ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আজ আন্তর্জাতিক চকলেট দিবসে মিষ্টি আয়োজনে জমুক দিন


আজ আন্তর্জাতিক চকলেট দিবসে মিষ্টি আয়োজনে জমুক দিন

আজ ১৩ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক চকলেট দিবস। এই মিষ্টি স্বাদের খাবারকে কেন্দ্র করে সারা বিশ্ব জুড়ে নানা আয়োজন থাকে। দিনটি কেবল চকলেট খাওয়ার জন্য নয়, বরং এর ইতিহাস জানার, বিভিন্ন স্বাদের চকলেট চেখে দেখার এবং প্রিয়জনের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার সুযোগও রয়েছে।

চকলেটের প্রতি ভালোবাসা না থান মানুষের সংখ্যা অনেকটাই কম। দুধ চকলেট, গাঢ় চকলেট কিংবা বিভিন্ন স্বাদের মিষ্টি চকলেট—পছন্দের ধরন ভিন্ন হলেও চকলেট আমাদের মধ্যে অনেকের কাছে বিশেষ এক আনন্দের খাবার হয়ে ওঠে।

আন্তর্জাতিক চকলেট দিবসে ঘরেই আয়োজন করা যেতে পারে একটি ছোট্ট চকলেট আসর। দুধ চকলেট, গাঢ় চকলেট এবং ভিন্ন মাত্রার কোকোযুক্ত চকলেটকে ছোট ছোট টুকরো করে সাজানো যেতে পারে।

আরও পড়ুন: আলু সংরক্ষণের আগে ভালোভাবে শুকিয়ে নিন

প্রতিটি টুকরো খাওয়ার পর পানি বা সাদামাটা বিস্কুট নিয়ে খেলে স্বাদের পার্থক্য বোঝা সহজ হয়। কোন টুকরোটিতে ফলের মতো স্বাদ রয়েছে, কোনটিতে তেতো ভাব আছে অথবা কোনটিতে মিষ্টি ও মোলায়েম স্বাদ—এভাবে সবাই নিজের পছন্দের চকলেট বেছে নিতে পারবেন।

আজকের এই দিনে শিশুদের রান্নাঘরের সঙ্গে পরিচিত করার জন্য ভালো সময়। চকলেট, বাদামের মাখন ও ওটস দিয়ে সহজেই তৈরি করা যায় চকলেটের ছোট বল। গলানো চকলেটের সঙ্গে বাদামের মাখন ও ওটস মিশিয়ে ছোট ছোট বল বানিয়ে কিছুক্ষণ ঠান্ডা করে নিলেই তৈরি হয়। শিশুরা ওটস গোনা, মিশ্রণ নেড়ে দেওয়া কিংবা বলের ওপর নকশা করার মতো কাজগুলো করতে পারে। বড় শিশুরা উপকরণ মাপা ও সময় ঠিক রাখার দায়িত্ব নিতে পারে।

তবে যদি কারও জন্য কোনো খাবারে অ্যালার্জি বা বিশেষ খাদ্য সমস্যা থাকে, তাহলে উপকরণের তালিকা দেখে নেওয়া প্রয়োজন। প্রয়োজনে আলাদা পাত্র ও রান্নার জায়গা ব্যবহার করা ভালো।

চকলেটের মিষ্টি স্বাদের সঙ্গে নোনতা বাদামের মচমচে স্বাদও বেশ ভালোভাবে মিলে যায়। তাই চকলেটের পাশে অল্প নোনতা বাদাম রাখা যেতে পারে। কিন্তু যদি কোন কারণে বাদাম উপযোগী না হয়, তাহলে বাদামকে এড়িয়ে চলাই ভালো। বাড়তি চকলেটের মিষ্টি পরিচিতজন বা প্রতিবেশীর সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া যেতে পারে। উপকরণের তালিকা লিখে দিলে তা সহায়ক হবে।

দিনের শেষে পরিবারের সবাই মিলে বসে কোনো প্রিয় গল্পের বই পড়া যেতে পারে। শিশুদের নিয়ে গল্পের চরিত্রগুলোর সংলাপ অভিনয় করে পড়লেও আনন্দের পরিবেশ তৈরি হবে। গল্প পড়ার সময় শেষ চকলেটের টুকরোটি খাওয়ার জন্য রেখে দিতে পারেন। এতে রান্নাঘরের ব্যস্ততার পর দিনের শেষটিও হতে পারে শান্ত ও আনন্দময়।

চকলেট দিবসের শুরু যেভাবে হয়েছিল, তা অভিজ্ঞান অনুযায়ী কয়েক হাজার বছরের পুরোনো ইতিহাস রয়েছে। দক্ষিণ মেক্সিকো অঞ্চলের প্রাচীন জনগণের মধ্যে কোকো বীজ থেকে পানীয় তৈরি করা হতো প্রায় চার হাজার বছর আগে। তখন চকলেট ছিল বিশেষ ও মূল্যবান খাবার। অন্যান্য সামাজিক ও ধর্মীয় আচারেও এর ব্যবহার ছিল।

মায়া ও আজটেকদের মধ্যে কোকো বীজের ব্যবহার আরও প্রসারিত হয়। কোনো এক সময় কোকো বীজ বিনিময়ের মাধ্যম হিসাবেও ব্যবহৃত হতে থাকে। মায়ারা চকলেটকে দেবতাদের পানীয় হিসাবে দেখতো।

প্রায় ষোড়শ শতকে চকলেট ইউরোপে আসে। পরে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে চকলেটের দোকান জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। চকলেট তৈরির প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে তা সাধারণ মানুষের জন্যও সহজলভ্য হয়ে যায়।

উনিশ শতকের মাঝামাঝি থেকে শেষভাগে ইউরোপে চকলেটের বার তৈরি ও বিক্রি শুরু হয়। এরপর ধীরে ধীরে কেক, বিস্কুট, মিষ্টি, পানীয়সহ নানা খাবারে চকলেটের ব্যবহার ছড়িয়ে পড়ে।

চকলেট কেবল মিষ্টান্ন তৈরিতেই ব্যবহৃত হয় না বরং কিছু রান্নায় গাঢ় চকলেট বা কোকোও ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন মাংসের খাবার, ঝোল, সালাদ ও অন্যান্য পদেও বিশেষ স্বাদ আনতে চকলেট ব্যবহার করা সম্ভব।

এছাড়া চকলেট দিয়ে কেক, ব্রাউনি, বিস্কুট, কাপকেক কিংবা চুলা ছাড়াই নানারকম খাবার তৈরি করা যায়।

আন্তর্জাতিক চকলেট দিবস তাই কেবল চকলেট খাওয়ার উপলক্ষ নয়। প্রিয় খাবারটির ইতিহাস জানা, নতুন স্বাদ চেখে দেখা, নিজের হাতে কিছু তৈরি করা এবং পরিবারের সদস্য ও বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার একটি সুন্দর সুযোগ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়তে এভিয়েশন খাত শক্তিশালী করা হচ্ছে : বিমানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:২৪ পি.এম


ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়তে এভিয়েশন খাত শক্তিশালী করা হচ্ছে : বিমানমন্ত্রী

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতি ট্রিলিয়ন ডলারে রূপান্তরের লক্ষ্যে এভিয়েশন খাতকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাবে পরিণত করতে সরকার কাজ করছে।

তিনি উল্লেখ করেন, দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় এভিয়েশন খাতের ভূমিকা অনস্বীকার্য। বিমানবন্দরগুলো দেশের প্রবেশদ্বার এবং রাষ্ট্রের আয়নার মতো। এজন্য বিমানবন্দরগুলোর পরিকল্পিত উন্নয়নের জন্য এভিয়েশন মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা হচ্ছে।

রাজধানীর ইউনাইটেড কনভেনশন হলে বণিক বার্তা আয়োজিত এভিয়েশন খাতের সম্ভাবনা, নীতিগত সংস্কার ও ভবিষ্যৎ করণীয় বিষয়ক পলিসি কনক্লেভে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আজ এসব তথ্য তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। এভিয়েশন খাতের বিভিন্ন অংশীজনদেরও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে দেখা গেছে।

বিমানমন্ত্রী এসময় উল্লেখ করেন, প্রায় ৪২ বছর পর সিভিল এভিয়েশন রুলস-১৯৮৪ সংশোধন করে নতুন ‘সিভিল এভিয়েশন রুলস-২০২৬’ প্রণয়ন করা হচ্ছে। নতুন বিধিমালায় ব্যবসা ও বেসরকারি বিনিয়োগবান্ধব করার পাশাপাশি যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন এবং বেসামরিক বিমান চলাচলের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় বিধান রাখা হবে।

তিনি এয়ারলাইন্স প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আপনারাই আমাদের মূল অংশীজন।’ বিনিয়োগ সহজীকরণে নতুন বিধিমালা প্রণয়নের ক্ষেত্রে এয়ারলাইন্সগুলোর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা আবশ্যক।

মন্ত্রী আরও জানান, বেসরকারি এয়ারলাইন্সগুলোর সুবিধা বিবেচনায় নিয়ে বিমান রক্ষণাবেক্ষণ-সংক্রান্ত বিধান সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া, উড়োজাহাজের জটিল যন্ত্রাংশের রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত ও ওভারহলের ক্ষেত্রে বিদ্যমান জটিলতা নিরসনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বললেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় একটি ভঙ্গুর ও বিশৃঙ্খল এভিয়েশন খাত পেয়েছে। বিমানবন্দর ও বিমানসেবায় যাত্রী হয়রানির নানা অভিযোগও ছিল। এসব হয়রানি কমানো সরকারের অন্যতম লক্ষ্য বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি আরও বলেন, সেবার মানোন্নয়নে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সঙ্গে দ্বিতীয় গ্রাউন্ড হ্যান্ডলার নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দেশি-বিদেশি এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আন্তর্জাতিক মানের রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত ও ওভারহল (এমআরও) ইউনিট স্থাপন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, বেসরকারি উদ্যোগে বেসামরিক বিমানবন্দর স্থাপন ও বিদ্যমান বিমানবন্দর সম্প্রসারণের প্রক্রিয়া সহজীকরণেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন, সরকারি উদ্যোগগুলোর বাস্তবায়নে সময় প্রয়োজন। এভিয়েশন খাতের উন্নয়নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সহযোগিতা প্রয়োজন বলে তিনি জানান।

গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানানোর সময় তিনি বলেন, বিমানবন্দরসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপতথ্য প্রচার হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে বণিক বার্তাসহ দেশের গণমাধ্যমগুলোকে অপতথ্য এবং বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিরুদ্ধে আরও সতর্ক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী এবং দায়িত্বশীল ও স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

অনুষ্ঠানে এভিয়েশন খাতের বিদ্যমান সমস্যা, সম্ভাবনা এবং এসব সমস্যা সমাধানে করণীয় নিয়ে অংশীজনেরা বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বানারীপাড়ায় বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

হুমায়ুন কবির, বানারীপাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি

রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:২৭ পি.এম


বানারীপাড়ায় বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত

 

বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলা পরিষদ পুকুরে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের আওতায় বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বরিশাল-২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনের সংসদ সদস্য সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু।
 
এর আগে বিকেল ৩টার দিকে উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে এসে উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন সংসদ সদস্য সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু।
 
পরে আসন্ন ইলিশ রক্ষা অভিযান নিয়ে আলোচনাকালে তিনি বলেন, ইলিশের প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষা করা সবার দায়িত্ব। ইলিশের প্রজননকালে মাছ ধরা বন্ধে সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নিতে তিনি উপজেলা মৎস্য দপ্তরকে নির্দেশ দেন।
 
তিনি আরও বলেন, ইলিশ বাংলাদেশের জাতীয় মাছ। এই মাছের প্রজনন ও বংশবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে জেলে ও সাধারণ মানুষকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে। ইলিশ রক্ষায় সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
 
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ বায়েজিদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নিলুফার ইয়াসমিন রজনী, উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা তনয় সিংহ, সমাজসেবা কর্মকর্তা পার্থ সারথী দেউরি, বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ শাহে আলম মিয়া, সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ মৃধা, পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ ইমরান হোসেন, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান জুয়েল, পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আহসান কবির নান্না হাওলাদার, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সবুর খান, সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল আমিন মল্লিক।
 
এ ছাড়া উপজেলা যুবদলের সভাপতি মোঃ সাব্বির হোসেন সুমন হাওলাদার, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল আলম রিপন ও ফারুক হোসেন মল্লিক, উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রিয়াজ ফকির, উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, পৌর প্রেসক্লাবের সভাপতি ইলিয়াস শেখ, সাধারণ সম্পাদক শুভ মোঘল, উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি খসরু নোমান নান্নু মৃধা, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ পলাশ, উপজেলা প্রেসক্লাবের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাইদুল ইসলাম শফিক, সদস্য মাসুদ হাওলাদার, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক রুবেল হাওলাদারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পৌরসভার সকল সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করতে এবার নির্বাচনে লড়বেন যুবদল নেতা হারুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি

রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:২৮ পি.এম


পৌরসভার সকল সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করতে এবার নির্বাচনে লড়বেন যুবদল নেতা হারুন
বগুড়ার নন্দীগ্রাম পৌরসভার সকল সুযোগ সুবিধা জনগনের দরগোড়ায় পৌছে দেওয়ার অঙ্গীকার নিয়ে এবার পৌর নির্বাচনে লড়বেন যুবদল নেতা মো, হারুন বাদশা। তিনি পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডে কমিশনার পদে নির্বাচন করবেন।
 
রবিবার (১৩ই সেপ্টেম্বর) বিকেলে সাংবাদিকদের তিনি তার পরিকল্পনার কথা জানান।
 
তিনি বলেন, প্রথম শ্রেনীর পৌরসভা হিসেবে যে সকল সুযোগ সুবিধা পাওয়ার কথা তা থেকে বঞ্চিত পৌরবাসী। চলছে পৌর সেবার নামে শুধুই প্রতারনা। তিনি উল্লেখ করেন, প্রথম শ্রেনীর পৌরসভা জনস্বার্থে যে সকল কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকেন যেমন, রাস্তাঘাট ও উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, আলোর ব্যবস্থা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, জনস্বাস্থ্য ও স্যানিটেশন, জননিরাপত্তা ইত্যাতি। আর এসব যেন পৌরবাসীর জন্য শুধুই শুভঙ্করের ফাঁকি। সুতরাং ওয়ার্ডের একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমার ওয়ার্ডের সকল জনগন যেন তাদের প্রাপ্য অধিকার ফিরে পায় তা নিশ্চিত করতেই আমার নির্বাচনে অংশ নেয়া।
 
ওয়ার্ড বাসী জানান, যুবদল নেতা হারুন বাদশার মতো ন্যায়-নিষ্ঠাবান প্রতিবাদী যুবক যদি নির্বাচনে আসে এবং নির্বাচিত হয় তাহলে অবশ্যই ওয়ার্ডের সার্বিক উন্নয়ন হবে। সেই সাথে প্রথম শ্রেনীর পৌরসভার বাসিন্দা হিসেবে আমাদের সকলের প্রাপ্য অধিকার নিশ্চিত হবে।
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুড়িগ্রামে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:২৯ পি.এম


কুড়িগ্রামে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা

কুড়িগ্রামে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সভায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে মতামত ও পরামর্শ তুলে ধরা হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি, জেলা পরিষদের প্রশাসক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, সিভিল সার্জন ডা. স্বপন কুমার বিশ্বাস, অ্যাডভোকেট বজলুর রশিদ (পি.পি.), কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম বেবু, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী রীমা আক্তার এবং সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরিফুল ইসলাম।

এ ছাড়া সভায় জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা স্বপন কুমার রায় চৌধুরী, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মুহা. হুমায়ুন কবির, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক আবদুর রাজ্জাক রনি, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. হাবিবুর রহমান, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক (অ. দা.) জয়ন্তী রানী এবং নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা রাকিবুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি শফি খান ও সাধারণ সম্পাদক মাহফুজার রহমান, ২২ বিজিবির প্রতিনিধি, গোয়েন্দা বিভাগের প্রতিনিধি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এবং মুক্তিযোদ্ধা প্রতিনিধি।

সভায় জেলার বিদ্যমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সীমান্তে চোরাচালান, মাদক প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ, জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসক সংকট, শিক্ষা, সড়ক উন্নয়ন, জানজট নিরসন সহ বিদ্যমান সার সংকট নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সভায় জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, রাজনৈতিক দল, গণমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই রবিউস সানি, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৩৫
জোহর ১১:৪৯
আসর ০৪:০৭
মাগরিব ০৫:৪৭
ইশা ০৬:৫৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫০ সূর্যাস্ত : ০৫:৪৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%