রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:২৯ পি.এম
কুড়িগ্রামে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সভায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে মতামত ও পরামর্শ তুলে ধরা হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি, জেলা পরিষদের প্রশাসক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, সিভিল সার্জন ডা. স্বপন কুমার বিশ্বাস, অ্যাডভোকেট বজলুর রশিদ (পি.পি.), কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম বেবু, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী রীমা আক্তার এবং সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরিফুল ইসলাম।
এ ছাড়া সভায় জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা স্বপন কুমার রায় চৌধুরী, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মুহা. হুমায়ুন কবির, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক আবদুর রাজ্জাক রনি, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. হাবিবুর রহমান, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক (অ. দা.) জয়ন্তী রানী এবং নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা রাকিবুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি শফি খান ও সাধারণ সম্পাদক মাহফুজার রহমান, ২২ বিজিবির প্রতিনিধি, গোয়েন্দা বিভাগের প্রতিনিধি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এবং মুক্তিযোদ্ধা প্রতিনিধি।
সভায় জেলার বিদ্যমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সীমান্তে চোরাচালান, মাদক প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ, জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসক সংকট, শিক্ষা, সড়ক উন্নয়ন, জানজট নিরসন সহ বিদ্যমান সার সংকট নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, রাজনৈতিক দল, গণমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর সঙ্গে নতুন সংঘর্ষের ঘটনায় রোববার সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের একটি সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা। খবরটি জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। একই সময়ে নতুন লড়াই শুরু হওয়ায় ইয়েমেনে অধিক সংখ্যক বেসামরিক মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হচ্ছে। হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলীয় শারুরাহ সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে। সেখানে অস্ত্রের গুদাম এবং হুতিদের ভাষায়, 'আমাদের দেশ ও জনগণের বিরুদ্ধে আগ্রাসন পরিচালনাকারী কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রগুলোকে' লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। ইরান-সমর্থিত হুতি এবং সৌদি আরবের সমর্থনপুষ্ট ইয়েমেনি সরকারি বাহিনীর মধ্যে চলতি সপ্তাহে সংঘর্ষ আরও বেড়েছে। শনিবার সরকারি বাহিনী জানায়, তারা লোহিত সাগরের বন্দরনগরী মোচায় হুতি যোদ্ধাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। পরে তারা দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আরও কয়েকটি হুতি অবস্থানকে লক্ষ্য করেও হামলা চালিয়েছে। ইয়েমেনের সামরিক বাহিনী রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানায়, তাইজ অঞ্চলে হুতিদের অবস্থান ও ব্যারাকে তিনটি বিমান হামলা চালানো হয়েছে। এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, গত সপ্তাহে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান দুইবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ফোন করে হুতিদের ওপর হামলা চালানোর অনুরোধ করেছিলেন। তবে প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ট্রাম্প সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেন। লোহিত সাগর উপকূল বর্তমানে হুতিদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। নতুন করে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষের পূর্বে হুতিরা এক সপ্তাহ ধরে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালাচ্ছিল। এর ফলে তারা ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলের বাকি অংশ ও কয়েকটি কৌশলগত দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার সক্ষমতা অর্জন করেছে। এর মাধ্যমে লোহিত সাগরের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মান্দাব প্রণালীতে হুতিদের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী হয়েছে। ইরান হরমুজ প্রণালী অবরোধ করে উপসাগরীয় অঞ্চল দিয়ে তেল পরিবহন অনেকটাই বন্ধ করে দেওয়ার পর সৌদি আরবের জন্য বাব আল-মান্দাব ও লোহিত সাগর একটি গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি পথ হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি হুতিরা সৌদি আরবের লোহিত সাগর উপকূলের بندরগুলোকে লক্ষ্য করে নিজেদের সামুদ্রিক অবরোধ ঘোষণা করেছে। ইয়েমেনের সরকারি বার্তা সংস্থা সাবা শনিবার জানায়, মোচা বন্দরের কাছে সরকারি বাহিনী হুতিদের কয়েকটি যান ও অস্ত্র ধ্বংস করেছে এবং কয়েকজন যোদ্ধাকে হত্যা করেছে। বাহিনীর একজন মুখপাত্রের বরাত দিয়ে সংস্থাটি আরও জানায়, শহরের আশপাশে হুথিদের কয়েকটি অবস্থানকে লক্ষ্য করেও হামলা চালানো হয়েছে। এদিকে হুথিরা শনিবার সন্ধ্যায় জানিয়েছে, গত ৪৮ ঘণ্টায় সৌদি আরবের বিমানবাহিনী তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতে ১২৯টি বিমান হামলা চালিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রোববার, দুই দিনের আয়ারল্যান্ড সফরের শেষ দিনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গলফ খেলা ও নিজের ব্যবসায়িক স্বার্থের প্রচারে মনোযোগ দিচ্ছেন।
এদিকে, সফরের প্রথম দিনেই ট্রাম্পের তাৎক্ষণিক ও অনানুষ্ঠানিক কূটনৈতিক মন্তব্য নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
শনিবার আইরিশ সরকার এবং প্রতিবেশী মিত্র যুক্তরাজ্যকে অনেকটা অপ্রস্তুত করে দিয়ে ট্রাম্প অত্যন্ত স্পর্শকাতর রাজনৈতিক বিষয়ে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, আয়ারল্যান্ডকে ঐক্যবদ্ধ অবস্থায় দেখতে তিনি ‘খুবই আগ্রহী’।
ঐতিহাসিকভাবে স্পর্শকাতর এই অবস্থানে ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের নিরপেক্ষতা থেকে সরে এসে ট্রাম্প বলেন, এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে আলাদা থাকা আয়ারল্যান্ড প্রজাতন্ত্র ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের পুনরেকত্রীকরণ শেষ পর্যন্ত ঘটবেই।
ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পর উত্তর আয়ারলینڈের যুক্তরাজ্যপন্থী গোষ্ঠীগুলো এবং ব্রিটেনের কয়েকজন শীর্ষ রাজনীতিকের কাছ থেকে প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়।
বিতর্কিত এই মন্তব্যের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ট্রাম্প পশ্চিম উপকূলের ডুনবেগে পৌঁছান। সেখানে তার পারিবারিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের মালিকানাধীন গলফ কোর্সে অনুষ্ঠিত হচ্ছে আইরিশ ওপেন।
সফরের মূল কারণ হলো এই গলফ টুর্নামেন্ট। রবিবার তিনি সেখানে উপস্থিত থাকবেন এবং পরে ওয়াশিংটনের উদ্দেশে আয়ারল্যান্ড ছাড়বেন।
শনিবারের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মার্টিন ট্রাম্পকে জানান, ডুনবেগের ৭৮৪ জন বাসিন্দা ২০১৪ সালে ট্রাম্প অর্গানাইজেশন এলাকাটি কিনে বিনিয়োগ করায় ‘খুবই কৃতজ্ঞ’। মার্টিন ওই এলাকায় ট্রাম্প ও তার পরিবারের সদস্যদেরকে স্বাগত জানান।
আয়ারল্যান্ডের এই প্রত্যন্ত এলাকায় মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে রয়েছেন তার দুই ছেলে এরিক ও ডন জুনিয়র। গত বছর ৮০ বছর বয়সী তাদের বাবা ট্রাম্প আবার হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার পর থেকে তারা পারিবারিক ব্যবসার দায়িত্ব পরিচালনা করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রিয় তারকার প্রতি অনুরাগীদের ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশে কতটা ভিন্নতা থাকতে পারে, তারই নজির মিলেছে ভারতীয় অভিনেত্রী শেহনাজ গিলের এক ভক্তের কাণ্ডে। ওই অনুরাগী তার প্রিয় অভিনেত্রীর মুখের ছবি বুকে ট্যাটু করিয়েছেন।
শুধু তা-ই নয়, ওই ট্যাটু দেখাতে শেহনাজের সামনে হাজির হন তিনি। বিষয়টি দেখে অভিনেত্রী যথেষ্ট চমকে যান।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ওই ভক্ত পাঞ্জাবি ভাষায় শেহনাজের সঙ্গে কথা বলছেন। এ সময় তার বুকের ট্যাটুটি শেহনাজের চোখে পড়ে।
শেহনাজ কৌতূহলী হয়ে প্রশ্ন করেন, ‘তুমি এই ট্যাটুটা কেন করালে?’
জবাবে ভক্তটি বলেন, ‘আমি আপনার ভক্ত।’ তখন শেহনাজ বলেন, ‘আমি জানি তুমি আমার ভক্ত, কিন্তু…’। তবে তার কথা শেষ হওয়ার আগেই অন্যদিকে মন চলে যায় অভিনেত্রীর। পরে তিনি ওই ভক্তকে ধন্যবাদ জানান, এমনকি তার হাতও ধরেন।
ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর শেহনাজের ভক্তদের মধ্যে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। একজন নেটাগরিক লিখেছেন, ‘এর আগে হাতে ট্যাটু করিয়েছিল। তখন শেহনাজ বলেছিলেন, ‘যা করেছ ঠিক আছে, খুব ভালো। কিন্তু হৃদয়ে আর ট্যাটু করিও না।’ কিন্তু তিনি দেখছি শেহনাজের কথা একটাও শোনেননি।’
অন্য এক নেটাগরিক লিখেছেন, ‘এক সময় শেহনাজ নিজে (করণ) আউজলার ট্যাটু করিয়েছিলেন। আর আজ মানুষ শেহনাজের ট্যাটু করাচ্ছে।’
আরেকজনের মন্তব্য, ‘কী সুন্দর এবং সাহসী একটি পদক্ষেপ! শেহনাজ সত্যিই ভাগ্যবতী।’ সব মিলিয়ে ওই ভক্তের কাণ্ডে স্পষ্ট, শেহনাজের প্রতি তার ভালোবাসা কতটা গভীর।
এদিকে শেহনাজের সাম্প্রতিক সিনেমা ‘সিং ভার্সেস কৌর ২’ গত শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর মুক্তি পেয়েছে। খবর অনুযায়ী, ভারতে মুক্তির প্রথম দিনে ছবিটি ৩৫ লাখ রুপি আয় করেছে। এখন দেখা যাক সপ্তাহান্তে ছবিটি কেমন ব্যবসা করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার (লিগ্যাল এইড) অধীনে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিস এর মাধ্যমে মোট ৩,৪৮৩টি মামলায় আইনি সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
২০০৯ সাল থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট মাস পর্যন্ত লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে আইনি সহায়তার বিস্তারিত তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, দেশের ৬৪ জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে ৪ লাখ ৭৪ হাজার ৭১৫টি মামলা এবং ঢাকা ও চট্টগ্রাম শ্রমিক আইনগত সহায়তা সেলের মাধ্যমে ৪ হাজার ৭০৮টি মামলায় আইনগত সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
সব মিলিয়ে, সরকারি খরচে অস্বচ্ছল বিচারপ্রার্থীদের ৪ লাখ ৮২ হাজার ৯০৬ মামলায় আইনি সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
দেশের ৬৪টি জেলা লিগ্যাল এইড অফিস, সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিস, ঢাকা ও চট্টগ্রাম শ্রমিক আইনগত সহায়তা সেল, এবং সরকারি আইনি সহায়তা জাতীয় হেল্পলাইন কল সেন্টারের (টোল ফ্রি-‘১৬৬৯৯’) মাধ্যমে কারাবন্দিদের এই আইনি সেবা প্রদান করা হচ্ছে।
দেশে আর্থিকভাবে অসচ্ছল এবং অসমর্থ বিচারপ্রার্থীদের আইনি সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইনের’ অধীনে সরকারি খরচে এই সেবা প্রদান করা হয়।
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের অধীনে জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ