রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:২০ এম
সরকারকে ঠেকাতে বিরোধীদল কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করছে বলে মন্তব্য জানিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানী ঢাকার গুলশানে আওয়ামী লীগের বিচারের দাবিতে মশাল মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এ মন্তব্য করেন তিনি।
আবু হানিফ বলেন, গুলশান একটি ভিআইপি এলাকা, যেখানে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা বাস করেন। এখানে নিরাপত্তার চাদরে আবদ্ধ থাকার পরেও প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে কীভাবে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ মিছিল করলো?
তিনি উল্লেখ করেন, শুধু ঢাকায় নয়; সারাদেশে গোয়েন্দা সংস্থার লোক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ মিছিল করছে। তাছাড়া প্রশাসনে এবং গোয়েন্দা সংস্থায় থাকা আওয়ামী লীগের দোসরও এই মিছিল করার সুযোগ করে দেয়। প্রশাসন একটি পদক্ষেপ নিলেই নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল বন্ধ হয়ে যাবে। বিশেষ করে, যেখানেই নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ মিছিল করবে, সেখানকার ডিসি, এসপি, ওসি, ইউএনওকে বান্দরবান পাঠালে সারাদেশে প্রশাসন সতর্ক হয়ে যাবে।
গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আরও বলেন, সরকারকে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিষয়ে কঠোর হতে হবে। কারণ, এই নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সারাদেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে। তাছাড়া দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো নেই এবং বিভিন্ন স্থানে খুন, ছিনতাইয়ের মতো ঘটনা ঘটছে।
আবু হানিফ বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিরোধীদল বিশেষ করে জামায়াত-এনসিপি সারাদেশে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করছে। সরকারকে ঠেকাতে জামায়াত-এনসিপি নিষিদ্ধ লীগকে পুনর্বাসন করছে এবং তারা পুনর্বাসনের মধ্য দিয়ে মূলত নিষিদ্ধ লীগকে মিছিল করার সুযোগ করে দিচ্ছে। বিরোধীদলের প্রতি আহ্বান— অর্থের বিনিময়ে লীগকে পুনর্বাসন করা থেকে বিরত থাকুন। যদি এই লীগ ফিরে আসে, তবে কাউকেই ছাড়বে না।
গণঅধিকার পরিষদের মহানগর উত্তরের সভাপতি আব্দুর রহিম বলেন, আওয়ামী লীগের নেতারা নিরাপদে বিদেশে আরাম আয়েশ করছে। অথচ, দেশে থাকা নিরীহ কর্মীদের উসকানি দিয়ে মিছিলে নিতে বিপদে ফেলছে। পলাতক নেতাদের কথায় আর রাস্তায় নেমে বিপদে পড়বেন না।
গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকা মহানগর উত্তরের সাংগঠনিক সম্পাদক আবির ইসলাম সবুজের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন মহানগর উত্তর গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অপূর্ব আলমগীর, সহ সভাপতি ফারজানা কিবরিয়া, রেজওয়নুল শাওন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইমরান, শ্রমিক অধিকার পরিষদের মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক রুবেল, ছাত্র অধিকার পরিষদের দপ্তর সম্পাদক নুরুজ্জামান ইমন প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে উপজেলা বিএনপি। এনিয়েই দলের নেতাকর্মীরা জাতীয় সংসদে বিএনপির সমালোচনা করে বক্তব্য দেওয়ার প্রতিবাদে ঝাড়ু হাতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এই কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা চলে আসেন। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে নেতাকর্মীরা যান মিছিলে।
এছাড়াও, আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে আগে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। পরে সেখান থেকে ঝাড়ু হাতে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি উপজেলা প্রধান সড়কগুলি প্রদক্ষিণ করে পুনরায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন হাজী মো. শাহজাহান সিরাজ, আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি। বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সদস্য মো. জাকির হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. হাবিবুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল হোসেন জয় এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শামীম চৌধুরীসহ স্থানীয় নেতারা।
সভাপতির বক্তব্যে হাজী মো. শাহজাহান সিরাজ রুমিন ফারহানার পরিবারের ইতিহাস ও রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, সংসদে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিএনপিকে নিয়ে রুমিন ফারহানার বক্তব্য তারা প্রত্যাখ্যান করছেন। একই সঙ্গে তিনি জানান, তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে আশুগঞ্জের মাটিতে।
উল্লেখ্য, গত ৯ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের এক অংশ) আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বিএনপির সমালোচনা করে বক্তব্য দেন।
তিনি সংসদে বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে গ্যাস-বিদ্যুৎ ও সারের সংকট তৈরি হওয়া ছাড়া সম্ভব নয়। একই সঙ্গে তিনি দুর্নীতি ও ঋণখেলাপিসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিএনপির অতীত ভূমিকার সমালোচনা করেন।
রুমিন ফারহানার ওই বক্তব্যের প্রতিবাদেই শনিবার আশুগঞ্জে বিক্ষোভ সমাবেশ ও ঝাড়ু মিছিল করেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে বিয়ের অনুষ্ঠানে নাচ পরিবেশন করতে এসে কিশোরীসহ দুই নারী নৃত্যশিল্পীকে নৌকায় নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। মামলার এজাহার অনুযায়ী, তিতাস নদীর মাঝপথে নৌকার ভেতরে তাঁদের ধর্ষণের পর রাতে নাসিরনগর উপজেলার কুণ্ডা এলাকার তিতাস নদীসংলগ্ন ভূইয়া ঘাটে নামিয়ে দিয়ে চলে যান অভিযুক্তরা।
এ ঘটনায় করা মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ১০ সেপ্টেম্বর বিকেলে সরাইল উপজেলার শাহাবাজপুর এলাকায় তিতাস নদীতে ঘটনাটি ঘটে। ভুক্তভোগী দুই নারী কুমিল্লার চান্দিনা এলাকার বাসিন্দা এবং তাঁরা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পেশাগতভাবে নৃত্য পরিবেশন করেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ভুক্তভোগীদের ফেসবুক পেজ থেকে যোগাযোগ নম্বর নিয়ে রাকিব মিয়া নামের এক যুবক শাহাবাজপুর এলাকায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে নাচ পরিবেশনের জন্য তাঁদের সঙ্গে ৯ হাজার টাকায় চুক্তি করেন। চুক্তি অনুযায়ী ওই দিন বিকেলে তাঁরা সরাইল বিশ্বরোড এলাকায় পৌঁছালে রাকিব ও তাঁর সহযোগীরা তাঁদের সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে শাহাবাজপুরের একটি সেতুর নিচে নিয়ে যান।
পরে বিয়ের অনুষ্ঠানে নেওয়ার কথা বলে তাঁদের একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকায় তোলা হয়। এজাহার অনুযায়ী, নৌকাটি তিতাস নদীর মাঝপথে পৌঁছানোর পর চালক ইঞ্জিন বন্ধ করে দেন। এরপর নৌকার ছাউনির ভেতরে নিয়ে অভিযুক্তরা দুই নারীকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ সময় তাঁদের সঙ্গে থাকা এক পুরুষ সদস্য বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে অভিযুক্তরা ধারালো অস্ত্র দেখিয়ে তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেন বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত নদীর মাঝখানে নৌকার ভেতরে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।
পরে রাত আনুমানিক ৮টার দিকে ভুক্তভোগী দুই নারীকে নাসিরনগর উপজেলার কুণ্ডা তিতাস নদীসংলগ্ন ভূইয়া ঘাট এলাকায় নামিয়ে দিয়ে অভিযুক্তরা চলে যান বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার পর আইনি সহায়তা পেতে ভুক্তভোগী দুই নারী প্রথমে নাসিরনগর থানায় যান। পরে পুলিশ তাঁদের জানায়, ঘটনাটি সরাইল থানার আওতাধীন। এরপর তাঁরা সরাইল থানায় গিয়ে মামলা করেন।
১১ সেপ্টেম্বর রাতে ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে সরাইল থানায় মামলা করা হয়। মামলায় রাকিব মিয়াকে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাতনামা আরও চার থেকে পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।
সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনজুর কাদের ভূঁইয়া বলেন, এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, মামলার ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্ত ও অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের স্বার্থে আপাতত গ্রেপ্তার ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।
ঘটনাটি নিয়ে পুলিশ তদন্ত করছে। অভিযোগের পূর্ণ সত্যতা তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : দেশের সর্বত্র ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার উদ্দেশ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে দুই দিনের বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ঢাবি ছাত্রদল।
আজ শনিবার, ঢাবি ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস এবং সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন এই কর্মসূচি প্রকাশ করেছেন।
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামীকাল রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হবে। স্মারকলিপি প্রদান করার পর, উপাচার্যের কার্যালয় প্রাঙ্গণে সচেতনতামূলক বিলবোর্ড স্থাপন এবং লিফলেট বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হবে।
পরদিন সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল শাখা ছাত্রদল নিজ নিজ হল প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করবে। পাশাপাশি, তারা স্ব-স্ব হলে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালাবে এবং সচেতনতা বৃদ্ধি করার জন্য লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।
সংগঠনটির দপ্তর সম্পাদক (যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) মল্লিক ওয়াসি উদ্দিন তামী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত তিন মাসব্যাপী 'ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬'-এর ধারাবাহিকতায় এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ঢাবি ছাত্রদল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলায় অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে উপজেলা প্রশাসন। একই সঙ্গে অবৈধ বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত ড্রেজার মেশিন অকেজো করে দেওয়া হয়েছে এবং প্রায় ২ হাজার ৫০০ ফুট পাইপ নষ্ট করা হয়েছে।
শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) উপজেলার খাসেরহাট ইউনিয়নের সৈয়দ আবুল হোসেন স্কুল অ্যান্ড কলেজের পাশের এলাকা এবং মধ্যলক্ষীপুরে মালেক হাওলাদারের বাড়ির পাশে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে সংশ্লিষ্টদের ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত পাইপগুলো নষ্ট এবং ড্রেজার মেশিন অকেজো করে দেওয়া হয়, যাতে পুনরায় ওই স্থানগুলো থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা না যায়।
অভিযান পরিচালনা করেন কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কিশোর কুমার দাস। দায়িত্ব গ্রহণের প্রায় এক সপ্তাহের মধ্যেই অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে এটি তাঁর প্রথম বড় ধরনের অভিযান।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কালকিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ড্রেজার বসিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। বিশেষ করে আড়িয়াল খাঁ নদে রাতের আঁধার থেকে শুরু করে দিনের বেলাতেও বিভিন্ন স্থানে বালু উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে। এতে নদীর তীরবর্তী এলাকায় ভাঙন তীব্র হচ্ছে এবং বসতভিটা ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে। ইতোমধ্যে অনেক পরিবার নদীভাঙনের শিকার হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানান স্থানীয়রা।
নতুন ইউএনওর দায়িত্ব গ্রহণের এক সপ্তাহের মধ্যেই অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে এমন অভিযানকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের প্রত্যাশা, নিয়মিত ও কার্যকর অভিযান অব্যাহত থাকলে দীর্ঘদিনের এই বালু উত্তোলনের দৌরাত্ম্য কমবে এবং নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগও কিছুটা লাঘব হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কিশোর কুমার দাস বলেন, জনস্বার্থে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পরিবেশবিধ্বংসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান চলমান থাকবে।
তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন—শুধু একটি-দুটি অভিযান নয়, নিয়মিত নজরদারি ও কঠোর ব্যবস্থা নিয়ে অবৈধ বালু উত্তোলন পুরোপুরি বন্ধ করা এবং নদীভাঙনপ্রবণ মানুষের বসতভিটা রক্ষায় উপজেলা প্রশাসন কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, এখন সেটিই দেখার বিষয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ