রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৩৫ এম
মানবজীবনের ভারসাম্য, প্রশান্তি এবং বংশবৃদ্ধির একটি সুন্দর ও পবিত্র অনুঘটক বিয়ে। এটি শুধুমাত্র দুটি মানুষের সামাজিক বন্ধন নয়, বরং আত্মিক প্রশান্তি অর্জনের এক অপূর্ব ইসলামি মাধ্যম হিসেবেও বিবেচিত। তবে অনেক সময় ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য বিয়েকে একটি মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হয়, যেমন বিদেশ যাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট চুক্তিতে বিয়ে করা। এ বিষয়টি বৈধ না অবৈধ, এ ব্যাপারে ইসলামের বিধিনিষেধ কী?
একটি ইসলামি আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রখ্যাত ইসলামিক স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহকে যখন এ ব্যাপারে প্রশ্ন করা হয়, তখন তিনি উত্তরে বলেন, অনেকেই লন্ডনে যাওয়ার জন্য অভিনয় করে, আসলে তারা জামাই-বউ নয়, বরং কেবল কাগজে-কলমে জামাই-বউ। যাদের সেখানে গিয়ে সবাই যার যার রাস্তা ধরে চলে যায়। বর্ডার ক্রস ও ইমিগ্রেশন পাস করার আগ পর্যন্ত এটি আসলে বিবাহ নয়, বরং বিয়ের নামে তামাশা করা, যেটি সম্পূর্ণই নাজায়েয কাজ।
তিনি আরও বলেন, শরীয়তের দৃষ্টিকোণ থেকে যদি প্রস্তাব ও সম্মতি দুইজন স্বাক্ষীর উপস্থিতিতে হয়ে থাকে, তাহলে বিয়ে হয়ে যায়। এরপর স্বামী-স্ত্রী হিসেবে সকল হক, সকল পাওনা একে অপরের প্রতি প্রযোজ্য হবে। যদি এটি নাটক বানানো হয় এবং এ সময় যদি নিয়মতান্ত্রিকভাবে ডিভোর্স না হয়ে অন্যত্র বিয়ে হয়, তাহলে সেটা জায়েজ হবে না। পুরুষ তার স্ত্রীর অধিকার না আদায় করার জন্য আল্লাহর কাছে দায়ী থাকবে। পূর্ব থেকেই যদি এ ধরনের ডিভোর্সের চিন্তা থাকে, তাহলে এটি স্পষ্টতই গুনাহের কাজ এবং ভয়াবহ অপরাধ। এটি কোনোভাবেই জায়েজ নয়।
স্ত্রী শর্ত ভঙ্গ করলে ‘বিনা তালাকে’ কি তালাক হয়ে যাবে?
বিয়ের গুরুত্বারোপ করে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন যে একাকি থাকা বা অহেতুক বিয়ে এড়িয়ে চলা তার আদর্শের অংশ নয়—
النِّكَاحُ مِنْ سُنَّتِي فَمَنْ لَمْ يَعْمَلْ بِسُنَّتِي فَلَيْسَ مِنِّي
‘বিয়ে হলো আমার সুন্নত (আদর্শ)। সুতরাং যে আমার সুন্নত অনুযায়ী আমল করল না, সে আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয়।’ (ইবনে মাজাহ ১৮৪৬)
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের কচাকাটা থানা পুলিশের চালানো পৃথক দুটির মাদকবিরোধী অভিযানে ৪২৭ পিস ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময়, দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তবে একটি অভিযানে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জয়নাল নামে একজন ব্যক্তি পালিয়ে যান বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) নারায়ণপুর ইউনিয়নের বাহারের ঘাট এলাকায় প্রথম অভিযানটি পরিচালিত হয়েছে। স্থানীয় মাদক নির্মূল কমিটির সদস্যদের সহযোগিতায় এই অভিযানে ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের দাবি, উদ্ধারকৃত ইয়াবাগুলো জয়নাল নামে স্থানীয় এক ব্যক্তির কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ যখন সেখানে উপস্থিত ছিল, তখন সে দুর্গম চরাঞ্চলের সুযোগ নিয়ে পালিয়ে যায়। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে এবং তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পরে একই দিন রাতে কচাকাটা থানার গাবতলা বাজার এলাকায় আরেকটি পৃথক অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময়ে ২৭ পিস ইয়াবাসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার করা ইয়াবার ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আলাদা মামলা করা হয়েছে।
ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন এবং কচাকাটা থানার অফিসার ইনচার্জ অর্পণ কুমার দাসের নেতৃত্বে এই সব অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
কচাকাটা থানা পুলিশ জানিয়েছে, মাদকদ্রব্যের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।
ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। মাদক কারবারী ও মাদক সেবীদের কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের রাজারহাটে একটি ড্রেন থেকে কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় একটি নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
এই ঘটনায় ধারণা করা হচ্ছে, কিছুদিন আগে কেউ না কেউ শিশুটিকে সেখানে ফেলে রেখে গেছে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্থানীয় লোকজন মরদেহটি দেখতে পান।
স্থানীয় একটি সূত্র জানায়, উপজেলার আদর্শ বি.এল হাই স্কুলের প্রায় ৫০ মিটার পূর্ব দিকের একটি ড্রেনে কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় নবজাতকটির মরদেহ পড়ে ছিল।
স্থানীয়দের ধারণা, কয়েকদিন আগে শিশুটিকে ওই স্থানে ফেলে রাখা হয়েছিল।
তবে তখন বিষয়টি কারও নজরে আসেনি।
প্রত্যক্ষদর্শী মমেনা বেগম বলেন, "আমার বাড়ির সামনেই শিশুটির মরদেহ পড়ে ছিল। বিকেলে আমিসহ কয়েকজন মরদেহটি দেখতে পাই। পরে আমরা আশপাশের লোকজনকে এই বিষয়ে জানাই।"
এ বিষয়ে রাজারহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রশিদ জানান, বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, "প্রাথমিকভাবে এটি অকাল গর্ভপাতের ঘটনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।"
তিনি উল্লেখ করেন, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে ধারাবাহিক নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে ওঠান বৈঠক করেছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী ও ইউনিয়ন বিএনপি নেতা মারশাফি বিন মর্তুজা আনোয়ার। নির্বাচিত হলে তিনি একটি শান্তিপূর্ণ বাসযোগ্য ও মডেল ডিজিটাল ইউনিয়ন উপহার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
১২ সেপ্টেম্বর বিকালে ৪ নং আড়াইবাড়িয়া ইউনিয়নের ৩ ও ৪ নং ওয়ার্ডের ছমুয়ার দোকান বাজারে ধনকুরা ও দীপেশ্বর গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে এক ওঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
উঠান বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ধনকুড়া গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ছমির উদ্দিন। এতে বক্তব্য রাখেন সাবেক ইউপি সদস্য আলামিন, ৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জজ মিয়া, প্রবীণ গন্যমান্য ব্যক্তি গোলাম রব্বানী, মফিজ উদ্দিন, রহমত আলী সহ অন্যান্য স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
উঠান বৈঠকে উপস্থিত এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে চেয়ারম্যান প্রার্থী আনোয়ার বলেন “আমি আপনাদেরই ভাই-ভাতিজা। আপনাদের চোখের সামনেই ছোট থেকে বড় হয়ে উচ্চশিক্ষা অর্জন করে আপনাদের সেবায় নিয়োজিত আছি। আমার ভালো-মন্দ সবকিছুই আপনারা জানেন। এলাকার দশজন ব্যক্তির মধ্যে ৮ জন যদি আমার সম্পর্কে ভালো মন্তব্য করেন, তবেই আমাকে ভোট দিয়ে আপনাদের সেবার সুযোগ দেবেন।
আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হলে সকলকে সাথে নিয়ে ৪ নং আড়াইবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদকে একটি আধুনিক ও মডেল ডিজিটাল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলব, ইনশাআল্লাহ।”
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি আরও বলেন, দেশ ও জনগণের কল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন আমাদের নেতা। তিনি ভবিষ্যতে দেশ পরিচালনায় আবারও আসলে সাধারণ মানুষের ভাগ্যন্নয়নে বিভিন্ন যুগান্তকারী পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করবেন।
আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী। আশা করছি আমার সততা, নিষ্ঠা ও জনপ্রিয়তা বিবেচনা করে দল আমাকে মনোনয়ন দেবে।
আড়াইবাড়িয়া ইউনিয়নের বিদ্যমান নানা সমস্যা তুলে ধরে প্রার্থী আনোয়ার বলেন, “আয়তনের দিক থেকে আড়াইবাড়িয়া ছোট ইউনিয়ন হলেও এটি অন্যতম। এটি বর্তমানে নানামুখী সমস্যায় জর্জরিত। রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, ও নাগরিক সেবার যে অভাব রয়েছে— জনগণ সুযোগ দিলে সেসব সমস্যা দূর করে একটি আধুনিক বাসযোগ্য ও সুন্দর মডেল ডিজিটাল ইউনিয়ান উপহার দেওয়াই হবে আমার মূল লক্ষ্য।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় দীর্ঘদিনের গ্রাম্য বিরোধ ও পূর্বশত্রুতার জেরে ভাতিজা হত্যার আড়াই মাসের মাথায় রবিউল ইসলাম শেখ ওরফে রবি (৫৫) নামে এক চাচাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। তিনি কাশিয়ানী সদর বাজারে চায়ের দোকান চালাতেন। এ ঘটনায় তাঁর সঙ্গে থাকা আরও তিনজন আহত হয়েছেন। নিহত রবি গত ২৬ জুন একই গ্রামের যে যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছিল, সেই সুমন শেখের চাচা।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে কাশিয়ানী-আলফাডাঙ্গা সড়কের মালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত রবি আলফাডাঙ্গা উপজেলার টগরবন্দ ইউনিয়নের বড়ভাগ গ্রামের সাত্তার শেখের ছেলে।
হামলায় আহতরা হলেন—মোক্তার বিশ্বাস (৫৫), হৃদয় শেখ (২১) ও লিটন খান (৪০)। স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে কাশিয়ানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। আহতদের মধ্যে মোক্তার বিশ্বাস ও হৃদয় শেখের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রতিদিনের মতো শনিবার রাতে কাশিয়ানী সদর বাজারের চায়ের দোকান বন্ধ করে রবি একই এলাকার আরও তিনজনের সঙ্গে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন। তাঁরা কাশিয়ানী-আলফাডাঙ্গা সড়কের মালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছাকাছি পৌঁছালে আগে থেকে ওত পেতে থাকা একদল সশস্ত্র লোক তাঁদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় বলে অভিযোগ।
এ সময় হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁদের ওপর আঘাত করে। এতে রবি গুরুতর আহত হন। পরে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। হামলায় তাঁর সঙ্গে থাকা আরও তিনজন আহত হন।
এর আগে চলতি বছরের ২৬ জুন সন্ধ্যায় একই ইউনিয়নের বড়ভাগ পূর্বপাড়া গ্রামের উকিল শেখের বাড়ির সামনে মোটরসাইকেলে যাওয়ার সময় সুমন শেখ (২৪) নামে এক কলেজছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। সুমন ছিলেন আলাউদ্দিন শেখের ছেলে এবং কাশিয়ানী এম.এ. খালেক ডিগ্রি কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। এ হত্যাকাণ্ডের পর প্রতিপক্ষের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, আলফাডাঙ্গা উপজেলার বড়ভাগ গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার ও গ্রাম্য বিরোধ চলে আসছে। প্রায় চার বছর ধরে এই বিরোধকে কেন্দ্র করে একাধিক সংঘর্ষ, হামলা-পাল্টা হামলা ও মামলা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সুমনকে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
সুমন হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় কয়েকজন আসামি গ্রেপ্তার হওয়ার পর সম্প্রতি জামিনে বের হয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানান। তাঁদের জামিনে বের হওয়ার পর এলাকায় ফের উত্তেজনা দেখা দেয়। এর মধ্যেই এবার সুমনের চাচা রবিউল ইসলাম রবি হত্যার শিকার হলেন।
তবে জামিনে থাকা ব্যক্তিদের কেউ রবিউল হত্যাকাণ্ডে জড়িত কি না, তা এখনো নিশ্চিত করেনি পুলিশ। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, সুমন হত্যার পরও দুই পক্ষের বিরোধ ও উত্তেজনা থামেনি। বরং এলাকায় পাল্টাপাল্টি উত্তেজনা অব্যাহত ছিল। এর মধ্যে রবিউল হত্যার ঘটনায় বড়ভাগসহ আশপাশের এলাকায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, সুমন হত্যার পর থেকেই তাঁরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন। তাঁদের দাবি, আগের হত্যাকাণ্ডের জের অব্যাহত থাকায় শেষ পর্যন্ত সুমনের চাচা রবিউল ইসলামকেও প্রাণ দিতে হলো।
ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মধুখালী, বোয়ালমারী ও আলফাডাঙ্গা সার্কেল) মাসুদুজ্জামান বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। একজন নিহত ও কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনার কারণ এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে।
এদিকে, আড়াই মাসের ব্যবধানে একই বিরোধকে কেন্দ্র করে চাচা-ভাতিজা দুজন নিহত হওয়ায় বড়ভাগ গ্রামে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এলাকায় অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ঘটনাস্থলসহ আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ