রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:১৪ এম
‘সার চাওয়া কি আমাগরে অপরাধ?’—এমন প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় কৃষকেরা। কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে সারের দাবিতে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধের ঘটনার পর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার করা মামলার পর এই প্রশ্ন ওঠে। মামলায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ কৃষকদের মধ্যে গ্রেপ্তার এবং হয়রানির আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
গত ৭ সেপ্টেম্বর সকালে, উপজেলার বঙ্গসোনাহাট ইউনিয়নের গনাইয়েরকুটি মৌজায় বিএডিসি সার ডিলার মেসার্স আফি সার ঘরের গুদামে সার বিতরণকে কেন্দ্র করে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সেখানে ডিএপি ২৩৫, টিএসপি ৯৫ ও এমওপি ১৫৭ বস্তাসহ মোট ৪৮৭ বস্তা সার মজুদ ছিল। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল জব্বার কৃষকদের চাহিদা পূরণে আরও ১০০ বস্তা ডিএপি আনার ব্যবস্থা করেন।
এজাহারে কৃষি কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, ওই দিন বেলা ১১টা ৩৫ মিনিটের দিকে আসামিরা আরও ৫০-৬০ জনের সঙ্গে তাঁকে আক্রমণের উদ্দেশ্যে গালিগালাজ করে এগিয়ে আসেন। পরে, পুলিশ ও উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের সহায়তায় নিরাপদ স্থানে যাওয়ার সময় তাঁকে এবং সঙ্গে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কিল-ঘুষি মেরে জখম করা হয়। তাঁদের একটি ঘরে আটকে রেখে প্রাণনাশের হুমকি এবং সার বিতরণে বাধা দেওয়ারও অভিযোগ করা হয়েছে। পরে, বাঁশ ও পাটখড়ি দিয়ে সড়ক অবরোধ করা হয়।
খবর পেয়ে ইউএনও ও অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কৃষি কর্মকর্তা ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্ধার করেন। পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে কৃষি কর্মকর্তা ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন।
এ ঘটনায় কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল জব্বার বাদী হয়ে ভূরুঙ্গামারী থানায় মামলা করেন। মামলার ১১ নামীয় আসামি হলেন—মোঃ সুলতান মিয়া, মোঃ নুরু মিয়া, মোঃ আশিকুর রহমান ছোটন, মোঃ মিলন মিয়া, মোঃ আল আমিন মোল্লা, মোঃ সুরুজ মিয়া, মোঃ হান্নান মিয়া, মোঃ আঃ ছালাম, মোঃ মিজানুর রহমান, মোঃ মোস্তাক আলী ও মোঃ আসলাম হোসেন। তাঁদের পিতার নাম ও ঠিকানা এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।
মামলার সাক্ষী হিসেবে রয়েছেন মোঃ আমজাদ হোসেন, মোঃ মানিক মিয়া এবং উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মঞ্জুরুল ইসলাম, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ও মোঃ শাহানুর আলম। এজাহার অনুযায়ী, দর্শকদের উপস্থিতিতে পুলিশ কৃষি কর্মকর্তা ও অন্যদের উদ্ধার করে।
মামলার পর স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। কৃষকদের দাবি, তাঁরা সার নিতে ও চাহিদা অনুযায়ী সার পাওয়ার দাবিতে সেখানে গিয়েছিলেন। এখন অজ্ঞাতনামা আসামি করায় নিরীহ কৃষকেরাও হয়রানির শিকার হওয়ার আশঙ্কা করছেন।
ভূরুঙ্গামারী থানার ওসি আজিম উদ্দিন বলেন, ঘটনার ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে। তিনি যোগ করেছেন, নিরপরাধ কাউকে গ্রেপ্তার করা হবে না। সাধারণ কৃষকদের আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আমাদের হাতে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অসংবাদ বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের জরুরি সিদ্ধান্ত মোতাবেক টাঙ্গাইল জেলা শাখার নতুন আংশিক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ইসতিয়াক আহমেদ রাজীবকে সভাপতি এবং তানভীরুল ইসলাম হিমেলকে সাধারণ সম্পাদক করে ২৪ সদস্যের এই আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়।
কমিটিতে সাতজনকে সহ-সভাপতি, দুজনকে যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, একজনকে সাংগঠনিক সম্পাদক, একজনকে প্রচার সম্পাদক, একজনকে দপ্তর সম্পাদক, একজনকে অর্থ বিষয়ক সম্পাদকসহ বিভিন্ন সম্পাদকীয় পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কমিটিতে দুজনকে সদস্য করা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আগামী এক মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদনের জন্য কেন্দ্রীয় দপ্তরে জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নতুন কমিটি ঘোষণার মধ্য দিয়ে টাঙ্গাইল জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারকে ঠেকাতে বিরোধীদল কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করছে বলে মন্তব্য জানিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানী ঢাকার গুলশানে আওয়ামী লীগের বিচারের দাবিতে মশাল মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এ মন্তব্য করেন তিনি।
আবু হানিফ বলেন, গুলশান একটি ভিআইপি এলাকা, যেখানে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা বাস করেন। এখানে নিরাপত্তার চাদরে আবদ্ধ থাকার পরেও প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে কীভাবে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ মিছিল করলো?
তিনি উল্লেখ করেন, শুধু ঢাকায় নয়; সারাদেশে গোয়েন্দা সংস্থার লোক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ মিছিল করছে। তাছাড়া প্রশাসনে এবং গোয়েন্দা সংস্থায় থাকা আওয়ামী লীগের দোসরও এই মিছিল করার সুযোগ করে দেয়। প্রশাসন একটি পদক্ষেপ নিলেই নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল বন্ধ হয়ে যাবে। বিশেষ করে, যেখানেই নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ মিছিল করবে, সেখানকার ডিসি, এসপি, ওসি, ইউএনওকে বান্দরবান পাঠালে সারাদেশে প্রশাসন সতর্ক হয়ে যাবে।
গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আরও বলেন, সরকারকে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিষয়ে কঠোর হতে হবে। কারণ, এই নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সারাদেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে। তাছাড়া দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো নেই এবং বিভিন্ন স্থানে খুন, ছিনতাইয়ের মতো ঘটনা ঘটছে।
আবু হানিফ বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিরোধীদল বিশেষ করে জামায়াত-এনসিপি সারাদেশে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করছে। সরকারকে ঠেকাতে জামায়াত-এনসিপি নিষিদ্ধ লীগকে পুনর্বাসন করছে এবং তারা পুনর্বাসনের মধ্য দিয়ে মূলত নিষিদ্ধ লীগকে মিছিল করার সুযোগ করে দিচ্ছে। বিরোধীদলের প্রতি আহ্বান— অর্থের বিনিময়ে লীগকে পুনর্বাসন করা থেকে বিরত থাকুন। যদি এই লীগ ফিরে আসে, তবে কাউকেই ছাড়বে না।
গণঅধিকার পরিষদের মহানগর উত্তরের সভাপতি আব্দুর রহিম বলেন, আওয়ামী লীগের নেতারা নিরাপদে বিদেশে আরাম আয়েশ করছে। অথচ, দেশে থাকা নিরীহ কর্মীদের উসকানি দিয়ে মিছিলে নিতে বিপদে ফেলছে। পলাতক নেতাদের কথায় আর রাস্তায় নেমে বিপদে পড়বেন না।
গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকা মহানগর উত্তরের সাংগঠনিক সম্পাদক আবির ইসলাম সবুজের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন মহানগর উত্তর গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অপূর্ব আলমগীর, সহ সভাপতি ফারজানা কিবরিয়া, রেজওয়নুল শাওন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইমরান, শ্রমিক অধিকার পরিষদের মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক রুবেল, ছাত্র অধিকার পরিষদের দপ্তর সম্পাদক নুরুজ্জামান ইমন প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে উপজেলা বিএনপি। এনিয়েই দলের নেতাকর্মীরা জাতীয় সংসদে বিএনপির সমালোচনা করে বক্তব্য দেওয়ার প্রতিবাদে ঝাড়ু হাতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এই কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা চলে আসেন। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে নেতাকর্মীরা যান মিছিলে।
এছাড়াও, আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে আগে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। পরে সেখান থেকে ঝাড়ু হাতে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি উপজেলা প্রধান সড়কগুলি প্রদক্ষিণ করে পুনরায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন হাজী মো. শাহজাহান সিরাজ, আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি। বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সদস্য মো. জাকির হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. হাবিবুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল হোসেন জয় এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শামীম চৌধুরীসহ স্থানীয় নেতারা।
সভাপতির বক্তব্যে হাজী মো. শাহজাহান সিরাজ রুমিন ফারহানার পরিবারের ইতিহাস ও রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, সংসদে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিএনপিকে নিয়ে রুমিন ফারহানার বক্তব্য তারা প্রত্যাখ্যান করছেন। একই সঙ্গে তিনি জানান, তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে আশুগঞ্জের মাটিতে।
উল্লেখ্য, গত ৯ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের এক অংশ) আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বিএনপির সমালোচনা করে বক্তব্য দেন।
তিনি সংসদে বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে গ্যাস-বিদ্যুৎ ও সারের সংকট তৈরি হওয়া ছাড়া সম্ভব নয়। একই সঙ্গে তিনি দুর্নীতি ও ঋণখেলাপিসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিএনপির অতীত ভূমিকার সমালোচনা করেন।
রুমিন ফারহানার ওই বক্তব্যের প্রতিবাদেই শনিবার আশুগঞ্জে বিক্ষোভ সমাবেশ ও ঝাড়ু মিছিল করেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে বিয়ের অনুষ্ঠানে নাচ পরিবেশন করতে এসে কিশোরীসহ দুই নারী নৃত্যশিল্পীকে নৌকায় নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। মামলার এজাহার অনুযায়ী, তিতাস নদীর মাঝপথে নৌকার ভেতরে তাঁদের ধর্ষণের পর রাতে নাসিরনগর উপজেলার কুণ্ডা এলাকার তিতাস নদীসংলগ্ন ভূইয়া ঘাটে নামিয়ে দিয়ে চলে যান অভিযুক্তরা।
এ ঘটনায় করা মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ১০ সেপ্টেম্বর বিকেলে সরাইল উপজেলার শাহাবাজপুর এলাকায় তিতাস নদীতে ঘটনাটি ঘটে। ভুক্তভোগী দুই নারী কুমিল্লার চান্দিনা এলাকার বাসিন্দা এবং তাঁরা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পেশাগতভাবে নৃত্য পরিবেশন করেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ভুক্তভোগীদের ফেসবুক পেজ থেকে যোগাযোগ নম্বর নিয়ে রাকিব মিয়া নামের এক যুবক শাহাবাজপুর এলাকায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে নাচ পরিবেশনের জন্য তাঁদের সঙ্গে ৯ হাজার টাকায় চুক্তি করেন। চুক্তি অনুযায়ী ওই দিন বিকেলে তাঁরা সরাইল বিশ্বরোড এলাকায় পৌঁছালে রাকিব ও তাঁর সহযোগীরা তাঁদের সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে শাহাবাজপুরের একটি সেতুর নিচে নিয়ে যান।
পরে বিয়ের অনুষ্ঠানে নেওয়ার কথা বলে তাঁদের একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকায় তোলা হয়। এজাহার অনুযায়ী, নৌকাটি তিতাস নদীর মাঝপথে পৌঁছানোর পর চালক ইঞ্জিন বন্ধ করে দেন। এরপর নৌকার ছাউনির ভেতরে নিয়ে অভিযুক্তরা দুই নারীকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ সময় তাঁদের সঙ্গে থাকা এক পুরুষ সদস্য বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে অভিযুক্তরা ধারালো অস্ত্র দেখিয়ে তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেন বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত নদীর মাঝখানে নৌকার ভেতরে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।
পরে রাত আনুমানিক ৮টার দিকে ভুক্তভোগী দুই নারীকে নাসিরনগর উপজেলার কুণ্ডা তিতাস নদীসংলগ্ন ভূইয়া ঘাট এলাকায় নামিয়ে দিয়ে অভিযুক্তরা চলে যান বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার পর আইনি সহায়তা পেতে ভুক্তভোগী দুই নারী প্রথমে নাসিরনগর থানায় যান। পরে পুলিশ তাঁদের জানায়, ঘটনাটি সরাইল থানার আওতাধীন। এরপর তাঁরা সরাইল থানায় গিয়ে মামলা করেন।
১১ সেপ্টেম্বর রাতে ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে সরাইল থানায় মামলা করা হয়। মামলায় রাকিব মিয়াকে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাতনামা আরও চার থেকে পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।
সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনজুর কাদের ভূঁইয়া বলেন, এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, মামলার ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্ত ও অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের স্বার্থে আপাতত গ্রেপ্তার ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।
ঘটনাটি নিয়ে পুলিশ তদন্ত করছে। অভিযোগের পূর্ণ সত্যতা তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ