রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:২৫ পি.এম
ইতালিতে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনায় সরকারের পক্ষ থেকে কঠিন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চোধুরী। তিনি বলেন, এই বিষয়টির ওপর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সংসদে যুগান্তকারী বক্তব্য রেখেছেন।
মন্ত্রী বলেন, আমি নিজেও বাঁধনের সাথে কথা বলেছি। তার সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা হবে। দেশের অভ্যন্তরে এবং দেশের বাইরেও শিল্পীদের বিরুদ্ধে হেনস্তার ঘটনায় সরকার কখনো দায় এড়াতে চায়নি।
রবিবার সকালে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা ও দপ্তর প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময়ের পর এক প্রশ্নের উত্তরে এ কথা বলেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, দেশে যেমন অপশক্তি রয়েছে, তেমন শুভ শক্তিও রয়েছে। দেশের বাইরেও অপশক্তি-শুভ শক্তি আছে। তবে দেশের বাইরের অপকর্মের জন্য পার পাওয়া যাবে না।
এর আগে জেলার আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা ও দপ্তর প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় বিভিন্ন অপরাধ নির্মূলে বক্তব্য দেন সংস্কৃতিমন্ত্রী। এ ছাড়া তিনি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষিখাতে বিভিন্ন অনিয়ম রোধে আলোকপাত করেন।
সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য নেওয়াজ হালিমা আরলী, চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার, পুলিশ সুপার রুহুল কবীর খান, চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল নাজমুল হাসান, জেলা পরিষদের প্রশাসক শরীফুজ্জামানসহ বিভিন্ন দপ্তর ও বিএনপির নেতারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বের অনেক দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য দিনদিন বাড়ছে।
এই বাণিজ্য চালিয়ে যেতে মুদ্রা বিনিময়ের পরিমাণও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
লেনদেনের সুবিধার্থে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার সঙ্গে বাংলাদেশি টাকার আজ রবিবার বিনিময় হার:
বৈদেশিক মুদ্রা – বাংলাদেশি টাকা
ইউএস ডলার – ১২৩ টাকা ১০ পয়সা
ইউরো – ১৪২ টাকা ৭৭ পয়সা
পাউন্ড – ১৬৬ টাকা ৪০ পয়সা
ভারতীয় রুপি – ১ টাকা ২৮ পয়সা
ইউয়ান – ১৮ টাকা ৩৮ পয়সা
ইয়েন – ০ টাকা ৮০ পয়সা
অস্ট্রেলিয়ান ডলার – ৮৮ টাকা ২৩ পয়সা
সিঙ্গাপুরি ডলার – ৯৭ টাকা ১৪ পয়সা
সূত্র: গুগল)
*যে কোনো সময় মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের নবীনবরণ উপলক্ষে কনসার্ট আয়োজন নিয়ে তৈরি হওয়া বিরোধের অবসান হয়েছে।
শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) আলোচনার পর সিদ্ধান্ত হয়েছে, কলেজের মূল ক্যাম্পাসে কোনো কনসার্ট হবে না।
তবে দক্ষিণ ক্যাম্পাসের ভেতরের মাঠে নির্দিষ্ট শর্তে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা যাবে।
শনিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামলের বাসভবনে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ ও কলেজ কর্তৃপক্ষের বৈঠকে এ সমঝোতা হয়। বৈঠকে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ নেতা আব্দুল খালেকের নেতৃত্বে ৭-৮ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল উপস্থিত থাকে।
আলোচনা শেষে সিদ্ধান্ত হয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের মূল ক্যাম্পাসে নবীনবরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।
আর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে কলেজের দক্ষিণ ক্যাম্পাসে। তবে এ ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শর্ত মানতে হবে।
কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ নেতা আব্দুল খালেক জানালেন, ‘অশ্লীলতা হবে না’ - এই শর্তে দক্ষিণ ক্যাম্পাসের ভেতরের মাঠে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের বিষয়ে তাঁরা একমত হয়েছেন।
তিনি বলেন, সরকারি কলেজের মূল মাঠে কোনো কনসার্ট বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে না।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি শাহাদাত হোসেনও আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তির কথা জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, নবীনবরণ ও আলোচনা সভা মূল ক্যাম্পাসে এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দক্ষিণ ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হবে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল বলেন, কলেজের লোকজন ও মাদরাসার ছাত্রদের নিয়ে আলোচনার পর একটি সমঝোতা হয়েছে।
এর আগে নবীনবরণ উপলক্ষে কনসার্ট আয়োজনের বিরোধিতা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি দেয় কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ। পরে সংসদ সদস্যের হস্তক্ষেপে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকের পর কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ফেসবুক পেজে জানানো হয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ মাঠে কোনো ধরনের কনসার্ট হবে না; সেখানে শুধু নবীনবরণ অনুষ্ঠান হবে। একই সঙ্গে নবীনবরণ, বৃক্ষরোপণসহ অন্যান্য সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক কার্যক্রম চালু রাখার বিষয়ে মতামত দেওয়া হয়েছে।
তবে নির্দিষ্ট শর্তে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। আজ রোববার সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন, জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকার। সভায় জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি তুলে ধরে জেলা প্রশাসক বলেন, তরুণ সমাজ মাদকের ছোবলে ধ্বংসের মুখে পতিত হচ্ছে যা সমাজের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি ও বড় ধরনের বিপর্যয়ের কারণ। এ সামাজিক ব্যাধি কেবল ব্যক্তিজীবনকেই ধ্বংস করে না, বরং অপরাধ প্রবণতা বাড়িয়ে দিয়ে সমাজের সামগ্রিক শান্তি ও শৃঙ্খলা বিনষ্ট করে। মাদকের এ থাবা থেকে সমাজকে রক্ষা করতে সর্বস্তরের মানুষকে সচেতন হতে হবে। এ সময় তিনি মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলাকারী বাহিনীকে আরও তৎপর থাকার আহ্বান জানান। পরিবেশ দূষণের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, দৈনন্দিন কেনাকাটা থেকে শুরু করে বিভিন্ন কাজে ব্যাপকভাবে পলিথিন ব্যবহার করা হচ্ছে। পরিবেশের ওপর পলিথিনের ক্ষতিকর প্রভাব ব্যাপকহারে বেড়েছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া সত্যেও এর ব্যবহার প্রত্যাশিত মাত্রায় কমানো সম্ভব হচ্ছে না। নিষিদ্ধ পলিথিনের ব্যবহার কমাতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা কার্যক্রম বাড়াতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। ডেঙ্গু পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, অফিস-আদালত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বাসাবাড়ির আশপাশ নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি মশার বংশবিস্তারের অন্যতম কারণ হয়ে উঠতে পারে। তাই ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে নিজ নিজ অবস্থান থেকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে হবে। এ সময় তিনি মানব পাচার একটি গুরুতর সামাজিক ও মানবিক সমস্যা উল্লেখ করে বলেন, অসহায় ও দরিদ্র মানুষ যেন কর্মসংস্থানের আশায় পাচারকারীদের প্রলোভন ও প্রতারণার শিকার না হন, সে বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর ওপর নজরদারি বাড়াতে স্থানীয় প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক উপমা ফারিসার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন, পুলিশ সুপার এ. জেড. এম. মোস্তাফিজুর রহমান, সিভিল সার্জন ডা. মো. সাইয়েদুর রহমান, উপ-পুলিশ কমিশনার সুশান্ত সরকার, বীর মুক্তিযোদ্ধা নূরুল আলম ফরিদসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বেসরকারি চাকরিজীবীদের সুরক্ষার জন্য সরকার ‘নতুন সার্ভিস রুলস’ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। এই প্রস্তাবিত সার্ভিস রুলে অন্তর্ভুক্ত হবে ন্যূনতম বেতন, নিয়মিত বেতন বৃদ্ধি, বিভিন্ন ভাতা প্রদান, কর্মঘণ্টা নির্ধারণ, ছুটি, এবং পদোন্নতির বিষয়গুলো।
এছাড়াও, চাকরিজীবীদের আচরণবিধি, দুর্নীতির তদন্ত, শৃঙ্খলা, আইনি সুরক্ষা, বিরোধ নিষ্পত্তি, শিশুশ্রম, স্বাস্থ্য সুরক্ষা, কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা বিষয়গুলো সুনির্দিষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। নতুন সার্ভিস রুলসে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষতিপূরণ আদায়, মাতৃত্বকালীন ছুটি, স্বাস্থ্য ও কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা, প্রতিবন্ধীদের চাকরি, চাকরি স্থায়ীকরণ, চাকরি থেকে অপসারণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোও থাকবে।
অধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা জানান, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন এবং বেসরকারি চাকরিজীবীদের জীবনমান উন্নয়ন উদ্দেশ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
‘নতুন সার্ভিস রুলস’ নিয়ে সর্বশেষ গত ১০ মে মতবিনিময়সভায় তথ্য জানা গেছে। এরপর আর কোনো সভা বা অগ্রগতি নিয়ে কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। ওই সভায় সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, চেম্বার ও বেসরকারি খাতের বিভিন্ন সংগঠনের মতামত নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
সর্বশেষ জানা গেছে, এই সার্ভিস রুলস তৈরিতে ‘বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬’ ও ‘বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা ২০১৫’ এ প্রয়োজনীয় সংশোধন বা সংযোজন আনা হবে। এ জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিধি অনুবিভাগ) মোস্তফা জামানকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বেসরকারি চাকরিজীবীদের এই ‘নতুন সার্ভিস রুলস’ নিয়ে কাজ চলছে। আরো পর্যালোচনা ও মতামতের ভিত্তিতে খসড়া প্রস্তাব করা হবে, পরে তা সরকার বিবেচনায় নেবে।
বেসরকারি চাকরিজীবীরা জানান, শ্রম আইন-২০০৬ ও শ্রম বিধিমালা-২০১৫ আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) দ্বারা অনুমোদিত। এছাড়া, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কনভেনশনও এই আইন ও বিধিমালাকে স্বীকৃতি দিয়েছে।
তবুও, দেশে বেসরকারি খাতের অনেক ক্ষেত্রে এসব আইন যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে না।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪ অনুযায়ী, দেশে কর্মরত মানুষের সংখ্যা ৬ কোটি ৯০ লাখ ৯০ হাজার, এর মধ্যে ৪৮ শতাংশ বেসরকারি, যৌথ উদ্যোগ ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। আরো ১৮ শতাংশ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত। অর্থাৎ মোট ৬৬ শতাংশ কর্মী বেসরকারি খাতে কাজ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ