রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:২৮ পি.এম
জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। আজ রোববার সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন, জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকার। সভায় জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি তুলে ধরে জেলা প্রশাসক বলেন, তরুণ সমাজ মাদকের ছোবলে ধ্বংসের মুখে পতিত হচ্ছে যা সমাজের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি ও বড় ধরনের বিপর্যয়ের কারণ। এ সামাজিক ব্যাধি কেবল ব্যক্তিজীবনকেই ধ্বংস করে না, বরং অপরাধ প্রবণতা বাড়িয়ে দিয়ে সমাজের সামগ্রিক শান্তি ও শৃঙ্খলা বিনষ্ট করে। মাদকের এ থাবা থেকে সমাজকে রক্ষা করতে সর্বস্তরের মানুষকে সচেতন হতে হবে। এ সময় তিনি মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলাকারী বাহিনীকে আরও তৎপর থাকার আহ্বান জানান। পরিবেশ দূষণের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, দৈনন্দিন কেনাকাটা থেকে শুরু করে বিভিন্ন কাজে ব্যাপকভাবে পলিথিন ব্যবহার করা হচ্ছে। পরিবেশের ওপর পলিথিনের ক্ষতিকর প্রভাব ব্যাপকহারে বেড়েছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া সত্যেও এর ব্যবহার প্রত্যাশিত মাত্রায় কমানো সম্ভব হচ্ছে না। নিষিদ্ধ পলিথিনের ব্যবহার কমাতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা কার্যক্রম বাড়াতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। ডেঙ্গু পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, অফিস-আদালত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বাসাবাড়ির আশপাশ নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি মশার বংশবিস্তারের অন্যতম কারণ হয়ে উঠতে পারে। তাই ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে নিজ নিজ অবস্থান থেকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে হবে। এ সময় তিনি মানব পাচার একটি গুরুতর সামাজিক ও মানবিক সমস্যা উল্লেখ করে বলেন, অসহায় ও দরিদ্র মানুষ যেন কর্মসংস্থানের আশায় পাচারকারীদের প্রলোভন ও প্রতারণার শিকার না হন, সে বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর ওপর নজরদারি বাড়াতে স্থানীয় প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক উপমা ফারিসার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন, পুলিশ সুপার এ. জেড. এম. মোস্তাফিজুর রহমান, সিভিল সার্জন ডা. মো. সাইয়েদুর রহমান, উপ-পুলিশ কমিশনার সুশান্ত সরকার, বীর মুক্তিযোদ্ধা নূরুল আলম ফরিদসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বেসরকারি চাকরিজীবীদের সুরক্ষার জন্য সরকার ‘নতুন সার্ভিস রুলস’ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। এই প্রস্তাবিত সার্ভিস রুলে অন্তর্ভুক্ত হবে ন্যূনতম বেতন, নিয়মিত বেতন বৃদ্ধি, বিভিন্ন ভাতা প্রদান, কর্মঘণ্টা নির্ধারণ, ছুটি, এবং পদোন্নতির বিষয়গুলো।
এছাড়াও, চাকরিজীবীদের আচরণবিধি, দুর্নীতির তদন্ত, শৃঙ্খলা, আইনি সুরক্ষা, বিরোধ নিষ্পত্তি, শিশুশ্রম, স্বাস্থ্য সুরক্ষা, কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা বিষয়গুলো সুনির্দিষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। নতুন সার্ভিস রুলসে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষতিপূরণ আদায়, মাতৃত্বকালীন ছুটি, স্বাস্থ্য ও কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা, প্রতিবন্ধীদের চাকরি, চাকরি স্থায়ীকরণ, চাকরি থেকে অপসারণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোও থাকবে।
অধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা জানান, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন এবং বেসরকারি চাকরিজীবীদের জীবনমান উন্নয়ন উদ্দেশ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
‘নতুন সার্ভিস রুলস’ নিয়ে সর্বশেষ গত ১০ মে মতবিনিময়সভায় তথ্য জানা গেছে। এরপর আর কোনো সভা বা অগ্রগতি নিয়ে কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। ওই সভায় সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, চেম্বার ও বেসরকারি খাতের বিভিন্ন সংগঠনের মতামত নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
সর্বশেষ জানা গেছে, এই সার্ভিস রুলস তৈরিতে ‘বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬’ ও ‘বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা ২০১৫’ এ প্রয়োজনীয় সংশোধন বা সংযোজন আনা হবে। এ জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিধি অনুবিভাগ) মোস্তফা জামানকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বেসরকারি চাকরিজীবীদের এই ‘নতুন সার্ভিস রুলস’ নিয়ে কাজ চলছে। আরো পর্যালোচনা ও মতামতের ভিত্তিতে খসড়া প্রস্তাব করা হবে, পরে তা সরকার বিবেচনায় নেবে।
বেসরকারি চাকরিজীবীরা জানান, শ্রম আইন-২০০৬ ও শ্রম বিধিমালা-২০১৫ আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) দ্বারা অনুমোদিত। এছাড়া, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কনভেনশনও এই আইন ও বিধিমালাকে স্বীকৃতি দিয়েছে।
তবুও, দেশে বেসরকারি খাতের অনেক ক্ষেত্রে এসব আইন যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে না।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪ অনুযায়ী, দেশে কর্মরত মানুষের সংখ্যা ৬ কোটি ৯০ লাখ ৯০ হাজার, এর মধ্যে ৪৮ শতাংশ বেসরকারি, যৌথ উদ্যোগ ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। আরো ১৮ শতাংশ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত। অর্থাৎ মোট ৬৬ শতাংশ কর্মী বেসরকারি খাতে কাজ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রবিবার সচিবালয়ে, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেংগলি সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান মন্তব্য করেন, গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে এবং নিশ্চিতভাবে জনগণের অংশগ্রহণ ও জবাবদিহি সুনিশ্চিত করার জন্য শক্তিশালী স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা গড়ে তোলার কোন বিকল্প নেই।
তিনি কোনোভাবেই বলেন, গণতন্ত্রের ভিত্তি যদি তৃণমূল পর্যায়ে শক্তিশালী না হয়, তাহলে রাষ্ট্রের সামগ্রিক গণতান্ত্রিক কাঠামোও সুদৃঢ় করার কোনো সম্ভাবনা থাকবে না।
রবিবার সচিবালয়ে তার নিজ কার্যালয়ে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেংগলির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেছেন।
সাক্ষাৎকালে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমও উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মতো বিশাল জনসংখ্যার দেশে জনগণের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছানোর জন্য কার্যকর ও শক্তিশালী স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার বিশেষ প্রয়োজন রয়েছে।
তিনি দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।
মন্ত্রী ঠিক বলেন, স্থানীয় সরকারকে কার্যকরভাবে শক্তিশালী করার জন্য প্রকৃত বিকেন্দ্রীকরণ নিশ্চিত করা অপরিহার্য।
তিনি আরও বলেন, জনগণের অংশগ্রহণ ও স্থানীয় পর্যায়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ বৃদ্ধি করার মাধ্যমে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে অনেক বেশি কার্যকর করা সম্ভব।
সাথে, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের ব্যাপারে যথেষ্ট প্রতিশ্রুতি রয়েছে বলে তিনি জানান।
বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও গভীর করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, গণতন্ত্র ও স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা উন্নয়ন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রক্রিয়া, গ্রামীণ নারীদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
এ সময় সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেংগলি বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ডের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি, জনগণের কাছে জবাবদিহি বাড়ানো এবং নারীদের ক্ষমতায়নের মতো বিষয়ের দিকে চিন্তা করা প্রয়োজন।
সাক্ষাৎ শেষ হওয়ার পর সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, বৈঠকে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আরও উন্নত করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
বিশেষ করে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিকেন্দ্রীকরণ এবং স্থানীয় পর্যায়ে জনগণের অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, গ্রামীণ অর্থনীতিতে নারীদের আরও বেশি সম্পৃক্ত করা, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ডের মধ্যে সহযোগিতার বিশাল সুযোগ রয়েছে।
এ সব ক্ষেত্রের মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর ও কার্যকর হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব শহীদুল হাসানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লালমনিরহাটে তিস্তা সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতি লিঃ-এর অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় স্থানীয় দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই হয়ড়ানি মুলক মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে আজ দুপুরে জেলায় কর্মরত সকল সাংবাদিকবৃন্দের ব্যানারে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধনে বাংলাদেশ প্রেসক্লাব রংপুর বিভাগীয় কমিটির সভাপতি শরিফুল ইসলাম রতন, জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি রুহুল আমিন বাবু, টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান জুয়েল, লালমনিরহাট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদ তৌহিদুল ইসলাম লিটন, প্রবিন সাংবাদিক গোকুল রায়, বক্তব্য রাখেন।
বক্তারা বলেন, দুর্নীতির তথ্য জাতির সামনে তুলে ধরা গণমাধ্যমের দায়িত্ব সেই সংবাদ প্রকাশের জেরে সাইবার সুরক্ষা আইনের ভয় দেখিয়ে সাংবাদিকদের কন্ঠরোধের চেষ্টা চলছে। অবিলম্বে এই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করা না হলে আরও কঠোর ও বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
মানববন্ধনে লালমনিরহাট জেলার কর্মরত সকল গণমাধ্যমকর্মী ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং সচেতন স্থানীয় সাধারণ মানুষ সংহতি প্রকাশ করে অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আদালতের রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের ধর্মঘট ও হরতাল ডাকাকে অবৈধ ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।
হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়েছে, এ ধরনের কোনো ধর্মঘট বা হরতাল ডাকলে বাস মালিক সমিতি বা শ্রমিক সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার ও বিচারপতি ফয়সাল হাসান আরিফের সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ আজ রায় প্রকাশ করে, যা এই সংক্রান্ত এক রিটের রুল যথাযথ ঘোষণা করে।
রায়ে আরও বলা হয়েছে, সংবিধানের ১১২ অনুচ্ছেদ অনুসারে আদালতের রায় সকলের জন্য বাধ্যতামূলক। তবে আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ থাকলেও রায়ের বিরুদ্ধে হরতাল বা ধর্মঘট করা অবৈধ ও সংবিধান পরিপন্থী।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আহসান হাবীব। বিআরটিএ’র পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. রাফিউল ইসলাম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ