মোঃ শরীফ উদ্দিন : ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:২৮ এম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে বিয়ের অনুষ্ঠানে নাচ পরিবেশন করতে এসে কিশোরীসহ দুই নারী নৃত্যশিল্পীকে নৌকায় নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। মামলার এজাহার অনুযায়ী, তিতাস নদীর মাঝপথে নৌকার ভেতরে তাঁদের ধর্ষণের পর রাতে নাসিরনগর উপজেলার কুণ্ডা এলাকার তিতাস নদীসংলগ্ন ভূইয়া ঘাটে নামিয়ে দিয়ে চলে যান অভিযুক্তরা।
এ ঘটনায় করা মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ১০ সেপ্টেম্বর বিকেলে সরাইল উপজেলার শাহাবাজপুর এলাকায় তিতাস নদীতে ঘটনাটি ঘটে। ভুক্তভোগী দুই নারী কুমিল্লার চান্দিনা এলাকার বাসিন্দা এবং তাঁরা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পেশাগতভাবে নৃত্য পরিবেশন করেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ভুক্তভোগীদের ফেসবুক পেজ থেকে যোগাযোগ নম্বর নিয়ে রাকিব মিয়া নামের এক যুবক শাহাবাজপুর এলাকায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে নাচ পরিবেশনের জন্য তাঁদের সঙ্গে ৯ হাজার টাকায় চুক্তি করেন। চুক্তি অনুযায়ী ওই দিন বিকেলে তাঁরা সরাইল বিশ্বরোড এলাকায় পৌঁছালে রাকিব ও তাঁর সহযোগীরা তাঁদের সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে শাহাবাজপুরের একটি সেতুর নিচে নিয়ে যান।
পরে বিয়ের অনুষ্ঠানে নেওয়ার কথা বলে তাঁদের একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকায় তোলা হয়। এজাহার অনুযায়ী, নৌকাটি তিতাস নদীর মাঝপথে পৌঁছানোর পর চালক ইঞ্জিন বন্ধ করে দেন। এরপর নৌকার ছাউনির ভেতরে নিয়ে অভিযুক্তরা দুই নারীকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ সময় তাঁদের সঙ্গে থাকা এক পুরুষ সদস্য বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে অভিযুক্তরা ধারালো অস্ত্র দেখিয়ে তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেন বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত নদীর মাঝখানে নৌকার ভেতরে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।
পরে রাত আনুমানিক ৮টার দিকে ভুক্তভোগী দুই নারীকে নাসিরনগর উপজেলার কুণ্ডা তিতাস নদীসংলগ্ন ভূইয়া ঘাট এলাকায় নামিয়ে দিয়ে অভিযুক্তরা চলে যান বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার পর আইনি সহায়তা পেতে ভুক্তভোগী দুই নারী প্রথমে নাসিরনগর থানায় যান। পরে পুলিশ তাঁদের জানায়, ঘটনাটি সরাইল থানার আওতাধীন। এরপর তাঁরা সরাইল থানায় গিয়ে মামলা করেন।
১১ সেপ্টেম্বর রাতে ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে সরাইল থানায় মামলা করা হয়। মামলায় রাকিব মিয়াকে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাতনামা আরও চার থেকে পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।
সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনজুর কাদের ভূঁইয়া বলেন, এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, মামলার ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্ত ও অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের স্বার্থে আপাতত গ্রেপ্তার ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।
ঘটনাটি নিয়ে পুলিশ তদন্ত করছে। অভিযোগের পূর্ণ সত্যতা তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : দেশের সর্বত্র ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার উদ্দেশ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে দুই দিনের বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ঢাবি ছাত্রদল।
আজ শনিবার, ঢাবি ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস এবং সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন এই কর্মসূচি প্রকাশ করেছেন।
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামীকাল রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হবে। স্মারকলিপি প্রদান করার পর, উপাচার্যের কার্যালয় প্রাঙ্গণে সচেতনতামূলক বিলবোর্ড স্থাপন এবং লিফলেট বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হবে।
পরদিন সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল শাখা ছাত্রদল নিজ নিজ হল প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করবে। পাশাপাশি, তারা স্ব-স্ব হলে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালাবে এবং সচেতনতা বৃদ্ধি করার জন্য লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।
সংগঠনটির দপ্তর সম্পাদক (যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) মল্লিক ওয়াসি উদ্দিন তামী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত তিন মাসব্যাপী 'ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬'-এর ধারাবাহিকতায় এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ঢাবি ছাত্রদল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলায় অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে উপজেলা প্রশাসন। একই সঙ্গে অবৈধ বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত ড্রেজার মেশিন অকেজো করে দেওয়া হয়েছে এবং প্রায় ২ হাজার ৫০০ ফুট পাইপ নষ্ট করা হয়েছে।
শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) উপজেলার খাসেরহাট ইউনিয়নের সৈয়দ আবুল হোসেন স্কুল অ্যান্ড কলেজের পাশের এলাকা এবং মধ্যলক্ষীপুরে মালেক হাওলাদারের বাড়ির পাশে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে সংশ্লিষ্টদের ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত পাইপগুলো নষ্ট এবং ড্রেজার মেশিন অকেজো করে দেওয়া হয়, যাতে পুনরায় ওই স্থানগুলো থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা না যায়।
অভিযান পরিচালনা করেন কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কিশোর কুমার দাস। দায়িত্ব গ্রহণের প্রায় এক সপ্তাহের মধ্যেই অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে এটি তাঁর প্রথম বড় ধরনের অভিযান।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কালকিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ড্রেজার বসিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। বিশেষ করে আড়িয়াল খাঁ নদে রাতের আঁধার থেকে শুরু করে দিনের বেলাতেও বিভিন্ন স্থানে বালু উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে। এতে নদীর তীরবর্তী এলাকায় ভাঙন তীব্র হচ্ছে এবং বসতভিটা ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে। ইতোমধ্যে অনেক পরিবার নদীভাঙনের শিকার হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানান স্থানীয়রা।
নতুন ইউএনওর দায়িত্ব গ্রহণের এক সপ্তাহের মধ্যেই অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে এমন অভিযানকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের প্রত্যাশা, নিয়মিত ও কার্যকর অভিযান অব্যাহত থাকলে দীর্ঘদিনের এই বালু উত্তোলনের দৌরাত্ম্য কমবে এবং নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগও কিছুটা লাঘব হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কিশোর কুমার দাস বলেন, জনস্বার্থে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পরিবেশবিধ্বংসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান চলমান থাকবে।
তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন—শুধু একটি-দুটি অভিযান নয়, নিয়মিত নজরদারি ও কঠোর ব্যবস্থা নিয়ে অবৈধ বালু উত্তোলন পুরোপুরি বন্ধ করা এবং নদীভাঙনপ্রবণ মানুষের বসতভিটা রক্ষায় উপজেলা প্রশাসন কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, এখন সেটিই দেখার বিষয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ (বাসস) : ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের(ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের বিভিন্ন থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ ৮৫ জনকে গ্রেফতার করেছে, যারা বিভিন্ন অপরাধে জড়িত।
ডিএমপির یک সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ জানানো হয়েছে, শুক্রবার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ জায়গায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ ২৭ জন, তেজগাঁও থানা পুলিশ ২১ জন, আদাবর থানা পুলিশ ১৯ জন, শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ ৭ জন, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা পুলিশ ৬ জন এবং হাতিরঝিল থানা পুলিশ ৫ জনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মো. এমদাদুল হক (৩০), মো. নাঈম (২৪), মো. মাসুদ খান (৩৬), মো. আরিফ আহমেদ রাব্বি (২৩), সোহাগ গাজী (৩০), মোছা. নাজমা বেগম (৪১), মো. সেলিম মিয়া (২২), মো. বিপ্লব (৪০), মো. আবু তাহের (২৯), মো. মনসুর আলী (৪০), মো. রিপন ইসলাম (২৮), মো. শফি মিয়া (২৬), মো. রিমন মিয়া (২৭), মো. আবু মুসা (১৯), মো. নুর (২০), মো. জিশান (১৯), মো. আলী হোসেন বাপ্পী (৩১), মো. খোকা (২৪), মো. রকি (২৩), মো. মফিজুল ইসলাম ওরফে রাসেল (৩৮), মো. সাব্বির হোসেন ওরফে ছিটু সাব্বির (২২), আমিন (২১), মো. ইউসুফ হোসাইন (২৩), মো. আব্দুস ছামাদ শেখ (৫১), মোক্তার হোসেন (৩২), মো. নুরুল ইসলাম (৫৫), মো. নজরুল ইসলাম (৫০), নজরুল ইসলাম (৩৫), মো. জীবন হোসেন (২২), মো. জাহিদ (১৯), মো. নাজিম (১৯), মো. মিঠুন (৫২), মোবারব (২০), মো. সাগর (২০), মো. রাসেল (৩৫), জনি (২০), মো. ওহিদ তালুকদার (৩০), সজিব শেখ (২৭), মো. ওবায়দুল খালাসি (৪৫), মো. মাহবুব ফকির (২১), মো. সুরুজ (২৮), মানিক (৩৫), মো. সাব্বির হোসেন (২২), মো. রাকিব খন্দকার (২৩), সিয়াম আহম্মেদ তুহিন (২৪), মো. ইব্রাহিম (২৫), মো. সাব্বির হোসেন (২২), মোছা. মাহজাবিন-ই-নাসরিন (২৫), মো. রাসেল (২৩), শাকিল ওরফে বুড্ডু (২৬), মো. রুবেল (২৮), সৈয়দ আবুল কাশেম কাজল (৫০), রাফসান (২৫), তাজিম ইবনে জলিল (২৪), মো. সোলায়মান (২৪), মো. আরিফ হোসেন (২৩), মো. শান্ত (১৮), মো. বশির (২৯), মো. শাহিন (২৭), শাকিল ওরফে বুড্ডু (২৬), মো. সাইফুল ইসলাম (৩০), মো. জাহাঙ্গীর (২৫), মো. রায়হান (২৬), মো. সুজন (২০), আবদুল্লাহ আল নোমান (৩০), মো. নাইম ইসলাম (২৪), মো. মনির হোসেন (৪০), মো. সাইদুর ইসলাম ওরফে সাইদ (২৬), নাইম খান (২৫), মো. হৃদয় (২০), মো. রাজু (৩৮), মো. আসিফ (১৮), মো. সোহেল মৃধা (১৯), মো. জিসান (১৯), মো. হেলাল (৩০), মো. লিমন (২৫), মো. সাইদুল (৪৫), মো. জিয়াউর রহমান (৪৮), মো. হেলাল উদ্দিন (২৮), মো. আরিফুল ইসলাম (৩২), মো. সাদিক (২২), আল আমিন (১৯), মো. শাহাদৎ হোসেন (৩৫), মো. হাসান সাঈদ (৫৫) এবং মো. দিপু।
পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রংপুর জেলার মিঠাপুকুর এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় রাইফেলের গুলি এবং শটগানের কার্তুজ জব্দ করেছে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
উদ্ধারকৃত গোলাবারুদের মধ্যে শটগানের আট রাউন্ড সীসা কার্তুজ (লেড বল), শটগানের আট রাউন্ড রাবার কার্তুজ এবং ৭.৬২ মি.মি. রাইফেলের এক রাউন্ড তাজা গুলি রয়েছে।
শনিবার দুপুরে এই তথ্য জানান, র্যাব-১৩ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক বিপ্লব কুমার গোস্বামী।
র্যাব জানায়, র্যাব-১৩, রংপুর এর একটি আভিযানিক দল ১২ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে মিঠাপুকুর উপজেলার লতিবপুর ইউনিয়নের রশিদপুর গ্রামের একটি পুকুরপাড়ে অভিযান পরিচালনা করে পরিত্যক্ত অবস্থায় সর্বমোট ১৭ রাউন্ড গুলি ও কার্তুজ উদ্ধার করে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জব্দকৃত আলামত জিডিমূলে মিঠাপুকুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ