রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:১৪ এম
নয়াদিল্লিতে চলমান ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে এনডিটিভিকে দেওয়া এক এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কঠোর সমালোচনা করেছেন। তিনি স্পষ্ট উল্লেখ করেছেন যে, বর্তমান ইরান সংঘাতের পেছনে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রাথমিক আগ্রাসন। যা স্বীকার করতে আন্তর্জাতিক মহলের একটি বড় অংশের মধ্যে একধরণের অনীহা কাজ করে।
আনোয়ার ইব্রাহিম জানান, ইরানের হামলার নিন্দা জানানোর পাশাপাশি, এই সংকটের সূচনা কোথায় হয়েছিল তা এড়িয়ে যাওয়া একধরণের কপটতা। দুই ক্ষেত্রেই ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং সহিংসতার স্থায়ী অবসান জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন বোমা হামলার জবাবে, ইরান জর্ডানে একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালায় এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ লক্ষ্য করে অভিযান অব্যাহত রাখে। দুই পক্ষেরই এই কঠোর অবস্থানের কারণে সৃষ্ট আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা প্রসঙ্গে মালয়েশিয়ার ৭৯ বছর বয়সী এই প্রবীণ নেতা জানান, সহিংসতার অবিলম্বে সমাপ্তি ঘটাতে হবে। তবে একই সাথে শক্তির প্রথম প্রয়োগের পেছনের কারণগুলোও খতিয়ে দেখতে হবে। বিশ্ববাসীর এই সত্য এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতাকে তিনি দ্বিমুখী নীতি হিসেবে অভিহিত করেন।
ফিলিস্তিন ও গাজা সংকট নিয়ে কথা বলতে গিয়ে, আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, ফিলিস্তিনের বর্তমান অবস্থাকে কেবল হামাসের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড দিয়ে মূল্যায়ন করা সম্পূর্ণ ভুল হবে। হামাসের জন্মের বহু বছর আগে থেকেই, গত সত্তর বছর ধরে এই অঞ্চলে রক্তক্ষয়ী সংঘাত ও নিপীড়ন চলে আসছে। তাই সামগ্রিক ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা না করে এই সংকটের সঠিক মূল্যায়ন করা সম্ভব নয়।
সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক শিশু-কিশোরদের ডিভাইসের আসক্তি থেকে বের করে খেলাধুলা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে যুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলছেন, খেলাধুলার মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের শৃঙ্খলাবোধ, সাহস, আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্বের গুণাবলি গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন যে বাংলাদেশ স্কাউটস মাদকমুক্ত ও সুশৃঙ্খল সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। শনিবার বিকেলে রাজধানীর মিরপুর বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজে অনুষ্ঠিত ‘মডেল কাব হলিডে ২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমিনুল হক এসব কথা বলেন। আমিনুল হক বলেন, স্কাউট মানেই শৃঙ্খলা। স্কাউটিংয়ের অন্যতম শিক্ষা হচ্ছে অন্যদের থেকে নিজেকে আলাদাভাবে গড়ে তোলা এবং নিজের দায়িত্ব ও কর্মের প্রতি নিষ্ঠাবান হওয়া। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা শিশু-কিশোরেরা খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে নিজেদের দক্ষতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে, যা অত্যন্ত ইতিবাচক। তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের সন্তানদের ডিভাইসের হাত থেকে দূরে রাখতে চাই। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে তিনি যোগ করেন, বর্তমান সরকার খেলাধুলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। জাতির সুস্থতার লক্ষ্যে চতুর্থ শ্রেণি থেকেই খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, শিশু-কিশোরদের পড়াশোনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও সামাজিক কার্যক্রমে যুক্ত করতে হবে। এর মাধ্যমে তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। স্কাউটদের বিভিন্ন কার্যক্রমে সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে আমিনুল হক জানান, দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় স্কাউটদের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণে তাঁর পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা থাকবে। আজকের অনুষ্ঠানে শিশু-কিশোরেরা যে শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে, সেটি তাঁদের ভবিষ্যৎ জীবনে কাজে লাগাতে হবে। অভিভাবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সন্তানদের এগিয়ে যাওয়ার পথে তাঁদের আস্থা, বিশ্বাস ও সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিশু-কিশোরেরা যেন সততা, শৃঙ্খলা ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে পারে, সেই পরিবেশ পরিবার থেকেই তৈরি করতে হবে। তিনি আরও বলেন, আগামী বাংলাদেশ হবে সুন্দর, সমৃদ্ধ ও মানবিক বাংলাদেশ—যেখানে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার পরিবর্তে মানবিকতা, আন্তরিকতা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ গুরুত্ব পাবে। বাংলাদেশের মানুষের কথা বলার অধিকার ও বাক্স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নতুন প্রজন্মকে একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ উপহার দিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগকারী শহীদ এবং ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মত্যাগের চেতনায় দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে শিশু-কিশোরদের শৃঙ্খলাবোধ ও মানবিক মূল্যবোধে গড়ে তোলার মাধ্যমে স্কাউটরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। অনুষ্ঠানে দিনব্যাপী বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নেওয়া শিশু-কিশোরদের অভিনন্দন জানিয়ে আমিনুল হক বলেন, আজ তারা যে শিক্ষা পেয়েছে, সেই ধারাবাহিকতা ধরে রেখে ভবিষ্যতে আরও এগিয়ে যেতে হবে। এ সময়ে তিনি বাংলাদেশ স্কাউটসের কর্মকর্তা, স্বেচ্ছাসেবক, অভিভাবক ও অংশগ্রহণকারী শিশু-কিশোরদের ধন্যবাদ জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সোমবার আরব দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা হরমুজ চুক্তি সই করতে যাচ্ছেন।
ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে বেশ কয়েকটি জাহাজ অপেক্ষমাণ অবস্থায় নোঙর করে আছে।
হরমুজ প্রণালিতে নৌ-চলাচল স্বাভাবিক করার জন্য ইরান ও ওমান একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে। তাদের এই সমঝোতাকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিতে আগামী সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) আরব দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ওমানের রাজধানী মাসকাটে সম্মিলিতভাবে মিলিত হতে চলেছেন।
সেখানে তারা এ সংক্রান্ত চুক্তি সই করবেন বলছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান। খবর পাওয়া গেছে আনাদোলু থেকে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘ইন্ডিয়া টুডে’-তে শনিবার প্রকাশিত একটি সাক্ষাৎকারে পেজেশকিয়ান জানান, ‘সোমবার আরব দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা মাসকাটে মিলিত হবেন। হরমুজ প্রণালিতে ওমান ও ইরানের মধ্যে যৌথ নৌপথ চালুর চুক্তি স্বাক্ষর করা এবং আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থাকে (আইএমও) এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করাই এই বৈঠকের প্রধান উদ্দেশ্য।’
তিনি আরো যোগ করেছেন, ‘যেসব দেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে আমাদের ওপর যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়েছে, সেই সব দেশও এই বৈঠকে অংশগ্রহণ করবে।’
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ ও ইরানের ওপর আরোপিত অর্থনৈতিক চাপের বিষয়ে পেজেশকিয়ান জানান, সামরিকভাবে নিজেদের লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েই ওয়াশিংটন এখন অর্থনৈতিক পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হচ্ছে। তার ভাষায়, ‘তারা যুদ্ধের মাধ্যমে উদ্দেশ্য হাসিল করতে পারেনি, আর সে কারণেই তারা এখন অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করছে। কিন্তু আমরা দমে যাব না।’
ইরানের ওপর মার্কিন নৌ-অবরোধ প্রসঙ্গে ইরানি প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, তার দেশ সমুদ্রপথের ওপর সম্পূর্ণরূপে নির্ভরশীল নয়।
তিনি বলেন, ‘আমাদের অস্তিত্ব যে কেবল সমুদ্রপথের ওপরই নির্ভরশীল, তা মোটেও সত্য নয়। এভাবেও তারা নিজেদের উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করতে পারবে না।’
এর আগে গত শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানান, সোমবার একটি আঞ্চলিক মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক আয়োজন করছে ওমান। সেখানে পারস্য উপসাগর সংলগ্ন আটটি দেশ অংশগ্রহণ করবে। বৈঠকে আঞ্চলিক বিভিন্ন ইস্যুর পাশাপাশি হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য নিরাপদ পথ নির্ধারণ নিয়ে ইরান-ওমান আলোচনার ফলাফল আলোচনা করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক (স্বাক্ষরের ক্ষমতাপ্রাপ্ত) আনোয়ার পারভেজ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার বর্তমান কমিটি নিয়ে বলেছেন, আমার নিজের ইউনিটে এক মাসের মধ্যে আহ্বায়ক কমিটি পূর্ণাঙ্গ করার নির্দেশনা ছিল। ২ মাস অতিবাহিত! অথচ কোনো নতুন নির্দেশনা নেই। একটি নতুন কমিটি অনুমোদন হলে সংগঠনের গতিশীলতা কিছুটা বৃদ্ধি পায়। অথচ ক্রমশ গতিশীলতা হ্রাস পাচ্ছে, লোকবল ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে। কেন? এই ‘কেন’-এর উত্তর নিশ্চয় দায়িত্বশীলদের খুঁজে বের করা উচিত। সেটা ইউনিটের স্বার্থে।
তিনি ইবি শাখার উদাহরণ টেনে বলেন, ৩৯ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির ১/৩, অর্থাৎ ১৩ জনও নিয়মিত নয় অথচ দীর্ঘদিনের রাজপথের সহযোদ্ধারা পদ বঞ্চিত। ২ মাসে নেই কোনো কর্মীসভা। (আমার জায়গা থেকে কেন্দ্রকে কমিটি পূর্ণাঙ্গের জন্য কয়েকবার অনুরোধ জানিয়েছি। কর্মীসভার জন্য কয়েকবার স্বাক্ষর ক্ষমতাপ্রাপ্ত তিনজন আলোচনা করে তারিখ ও সময় নির্ধারণ করেও অজানা কারণে কোনো কর্মীসভা হয়নি)। “Sample is a representative part of population.” আমার ইউনিটকে ব্যবহার করলাম স্যাম্পল হিসেবে। সরকার ও সংগঠন ভিন্ন। সংগঠন দুর্বল হলে সরকারও দুর্বল হয়ে যায়।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সামগ্রিক দুর্বলকার কারণ উল্লেখ করে তিনি তাঁর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্টাটাসে এসব কথা বলেন।
তিনি তার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, নিজ সংগঠনের গঠনমূলক সমালোচনা করা আমার সাংগঠনিক গণতান্ত্রিক অধিকার। ২০১২ সাল থেকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ছাত্ররাজনীতি শুরু; ২০১২ সাল থেকেই ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খোলা। মোটামুটি লেখালেখি করার চেষ্টা করি। গতানুগতিক ধারার বাইরে চলা শুরু থেকেই, তাই হয়তো অনেকে কাঠি করার সুযোগ পেয়ে থাকেন। আমার লেখায় চেষ্টা করি সত্য ও বাস্তব চিত্র উপস্থাপন করার। যেটা বেশিরভাগ মানুষের সহ্য হয় না। তাই সত্য ও বাস্তব চিত্র উপস্থাপন হয়ে যায় অভিযোগ ও সংগঠনবিরোধী।
আমাদের সরকার মাত্র ৬ মাস অতিবাহিত করেছে। এর মধ্যেই ত্যাগী ও নির্যাতিতদের অবমূল্যায়ন! বিশেষ করে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে বেশি অন্যায় হয়েছে—এমন লেখালেখি ও অভিমত আছে।
তিনি সরকারের মেয়াদ উদাহরণ টেনে বলেন, সরকারের সময়ের বাকি এখনও ৪ বছর ৬ মাস, অর্থাৎ ৯/১০ অংশ বাকি। একটি কথা আছে, যেটা আমার প্রোফাইলের বায়োতে দেওয়া—‘বিন্দু থেকে বৃত্তে নয়, বৃত্ত থেকে বিন্দুতে।’ অর্থাৎ সমস্যার মূল আমাদের খুঁজে বের করতে হবে। তৃণমূলকে শক্তিশালী করতে না পারলে সংগঠন ধ্বংস—আই রিপিট সংগঠন ধ্বংস। আমার ব্যক্তিগত অভিমত, প্রাণের সংগঠনকে দুর্বল করা হয়েছে ২০২০ সাল থেকে। তখন ছাত্রদলের বিভাগীয় প্রতিনিধি দল গঠন করে ঈমানি দায়িত্ব প্রদান করেছিলেন আমাদের সাংগঠনিক অভিভাবক। কিন্তু তাঁরা সেই ঈমানি দায়িত্বকে পুঁজি করে আমাদের সাংগঠনিক অভিভাবককে তৃণমূলের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে সাদাকে কালো আর কালোকে সাদা বলে উপস্থাপন করে নিজেদের ধান্দা হাসিল করেছিলেন। আবার যখন আমাদের মাতৃসংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায়, তখন শুরু হলো বিশেষ মহলের প্রেসার ক্রিয়েট ও তদবির। অথচ ছাত্রদলকে দেখভাল করতে বললে সেই সকল বিশেষ মহলের কোনো রোল প্লে থাকে না। কমিটি গঠনের সময় তাদের ভাগ লাগবেই। ভাগ না পেলে তাদের রাজনীতি থাকবে না। আর তাদের ভাগের বলির পাঁঠা হয় যোগ্য ও ত্যাগীরা।
তিনি আরও বলেন, একবার ভেবে দেখেছেন, সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক ইউনিট কমিটি অনুমোদনের সময় কতটা অসহায়ত্ব নিয়ে বলেন—“আমাদের হাত-পা বাঁধা, রাজনীতি করতে গেলে কিছু কিছু ক্ষেত্রে কিছু করার থাকে না—মনে কষ্ট রেখো না!” তার থেকেও অসহায়ত্ব নিয়ে বঞ্চিতরা আকাশের দিকে তাকিয়ে আস্তে আস্তে নিজেকে গুটিয়ে নিতে থাকে। এইভাবেই তৃণমূল দুর্বল হচ্ছে।
কেন্দ্রীয় নেতাদের নাম উল্লেখ করে তিনি লিখেন, আমার প্রাণপ্রিয় ছাত্রসংগঠনের ক্যাপ্টেন, সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ভাই অক্লান্ত পরিশ্রম করে সংগঠনকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। সাধারণ সম্পাদক নাছির ভাইও চেষ্টা করছেন। কিন্তু দুঃখের বিষয়—অনেক সময় নেতৃত্বের হাত-পা বিভিন্ন সীমাবদ্ধতায় বাধা পড়ে যায়।তাই আমার মতো হতভাগা কর্মীরা তখনই আশাবাদী হই, যখন মনে হয়—আমাদের সাংগঠনিক অভিভাবক, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জননেতা তারেক রহমান নিশ্চয়ই তৃণমূলের বাস্তবতা অনুধাবন করবেন।
প্রত্যাশা রেখে তিনি সবশেষে লিখেন, আমার বিশ্বাস, সংগঠনের স্বার্থে তিনি দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন এবং সমস্যার মূল জায়গায় গিয়ে সমাধানের উদ্যোগ নিবেন এবং ছাত্রদল না করা বড় যোগ্য ও বড় মেধাবীদের বড় বড় চেয়ার, বড় উপদেষ্টা না বানিয়ে ছাত্রদলের সাবেক ও বর্তমান নেতাদের মূল্যায়ন করবেন - ইনশাআল্লাহ। কারণ আমার আগে আমরা, আমাদের আগে দেশ ‘সবার আগে বাংলাদেশ’।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আয়ারল্যান্ডের প্রধান বিরোধী দল সিন ফেনের নেতা মেরি লু ম্যাকডোনাল্ড মন্তব্য করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর চলা গণহত্যায় সহায়তা করা বন্ধ করতে হবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আয়ারল্যান্ড সফরের প্রেক্ষাপটে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এ আহ্বান জানান।
শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) ম্যাকডোনাল্ড তার বিবৃতিতে বলেন, সিন ফেন প্রেসিডেন্ট আয়ারল্যান্ডের শান্তি প্রক্রিয়ায় মার্কিন ভূমিকার প্রশংসা করেছেন এবং ফিলিস্তিন ইস্যুতে ওয়াশিংটনের নীতির কঠোর সমালোচনা করেন। খবর প্রকাশ করেছে দ্য গার্ডিয়ান।
তিনি স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেন, ‘ফিলিস্তিনিদের ওপর চলমান সহিংসতায় ইসরায়েলকে আন্তর্জাতিক মহলের জবাবদিহির আওতায় আনা জরুরি।’ এছাড়াও, ম্যাকডোনাল্ড ইসরায়েলি বাহিনীকে মার্কিন অস্ত্র ও সামরিক সহায়তা দেওয়া অবিলম্বে বন্ধ করার তাগিদ দেন। আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে ইসরায়েল যেভাবে দিনের পর দিন পার পেয়ে যাচ্ছে, তারও অবসান ঘটানোর দাবিতে তিনি বলেন।
ম্যাকডোনাল্ড আরও বলেন, ‘গত তিন দশক ধরে আয়ারল্যান্ডের নিজস্ব শান্তি প্রক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র একটি অত্যন্ত সফল অংশীদার হিসেবে কাজ করেছে। ফিলিস্তিন সংকটের স্থায়ী ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে আয়ারল্যান্ডের মতোই ইতিবাচক কূটনৈতিক ভূমিকা রাখবে।’
এছাড়া, বৈশ্বিক শান্তির এজেন্ডাকে এগিয়ে নিতে ট্রাম্প প্রশাসনকে সরাসরি উদ্যোগ নেওয়ার জন্যও তিনি অনুরোধ করেন। ফিলিস্তিন ইস্যুর পাশাপাশি আয়ারল্যান্ডের পুনরেকত্রীকরণ নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের প্রশংসা করেন সিন ফেন নেতা। তিনি বলেন, ‘আয়ারল্যান্ডের ঐক্যের আলোচনা এখন বাস্তব রূপ নিচ্ছে।’
ম্যাকডোনাল্ড বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে একটি শান্তিপূর্ণ ও পরিকল্পিত রাষ্ট্রীয় স্থানান্তরের প্রস্তুতি শুরু করার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ