শনিবার, ১২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৪৪ পি.এম
ঢাকা, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : ব্যস্ত সূচির মধ্যেও আগামী বছর নেপালের বিপক্ষে দ্বিপাক্ষিক টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে আগ্রহী বাংলাদেশ। এর মাধ্যমে দুই দল প্রথমবারের মতো কোনো দ্বিপাক্ষিক সিরিজে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে।
এখন পর্যন্ত নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশ দুটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছে, দুটিই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। তবে দ্বিপাক্ষিক সিরিজে দুই দল কখনো একে অপরের মুখোমুখি হয়নি।
গত বৃহস্পতিবার যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি বাংলাদেশের সঙ্গে একটি দ্বিপাক্ষিক সিরিজ আয়োজনের আগ্রহ প্রকাশ করেন।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও (বিসিবি) প্রস্তাবটিতে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে। আগামী বছরের শুরুতে সিরিজটি আয়োজনের সম্ভাবনা রয়েছে।
আজ মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সাংবাদিকদের বিসিবির ক্রিকেট অপারেশনস ম্যানেজার শাহরিয়ার নাফীস বলেন, “বিসিবি ও নেপাল ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের মধ্যে আলোচনা চলছে। আমাদের এফটিপি (ফিউচার ট্যুরস প্রোগ্রাম) ব্যস্ত সূচীতে ভরা। তারপরও এই চক্রের মধ্যে সুবিধাজনক একটি সময় বের করার চেষ্টা করছি। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে সিরিজটি হতে পারে।”
তিনি জানান, চলমান এফটিপি চক্রের মধ্যে সিরিজটি আয়োজন করতে দুই বোর্ডই আগ্রহী।
নাফীস বলেন, “আমরা এই চক্রের মধ্যেই সিরিজটি আয়োজন করতে চাই। নেপাল ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনও অনুরোধ জানিয়েছে। আমরা বিষয়টি ইতিবাচকভাবে দেখছি।”
সম্প্রতি ভয়াবহ বন্যায় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে নেপাল। দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের প্রতি সমর্থন জানানো এবং তাদের অনুপ্রাণিত করার উদ্যোগ হিসেবে বাংলাদেশে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ আয়োজনের প্রস্তাব দেন নেপালের রাষ্ট্রদূত।
অস্ট্রেলিয়া সফর শেষে বর্তমানে এশিয়ান গেমসের ক্রিকেট ইভেন্টের প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ।
চলতি মাসে এশিয়ান গেমস শেষ হওয়ার পর বাংলাদেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতে যাবে। সেখানে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একটি টেস্ট এবং জিম্বাবুয়েকে নিয়ে একটি ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবে তারা।
এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতি ক্যাম্প আগামীকাল রোববার মিরপুরে শুরু হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে খোলা হিসাবের সংখ্যা ২০২৬ সালের জুন শেষে বেড়ে ২৭.২২ মিলিয়নে দাঁড়িয়ে গেছে। আগের প্রান্তিকের তুলনায় এই সংখ্যা ২ দশমিক ৭৭ শতাংশ বেশি হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত ‘এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের ত্রৈমাসিক প্রতিবেদন, এপ্রিল-জুন ২০২৬’র তথ্য অনুযায়ী, গত ৩০ জুন পর্যন্ত ৩০টি ব্যাংক ১৫ হাজার ৪২৪ জন এজেন্টের মাধ্যমে পরিচালিত ২০ হাজার ৫৯৭টি আউটলেটের মাধ্যমে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা প্রদান করছিল। এ সময়ে এজেন্টের সংখ্যা ১ দশমিক ৫৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আউটলেটের সংখ্যা ১ দশমিক ২৭ শতাংশ বেড়েছে।
মোট ২ কোটি ৭২ লাখ ২৪ হাজার ২৫৬টি এজেন্ট ব্যাংকিং হিসাবের মধ্যে ১ কোটি ৩৫ লাখ ৫৮ হাজার ৯১৮টি বা প্রায় ৫০ শতাংশ হিসাব নারীদের এবং আর ২ কোটি ৩০ লাখ ২৭ হাজার ৭৫৫টি হিসাব বা ৮৫ শতাংশ হিসাব গ্রামীণ এলাকার গ্রাহকদের।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এজেন্ট ব্যাংকিং হিসাবের ক্রমবর্ধমান সংখ্যা বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে এই সেবার চাহিদা বৃদ্ধির প্রতিফলন হিসেবে দেখা যাচ্ছে। প্রান্তিকে নারী গ্রাহকদের হিসাব ৩ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছে, যা পুরুষ গ্রাহকদের হিসাব বৃদ্ধির তুলনায় বেশি।
এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে আমানতও ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে। জুন মাস শেষে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সংগৃহীত মোট আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫১৯,০৭২.৯২ মিলিয়ন টাকা। আগের প্রান্তিকের তুলনায় এ আমানত ১ দশমিক ৯৬ শতাংশ এবং এক বছর আগের তুলনায় ১৩ দশমিক ৮২ শতাংশ বেড়েছে।
এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ঋণ বিতরণে আরও শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। জুন মাসের শেষে মোট ঋণ বিতরণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪০৮,৭০৩.৯৭ মিলিয়ন টাকা। আগের প্রান্তিকের তুলনায় ঋণ বিতরণ বেড়েছে ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ এবং এক বছরের ব্যবধানে বেড়েছে ৪০ দশমিক ৮৯ শতাংশ।
জুনে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের ঋণ-আমানত অনুপাত বেড়ে ৭৮ দশমিক ৭৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা মার্চ মাসে ছিল ৭৪ দশমিক ১৬ শতাংশ। এই পরিবর্তনের মাধ্যমে এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটের মাধ্যমে ঋণ বিতরণের গতি বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টি প্রতিফলিত হয়েছে। এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে যুক্ত ৩০টি ব্যাংকের মধ্যে ২৩টি ব্যাংক ঋণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বিতরণ করা মোট ঋণের ৬৪ দশমিক ১৭ শতাংশ বা ২৬২,২৬৩.৯৯ মিলিয়ন টাকা গ্রামীণ এলাকার গ্রাহকরা লাভ করেছেন। তবে নারীরা পেয়েছেন মাত্র ৫২,০০২.০৬ মিলিয়ন টাকা বা মোট ঋণের ১২ দশমিক ৭২ শতাংশ। এতে নারীদের ঋণপ্রাপ্তির সুযোগ বাড়ানোর যথেষ্ট অবকাশ রয়েছে বলে প্রতিবেদনে অভিমত ব্যক্ত করা হয়েছে।
এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দেশে আসা রেমিট্যান্স বিতরণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা অব্যাহত রয়েছে। জুন মাসের শেষের দিকে এজেন্টদের মাধ্যমে বিতরণ করা মোট অভ্যন্তরীণ রেমিট্যান্সের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২,১৪৯.০৪১ মিলিয়ন টাকা। আগের প্রান্তিকের তুলনায় এ পরিমাণ ১ দশমিক ৭৬ শতাংশ এবং এক বছরের ব্যবধানে ১৬ দশমিক ৮৭ শতাংশ বেড়েছে।
এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বিতরণ করা মোট রেমিট্যান্সের ৯০ দশমিক ৪৪ শতাংশ গ্রামীণ এলাকার সুবিধাভোগীরা পেয়েছেন। এতে দেশের বড় শহরগুলোর বাইরের বসবাসকারী জনগণের কাছে রেমিট্যান্স পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের গুরুত্ব স্পষ্ট হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুসারে, বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকার ব্যাংকিং সুবিধাবঞ্চিত জনগণের কাছে ব্যাংকিং পরিষেবা পৌঁছে দেয়ার মাধ্যমে এজেন্ট ব্যাংকিং আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের ঋণ-আমানত অনুপাত বৃদ্ধির কারণে এজেন্ট আউটলেটের মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের জন্য অর্থায়নের সুযোগ বৃদ্ধির বিষয়টিও প্রতিবেদনে উল্লিখিত হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে কটেজ, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ (সিএমএসএমই) এবং নারী উদ্যোক্তাদের ঋণ দেওয়ার পাশাপাশি প্রান্তিক জনগণের জন্য পুনঃঅর্থায়ন স্কিম বাস্তবায়নে ব্যাংকগুলোকে উৎসাহিত করছে।
এজেন্ট ব্যাংকিং উদ্যোক্তা হিসেবেও নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত ২৮টি ব্যাংক ১ হাজার ৭৭৬ জন নারী উদ্যোক্তার মালিকানাধীন ২ হাজার ১০৬টি আউটলেটের মাধ্যমে সেবা প্রদান করছিল।
প্রতিবেদন তথ্য দিয়েছে যে, নারী উদ্যোক্তাদের মালিকানাধীন আউটলেটগুলো দেশের মোট এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটের ১০ দশমিক ২২ শতাংশ গঠন করে। এসব আউটলেটে ২৩ লাখ ৪০ হাজার হিসাব রয়েছে, যার মধ্যে ১৯ লাখ ৪০ হাজার হিসাব গ্রামীণ এলাকার গ্রাহকদের।
বাংলাদেশে ব্যাংক ২০১৩ সালে এজেন্ট ব্যাংকিং ব্যবস্থা কার্যকর করে। এই ব্যবস্থা ভূগোলগতভাবে দুর্গম এলাকায় বসবাসকারী জনগণের কাছে ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর বিকল্প মাধ্যম হিসেবে এসেছে। এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটের মাধ্যমে গ্রাহকরা আমানত, ঋণ, রেমিট্যান্স, বিভিন্ন ধরনের বিল পরিশোধ এবং সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা গ্রহণ করতে সক্ষম হন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে গত দুইদিনে মোট ৩ হাজার ৯৫২টি মামলা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ।
ডিএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ জানানো হয়, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে মোট ১৮১টি মামলা হয়। এর মধ্যে রয়েছে ১১টি বাস, ১টি ট্রাক, ৯টি কাভার্ডভ্যান, ১৯টি সিএনজি ও ৫৮টি মোটরসাইকেল। লালবাগ বিভাগে মোট ২১৫টি মামলা হয়েছে, যার মধ্যে ১২টি বাস, ১৯টি ট্রাক, ২টি কাভার্ডভ্যান, ১৫টি সিএনজি ও ১২৩টি মোটরসাইকেল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ৩৫টি বাস, ৬টি ট্রাক, ১৭টি কাভার্ডভ্যান, ৬৩টি সিএনজি ও ২৯৭টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৫২০টি মামলা হয়েছে। এছাড়া ওয়ারী বিভাগে ৩২টি বাস, ৩৯টি ট্রাক, ৩৪টি কাভার্ডভ্যান, ৪৭টি সিএনজি ও ১৮৬টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৪৪৭টি মামলা দায়ের হয়েছে।
ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ১০টি বাস, ৬টি ট্রাক, ১১টি কাভার্ডভ্যান, ৪৩টি সিএনজি ও ১৩৬টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৮৩টি মামলা হয়েছে। অন্যদিকে মিরপুর বিভাগে ৭০টি বাস, ৪৯টি ট্রাক, ৭৩টি কাভার্ডভ্যান, ৯৮টি সিএনজি, ৪১৭টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৯১৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
উত্তরা বিভাগে ৭৯টি বাস, ৩৩টি ট্রাক, ২৬টি কাভার্ডভ্যান, ৯৫টি সিএনজি ও ৪০৪টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৯২৯টি মামলা হয়েছে।
অবশেষে ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ৬০টি বাস, ৮টি ট্রাক, ২০টি কাভার্ডভ্যান, ৫২টি সিএনজি ও ১৫৫টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৪৫৮টি মামলা হয়েছে।
এছাড়াও অভিযানকালে মোট ৮৪২টি গাড়ি ডাম্পিং করা হয় এবং ৫০৪টি গাড়ি রেকার করা হয়।
গত বৃহস্পতি ও শুক্রবার ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব মামলা দায়ের করে।
শহর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির টিমের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশব্যাপী জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং তৃণমূলের শূন্য পদগুলো পূরণের মাধ্যমে সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জোর দিয়েছে বিএনপি। দলটির সর্বাধিক নীতি নির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এসব বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাতে গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বৈঠক শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। এর আগে সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকের সিদ্ধান্ত তুলে ধরে রুহুল কবির রিজভী বলেন, বৈঠকে মূলত দেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সকালে প্রধানমন্ত্রী সারা দেশের জেলা-উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে যেসব নির্দেশনা দিয়েছেন, তা বাস্তবায়নের বিষয়ে জোর দেওয়া হয়।
এর মধ্যে অন্যতম হলো, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের সব হাসপাতালে মশারি সরবরাহ করা।
তিনি আরো জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধে এবং সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে বিএনপির পক্ষ থেকে ঢাকা শহরের পাশাপাশি সারা দেশে প্রচারপত্র (লিফলেট) বিতরণ করা হবে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের দিয়ে এই প্রচারপত্র তৈরি করা হয়েছে। এছাড়া স্কুল, মাদ্রাসা ও হাটবাজারে যেন যত্রতত্র আবর্জনা ফেলে মশার বংশবিস্তার না ঘটে, সেজন্য নির্দিষ্ট স্থানে ডাস্টবিন রাখার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানানো হয়েছে।
পাশাপাশি গার্লস গাইড, স্কাউটসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও শিক্ষার্থীদের ডেঙ্গু সচেতনতায় কাজ করার জন্য দলের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে। রেডিও, টিভি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও দলের পক্ষ থেকে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হবে।
সাংগঠনিক আলোচনার বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রান্ত মহাসচিব বলেন, দলের বিভিন্ন পর্যায়ের কমিটিতে অনেকে মারা গেছেন বা বহিষ্কারের কারণে পদ শূন্য হয়ে গেছে। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এসব শূন্য পদে দ্রুত পদোন্নতি দিয়ে তা পূরণের বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানী সানায় ফিরে গেছেন দুই শতাধিক ইয়েমেনি বন্দি, যারা সৌদি সমর্থিত কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। মুক্তি পাওয়ার পর তাঁরা সানায় পৌঁছানোর পর উষ্ণ সংবর্ধনা লাভ করেন। এই বন্দিরা মুক্তি পেয়েছেন ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনীর হাতে চলে আসা পশ্চিমাঞ্চলের কৌশলগত এলাকা মোখা, ধুবাব ও তায়েজের নিয়ন্ত্রণের পর। বন্দি বিষয়ক কমিটির পক্ষ থেকে এ উপলক্ষে একটি বিশেষ সংবাদ সম্মেলনও আয়োজন করা হয়।
তিনি আরও জানান, বন্দি বিষয়ক কমিটির প্রধান আবদুল কাদির আল-মুর্তাদা মুক্তিপ্রাপ্ত ২১০ জন বন্দির সম্পর্কে জানান যে, তারা একটি বন্দি বিনিময় চুক্তির অংশ ছিলেন, যা পূর্বে চূড়ান্ত হলেও প্রতিপক্ষের অসহযোগিতার কারণে আটকে গিয়েছিল। সৌদি সমর্থিত বাহিনীর শক্তপোক্ত অবস্থান ভেঙে তাদের মুক্ত করা হয়েছে ‘আল্লাহ শক্তির দিক থেকে শক্তিশালী ও শাস্তিতে কঠোর’ নামে একটি সফল সামরিক অভিযান চালিয়ে। এই মুক্তিপ্রাপ্ত ইয়েমেনিরা গত পাঁচ থেকে আট বছর ধরে কারাবন্দি ছিলেন এবং অনেকের বিরুদ্ধে সৌদি কর্তৃপক্ষ মৃত্যুদণ্ডসহ কঠোর কারাদণ্ডের সাজা দিয়েছিল।
এছাড়া, হুতির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি একজন বিবৃতিতে পশ্চিমাঞ্চলে বড় ধরনের সামরিক সাফল্যের বিস্তারিত তুলে ধরেন। গত ৩ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া ওই অভিযানে তায়েজ ও হুদায়দা গভর্নরহাটের ছয়টি জেলার প্রায় ৫ হাজার ৪০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা সৌদি সমর্থিত বিদেশি শক্তির কবল থেকে পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। এই অভিযানের ফলে কৌশলগত করবে এল-মান্দেব প্রণালী, ময়ুন দ্বীপ এবং মোখাসহ আশপাশের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ক্যাম্প ও ঘাঁটি সম্পূর্ণভাবে ইয়েমেনি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ