ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ব্রিকস দেশগুলোর জন্য ‘ওপেন-সোর্স এআই জোন’ গঠনের প্রস্তাব সি চিন পিংয়ের


ব্রিকস দেশগুলোর জন্য ‘ওপেন-সোর্স এআই জোন’ গঠনের প্রস্তাব সি চিন পিংয়ের

 চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং জানিয়েছেন, ব্রিকসের ১১টি দেশের জন্য একটি ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ওপেন-সোর্স জোন’ গড়ে তুলতে তারা নেতৃত্ব দেবে।

নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ১১ জাতির এই জোটের সম্মেলনে তিনি এই কথা বলেন, যা ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা।

চীনের এআই কোম্পানিগুলো বর্তমান সময়ে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ওপেন-সোর্স এআই মডেল তৈরি করে চলেছে। এসব তৈরি করা মডেলের মূল কোড ব্যবহারকারীদের জন্য উন্মুক্ত থাকে। ফলে ব্যবহারকারীরা তাদের নিজস্ব প্রয়োজন অনুযায়ী এই কোড পরিবর্তন ও ব্যবহার করতে সক্ষম হন।

আরও পড়ুন: কৃষি ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাকৃবিতে আন্তর্জাতিক প্রকল্পের উদ্বোধন

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এআই নির্মাতারা সাধারণত বদ্ধ পদ্ধতিকে অধিক গুরুত্ব দিচ্ছেন। নয়াদিল্লি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবর প্রদান করেছে।

চীনা নেতার ‘ওপেন-সোর্স ও অন্তর্ভুক্তিমূলক এআই উদ্যোগ’ এর অংশ হিসেবে এ প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

সি চিনপিং আরও উল্লেখ করেন, এ উদ্যোগের আওতায় ব্রিকস দেশগুলোর জন্য ‘এআই বিষয়ে বিশেষায়িত গবেষণা ও প্রশিক্ষণ’ কার্যক্রম চালু করা হবে। এর লক্ষ্য হল ‘এআইয়ের জন্য একটি উন্মুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলা।’

ব্রিকস জোটটি ২০০৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা চীন, রাশিয়া ও ভারতসহ একাধিক দেশের নিয়ে গঠিত।

আরও পড়ুন: ঢাকার বড় চ্যালেঞ্জ যানজট ও রাস্তায় হকারের অব্যবস্থাপনা: ডিএসসিসি প্রশাসক

জোটটির উদ্দেশ্য পশ্চিমা শক্তির প্রভাবাধীন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে আরও বেশি প্রভাব প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে উদীয়মান বড় অর্থনীতির দেশগুলোকে একটি প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা।

সি চিনপিং ‘ব্যাপক ঐকমত্যভিত্তিক বৈশ্বিক এআই শাসন কাঠামো’ প্রতিষ্ঠার জন্যও আহ্বান জানিয়েছেন।

চলতি মাসে যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সি চিনপিংয়ের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এসময়, দ্রুত বিকাশমান এই প্রযুক্তির ওপর বিশ্ব নিয়ন্ত্রণের উদ্বেগের কারণে এআই পরিচালনা ব্যবস্থা আলোচনা করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: রোমান্টিক নাটক-সিনেমা নির্মাণ বন্ধে সেই আইনজীবীর ফের রিট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকার বড় চ্যালেঞ্জ যানজট ও রাস্তায় হকারের অব্যবস্থাপনা: ডিএসসিসি প্রশাসক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:১৭ পি.এম


ঢাকার বড় চ্যালেঞ্জ যানজট ও রাস্তায় হকারের অব্যবস্থাপনা: ডিএসসিসি প্রশাসক

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম রাজধানীর যানজট ও রাস্তায় হকারদের অব্যবস্থাপনাকে বড় একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। বিশেষভাবে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরে রিকশা এবং হকারের সংখ্যা বাড়ানোর ফলে ঢাকার সড়ক ব্যবস্থাপনা অনেকটাই অচল হয়ে পড়েছে।

সম্প্রতি দেশের একটি সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার প্রদানকালে এ বিষয়ে তার অভিমত প্রকাশ করেন ডিএসসিসি প্রশাসক।

সাক্ষাৎকারে এক প্রশ্নের উত্তরে মো. আব্দুস সালাম বলেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত ছিল এবং কার্যকরভাবে পরিচালিত হচ্ছিল না। দায়িত্ব গ্রহণের পর আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার ছিল এই সিটি করপোরেশনকে একটি কার্যকর প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা। জনগণের জন্য নাগরিক সেবাগুলো দ্রুত এবং যথাযথভাবে ঠিকভাবে নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি।

এছাড়া, তিনি বলেন, নগরবাসীর মৌলিক নাগরিক সমস্যাগুলোর সমাধানে আমাদের অন্যতম অগ্রাধিকার। বিশেষ করে মশার উপদ্রব, ড্রেনেজের সমস্যা, জলাবদ্ধতা, সড়কবাতি সহ নানা নাগরিক সমস্যা কমানোও আমাদের লক্ষ্য।

তিনি উল্লেখ করেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন দীর্ঘদিন ধরে অভিভাবকহীন ও অকার্যকর অবস্থায় ছিল। তবে এখন আমরা এটিকে কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করার চেষ্টা করছি। যেখানে সমস্যা হচ্ছে, কেন হচ্ছে এবং কীভাবে দ্রুত সমাধান করা যায়, এসব বিষয়ে আমরা নজর দিচ্ছি।

মো. আব্দুস সালাম আরও বলেন, সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে রাজধানী ঢাকার সব নাগরিক সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়। এজন্য নগরবাসীর দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন। নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে জনগণের অংশগ্রহণ এবং সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি।

তিনি বলেন, সিটি করপোরেশনকে কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা, দ্রুত নাগরিক সেবা প্রদান করা, মশা, ড্রেনেজ, জলাবদ্ধতা এবং সড়কবাতির বিভিন্ন সমস্যা কমানো—এসব বিষয়কে আমরা প্রধান অগ্রাধিকারে ফেলেছি।

ডিএসসিসি প্রশাসক যোগ করেন, নাগরিকদের অভিযোগ শুনতে এলাকার ভিত্তিতে গণশুনানির ব্যবস্থা করেছি। যে কোনও নাগরিক সিটি করপোরেশন কার্যালয়ে এসে সরাসরি অভিযোগ জানাতে পারেন। এছাড়া, একটি অ্যাপ চালু করেছি, যেটির মাধ্যমে নগরের যেকোনো সমস্যা খুব দ্রুত আমাদের জানানো যাবে। গণমাধ্যমে সমস্যা উদ্ভাষণের সঙ্গে সঙ্গেই আমরা তাৎক্ষণিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করি।

এছাড়া, প্রধানমন্ত্রী যে প্রত্যাশা করেছেন, সে অনুযায়ী ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে ‘গ্রিন সিটি, ক্লিন সিটি’ হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদের। শহর পরিষ্কার রাখার জন্য নাগরিকদেরও সহযোগিতা প্রয়োজন।

মো. আব্দুস সালাম বলেন, যানজট এবং রাস্তার হকারদের অব্যবস্থাপনা বড় একটি সমস্যা। বিশেষত, ৫ আগস্টের পর রিকশা এবং হকারের সংখ্যা বৃদ্ধির ফলে ঢাকা শহরের সড়ক ব্যবস্থাপনা অনেকটাই অচল হয়ে পড়েছে।

অটোরিকশার বেপরোয়া চলাচল নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বলেন, হকারদের ব্যবস্থাপনার পর অটোরিকশাকে রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে চারটি জোনে ভাগ করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। যেখানে প্রতিটি জোনে অটোরিকশাগুলি নিজ নিজ জোনের মধ্যে চলাচল করবে।

সঙ্গে সঙ্গে গণপরিবহন ব্যবস্থাপনার বিষয়ে তিনি বলেন, গণপরিবহনকে একটি সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার দাবি তুলেছেন। গণপরিবহন ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলার অভাব ঘটছে, যা ঢাকার যানজটের অন্যতম কারণ। তাই যেখানে-সেখানে বাস পার্কিং করা এবং যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা বন্ধ করতে হবে।

ডেঙ্গু পরিস্থিতির বিষয়ে মো. আব্দুস সালাম জানান, মশা সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করা সম্ভব নয়। মশা নিয়ন্ত্রণের ওপর কাজ চলছে। তবে মশা নিয়ন্ত্রণের কাজে পরিবেশের ক্ষতি করা যাবে না। আমাদের কীটতত্ত্ববিদরা অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারের অনুমতি দেয় না, কারণ এর ফলে পরিবেশ ও অন্যান্য উপকারী কীটপতঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, আমাদের এমনভাবে কাজ করতে হবে যাতে মশা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি পরিবেশও সুরক্ষিত থাকে। গত বছরের তুলনায় এ বছর ডেঙ্গুর প্রকোপ অনেকটা কমেছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে আমরা কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছি, ফলে মশার উপদ্রব আগের তুলনায় কমেছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের পক্ষে মশা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়, নাগরিকদের সচেতন হতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বানারীপাড়া সন্ধ্যা নদীতে রাতের আঁধারে চর কেটে মাটি উত্তোলনের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

হুমায়ুন কবির, বানারীপাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি

রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২১ পি.এম


বানারীপাড়া সন্ধ্যা নদীতে রাতের আঁধারে চর কেটে মাটি উত্তোলনের অভিযোগ
 
বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বুক চিরে বয়ে চলা ঐতিহ্যবাহী সন্ধ্যা নদীতে রাতের আঁধারে চর কেটে মাটি উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। নদীভাঙনে প্রতিবছর যেখানে শত শত মানুষ ঘরবাড়ি ও বসতভিটা হারাচ্ছেন, সেখানে নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সন্ধ্যা নদীর বিভিন্ন এলাকায় দিনের আলো ফুরিয়ে যাওয়ার পর একটি চক্র সক্রিয় হয়ে ওঠে। রাতের আঁধারে নদীর চর কেটে মাটি উত্তোলন করে তা বিভিন্ন ইটভাটায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে নদীতে অবৈধ ড্রেজিংয়ের অভিযোগও রয়েছে।
স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, উত্তোলন করা মাটি কামরুল কাজীর ইটভাটায় নেওয়া হচ্ছে। তবে এ অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে কামরুল কাজীর বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।
নদীভাঙনের সঙ্গে নতুন শঙ্কা
সন্ধ্যা নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙনের সঙ্গে লড়াই করে আসছেন। প্রতিবছর নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ি, বসতভিটা ও ফসলি জমি। অনেক পরিবার হারাচ্ছে তাদের শেষ আশ্রয়টুকুও।
এমন পরিস্থিতিতে নদীর চর কেটে মাটি উত্তোলনের অভিযোগ স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে শঙ্কা তৈরি করেছে। তাদের আশঙ্কা, অপরিকল্পিতভাবে নদীর চর ও তীরবর্তী এলাকা থেকে মাটি উত্তোলন করা হলে নদীর স্বাভাবিক গতিপথ ও তীরের স্থিতিশীলতায় বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। এতে ভবিষ্যতে নদীভাঙনের ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন তারা।
‘কার ছত্রছায়ায় চলছে মাটি উত্তোলন?’
মাটি উত্তোলনের সঙ্গে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কারও সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না—এ নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা রয়েছে। তবে এ বিষয়ে কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, রাতের আঁধারে যদি নিয়মিত নদীর চর কেটে মাটি উত্তোলন করা হয়ে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নজরদারি কোথায়?
কারা মাটি কাটছে, কোথা থেকে মাটি উত্তোলন করা হচ্ছে, কোথায় নেওয়া হচ্ছে এবং এ কাজে কোনো বৈধ অনুমোদন রয়েছে কি না—এসব বিষয় তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
প্রশাসনের কঠোর নজরদারি দাবি
স্থানীয়দের দাবি, সন্ধ্যা নদীর যেসব এলাকায় মাটি উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে, সেসব এলাকায় দ্রুত সরেজমিন তদন্ত করা হোক। একই সঙ্গে নদীতে অবৈধ ড্রেজিং ও চর কাটার বিরুদ্ধে নিয়মিত নজরদারি জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি উঠেছে।
নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের স্বার্থে সন্ধ্যা নদী রক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া এখন সময়ের দাবি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
যে নদী প্রতিবছর মানুষের ঘরবাড়ি ও বসতভিটা কেড়ে নিচ্ছে, সেই নদীর বুক থেকেই যদি রাতের আঁধারে মাটি তুলে নেওয়া হয়—তাহলে এর দায় কার এবং এর পরিণতিই বা কী হবে?
এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে প্রয়োজন প্রশাসনের দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত। সন্ধ্যা নদী রক্ষা করা গেলে শুধু একটি নদী নয়, রক্ষা পাবে নদীপাড়ের অসংখ্য মানুষের জীবন, বসতি ও জীবিকা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কৃষি ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাকৃবিতে আন্তর্জাতিক প্রকল্পের উদ্বোধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বাকৃবি প্রতিনিধি

রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২২ পি.এম


কৃষি ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাকৃবিতে আন্তর্জাতিক প্রকল্পের উদ্বোধন
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, কৃষি শিক্ষার আধুনিকায়ন এবং জলবায়ু-সহনশীল কৃষি ও এগ্রিবিজনেস খাত গড়ে তুলতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) আন্তর্জাতিক প্রকল্প ‘এলগনিং’ এর উদ্বোধন করা হয়েছে।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অফিসে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ‘জলবায়ু সহনশীলতার জন্য কৃষি ও এগ্রিবিজনেস শিক্ষার ভবিষ্যৎ গঠন’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কৃষি ও কৃষিভিত্তিক ব্যবসায় শিক্ষায় জলবায়ু সহনশীলতা নিয়ে আলোচনা হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অর্থায়নে পরিচালিত প্রকল্পটির অন্যতম লক্ষ্য আধুনিক প্রযুক্তি, উদ্ভাবনী শিক্ষাপদ্ধতি ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির মাধ্যমে কৃষি শিক্ষাকে সময়োপযোগী করা।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম। প্রধান অতিথি ছিলেন বাকৃবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার। স্বাগত বক্তব্য দেন কৃষি অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. ইসমত আরা বেগম। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কৃষিতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল কাদের। পরে এলগনিং প্রকল্পের পরিচিতি ও কার্যক্রম তুলে ধরেন প্রকল্প সমন্বয়ক ও কৃষি ব্যবসা ও বিপণন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।

‘কৃষি ও কৃষিভিত্তিক ব্যবসায় শিক্ষায় জলবায়ু সহনশীলতা’ বিষয়ে প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন এনভায়রনমেন্ট সায়েন্স অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মুরাদ আহমেদ ফারুক, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ কামরুজ্জামান এবং সাসটেইনেবল এগ্রিকালচার ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের পরিচালক মো. আব্দুর রউফ। আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন কৃষিতত্ত্ব বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. আহমদ খায়রুল হাসান। এতে অনুষদের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, গবেষক ও প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এশিয়ায় কৃষি উদ্ভাবনকে এগিয়ে নেওয়া এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় কৃষি ও কৃষিভিত্তিক ব্যবসাকে আরও টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল করাই এলগনিং প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। এর আওতায় বাংলাদেশ ও কম্বোডিয়ার পাঁচটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কৃষি ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে উদ্ভাবনী ক্লাস্টার গড়ে তোলা হবে।

তিনি বলেন, গ্রিন ডিল, ডিজিটাল রূপান্তর এবং টেকসই প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রম আধুনিকায়ন, ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ এবং কৃষি ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে অনলাইন ও ব্লেন্ডেড লার্নিং কোর্স চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার বলেন, কর্মপরিবেশে প্রযুক্তি ও নতুন গবেষণাকে সমন্বিত করা অত্যন্ত জরুরি। গবেষণার ধারাকে আরও সমৃদ্ধ করতে প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পারস্পরিক প্রশিক্ষণ ও সফরের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে মূল্যবান তথ্য ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হবে। বাকৃবিতে দক্ষ গবেষক ও বিজ্ঞানীদের শক্তিশালী ভিত্তি রয়েছে। তাঁদের যৌথ যোগাযোগ ও সহযোগিতার মাধ্যমে এ উদ্যোগ থেকে আরও ভালো ফলাফল আসবে বলে আশা করছি।
 

--

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমতলীতে গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২৪ পি.এম


আমতলীতে গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার

মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ মো. শরীফ হাওলাদার (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার বিকেলে আমতলী উপজেলার আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের গাজীপুর বন্দরের চরপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দেশব্যাপী চলমান বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে শনিবার বিকেল ৪টা ৫৫ মিনিটের দিকে আমতলী থানার গাজীপুর পুলিশ ফাঁড়ি ও থানা পুলিশের একটি যৌথ দল অভিযান পরিচালনা করে।

এসআই শওকত হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের দলটি আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের গাজীপুর বন্দরের চরপাড়া এলাকার দন্ত চিকিৎসক নুরুল ইসলাম তালুকদারের নির্মাণাধীন একটি পরিত্যক্ত ভবন এলাকায় অভিযান চালায়।

অভিযানকালে ওই এলাকা থেকে মো. শরীফ হাওলাদারকে আটক করা হয়। পরে তার কাছ থেকে ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার শরীফ হাওলাদার আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের গাজীপুর (উত্তর কান্দা) ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত খলিল হাওলাদারের ছেলে। বর্তমানে তিনি গাজীপুর বাজারের মুদি দোকানি আমানউল্লাহর ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছেন।

আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ মো: ইয়াকুব হোসেন জানিয়েছে, উদ্ধার করা গাঁজা জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরসহ গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। মাদকবিরোধী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই রবিউস সানি, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৩৫
জোহর ১১:৪৯
আসর ০৪:০৭
মাগরিব ০৫:৪৭
ইশা ০৬:৫৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫০ সূর্যাস্ত : ০৫:৪৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%