প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন:- ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- talashbd2024@gmail.com
জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। আজ রোববার সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন, জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকার। সভায় জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি তুলে ধরে জেলা প্রশাসক বলেন, তরুণ সমাজ মাদকের ছোবলে ধ্বংসের মুখে পতিত হচ্ছে যা সমাজের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি ও বড় ধরনের বিপর্যয়ের কারণ। এ সামাজিক ব্যাধি কেবল ব্যক্তিজীবনকেই ধ্বংস করে না, বরং অপরাধ প্রবণতা বাড়িয়ে দিয়ে সমাজের সামগ্রিক শান্তি ও শৃঙ্খলা বিনষ্ট করে। মাদকের এ থাবা থেকে সমাজকে রক্ষা করতে সর্বস্তরের মানুষকে সচেতন হতে হবে। এ সময় তিনি মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলাকারী বাহিনীকে আরও তৎপর থাকার আহ্বান জানান। পরিবেশ দূষণের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, দৈনন্দিন কেনাকাটা থেকে শুরু করে বিভিন্ন কাজে ব্যাপকভাবে পলিথিন ব্যবহার করা হচ্ছে। পরিবেশের ওপর পলিথিনের ক্ষতিকর প্রভাব ব্যাপকহারে বেড়েছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া সত্যেও এর ব্যবহার প্রত্যাশিত মাত্রায় কমানো সম্ভব হচ্ছে না। নিষিদ্ধ পলিথিনের ব্যবহার কমাতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা কার্যক্রম বাড়াতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। ডেঙ্গু পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, অফিস-আদালত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বাসাবাড়ির আশপাশ নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি মশার বংশবিস্তারের অন্যতম কারণ হয়ে উঠতে পারে। তাই ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে নিজ নিজ অবস্থান থেকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে হবে। এ সময় তিনি মানব পাচার একটি গুরুতর সামাজিক ও মানবিক সমস্যা উল্লেখ করে বলেন, অসহায় ও দরিদ্র মানুষ যেন কর্মসংস্থানের আশায় পাচারকারীদের প্রলোভন ও প্রতারণার শিকার না হন, সে বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর ওপর নজরদারি বাড়াতে স্থানীয় প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক উপমা ফারিসার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন, পুলিশ সুপার এ. জেড. এম. মোস্তাফিজুর রহমান, সিভিল সার্জন ডা. মো. সাইয়েদুর রহমান, উপ-পুলিশ কমিশনার সুশান্ত সরকার, বীর মুক্তিযোদ্ধা নূরুল আলম ফরিদসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন