সুদৃঢ় করার কোনো সম্ভাবনা থাকবে না।
রবিবার সচিবালয়ে তার নিজ কার্যালয়ে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেংগলির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেছেন।
সাক্ষাৎকালে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমও উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মতো বিশাল জনসংখ্যার দেশে জনগণের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছানোর জন্য কার্যকর ও শক্তিশালী স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার বিশেষ প্রয়োজন রয়েছে।
তিনি দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।
মন্ত্রী ঠিক বলেন, স্থানীয় সরকারকে কার্যকরভাবে শক্তিশালী করার জন্য প্রকৃত বিকেন্দ্রীকরণ নিশ্চিত করা অপরিহার্য।
তিনি আরও বলেন, জনগণের অংশগ্রহণ ও স্থানীয় পর্যায়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ বৃদ্ধি করার মাধ্যমে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে অনেক বেশি কার্যকর করা সম্ভব।
সাথে, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের ব্যাপারে যথেষ্ট প্রতিশ্রুতি রয়েছে বলে তিনি জানান।
বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও গভীর করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, গণতন্ত্র ও স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা উন্নয়ন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রক্রিয়া, গ্রামীণ নারীদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
এ সময় সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেংগলি বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ডের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি, জনগণের কাছে জবাবদিহি বাড়ানো এবং নারীদের ক্ষমতায়নের মতো বিষয়ের দিকে চিন্তা করা প্রয়োজন।
সাক্ষাৎ শেষ হওয়ার পর সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, বৈঠকে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আরও উন্নত করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
বিশেষ করে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিকেন্দ্রীকরণ এবং স্থানীয় পর্যায়ে জনগণের অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, গ্রামীণ অর্থনীতিতে নারীদের আরও বেশি সম্পৃক্ত করা, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ডের মধ্যে সহযোগিতার বিশাল সুযোগ রয়েছে।
এ সব ক্ষেত্রের মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর ও কার্যকর হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব শহীদুল হাসানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লালমনিরহাটে তিস্তা সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতি লিঃ-এর অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় স্থানীয় দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই হয়ড়ানি মুলক মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে আজ দুপুরে জেলায় কর্মরত সকল সাংবাদিকবৃন্দের ব্যানারে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধনে বাংলাদেশ প্রেসক্লাব রংপুর বিভাগীয় কমিটির সভাপতি শরিফুল ইসলাম রতন, জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি রুহুল আমিন বাবু, টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান জুয়েল, লালমনিরহাট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদ তৌহিদুল ইসলাম লিটন, প্রবিন সাংবাদিক গোকুল রায়, বক্তব্য রাখেন।
বক্তারা বলেন, দুর্নীতির তথ্য জাতির সামনে তুলে ধরা গণমাধ্যমের দায়িত্ব সেই সংবাদ প্রকাশের জেরে সাইবার সুরক্ষা আইনের ভয় দেখিয়ে সাংবাদিকদের কন্ঠরোধের চেষ্টা চলছে। অবিলম্বে এই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করা না হলে আরও কঠোর ও বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
মানববন্ধনে লালমনিরহাট জেলার কর্মরত সকল গণমাধ্যমকর্মী ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং সচেতন স্থানীয় সাধারণ মানুষ সংহতি প্রকাশ করে অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আদালতের রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের ধর্মঘট ও হরতাল ডাকাকে অবৈধ ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।
হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়েছে, এ ধরনের কোনো ধর্মঘট বা হরতাল ডাকলে বাস মালিক সমিতি বা শ্রমিক সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার ও বিচারপতি ফয়সাল হাসান আরিফের সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ আজ রায় প্রকাশ করে, যা এই সংক্রান্ত এক রিটের রুল যথাযথ ঘোষণা করে।
রায়ে আরও বলা হয়েছে, সংবিধানের ১১২ অনুচ্ছেদ অনুসারে আদালতের রায় সকলের জন্য বাধ্যতামূলক। তবে আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ থাকলেও রায়ের বিরুদ্ধে হরতাল বা ধর্মঘট করা অবৈধ ও সংবিধান পরিপন্থী।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আহসান হাবীব। বিআরটিএ’র পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. রাফিউল ইসলাম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা সতর্ক করে জানিয়েছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) যদি যথাযথভাবে পরিচালিত না হয়, তাহলে এটি মানবজাতির জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে এই বিষয়টি উঠে এসেছে। সম্প্রতি একটি ব্যক্তিগত তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে তিনি এই সতর্কবার্তা দেন এবং এআই প্রযুক্তির ঝুঁকি মোকাবেলার জন্য কার্যকর নীতিমালা তৈরি করার আহ্বান জানান ডেমোক্র্যাট নেতাদের প্রতি।
ওবামা বলেন, এআই খাতটি খুব দ্রুত ব্যক্তিগত মালিকানায় বিস্তৃত হচ্ছে এবং যদি এটি উপযুক্ত নিয়ন্ত্রণে না আনা হয়, তাহলে এটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠবে। তিনি আগামীর মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা যদি প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পান, তবে হাউসের মাইনরিটি লিডার হাকিম জেফ্রিসকে এআই নীতি বিষয়ে একটি উন্মুক্ত আলোচনার কাঠামো তৈরি করার পরামর্শ দেন। এছাড়া, ২০২৮ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রার্থীদেরও এআই-এর নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবেলায় স্পষ্ট পরিকল্পনা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
সম্প্রতি 'অ্যানথ্রোপিক' গবেষকরা এআই প্রযুক্তির অনিয়ন্ত্রিত অগ্রগতির ফলে মানবজাতির বিলুপ্তির ঝুঁকির কথা তুলে ধরেন। এর ফলস্বরূপ মার্কিন আইনপ্রণেতারা এই প্রযুক্তির ওপর কঠোর নিয়ম আরোপের দাবি জানান।
এআই এজেন্টদের বিভ্রান্তিকর আচরণ এবং নিরাপত্তা উদ্বেগের সৃষ্টি হওয়ার কারণে বেশ কয়েকজন গবেষক প্রতিষ্ঠান ছেড়ে যাওয়ার পর এই আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে অ্যানথ্রোপিকের প্রধান নির্বাহী দারিও আমোদি নতুন এআই মডেল তৈরির গতি কমানোর পরামর্শ দিলে ওপেনএআই-এর স্যাম অল্টম্যান ও এক্সএআই-এর ইলন মাস্কও এই পরামর্শে সম্মতি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রেম ও রোমান্সনির্ভর সিনেমা এবং নাটক নির্মাণ ও সম্প্রচার বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছেন আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান মামুন। তিনি দাবি করেছেন, যুবসমাজের নৈতিক অবক্ষয় এবং সামাজিক বিশৃঙ্খলা রোধের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী করতে এই আবেদন তিনি করেছেন।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) জনস্বার্থে এই আইনজীবী হাইকোর্টে রিট পিটিশনটি করেন। এর আগে তিনি গত ২৭ আগস্ট একই বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে সংশ্লিষ্টদের আইনি নোটিশ পাঠিয়েছিলেন। ওই নোটিশটি ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি করেছিল।
রিট পিটিশনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডের চেয়ারম্যানকে বিবাদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
আবেদনে বলা হয়েছে, দেশের বর্তমান চলচ্চিত্র ও নাটক অঙ্গনে প্রেম ও মাত্রাতিরিক্ত রোমান্টিক বিষয়বস্তুর অবাধ সম্প্রচার সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে দাবি করা হয়েছে। এসব গণমাধ্যমে পরকীয়া, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক, ব্যভিচার ও ধর্ষণের মতো বিষয়গুলোকে স্বাভাবিকভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, এ ধরনের বিষয়বস্তু যুবসমাজ ও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা এবং ক্যারিয়ার থেকে বিচ্যুত করছে।
একই সঙ্গে সমাজের ঐতিহ্যবাহী নৈতিক কাঠামো দুর্বল হয়ে সামাজিক বিশৃঙ্খলা এবং নৈরাজ্য তৈরি হচ্ছে। রিটে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের বিভিন্ন গবেষণাধর্মী প্রতিবেদনের উল্লেখ রয়েছে, যেখানে দাবি করা হয়েছে যে লাগামহীন রোমান্টিক ও উসকানিমূলক সিনেমা যুবসমাজের মনস্তাত্ত্বিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। পাশাপাশি নারীর প্রতি সহিংসতা ও বিভিন্ন অপরাধ বৃদ্ধিতেও এসব কনটেন্ট ভূমিকা রাখছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
আবেদনে বলা হয়েছে, সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার কথা বলা হলেও শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে আইনের মাধ্যমে যুক্তিসংগত বাধানিষেধ আরোপের সুযোগ রয়েছে। আবেদনকারীর দাবি, জননৈতিকতা ধ্বংস করে এবং সামাজিক অপরাধে প্ররোচনা দেয়—এমন কোনো কনটেন্ট অবাধ সম্প্রচারের ক্ষেত্রে সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদের সুরক্ষা দাবি করতে পারে না।
এ ছাড়া, সংবিধানের ২৩ অনুচ্ছেদে উল্লেখ করে রিটে বলা হয়েছে, জাতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব। শুধু প্রেমভিত্তিক কনটেন্ট নির্মাণ ও সম্প্রচার বন্ধ নয়, যুবসমাজের সৃজনশীল মেধার বিকাশ এবং দেশপ্রেম জাগ্রত করতে বিজ্ঞান, শিক্ষা, ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ ও প্রতিরক্ষাভিত্তিক চলচ্চিত্র ও নাটক নির্মাণ এবং সম্প্রচারে সংশ্লিষ্টদের প্রতি বাধ্যতামূলক নির্দেশনা জারির আবেদনও করা হয়েছে। আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান মামুন জানিয়েছেন, তিনি গত ২৭ আগস্ট এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে বিবাদীদের আইনি নোটিশ পাঠিয়েছিলেন। তবে, নোটিশের পরও কার্যকর প্রশাসনিক পদক্ষেপ না নেওয়ায় জনস্বার্থে এবং জাতীয় সংস্কৃতি রক্ষার লক্ষ্যে হাইকোর্টে রিটটি দায়ের করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ