রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৪৯ পি.এম
আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে প্রায় ১৪ হাজার ৮০০ জনকে আটক করার পর এক সপ্তাহের মধ্যে সৌদি আরব থেকে ১২ হাজার ৫৭ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সৌদি আরবের বিভিন্ন এলাকায় সরকারি সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে ৩ সেপ্টেম্বর থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চালানো যৌথ তল্লাশি অভিযানে ১৪ হাজার ৭৯৬ জনকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ৭ হাজার ৫০৪ জনের বিরুদ্ধে আবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে আটক করা হয়েছে ৩ হাজার ৭৮৩ জনকে, এবং শ্রমবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে আটক হয়েছেন ৩ হাজার ৫০৯ জন।
এছাড়া, অবৈধভাবে সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টা করার সময় ১ হাজার ২৭৩ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৫৫ শতাংশ ইথিওপিয়ার নাগরিক, ৪৪ শতাংশ ইয়েমেনের নাগরিক এবং ১ শতাংশ অন্যান্য দেশের। অন্যদিকে, অবৈধভাবে সৌদি আরব ত্যাগের চেষ্টা করার সময় আরো ২৫ জনকে আটক করা হয়েছে।
দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানায়, গত এক সপ্তাহে ১২ হাজার ৫৭ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
আরো ১৮ হাজার ৬৭৭ জনকে ভ্রমণ নথি সংগ্রহের জন্য তাদের নিজ নিজ কূটনৈতিক মিশনে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া ৩ হাজার ৪৮৭ জনকে ভ্রমণের ব্যবস্থা সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।
আইন লঙ্ঘনকারীদের পরিবহন, আশ্রয় দেয়ার বা তাদের কর্মে নিয়োগ দেয়ার অভিযোগে আরো ২১ জনকে আটক করা হয়েছে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বর্তমানে মোট ৩০ হাজার ২৫৭ জন প্রবাসী অভিবাসন ও শ্রম আইন লঙ্ঘনসংক্রান্ত বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৮ হাজার ৫২৯ জন পুরুষ এবং ১ হাজার ৭২৮ জন নারী।
সৌদি কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে বলেছে, অবৈধভাবে কাউকে দেশে প্রবেশে সহায়তা করা, পরিবহন বা আশ্রয় দেয়া কিংবা অন্য কোনো সহায়তা করার জন্য সর্বচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড এবং সর্বচ্চ ১০ লাখ সৌদি রিয়াল জরিমানাসহ শাস্তির বিধান রয়েছে। আইন লঙ্ঘনকারীদের পরিবহনে ব্যবহৃত যানবাহন এবং তাদের আশ্রয় দেয়ার কাজে ব্যবহৃত সম্পত্তিও জব্দ করা হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঈরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী নিয়ে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে রোববার সেখানে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ হামলায় একজন নিহত ও তিনজন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানি কর্তৃপক্ষ।
সংবাদ সংস্থা এএফপি’র দেওয়া খবরের সূত্র অনুযায়ী, রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কেশম শহরের গভর্নর আমির তেইমুরি জানান, 'আজ ভোর ৫টার দিকে হেঙ্গাম ও কেশম দ্বীপের উপকূলের নিকটে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা হয়েছে। এতে একজন নিহত এবং তিনজন আহত হয়েছেন।'
একই সঙ্গে, হরমুজ প্রণালীর সবচেয়ে বড় দ্বীপ কেশমের আশপাশে শনিবার রাত থেকে বেশ কয়েক দফা বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাওয়ার খবরও পাওয়া গেছে।
এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই। জানা গেছে যে, গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথের অবরোধ নিয়ে আলোচনার জন্য এক দিন পরই ওমানে ইরান ও উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে একটি বৈঠক হতে যাচ্ছে। উল্লেখ্য, ওমানও হরমুজ প্রণালীর তীরবর্তী একটি দেশ।
বিশ্বের তেল ও গ্যাস বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই প্রণালির নিয়ন্ত্রণ বর্তমানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ছয় মাস ধরে চলমান সংঘাতের অন্যতম প্রধান উত্তেজনা কেন্দ্র হয়ে দাঁড়িয়েছে।
২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার ফলে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ইরান হরমুজ প্রণালীর নৌপথ বন্ধ করে দেয়। সংঘাত শুরুর আগে পর্যন্ত, এই নৌপথে জাহাজ চলাচল ছিল অবাধ ও নির্বিঘ্ন।
বর্তমানে হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে ইরানের কাছ থেকে বিশেষ অনুমতি নিতে হচ্ছে। নিরাপত্তা এবং নিজেদের সার্বভৌমত্বের বিষয়টি উল্লেখ করে ইরান এই ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। সেইসঙ্গে, জাহাজ চলাচলের জন্য সেবা-ফি নেওয়ার একটি ব্যবস্থা চালুর বিষয়েও চিন্তা-ভাবনা করছে দেশটি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল বলেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিগত যেকোনো সময়ের চেয়ে স্বচ্ছ হবে। তিনি জানান, এ নির্বাচনে কোনো দলীয় প্রতীক থাকবে না।
মহান স্থানীয় সরকার কার্যক্রমের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার কার্যক্রম শতভাগ সক্রিয় করার চেষ্টা করা হবে।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে নাটোর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন এসব কথা।
ফারজানা শারমিন পুতুল বলেন, ‘যোগ্য, ভালো ও শিক্ষিত মানুষদের নিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন করতে চাই। নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা ধ্বংস হয়ে যাওয়া স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে পুনরুজ্জীবিত করতে সক্ষম এমন ব্যক্তিদের নির্বাচিত করার চেষ্টা করব।’
তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমান সরকার যে জনগণের সরকার, তা দেশের মানুষ জানে, বিশ্বাস করে এবং সরকারের ওপর আস্থা রাখতে শুরু করেছে বলে আমি বিশ্বাস করি। জনগণের অনেক চাহিদা রয়েছে, যার সবগুলো এখনো আমরা পূরণ করতে পারিনি। এর মধ্যে অন্যতম হলো গ্যাস, বিদ্যুৎ ও তেলের সমস্যা।’
তিনি উল্লেখ করে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের এসব খাতকে অন্যের ওপর নির্ভরশীল করে রাখা হয়েছে। আমরা চাই, এসব সমস্যা এমনভাবে সমাধান করার, যাতে বাংলাদেশকে আর কারও ওপর নির্ভরশীল হয়ে থাকতে না হয়।’
পুতুল বলেন, ‘সমস্যা ও সমাধানের মধ্যবর্তী এই সময়টুকু আমাদের সবার জন্যই কষ্টকর। এই কষ্টের জন্য বর্তমান সরকার, এমনকি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও বারবার দুঃখ প্রকাশ করেছেন। আমরা যেখানে যাচ্ছি, সেখানেই দেশের মানুষের কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি। আমাদের আন্তরিকতা ও প্রচেষ্টার কোনো কমতি নেই। এ কাজে সবার সহযোগিতা চাই।’
সভায় জেলা প্রশাসক সুমনী আক্তারের সভাপতি এবং পুলিশ সুপার শরিফুল হক, সিভিল সার্জন মশিউর রহমান, জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আসাদুজ্জামান আসাদসহ জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা আরো উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে নদীভাঙন প্রতিরোধে ব্যবহৃত জিওব্যাগ লুটের অভিযোগ উঠেছে। দিনের বেলায় এলাকার কিছু অসাধু ব্যক্তি জিওব্যাগ থেকে বালু বের করে ব্যাগ নিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। এতে নদীভাঙন প্রতিরোধ কার্যক্রম হুমকির মুখে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাগেশ্বরী উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় নদীর কিনারা রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে বাঁধ নির্মাণ ও সংরক্ষণকাজের অংশ হিসেবে সিসি ব্লকের পাশাপাশি জিওব্যাগ স্থাপন করা হয়েছে। নদীভাঙন প্রতিরোধে এসব জিওব্যাগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনের বেলায় কিছু অসাধু লোক জিওব্যাগের বালু ফেলে দিয়ে ব্যাগ নিয়ে যাচ্ছে। এভাবে জিওব্যাগ সরিয়ে নেওয়া অব্যাহত থাকলে নদীর তীর দুর্বল হয়ে ভাঙন দেখা দিতে পারে। এতে নদী তীরবর্তী মানুষের বসতবাড়ি, ফসলি জমি ও জীবনযাত্রা হুমকির মুখে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এলাকার সচেতন সমাজ জানায়, নদীভাঙন প্রতিরোধে সরকারি অর্থায়নে স্থাপিত জিওব্যাগ রক্ষায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে জিওব্যাগ লুটের অভিযোগ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।
এলাকার সচেতন যুবসমাজ পানি উন্নয়ন বোর্ড, স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে নদী বাঁধ রক্ষার কাজ সঠিকভাবে হচ্ছে কি না, তা সরেজমিনে পরিদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, নদীভাঙন প্রতিরোধে স্থাপিত জিওব্যাগ সংরক্ষণে নিয়মিত নজরদারি বাড়ানো এবং লুটপাট বন্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের একটি বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের ভোটদানের পদ্ধতির সমালোচনা করে অনলাইনে দেওয়া একটি পোস্টের জন্য ফ্রান্সের জাতিসংঘ মিশন দুঃখ প্রকাশ করেছে।
শনিবার মার্কিন কর্মকর্তারা এএফপিকে জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন ফ্রান্সের এ বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়েছে।
জাতিসংঘে ফ্রান্সের স্থায়ী মিশন শুক্রবার এ দুঃখ প্রকাশ করে। এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের মানবাধিকার রক্ষায় অঙ্গীকার নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া একটি পোস্টের জন্য দুঃখ প্রকাশ করা হয়।
ওয়াশিংটন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
মিশনটি তাদের ওয়েবসাইটে ইংরেজিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘সম্প্রতি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের একটি ভোটে ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্র ভিন্ন অবস্থান নিয়েছে। এই মতপার্থক্য একটি ভোটকে কেন্দ্র করে, মানবাধিকার রক্ষার বিষয়কে কেন্দ্র করে নয়।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘একটি ভোট নিয়ে প্রকাশ্যে মতপার্থক্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সংলাপের পথে বাধা সৃষ্টি করে না। এটি আমাদের ঐতিহাসিক মিত্রতা কিংবা শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির জন্য একসঙ্গে কাজ করার সক্ষমতাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে না। বহুপক্ষীয় ফোরামেও আমরা একসাথে কাজ করতে পারি।’
ফ্রান্সের এই দুঃখ প্রকাশকে ওয়াশিংটন স্বাগত জানিয়েছে। ওই বিরোধের কারণে যুক্তরাষ্ট্র ফ্রান্সের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত নিয়োগের অনুমোদন আটকে রেখেছিল।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের একটি কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে এএফপিকে বলেন, ‘আমরা ফ্রান্সের বিবৃতিটি লক্ষ্য করেছি এবং এর জন্য কৃতজ্ঞ। অভিন্ন মূল্যবোধ ও স্বার্থ এগিয়ে নিতে আমরা একসঙ্গে কাজ করার অপেক্ষা রয়েছি।’
ফ্রান্সের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত হিসেবে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর মনোনীত অরেলিয়াঁ লেশেভালিয়েরের নিয়োগের অনুমোদন আটকে রেখেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। তিনি লরাঁ বিলির স্থলাভিষিক্ত হবেন।
লেশেভালিয়ের বর্তমানে ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-নোয়েল বারোর প্রধান কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত নিয়োগে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমোদন সাধারণত আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। কিন্তু ওই বিরোধের পর থেকে বিষয়টি ঝুলে রয়েছে।
২৪ জুলাই জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক প্রধান হিসেবে ভলকার তুর্কের মেয়াদ বাড়ানোর বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার ১০টি দেশের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র একটি ছিল। উত্তর কোরিয়া, রাশিয়া ও নিকারাগুয়াসহ আরও কয়েকটি দেশ এ ভোটের বিপক্ষে ছিল।
তুর্কের আরেক মেয়াদে দায়িত্ব পালনের বিরোধিতা করে যুক্তরাষ্ট্র ভোট দেওয়ার পর ফরাসি মিশন এক্সে দেওয়া এক পোস্টে লেখে, ‘যুক্তরাষ্ট্র একসময় মানবাধিকারের আলোকবর্তিকা ছিল। এখন আর নয়।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ