প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন:- ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- talashbd2024@gmail.com
বেসরকারি চাকরিজীবীদের সুরক্ষার জন্য সরকার ‘নতুন সার্ভিস রুলস’ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। এই প্রস্তাবিত সার্ভিস রুলে অন্তর্ভুক্ত হবে ন্যূনতম বেতন, নিয়মিত বেতন বৃদ্ধি, বিভিন্ন ভাতা প্রদান, কর্মঘণ্টা নির্ধারণ, ছুটি, এবং পদোন্নতির বিষয়গুলো।
এছাড়াও, চাকরিজীবীদের আচরণবিধি, দুর্নীতির তদন্ত, শৃঙ্খলা, আইনি সুরক্ষা, বিরোধ নিষ্পত্তি, শিশুশ্রম, স্বাস্থ্য সুরক্ষা, কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা বিষয়গুলো সুনির্দিষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। নতুন সার্ভিস রুলসে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষতিপূরণ আদায়, মাতৃত্বকালীন ছুটি, স্বাস্থ্য ও কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা, প্রতিবন্ধীদের চাকরি, চাকরি স্থায়ীকরণ, চাকরি থেকে অপসারণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোও থাকবে।
অধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা জানান, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন এবং বেসরকারি চাকরিজীবীদের জীবনমান উন্নয়ন উদ্দেশ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
‘নতুন সার্ভিস রুলস’ নিয়ে সর্বশেষ গত ১০ মে মতবিনিময়সভায় তথ্য জানা গেছে। এরপর আর কোনো সভা বা অগ্রগতি নিয়ে কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। ওই সভায় সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, চেম্বার ও বেসরকারি খাতের বিভিন্ন সংগঠনের মতামত নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
সর্বশেষ জানা গেছে, এই সার্ভিস রুলস তৈরিতে ‘বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬’ ও ‘বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা ২০১৫’ এ প্রয়োজনীয় সংশোধন বা সংযোজন আনা হবে। এ জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিধি অনুবিভাগ) মোস্তফা জামানকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বেসরকারি চাকরিজীবীদের এই ‘নতুন সার্ভিস রুলস’ নিয়ে কাজ চলছে। আরো পর্যালোচনা ও মতামতের ভিত্তিতে খসড়া প্রস্তাব করা হবে, পরে তা সরকার বিবেচনায় নেবে।
বেসরকারি চাকরিজীবীরা জানান, শ্রম আইন-২০০৬ ও শ্রম বিধিমালা-২০১৫ আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) দ্বারা অনুমোদিত। এছাড়া, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কনভেনশনও এই আইন ও বিধিমালাকে স্বীকৃতি দিয়েছে।
তবুও, দেশে বেসরকারি খাতের অনেক ক্ষেত্রে এসব আইন যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে না।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪ অনুযায়ী, দেশে কর্মরত মানুষের সংখ্যা ৬ কোটি ৯০ লাখ ৯০ হাজার, এর মধ্যে ৪৮ শতাংশ বেসরকারি, যৌথ উদ্যোগ ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। আরো ১৮ শতাংশ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত। অর্থাৎ মোট ৬৬ শতাংশ কর্মী বেসরকারি খাতে কাজ করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন