মাইদুল ইসলাম মামুন, নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:০০ পি.এম
ইসলামি লেবাসধারী জামায়াত রাজনীতিতে আসার জন্য গোপনে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তি ও সমঝোতা করছে বলে অভিযোগ করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম (চরমোনাই পীর)।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলা মুক্তমঞ্চে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আয়োজিত পথসভায় বক্তব্যকালে তিনি এসব কথা বলেন।
বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে মুফতি রেজাউল করিম বলেন, ইসলামি পোশাক ও পরিচয় ব্যবহার করে কিছু রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা করছে। রাজনীতিতে আসার জন্য তারা গোপনে ভারত ও আমেরিকার সঙ্গে চুক্তি ও কমিটমেন্ট করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, ইসলামি লেবাস পরলেই ইসলামি আদর্শের রাজনীতি হয় না। মানুষের কল্যাণ, ন্যায়নীতি ও জনগণের পাশে থাকার মাধ্যমে প্রকৃত আদর্শের পরিচয় দিতে হয়।
চরমোনাই পীর আরও বলেন, করোনার কঠিন সময়ে মানুষ যখন অসহায় হয়ে পড়েছিল, তখন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতাকর্মীরা মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। জনগণের বিপদের সময় দলটির নেতাকর্মীরা মাঠে থেকে সহযোগিতা করেছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কর্মকাণ্ড তুলে ধরে তিনি বলেন, তাঁদের দলের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ঘুষ, দুর্নীতি কিংবা সন্ত্রাসের অভিযোগ কেউ প্রমাণ করতে পারবে না। দীর্ঘদিন ধরে জনগণের পাশে থেকে দলটি রাজনীতি করে আসছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
দেশের রাজনীতিতে দুর্নীতি, অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তুলে মুফতি রেজাউল করিম বলেন, যারা ইসলামের নাম ও পোশাক ব্যবহার করে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে, তাদের ব্যাপারে জনগণকে সতর্ক থাকতে হবে।
তিনি দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ইসলামী আদর্শ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করার আহ্বান জানান। দুর্নীতিমুক্ত, চাঁদাবাজিমুক্ত ও সন্ত্রাসমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এর আগে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে নাগেশ্বরীতে এক নির্বাচনী জনসভায়ও মুফতি রেজাউল করিম বিএনপি ও জামায়াতকে বাদ দিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকেই পূর্ণাঙ্গ ইসলাম প্রতিষ্ঠার দাবিদার হিসেবে তুলে ধরেছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনের হুতিদের সাম্প্রতিক হামলার বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্য সৌদি আরবের পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছে। তারা বলেছে, সৌদি আরবের বেসামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনায় হুতিদের হামলা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য গুরুতর একটি হুমকি তৈরি করছে।
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের এক বৈঠকে যুক্তরাজ্যের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি কেট ফস্টার বলেন, ইয়েমেনে আবারও সংঘাত শুরু করার জন্য এবং সৌদি আরবের ওপর ধারাবাহিক হামলার জন্য হুতিদের তীব্র নিন্দা জানায় ব্রিটেন। তিনি একই সঙ্গে সৌদি আরবের আত্মরক্ষার অধিকারকে সমর্থন করার কথা জানান।
ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, হুতিদের অবিলম্বে হামলা বন্ধ করতে হবে। বিশেষ করে সৌদি আরবের বেসামরিক জনগণ এবং জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে চালানো হামলা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে লন্ডন।
সম্প্রতি সৌদিতে হামলায় হতাহতের সংখ্যা অন্তত ৭৩ জন। ইয়েমেনের হুতিদের হামলা বেড়েছে সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকায়। সৌদি কর্তৃপক্ষের হিসাবে, এসব হামলায় অন্তত ৭৩ জন আহত হয়েছেন। কয়েকটি বেসামরিক ও জ্বালানি স্থাপনাতেও আগুন এবং ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। সৌদি আরবের অভিযোগ হচ্ছে, ইয়েমেনভিত্তিক ইরান-সমর্থিত হুতিরা দেশটির বেসামরিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে। রিয়াদ জানিয়েছেন, নিজেদের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
হুতিদের নতুনভাবে সক্রিয় হয়ে ওঠা শুধুই সৌদি আরবের জন্য নয়, বরং পুরো মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির জন্য উদ্বেগ বাড়িয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে হুতিরা ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূল ধরে দ্রুত অগ্রসর হয়ে কৌশলগত বাব আল-মানদেব প্রণালির কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল নিয়ে নতুন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এরই মধ্যে সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ ইস্ট-ওয়েস্ট তেল পাইপলাইনে ড্রোন হামলার পর সেটির কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে। ওই পাইপলাইন হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে সৌদি তেল রপ্তানির একটি গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প পথ। একই সময়ে বাব আল-মানদেব এবং হরমুজ— দুটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ আরও তীব্র হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের এই অবস্থান এমন সময়ে এলো, যখন ইয়েমেনে হুতিদের অগ্রযাত্রা এবং সৌদি আরবের ওপর ধারাবাহিক হামলা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটকে আরও বিস্তৃত করার আশঙ্কা তৈরি করেছে। ব্রিটেন বলছে, এই পরিস্থিতিতে বেসামরিক জনগণ ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষা জরুরি।
তথ্য সূত্র- গভ.ইউকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নির্বাহী প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মো. অলিউল ইসলাম ও মোস্তফা হোসাইন ফুয়াদ সহ দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের কথায় চলছে গৃহায়নের চেয়ারম্যান ফেরদৌসী বেগম। তাঁর দপ্তরের সিদ্ধান্ত ও কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ। জামায়াতের এজেন্ডা বাস্তবায়নে যারা তাকে সমর্থন দিচ্ছেন তারা তার চোখের মনি। জাতীয় গৃহায়ন যেন তার পৈতৃক সম্পত্তি ভাবছেন চেয়ারম্যান। গণপূর্ত সচিবের সাথে দন্ধ, প্রাক্তন সচিব নজরুলের দিকনির্দেশনায় দপ্তর চালাচ্ছেন এবং মন্ত্রীর সাথে তার উঠাবসা জোর গলায় বলে বেড়াচ্ছেন চেয়ারম্যান ফেরদৌসী।
খোজ নিয়ে জানা যায়, নির্বাহী প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মো. অলিউল ইসলামে যিনি চেয়ারম্যান ফেরদৌসী বেগমের আস্থাভাজন হিসেবে স্বীকৃত, অফিস চলাকালীন সময়ে সার্বক্ষনিক চেয়ারম্যান দপ্তরে উপস্থিত থাকা এবং চেয়ারম্যান ফেরদৌসী বেগমের সাথে মন্ত্রণালয়ে সরকারী গাড়ীতে যাওয়া আসা প্রমান করে, তিনি চেয়ারম্যান ফেরদৌসী বেগমের আস্থাভাজন। নির্বাহী প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মো. অলিউল ইসলাম ও মোস্তফা হোসাইন ফুয়াদের ভূমি শাখায় পদায়ন ও গুরত্বপূর্ণ কাজ পাইয়ে দেয়ায় ভূমিকা রাখেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
নির্বাহী প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মো. অলিউল ইসলামের বিষয়ে খোজ নিয়ে জানা যায়, তিনি দুদক কর্তৃক দুর্নীতির মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে অভিযুক্ত এবং মামলা চলমান থাকা অবস্থায় মো. অলিউল ইসলামকে নির্বাহী প্রকৌশলী প্লানিং এর চলতি দায়িত্ব দেন চেয়ারম্যান ফেরদৌসী।
২৬ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিঃ আদেশে মোহাম্মাদ হাবিবুর অতিরিক্ত (সচিব) কে চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেলেও কোন ক্ষমতা বলে মাত্র ৩ দিনের মাথায় পূনর্বহাল হয় চেয়ারম্যান ফেরদৌসী বেগম।
ফেরদৌসী বেগম অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জামাতি পরিচয়ে যুগ্ম সচিব হয়েও সিনিয়র অতিরিক্ত সচিবের পদে বসে পড়েন। শুরু হয় দাম্ভিকতা।
চেয়ারম্যান ফেরদৌসী বেগম এর অনিয়ম দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতার কারনে সরকার হারিয়েছে শত শত কোটি টাকার রাজস্ব। চেয়ারম্যান এর অনিয়ম নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন করলে ও তার রয়েছে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট। যার কারনে সে পুনরায় জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হিসেবে ফিরে এসেছেন। চেয়ারম্যান ফেরদৌসী বেগমের অনিয়মের বিরুদ্ধে কোনো কর্মকর্তা, কর্মচারী প্রতিবাদ করলেই তাদের কে বিভিন্ন জেলায় বদলি সহ সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। কিন্তু দুর্নীতিবাজ ফুয়াদ ও অলিউরের মতো কর্মকর্তারা তার চোখের মনি। কিন্তু তাদের নামে রয়েছে দুদকের তদন্ত এবং একাধিক ঘুষ বানিজ্যের অভিযোগ ।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মিরপুর চিড়িয়াখানা রোডে ৩২টি বানিজ্যিক প্লটের বরাদ্দের বিজ্ঞপ্তি কোন প্রকার তদন্ত ও যাচাই বাছাই ছাড়া আইনের মতামত না নিয়ে দেয়া হয়। তখন থেকে শুরু হয় কানাঘুষা। শুধু মাত্র জামাতের লোকদের সুযোগ করে দিতে এহেন তড়িঘড়ি করেছে চেয়ারম্যান ফেরদৌসী সেই অভিযোগও উঠেছে।
অথচ বিভিন্ন প্লটের উপর অভিযোগ থাকলেও তা আমলে নেয়নি এই চেয়ারম্যান। শতো অভিযোগের পরেও চেয়ারম্যান সিন্ডিকেট প্লট গুলো বরাদ্দপত্র দেয়ার অভিযোগ উঠে। অনুসন্ধান কালে জানা যায়, সেকশন ১, ব্লক জি, হট নং- ১/১, এর মৃত বন্দে আলীর অনুকুলে সরকারের ভূমি মন্ত্রনালয় অধিগ্রহণ শাখা ১০, ৫ ডিসেম্বর অবমুক্ত করেন ৩০ শতাংশ ভূমি। বিগত ১৫ ডিসেম্বর ২০০২ সালে গেজেট প্রকাশ করেন। যা বিগত ২৯ আগস্ট ২০০২ স্মারক নং-ভূঃ মঃহঃ দঃ/শা-১০/ঢাকা ৫৯/২০০১ মোতাবেক গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয় শাখা- ১০ থেকে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (গৃহায়ণ ভবন) সেগুনবাগিচা, ঢাকা বরাবরে তফসিল বর্ণিত সম্পত্তি ভূমি মন্ত্রণালয় স্মারক নং ভূঃ মঃ/ শাঃ ১০/ ঢাকা-৫৯/২০০১ আইনের ৮ (বি) দ্বারা মোতাবেক ১৩/৫৯/৬০ নং এল/এ,কেসটি ভূমি মন্ত্রনালয় সিদ্ধান্ত গ্রহনের নোটিশ পাঠায়। যা পূর্বে জাগৃক এর
ফাইলে রক্ষিত আছে। এবং মৃত বন্দে আলী মিয়া ২০১৩ সাল পর্যন্ত খাজনা পরিশোধ করে গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানির সংযোগ বলে বন্দে আলীর পুত্র জাহাঙ্গীর প্রতিবেদককে জানায়, যার পার্ট ফাইল নং ১০৬/১৩। এ প্রতিবেদক অনুসন্ধানে আর ও জানতে পারেন যে, ৩০ থেকে ২০২৫ সালে ও বন্দেআলীর ভাড়াটিয়া ইমাম শতাংশ তুমি এর উপরে বিগত ২০১১ সাল থেকে নাসিম এর স্ত্রী মাকসুদা হোসেন মহামান্য আদালতে হোসেন নাসিম এর রিট পিটিশন কর করে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা থাকা অবস্হায় চেয়ারম্যান শিল্প প্লট ও ব্যক্তিমালিকানা প্লট কে কি ভাবে বানিজ্যিক প্লট করে টেন্ডার বিজ্ঞাপন ও বরাদ পত্র দিলেন সে বিষয়ে প্রশ্ন উঠেছে? এ বিষয় মৃত বন্দে আলী মিয়া ওয়ারিশগন লিগ্যাল নোটিশ পাঠায় চেয়ারম্যান ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কিন্তু কোন সমাধান হয়নি।
জাসদ ছাত্রলীগের এই কুখ্যাত ক্যাডার ডিআইজি রেজাউল ( পিপিএম) হাসিনার আমলে ফেনি ও রাজবাড়ী জেলার মত অতি গুরুত্বপুর্ন জেলার এসপি, ফেনী জেলাতে বিএনপি নেতাদের ক্রসফায়ার দেয়া ফ্যাসিস্ট বর্তমানে শিল্প পুলিশের ডিআইজির স্ত্রী জামাতের এজেন্ট অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে অবৈধভাবে নিয়োগ পাওয়া মোসা:ফেরদৌসী এখনও জাতীয় গৃহায়ন কতৃপক্ষের চেয়ারম্যান। বিএনপির লোক দেখলে তার গাজ্বলে। বিএনপি নেতাদের অফিসে ঢুকতে বাধা প্রদান, অবৈধভাবে জামাতিদের নামে ফ্লাট বরাদ্দ সিনিয়র অতিরিক্ত সচিবের পদে যুগ্ম সচিব থাকা অবস্থায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দ্বায়িত্ব গ্রহণ, সহায়তা করেন তৎকালীন গুপ্ত জামাতি সংগঠনের সচিব নজরুল ইসলাম। সব মিলিয়ে এখন জাতীয় গৃহায়ন যেন নিজের পৈতৃক সম্পত্তি মনে করছেন চেয়ারম্যান ফেরদৌসী বেগম।
জনমনে প্রশ্ন উঠেছে, এই মহারানীর ক্ষমতার উৎস কোথায়? কেউ কেউ বলেন, তার ক্ষমতার উৎস পতিত আওয়ামীলীগ কারন । আওয়ামীলীগ আমলে তিনি বহালতবিয়তে গত ১৭ বৎসর রাজধানী ঢাকার বাহিরে যেতে হয়নি , আবার কেউকেউ বলেন, তার ক্ষমতার উৎস তার ডিআইজি স্বামী ( কারন তার স্বামী হাসিনার আমলে ফেনী ও রাজবাড়ী জেলার এসপি গিরি করলেও ইন্টারিম পিরিয়ডে খুলনা রেন্জের ডিআইজি পরে বিএনপির আমলে শিল্প পুলিশের ডিআইজি হন কেবল বগুড়ার নাগরিক বলে )। তিনি বলে বেড়ান যতদিন পুর্ত মন্ত্রী আছেন ততদিন তিনি চেয়ারম্যান আছেন। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যাইনি ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদির গণমাধ্যম মন্ত্রণালয় কর্তৃক ১২ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত একটি ছবিতে দেশের দক্ষিণ সীমান্তে অবস্থিত জিজান অঞ্চলের একটি মসজিদের ক্ষতি প্রত্যক্ষ করা গেছে। ছবিটি তুলেছেন সৌদি গণমাধ্যম মন্ত্রণালয় / এএফপি।
সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের শারুরাহ সামরিক ঘাঁটিতে ইয়েমেনের হুথিরা ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। হুথি সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে নিজেদের দাবি করে বলেন, হামলায় অস্ত্রের গুদাম ও কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। তার উক্তিতে তিনি জানান, এসব স্থাপনা হুথিদের বিরুদ্ধে পরিচালিত আগ্রাসনের অঙ্গীকারে ছিল। তবে হামলাটির সুনির্দিষ্ট তারিখ জানাননি তিনি। হুথিদের এই দাবির ব্যাপারে সৌদি কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
ইয়াহিয়া সারি আরো সতর্ক করে বলেন, সৌদি হামলা যদি অব্যাহত থাকে, তাহলে সৌদি ভূখণ্ডের আরও গভীরে বড় ধরনের হামলা চালানো হবে।
এদিকে, সৌদি আরবের সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, শনিবার দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় জাজান অঞ্চলের আল তুওয়াল গভর্নরেটে একটি ক্ষেপণাস্ত্র পড়ে দুইজন আহত হয়েছেন। এতে একটি মসজিদ, বেশ কয়েকটি ভবন ও যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ইয়েমেনে নতুন করে তীব্র সংঘাতের সূচনা
গত সপ্তাহে ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর নতুন করে লড়াই শুরু হয়। ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীকে সকল ধরনের সহায়তা প্রদান করছে সৌদি আরব।
এদের মধ্যে হুথিরা দাবি করছে, তারা পশ্চিম তাইজ প্রদেশে অগ্রসর হয়ে উপকূলীয় শহর মোখা ও লোহিত সাগরের একটি বন্দরে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে। এর মাধ্যমেই তারা বাব আল-মানদেব প্রণালির কাছাকাছি পৌঁছেছে। অন্যদিকে সরকারি বাহিনী সৌদি সীমান্তঘেঁষা উত্তর আল জাওফ প্রদেশে অগ্রগতি অর্জন করেছে।
ইয়েমেনের সামরিক বাহিনী জানান, তাইজ অঞ্চলে হুথিদের অবস্থান ও ব্যারাকে তিনটি বিমান হামলা চালানো হয়েছে। সরকারি সংবাদ সংস্থা সাবা রিপোর্ট করে, মোখা বন্দরের কাছাকাছি হুথি যোদ্ধাদের বহনকারী যানবাহন এবং অস্ত্র ধ্বংস করা হয়েছে।
ট্রাম্পকে ফোন করেছিলেন সৌদি যুবরাজ
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান গত সপ্তাহে দুইবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ফোন করে হুথিদের বিরুদ্ধে হামলার অনুরোধ জানান। তবে প্রতিবেদনে বলা হয়, সেই অনুরোধটি প্রত্যাখ্যাত হয়েছে।
শনিবার আয়ারল্যান্ডের রাজধানী ডাবলিনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, হুথিরা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এবং তারা যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কোনো লড়াই করতে চায় না। তারা চায় যে, যুক্তরাষ্ট্র যেন তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নেয়। ট্রাম্প আরো বলেন, এই অঞ্চলে সবকিছু ঠিকঠাক হয়ে যাবে।
সৌদির তেল পাইপলাইনেও ড্রোন হামলা
হুথিদের এই অভিযানের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ ইস্ট ওয়েস্ট তেল পাইপলাইনে একটি ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার ভোরে এই হামলা রিয়াদ ও মদিনা অঞ্চলে সংঘটিত হয়েছে।
সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ড্রোনগুলো ইরাক থেকে এসেছে। হামলায় কয়েকজন আহত হয়েছেন এবং পাইপলাইনে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। হামলার পর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে পাইপলাইনটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে লোহিত সাগরের মাধ্যমে তেল সরবরাহের সৌদির একমাত্র পথটি আপাতত বন্ধ হয়ে গেছে।
সৌদির তেল পাইপলাইনে হামলার ব্যাপারে জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, ইরান এই হামলার পেছনে জড়িত থাকতে পারে। তবে ইরাকও হামলার নিন্দা জানিয়েছে। দেশটি জানিয়েছে, তাদের ভূখণ্ড এবং আকাশসীমা কোনো দেশের বিরুদ্ধে হামলার ঘাঁটি হিসেবে পরিণত হবে না। ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি আল জাইদি ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
গালফ কোঅপারেশন কাউন্সিলের মহাসচিব জাসেম মোহাম্মদ আল বুদাইউই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, এটি সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার জন্য একটি বিপজ্জনক ও অগ্রহণযোগ্য হুমকি। তিনি ইরাককে তাদের ভূখণ্ড থেকে এ ধরনের হামলা প্রতিরোধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।
সংঘাতে ঘরছাড়া ৭৬ হাজার
জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা জানিয়েছে, জুলাই থেকে এ পর্যন্ত লড়াইয়ের কারণে ৭৬ হাজার মানুষ ঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। শুধু গত সপ্তাহেই বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা চার গুণ বেড়ে গেছে।
ইয়েমেনের অর্থমন্ত্রী ইলিয়াস মৌসা দাওয়ালেহ জানিয়েছেন, প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ জিবুতিতে আশ্রয় নিয়েছেন। দুই পক্ষের সূত্র অনুযায়ী, নতুন করে শুরু হওয়া এই লড়াইয়ে ৫০০-এর বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।
কীভাবে শুরু হয়েছিল ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধ
২০১৪ সালে হুথিরা রাজধানী সানা ও একাধিক প্রদেশ দখল করার পর ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। ২০১৫ সালে সৌদি নেতৃত্বাধীন আরব জোট আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারকে সমর্থন দিতে সেখানে হস্তক্ষেপ করে।
২০২২ সালে যুদ্ধবিরতির পর ইয়েমেনের পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে শান্ত ছিল। তবে জুলাই থেকে দেশটিতে আবারও সংঘাত শুরু হয়েছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি, আনতারা, গার্ডিয়ান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানকে কোনোভাবে বশ্যতা স্বীকার করতে বাধ্য করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। একইসঙ্গে, বেসামরিক অবকাঠামো, খাদ্য সরবরাহ ও মানুষের জীবিকার ওপর মার্কিন হামলার যৌক্তিকতা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন।
শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া একটি পোস্টে পেজেশকিয়ান জানান, যদি যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক লড়াই করতে চায়, তাহলে তাদের ইরানের সামরিক বাহিনীর মুখোমুখি হওয়া উচিত। তিনি বেসামরিক অবকাঠামো ও সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকার ওপর হামলা চালানোর প্রয়োজন কেন—সে প্রশ্নও উত্থাপন করেন।
পেজেশকিয়ান বলেন, ‘আমেরিকানরা যদি যোদ্ধা হয়, তাহলে তাদের আমাদের বীর সামরিক বাহিনীর মুখোমুখি হতে দিন। কেন বেসামরিক অবকাঠামো, খাদ্য সরবরাহ ও জীবিকার বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালাবেন?’
তিনি আরও প্রশ্ন করেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি মানবিক মূল্যবোধে বিশ্বাস করে, তাহলে ইরানের সাধারণ মানুষকে পানি, খাদ্য ও ওষুধের মতো মৌলিক প্রয়োজনীয় জিনিস থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে কেন।
ইরানের প্রেসিডেন্ট পরিবর্তে জানালেন, যুক্তরাষ্ট্রের চাপ ও নিষেধাজ্ঞা ইরানকে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করতে পারবে না। আমাদের জনগণকে বশ্যতা স্বীকার করানো যাবে না। ইরান আত্মসমর্পণ করবে না। তথ্যসূত্র: প্রেসটিভি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ