রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৪৭ পি.এম
জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার (লিগ্যাল এইড) অধীনে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিস এর মাধ্যমে মোট ৩,৪৮৩টি মামলায় আইনি সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
২০০৯ সাল থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট মাস পর্যন্ত লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে আইনি সহায়তার বিস্তারিত তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, দেশের ৬৪ জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে ৪ লাখ ৭৪ হাজার ৭১৫টি মামলা এবং ঢাকা ও চট্টগ্রাম শ্রমিক আইনগত সহায়তা সেলের মাধ্যমে ৪ হাজার ৭০৮টি মামলায় আইনগত সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
সব মিলিয়ে, সরকারি খরচে অস্বচ্ছল বিচারপ্রার্থীদের ৪ লাখ ৮২ হাজার ৯০৬ মামলায় আইনি সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
দেশের ৬৪টি জেলা লিগ্যাল এইড অফিস, সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিস, ঢাকা ও চট্টগ্রাম শ্রমিক আইনগত সহায়তা সেল, এবং সরকারি আইনি সহায়তা জাতীয় হেল্পলাইন কল সেন্টারের (টোল ফ্রি-‘১৬৬৯৯’) মাধ্যমে কারাবন্দিদের এই আইনি সেবা প্রদান করা হচ্ছে।
দেশে আর্থিকভাবে অসচ্ছল এবং অসমর্থ বিচারপ্রার্থীদের আইনি সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইনের’ অধীনে সরকারি খরচে এই সেবা প্রদান করা হয়।
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের অধীনে জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের একটি সামরিক ঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন ব্যবহার করে সফল হামলা চালানোর দাবি করেছে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতি।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ভোরে গোষ্ঠীটির পক্ষ থেকে এই সামরিক অভিযানের দাবি জানানো হয়। তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদোলুর এক প্রতিবেদনে উক্ত তথ্য উঠে এসেছে।
হুতি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি এক বিবৃতিতে জানান, ইয়েমেনের বিভিন্ন অঞ্চলে সৌদি জোটের অব্যাহত বিমান ও সামরিক হামলার জবাবেই তারা এই পাল্টা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। রিয়াদ যদি তাদের সামরিক তৎপরতা বন্ধ না করে, তাহলে তারা সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ সীমানার আরও গভীরে বড় ধরনের হামলা চালানোর ব্যাপারে হুঁশিয়ারি দেন।
তবে হুতিদের এই সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলার দাবি সম্পর্কে সৌদি সরকারি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
এছাড়া, শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সৌদি আরবের সিভিল ডিফেন্স দপ্তর জানায়, দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় জাজান অঞ্চলের আল-তুওয়াল গভর্নরেটে সীমান্ত পেরিয়ে আসা একটি প্রজেক্টাইল আঘাত হানে। এ হামলায় দুজন সাধারণ নাগরিক আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। বিস্ফোরণের প্রভাবে স্থানীয় একটি মসজিদ, একাধিক আবাসন ভবন ও বেশ কয়েকটি যানবাহনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসলামি লেবাসধারী জামায়াত রাজনীতিতে আসার জন্য গোপনে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তি ও সমঝোতা করছে বলে অভিযোগ করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম (চরমোনাই পীর)।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলা মুক্তমঞ্চে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আয়োজিত পথসভায় বক্তব্যকালে তিনি এসব কথা বলেন।
বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে মুফতি রেজাউল করিম বলেন, ইসলামি পোশাক ও পরিচয় ব্যবহার করে কিছু রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা করছে। রাজনীতিতে আসার জন্য তারা গোপনে ভারত ও আমেরিকার সঙ্গে চুক্তি ও কমিটমেন্ট করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, ইসলামি লেবাস পরলেই ইসলামি আদর্শের রাজনীতি হয় না। মানুষের কল্যাণ, ন্যায়নীতি ও জনগণের পাশে থাকার মাধ্যমে প্রকৃত আদর্শের পরিচয় দিতে হয়।
চরমোনাই পীর আরও বলেন, করোনার কঠিন সময়ে মানুষ যখন অসহায় হয়ে পড়েছিল, তখন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতাকর্মীরা মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। জনগণের বিপদের সময় দলটির নেতাকর্মীরা মাঠে থেকে সহযোগিতা করেছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কর্মকাণ্ড তুলে ধরে তিনি বলেন, তাঁদের দলের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ঘুষ, দুর্নীতি কিংবা সন্ত্রাসের অভিযোগ কেউ প্রমাণ করতে পারবে না। দীর্ঘদিন ধরে জনগণের পাশে থেকে দলটি রাজনীতি করে আসছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
দেশের রাজনীতিতে দুর্নীতি, অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তুলে মুফতি রেজাউল করিম বলেন, যারা ইসলামের নাম ও পোশাক ব্যবহার করে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে, তাদের ব্যাপারে জনগণকে সতর্ক থাকতে হবে।
তিনি দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ইসলামী আদর্শ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করার আহ্বান জানান। দুর্নীতিমুক্ত, চাঁদাবাজিমুক্ত ও সন্ত্রাসমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এর আগে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে নাগেশ্বরীতে এক নির্বাচনী জনসভায়ও মুফতি রেজাউল করিম বিএনপি ও জামায়াতকে বাদ দিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকেই পূর্ণাঙ্গ ইসলাম প্রতিষ্ঠার দাবিদার হিসেবে তুলে ধরেছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনের হুতিদের সাম্প্রতিক হামলার বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্য সৌদি আরবের পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছে। তারা বলেছে, সৌদি আরবের বেসামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনায় হুতিদের হামলা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য গুরুতর একটি হুমকি তৈরি করছে।
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের এক বৈঠকে যুক্তরাজ্যের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি কেট ফস্টার বলেন, ইয়েমেনে আবারও সংঘাত শুরু করার জন্য এবং সৌদি আরবের ওপর ধারাবাহিক হামলার জন্য হুতিদের তীব্র নিন্দা জানায় ব্রিটেন। তিনি একই সঙ্গে সৌদি আরবের আত্মরক্ষার অধিকারকে সমর্থন করার কথা জানান।
ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, হুতিদের অবিলম্বে হামলা বন্ধ করতে হবে। বিশেষ করে সৌদি আরবের বেসামরিক জনগণ এবং জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে চালানো হামলা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে লন্ডন।
সম্প্রতি সৌদিতে হামলায় হতাহতের সংখ্যা অন্তত ৭৩ জন। ইয়েমেনের হুতিদের হামলা বেড়েছে সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকায়। সৌদি কর্তৃপক্ষের হিসাবে, এসব হামলায় অন্তত ৭৩ জন আহত হয়েছেন। কয়েকটি বেসামরিক ও জ্বালানি স্থাপনাতেও আগুন এবং ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। সৌদি আরবের অভিযোগ হচ্ছে, ইয়েমেনভিত্তিক ইরান-সমর্থিত হুতিরা দেশটির বেসামরিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে। রিয়াদ জানিয়েছেন, নিজেদের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
হুতিদের নতুনভাবে সক্রিয় হয়ে ওঠা শুধুই সৌদি আরবের জন্য নয়, বরং পুরো মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির জন্য উদ্বেগ বাড়িয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে হুতিরা ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূল ধরে দ্রুত অগ্রসর হয়ে কৌশলগত বাব আল-মানদেব প্রণালির কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল নিয়ে নতুন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এরই মধ্যে সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ ইস্ট-ওয়েস্ট তেল পাইপলাইনে ড্রোন হামলার পর সেটির কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে। ওই পাইপলাইন হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে সৌদি তেল রপ্তানির একটি গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প পথ। একই সময়ে বাব আল-মানদেব এবং হরমুজ— দুটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ আরও তীব্র হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের এই অবস্থান এমন সময়ে এলো, যখন ইয়েমেনে হুতিদের অগ্রযাত্রা এবং সৌদি আরবের ওপর ধারাবাহিক হামলা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটকে আরও বিস্তৃত করার আশঙ্কা তৈরি করেছে। ব্রিটেন বলছে, এই পরিস্থিতিতে বেসামরিক জনগণ ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষা জরুরি।
তথ্য সূত্র- গভ.ইউকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নির্বাহী প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মো. অলিউল ইসলাম ও মোস্তফা হোসাইন ফুয়াদ সহ দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের কথায় চলছে গৃহায়নের চেয়ারম্যান ফেরদৌসী বেগম। তাঁর দপ্তরের সিদ্ধান্ত ও কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ। জামায়াতের এজেন্ডা বাস্তবায়নে যারা তাকে সমর্থন দিচ্ছেন তারা তার চোখের মনি। জাতীয় গৃহায়ন যেন তার পৈতৃক সম্পত্তি ভাবছেন চেয়ারম্যান। গণপূর্ত সচিবের সাথে দন্ধ, প্রাক্তন সচিব নজরুলের দিকনির্দেশনায় দপ্তর চালাচ্ছেন এবং মন্ত্রীর সাথে তার উঠাবসা জোর গলায় বলে বেড়াচ্ছেন চেয়ারম্যান ফেরদৌসী।
খোজ নিয়ে জানা যায়, নির্বাহী প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মো. অলিউল ইসলামে যিনি চেয়ারম্যান ফেরদৌসী বেগমের আস্থাভাজন হিসেবে স্বীকৃত, অফিস চলাকালীন সময়ে সার্বক্ষনিক চেয়ারম্যান দপ্তরে উপস্থিত থাকা এবং চেয়ারম্যান ফেরদৌসী বেগমের সাথে মন্ত্রণালয়ে সরকারী গাড়ীতে যাওয়া আসা প্রমান করে, তিনি চেয়ারম্যান ফেরদৌসী বেগমের আস্থাভাজন। নির্বাহী প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মো. অলিউল ইসলাম ও মোস্তফা হোসাইন ফুয়াদের ভূমি শাখায় পদায়ন ও গুরত্বপূর্ণ কাজ পাইয়ে দেয়ায় ভূমিকা রাখেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
নির্বাহী প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মো. অলিউল ইসলামের বিষয়ে খোজ নিয়ে জানা যায়, তিনি দুদক কর্তৃক দুর্নীতির মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে অভিযুক্ত এবং মামলা চলমান থাকা অবস্থায় মো. অলিউল ইসলামকে নির্বাহী প্রকৌশলী প্লানিং এর চলতি দায়িত্ব দেন চেয়ারম্যান ফেরদৌসী।
২৬ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিঃ আদেশে মোহাম্মাদ হাবিবুর অতিরিক্ত (সচিব) কে চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেলেও কোন ক্ষমতা বলে মাত্র ৩ দিনের মাথায় পূনর্বহাল হয় চেয়ারম্যান ফেরদৌসী বেগম।
ফেরদৌসী বেগম অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জামাতি পরিচয়ে যুগ্ম সচিব হয়েও সিনিয়র অতিরিক্ত সচিবের পদে বসে পড়েন। শুরু হয় দাম্ভিকতা।
চেয়ারম্যান ফেরদৌসী বেগম এর অনিয়ম দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতার কারনে সরকার হারিয়েছে শত শত কোটি টাকার রাজস্ব। চেয়ারম্যান এর অনিয়ম নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন করলে ও তার রয়েছে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট। যার কারনে সে পুনরায় জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হিসেবে ফিরে এসেছেন। চেয়ারম্যান ফেরদৌসী বেগমের অনিয়মের বিরুদ্ধে কোনো কর্মকর্তা, কর্মচারী প্রতিবাদ করলেই তাদের কে বিভিন্ন জেলায় বদলি সহ সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। কিন্তু দুর্নীতিবাজ ফুয়াদ ও অলিউরের মতো কর্মকর্তারা তার চোখের মনি। কিন্তু তাদের নামে রয়েছে দুদকের তদন্ত এবং একাধিক ঘুষ বানিজ্যের অভিযোগ ।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মিরপুর চিড়িয়াখানা রোডে ৩২টি বানিজ্যিক প্লটের বরাদ্দের বিজ্ঞপ্তি কোন প্রকার তদন্ত ও যাচাই বাছাই ছাড়া আইনের মতামত না নিয়ে দেয়া হয়। তখন থেকে শুরু হয় কানাঘুষা। শুধু মাত্র জামাতের লোকদের সুযোগ করে দিতে এহেন তড়িঘড়ি করেছে চেয়ারম্যান ফেরদৌসী সেই অভিযোগও উঠেছে।
অথচ বিভিন্ন প্লটের উপর অভিযোগ থাকলেও তা আমলে নেয়নি এই চেয়ারম্যান। শতো অভিযোগের পরেও চেয়ারম্যান সিন্ডিকেট প্লট গুলো বরাদ্দপত্র দেয়ার অভিযোগ উঠে। অনুসন্ধান কালে জানা যায়, সেকশন ১, ব্লক জি, হট নং- ১/১, এর মৃত বন্দে আলীর অনুকুলে সরকারের ভূমি মন্ত্রনালয় অধিগ্রহণ শাখা ১০, ৫ ডিসেম্বর অবমুক্ত করেন ৩০ শতাংশ ভূমি। বিগত ১৫ ডিসেম্বর ২০০২ সালে গেজেট প্রকাশ করেন। যা বিগত ২৯ আগস্ট ২০০২ স্মারক নং-ভূঃ মঃহঃ দঃ/শা-১০/ঢাকা ৫৯/২০০১ মোতাবেক গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয় শাখা- ১০ থেকে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (গৃহায়ণ ভবন) সেগুনবাগিচা, ঢাকা বরাবরে তফসিল বর্ণিত সম্পত্তি ভূমি মন্ত্রণালয় স্মারক নং ভূঃ মঃ/ শাঃ ১০/ ঢাকা-৫৯/২০০১ আইনের ৮ (বি) দ্বারা মোতাবেক ১৩/৫৯/৬০ নং এল/এ,কেসটি ভূমি মন্ত্রনালয় সিদ্ধান্ত গ্রহনের নোটিশ পাঠায়। যা পূর্বে জাগৃক এর
ফাইলে রক্ষিত আছে। এবং মৃত বন্দে আলী মিয়া ২০১৩ সাল পর্যন্ত খাজনা পরিশোধ করে গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানির সংযোগ বলে বন্দে আলীর পুত্র জাহাঙ্গীর প্রতিবেদককে জানায়, যার পার্ট ফাইল নং ১০৬/১৩। এ প্রতিবেদক অনুসন্ধানে আর ও জানতে পারেন যে, ৩০ থেকে ২০২৫ সালে ও বন্দেআলীর ভাড়াটিয়া ইমাম শতাংশ তুমি এর উপরে বিগত ২০১১ সাল থেকে নাসিম এর স্ত্রী মাকসুদা হোসেন মহামান্য আদালতে হোসেন নাসিম এর রিট পিটিশন কর করে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা থাকা অবস্হায় চেয়ারম্যান শিল্প প্লট ও ব্যক্তিমালিকানা প্লট কে কি ভাবে বানিজ্যিক প্লট করে টেন্ডার বিজ্ঞাপন ও বরাদ পত্র দিলেন সে বিষয়ে প্রশ্ন উঠেছে? এ বিষয় মৃত বন্দে আলী মিয়া ওয়ারিশগন লিগ্যাল নোটিশ পাঠায় চেয়ারম্যান ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কিন্তু কোন সমাধান হয়নি।
জাসদ ছাত্রলীগের এই কুখ্যাত ক্যাডার ডিআইজি রেজাউল ( পিপিএম) হাসিনার আমলে ফেনি ও রাজবাড়ী জেলার মত অতি গুরুত্বপুর্ন জেলার এসপি, ফেনী জেলাতে বিএনপি নেতাদের ক্রসফায়ার দেয়া ফ্যাসিস্ট বর্তমানে শিল্প পুলিশের ডিআইজির স্ত্রী জামাতের এজেন্ট অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে অবৈধভাবে নিয়োগ পাওয়া মোসা:ফেরদৌসী এখনও জাতীয় গৃহায়ন কতৃপক্ষের চেয়ারম্যান। বিএনপির লোক দেখলে তার গাজ্বলে। বিএনপি নেতাদের অফিসে ঢুকতে বাধা প্রদান, অবৈধভাবে জামাতিদের নামে ফ্লাট বরাদ্দ সিনিয়র অতিরিক্ত সচিবের পদে যুগ্ম সচিব থাকা অবস্থায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দ্বায়িত্ব গ্রহণ, সহায়তা করেন তৎকালীন গুপ্ত জামাতি সংগঠনের সচিব নজরুল ইসলাম। সব মিলিয়ে এখন জাতীয় গৃহায়ন যেন নিজের পৈতৃক সম্পত্তি মনে করছেন চেয়ারম্যান ফেরদৌসী বেগম।
জনমনে প্রশ্ন উঠেছে, এই মহারানীর ক্ষমতার উৎস কোথায়? কেউ কেউ বলেন, তার ক্ষমতার উৎস পতিত আওয়ামীলীগ কারন । আওয়ামীলীগ আমলে তিনি বহালতবিয়তে গত ১৭ বৎসর রাজধানী ঢাকার বাহিরে যেতে হয়নি , আবার কেউকেউ বলেন, তার ক্ষমতার উৎস তার ডিআইজি স্বামী ( কারন তার স্বামী হাসিনার আমলে ফেনী ও রাজবাড়ী জেলার এসপি গিরি করলেও ইন্টারিম পিরিয়ডে খুলনা রেন্জের ডিআইজি পরে বিএনপির আমলে শিল্প পুলিশের ডিআইজি হন কেবল বগুড়ার নাগরিক বলে )। তিনি বলে বেড়ান যতদিন পুর্ত মন্ত্রী আছেন ততদিন তিনি চেয়ারম্যান আছেন। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যাইনি ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ