প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন:- ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- talashbd2024@gmail.com
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের একটি বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের ভোটদানের পদ্ধতির সমালোচনা করে অনলাইনে দেওয়া একটি পোস্টের জন্য ফ্রান্সের জাতিসংঘ মিশন দুঃখ প্রকাশ করেছে।
শনিবার মার্কিন কর্মকর্তারা এএফপিকে জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন ফ্রান্সের এ বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়েছে।
জাতিসংঘে ফ্রান্সের স্থায়ী মিশন শুক্রবার এ দুঃখ প্রকাশ করে। এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের মানবাধিকার রক্ষায় অঙ্গীকার নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া একটি পোস্টের জন্য দুঃখ প্রকাশ করা হয়।
ওয়াশিংটন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
মিশনটি তাদের ওয়েবসাইটে ইংরেজিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘সম্প্রতি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের একটি ভোটে ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্র ভিন্ন অবস্থান নিয়েছে। এই মতপার্থক্য একটি ভোটকে কেন্দ্র করে, মানবাধিকার রক্ষার বিষয়কে কেন্দ্র করে নয়।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘একটি ভোট নিয়ে প্রকাশ্যে মতপার্থক্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সংলাপের পথে বাধা সৃষ্টি করে না। এটি আমাদের ঐতিহাসিক মিত্রতা কিংবা শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির জন্য একসঙ্গে কাজ করার সক্ষমতাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে না। বহুপক্ষীয় ফোরামেও আমরা একসাথে কাজ করতে পারি।’
ফ্রান্সের এই দুঃখ প্রকাশকে ওয়াশিংটন স্বাগত জানিয়েছে। ওই বিরোধের কারণে যুক্তরাষ্ট্র ফ্রান্সের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত নিয়োগের অনুমোদন আটকে রেখেছিল।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের একটি কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে এএফপিকে বলেন, ‘আমরা ফ্রান্সের বিবৃতিটি লক্ষ্য করেছি এবং এর জন্য কৃতজ্ঞ। অভিন্ন মূল্যবোধ ও স্বার্থ এগিয়ে নিতে আমরা একসঙ্গে কাজ করার অপেক্ষা রয়েছি।’
ফ্রান্সের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত হিসেবে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর মনোনীত অরেলিয়াঁ লেশেভালিয়েরের নিয়োগের অনুমোদন আটকে রেখেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। তিনি লরাঁ বিলির স্থলাভিষিক্ত হবেন।
লেশেভালিয়ের বর্তমানে ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-নোয়েল বারোর প্রধান কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত নিয়োগে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমোদন সাধারণত আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। কিন্তু ওই বিরোধের পর থেকে বিষয়টি ঝুলে রয়েছে।
২৪ জুলাই জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক প্রধান হিসেবে ভলকার তুর্কের মেয়াদ বাড়ানোর বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার ১০টি দেশের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র একটি ছিল। উত্তর কোরিয়া, রাশিয়া ও নিকারাগুয়াসহ আরও কয়েকটি দেশ এ ভোটের বিপক্ষে ছিল।
তুর্কের আরেক মেয়াদে দায়িত্ব পালনের বিরোধিতা করে যুক্তরাষ্ট্র ভোট দেওয়ার পর ফরাসি মিশন এক্সে দেওয়া এক পোস্টে লেখে, ‘যুক্তরাষ্ট্র একসময় মানবাধিকারের আলোকবর্তিকা ছিল। এখন আর নয়।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন