ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নাগরিকের বাকস্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত সুরক্ষায় সচেতন সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী


নাগরিকের বাকস্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত সুরক্ষায় সচেতন সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, সরকার নাগরিকের বাকস্বাধীনতা এবং ব্যক্তিগত সুরক্ষার বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে প্রতিটি নাগরিকের মতপ্রকাশ ও গঠনমূলক সমালোচনার অধিকার রয়েছে।

তবে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, যে গঠনমূলক সমালোচনা রয়েছে, তা আর রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে চরিত্রহননের সঙ্গে ইঙ্গিত করা উচিত নয়।

রবিবার দুপুরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সচিবালয়ে আন্তর্জাতিক রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের (আইআরআই) একটি প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: কৃষি ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাকৃবিতে আন্তর্জাতিক প্রকল্পের উদ্বোধন

তিনি সামনে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের তরুণ সমাজ ও রাজনৈতিক কর্মীরা বর্তমানে সাইবার বুলিং এবং সংগঠিত অপপ্রচারের কারণে হয়রানি ও মানহানির শিকার হচ্ছেন। এই অবস্থায় তিনি সরকার ও বিরোধী দলগুলোর জন্য একটি সর্বসম্মত নীতি এবং আইনগত সুরক্ষার আহ্বান জানিয়েছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিনিধিদলকে আশ্বস্ত করে বলেন, সরকারের নাগরিকের বাকস্বাধীনতা এবং ব্যক্তিগত সুরক্ষার প্রতি অত্যন্ত সচেতন।

তিনি আরও বলেন, প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন পরিমার্জনের ক্ষেত্রে গত দুই মাস ধরে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, সিনিয়র সম্পাদক এবং সুশীল সমাজের অংশীজনদের মতামত গ্রহণ করা হচ্ছে। এই আইনটির মূল লক্ষ্য হবে ডিজিটাল স্পেসে শালীনতা ফিরিয়ে আনা, নারী ও তরুণদের সাইবার বুলিং থেকে রক্ষা করা এবং একই সঙ্গে সাংবাদিকদের পেশাগত সুরক্ষা নিশ্চিত করা, যাতে এই আইনের কোনো ধরনের অপব্যবহার না ঘটে।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক ও বহিরাগমন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমদ এবং রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: ঢাকার বড় চ্যালেঞ্জ যানজট ও রাস্তায় হকারের অব্যবস্থাপনা: ডিএসসিসি প্রশাসক

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লং মার্চের নামে লং ড্রাইভ করছে জামায়াত: রাশেদ খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:১৮ পি.এম


লং মার্চের নামে লং ড্রাইভ করছে জামায়াত: রাশেদ খান

 

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান মন্তব্য করে বলেছেন, গ্যাস-বিদ্যুতের সংকট বর্তমানে এক জাতীয় সংকটে পরিণত হয়েছে। এই সংকটের সমাধানের জন্য সরকার এবং বিরোধী দলের একসঙ্গে কাজ করা আবশ্যক।

কিন্তু জামায়াত এই সংকট সমাধানে সরকারের সহযোগিতা না করে লংমার্চের নামে লংড্রাইভের কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, জামায়াত ৯৬ এর বিএনপির বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের সঙ্গে একটি আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিল। বর্তমানে জ্বালানি সংকটকে পুঁজি করে জামায়াত আওয়ামী লীগকে বিক্ষোভ প্রদর্শনের সাহস দিচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এসময় তিনি জামায়াত আমীরের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা লংমার্চের নামে লংড্রাইভ বন্ধ করুন।

রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার তেতুলতলা মায়াধরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের করা এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথাগুলি বলেন। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাশেদ খান।

আওয়ামী লীগের অবস্থান সম্পর্কে রাশেদ খান বলেন, আওয়ামী লীগ আর ফিরে আসবে না। শেখ হাসিনা মারা গেলে, তার লাশও দেশে ফিরিয়ে আনার মতো শেখ পরিবারের সদস্য কেউ থাকবে না। আওয়ামী লীগের নেতারা কেউ দেশে আসতে পারবে না। তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগ বর্তমানে পচে গলে ধ্বংস হয়ে গেছে এবং দেশের জনগণ তাদের আর গ্রহণ করবে না।

জামায়াতের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদের সাম্প্রতিক বক্তব্যের সমালোচনা করে রাশেদ খান বলেন, তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। বক্তৃতায় বলেছেন, তিনি অনেক বড় ‘হ্যাডমওয়ালা’ এবং তার ‘হ্যাডম’ নাকি শেখ হাসিনা জানতেন।

তিনি তার বক্তব্যে যোগ করেছেন, যদি আমি শেখ হাসিনাকে পেতাম, তবে আমি জানতে চাইতাম শফিকুল ইসলাম মাসুদের ‘হ্যাডম’ বা শক্তি কতটুকু। গুপ্ত বট বাহিনী ব্যবহার করে শফিকুল ইসলাম মাসুদসহ জামায়াতের নেতারা বিপক্ষ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের চরিত্র হনন করছে। তারা সেনাবাহিনী ও অন্যান্য বাহিনী মানে না, কারণ তাদের কাছে তাদের বট বাহিনীই সবকিছু।

সার সংকট ও কৃষকের সমস্যার বিষয়ে রাশেদ খান বলেন, দেশে কোনো সার সংকট নেই। ডিলাররা কৃত্রিমভাবে সার মজুদ করে সংকটের চিত্র তুলে ধরার অপচেষ্টা করছে। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের ১৭ বছরে কারা সার ডিলার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছে, তা সবার জানা। সরকার সেই সকল ফ্যাসিস্ট সুবিধাভোগী সার ডিলারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। সার ব্যবসার পুরো সিস্টেম নতুন করে সাজানোর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে। এসময় তিনি কৃষকদের ধৈর্য্য ধারণ করার আহ্বান জানান।

এর আগে সকাল ১০টায় সদর উপজেলার তেঁতুলতলা মায়াধরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাশেদ খান। এসময় জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি মুন্সি কামাল আজাদ পান্নু, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন আলম, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ইমরান হোসেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মহিউদ্দীনসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা সভায় অংশগ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কিম জং উনের আহ্বান, আনন্দ-উল্লাসে মেতে উঠুক উত্তর কোরিয়ার নাগরিকরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:১৯ পি.এম


কিম জং উনের আহ্বান, আনন্দ-উল্লাসে মেতে উঠুক উত্তর কোরিয়ার নাগরিকরা

এপ্রিল মাসে কিম ও তাঁর মেয়ে পিয়ংইয়ংয়ের একটি পোষা প্রাণীর দোকান পরিদর্শন করেন।: কেসিএনএ/রয়টার্স

কফি বার, ওয়াটারপার্ক, বিলাসবহুল শপিং মল, সমুদ্রসৈকত ও স্কি রিসোর্ট—উত্তর কোরিয়ার মতো একটি দেশের সঙ্গে এসব বিনোদনের বিষয় সাধারণত খুব একটা মেলে না। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশটিতে বিনোদন ও ভোগের সুযোগ বাড়াতে একের পর এক নতুন উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। এর পেছনে রয়েছেন দেশটির শাসক কিম জং উন। নাগরিকদের অর্থ ব্যয় করার জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করার পাশাপাশি সেই ব্যয়কে রাষ্ট্র-নিয়ন্ত্রিত বাণিজ্য ও বিনোদনব্যবস্থার মধ্যে নিয়ে আসাই তার এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

রয়টার্সের বাণিজ্য পরিসংখ্যান, উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন এবং দেশটিতে সাম্প্রতিক সময়ে যাওয়া পাঁচজন দর্শনার্থী ও দুজন উত্তর কোরীয় পলাতকের সাক্ষাৎকার পর্যালোচনায় देशটির এই পরিবর্তনের চিত্র উঠে এসেছে।

ভোগব্যয়ের নতুন দিগন্ত

চীনের শুল্ক পরিসংখ্যান বলছে, উত্তর কোরিয়ায় ব্যক্তিগত ভোগ ও বিনোদনসংশ্লিষ্ট পণ্যের আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। গত এক দশকে দেশটিতে ম্যাসাজের সরঞ্জাম আমদানি প্রায় ৪০ গুণ বেড়েছে। ট্রেডমিলের চালান বেড়েছে ৬০০ শতাংশেরও বেশি। একই সময়ে পিয়ানো, ঘড়ি এবং বিনোদন পার্কের সরঞ্জামও উত্তর কোরিয়ায় ঢুকছে।

দেশটির বিভিন্ন এলাকায় বিলাসবহুল শপিং মল, সমুদ্রসৈকত রিসোর্ট ও স্কি গন্তব্যও তৈরি হচ্ছে। রয়টার্সের বিশ্লেষণের ভিত্তিতে এটিও স্পষ্ট হচ্ছে যে, এটি কেবল নাগরিকদের বিলাসী জীবনযাপনের সুযোগ বাড়ানোর একটি পরিকল্পনা নয়। বরং, ব্যক্তিগত ব্যয়কে রাষ্ট্র-নিয়ন্ত্রিত বিনোদন ও খুচরা বাজারের মাধ্যমে পরিচালিত করে সরকার অনানুষ্ঠানিক বাজারকে দুর্বল করার পাশাপাশি নতুন রাজস্ব ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির উৎস তৈরি করতে চাইছে।

সিউলভিত্তিক হুন্দাই রিসার্চ ইনস্টিটিউটের গবেষক কাং সিয়ং-হিয়ন বলেন, কিমের এই কৌশলের মাধ্যমে বাজারে কেন্দ্রীভূত উৎপাদন, পণ্য বিতরণ এবং মূলধনের প্রবাহকে রাষ্ট্র পরিচালিত একটি আনুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার আওতায় আনা হচ্ছে।

পিয়ংইয়ংয়ে বাড়ছে বিলাসী জীবন

রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ে এই পরিবর্তন সবচেয়ে বেশি দৃশ্যমান। গত বছর চালু হওয়া রাংনাং অ্যায়েগুক কুমগাং সার্ভিস কমপ্লেক্স নামে একটি বিলাসবহুল শপিং মলে মানুষ ক্যাপুচিনো পান করার পাশাপাশি গৃহস্থালি পণ্য কিনছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এবং রয়টার্সের যাচাই করা ভিডিওতে এসব দৃশ্য দেখা গেছে।

এ ছাড়া দুই বছর আগে চালু হওয়া হাওয়াসং তাইদংগাং বিয়ার রেস্তোরানা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে। গত এপ্রিলে কিম তার মেয়ে কিম জু এ-কে নিয়ে একটি নতুন পোষা প্রাণীর দোকান পরিদর্শন করেন। সেখানে বিড়াল ও কুকুরের বাচ্চার প্রতি তার মেয়ের আগ্রহের কথাও উঠে এসেছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পিয়ংইয়ংয়ের নতুন আবাসিক এলাকাগুলোর একটিতে গেমিং আর্কেড, গাড়ির ডিলারশিপ এবং বারবিকিউ রেস্তোরাঁও রয়েছে। ওই রেস্তোরাঁয় স্যামন বেলি ও ফোয়া গ্রা বার্গারের মতো বিলাসী খাবার পরিবেশন করা হয়।

পর্যটন ও বিনোদনে বড় বিনিয়োগ

২০২২ সাল থেকে উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে পর্যটন, অবসর ও সাংস্কৃতিক জীবনের বিষয়ে প্রতিবেদন বাড়তে শুরু করেছে। রয়টার্স এক হাজার ২০০টির বেশি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এমন প্রবণতা দেখতে পেয়েছে। এর মধ্যে নতুন আকর্ষণ তৈরি এবং পুরোনো বিনোদনকেন্দ্র সংস্কারের খবরও রয়েছে।

২০২৫ সালের গ্রীষ্মে চালু করা হয় ওয়নসান কালমা সমুদ্রসৈকত পর্যটন এলাকা। চীনের সীমান্তবর্তী সামজিয়ন এলাকায় গত ডিসেম্বরে পাঁচটি বিলাসবহুল হোটেল চালু হয়েছে। সেখানে একটি স্কি রিসোর্টও নির্মাণাধীন। উত্তর-পূর্বাঞ্চলে একটি ওয়াটারপার্ক এবং একটি অশ্বারোহী ক্লাব নির্মাণের কাজ চলছে। আগস্টে উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত একটি প্রতিবেদনে তাপপ্রবাহের মধ্যেও ওয়নসান সৈকত রিসোর্টে বিপুলসংখ্যক স্থানীয় দর্শনার্থীকে দেখা যায়।

পর্যটন সংস্থা ইয়ং পাইওনিয়ার ট্যুরসের সহপ্রতিষ্ঠাতা রোয়ান বিয়ার্ড বলেন, তার এক স্থানীয় পরিচিত জানিয়েছেন, পরিবার নিয়ে ওয়নসানে গেলে এত বেশি ভিড় ছিল যে অনেককে বাধ্য হয়ে টুইন রুম ভাগাভাগি করে থাকতে হয়েছে। চীনা দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের দ্বিতীয়ার্ধে ওয়নসান কালমা রিসোর্টে তিন লাখের বেশি স্থানীয় পর্যটক গিয়েছিলেন।

গড়ে উঠছে নতুন বিনোদন কমপ্লেক্স

উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাসন শহরেও বিনোদনের নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে। সেখানে সনা, সুইমিংপুল, ভিডিও গেম আর্কেড এবং স্পোর্টস সেন্টার গড়ে উঠেছে বলে এক চীনা ব্যবসায়ী রয়টার্সকে জানিয়েছেন।

কিমের আঞ্চলিক উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় লাইব্রেরি, রেস্তোরাঁ ও সিনেমা হলসহ বিনোদন কমপ্লেক্স তৈরি করা হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এ ধরনের অন্তত দুই ডজন কমপ্লেক্স ইতোমধ্যে নির্মিত হয়েছে অথবা নির্মাণাধীন রয়েছে।

দোকানে বিদেশি ব্র্যান্ড

উত্তর কোরিয়ায় পাওয়া পণ্যের পরিসরও বেড়েছে বলে সম্প্রতি দেশটি সফর করা তিনজন দর্শনার্থী রয়টার্সকে জানিয়েছেন। ২০২৩ সালে চালু হওয়া রিউগিয়ং গোল্ডেন প্লাজায় ঘড়ির দোকানে রোলেক্স, ওমেগা ও হারবেলিনের মতো ব্র্যান্ডের লোগো দেখা গেছে। একটি ইলেকট্রনিকস দোকানে হুয়াওয়ের ব্র্যান্ডিংও দেখা যায়। এসব দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভিডিওতে উঠে এসেছে এবং রয়টার্স সেগুলো যাচাই করেছে।

তবে রোলেক্স ও হুয়াওয়ে এ বিষয়ে মন্তব্য করেনি। ওমেগা ও হারবেলিন জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়ায় তাদের কোনো অনুমোদিত খুচরা বিক্রেতা বা পরিবেশক নেই।

এদিকে উত্তর কোরিয়ার নাগরিকরা চীনের আলিপের মতো দেখতে মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে অনলাইনে কেনাকাটা করছেন বলেও রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। পিয়ংইয়ং সফর করা রোয়ান বিয়ার্ড জানান, বিক্রির জন্য থাকা প্রায় সব ধরনের পণ্যের ক্ষেত্রেই মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ করতে দেখা গেছে।

চীন থেকে বাড়ছে বিনোদনসামগ্রী আমদানি

চীনের বাণিজ্য পরিসংখ্যানেও উত্তর কোরিয়ার এই ভোগ ও বিনোদনমুখী পরিবর্তনের প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। দেশটিতে পিয়ানো, ঘড়ি এবং বিভিন্ন ধরনের বিনোদন পার্কের সরঞ্জাম—যেমন নাগরদোলা, রোলার কোস্টার ও ওয়াটার স্লাইড—আমদানি বাড়ছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের জুলাই পর্যন্ত চীন থেকে উত্তর কোরিয়া তিন মেট্রিক টনের বেশি বাম্পার কার আমদানি করেছে, যার মূল্য ২০ হাজার ডলারেরও বেশি।

করোনা মহামারির পর চীনের সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার বাণিজ্যও সামগ্রিকভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। এর প্রভাব পিয়ংইয়ংয়ের গাড়ি সংস্কৃতিতেও দেখা যাচ্ছে; চীন থেকে গাড়ি আমদানির কারণে রাজধানীতে ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলে রয়টার্সের আরেক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

অনানুষ্ঠানিক বাজারকে চাপে ফেলার কৌশল

১৯৯০-এর দশকের দুর্ভিক্ষের পর উত্তর কোরিয়ায় আধা-আইনি বাজার বা অনানুষ্ঠানিক বাণিজ্যব্যবস্থা দ্রুত বিস্তার লাভ করে। রাষ্ট্র তখন নাগরিকদের প্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ করতে পারছিল না।

সিউলভিত্তিক পিস ইকোনমি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পরিচালক জুং চ্যাং-হিয়নের মতে, চলতি শতকের শুরুর দিকে এসব বাজার বন্ধ করার চেষ্টা করলেও সরকার ব্যর্থ হয়েছিল। কারণ, সেগুলোর বিকল্প হিসেবে পণ্য বিতরণের প্রয়োজনীয় অবকাঠামো রাষ্ট্রের হাতে ছিল না।

এখন কিমের ভোগব্যয় বাড়ানোর উদ্যোগ সেই পুরোনো সমস্যার নতুন সমাধান হিসেবে কাজ করছে। বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্রীয় বাণিজ্যিক অবকাঠামো এমনভাবে তৈরি করা হচ্ছে যাতে তা ধীরে ধীরে ব্যক্তিগত বা অনানুষ্ঠানিক বাজারের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারে এবং শেষ পর্যন্ত সেগুলোকে দুর্বল করে দিতে পারে।

২০২৩ সালে পিয়ংইয়ং এমন একটি আইনও পাস করে, যার মাধ্যমে প্রতিটি ব্যাংক ও দোকানকে ইলেকট্রনিক পেমেন্ট গ্রহণের ব্যবস্থা রাখার কথা বলা হয়। বিশ্লেষকদের মতে, এর ফলে নাগরিকদের ব্যক্তিগত ব্যয়ের ওপর সরকারি নজরদারি আরও সহজ হতে পারে।

সবার জন্য নয় এই নতুন ভোগের সুযোগ

তবে উত্তর কোরিয়ার এই ভোগবিস্ফোরণের সুফল সবাই পাচ্ছেন না। দক্ষিণ কোরিয়ায় গত বছর পালিয়ে যাওয়া পিয়ংইয়ংয়ের সাবেক চালক ইয়াং ইল-চেওল বলেন, তার মতো অনেক মানুষের নতুন রেস্তোরাঁ ও বিনোদনকেন্দ্রে যাওয়ার সুযোগ নেই। রাজধানীতে মোবাইল ফোনের ব্যবহার ব্যাপক হলেও অনেক উত্তর কোরীয় সরকারকে পুরোপুরি বিশ্বাস করেন না এবং নগদ অর্থে লেনদেন করতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।

ভিয়েনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্ব এশিয়ার অর্থনীতি ও সমাজবিষয়ক অধ্যাপক রুডিগার ফ্রাঙ্কের মতে, উত্তর কোরিয়ায় প্রায় ৮০ লাখ মানুষের একটি মধ্যবিত্ত শ্রেণি রয়েছে, যাদের হাতে সঞ্চয় আছে কিন্তু সেই অর্থ ব্যয়ের সুযোগ সীমিত।

তার মতে, কিমের ভোগব্যয় বাড়ানোর উদ্যোগের একটি উদ্দেশ্য হলো মানুষের হতাশা কমানো, চালের মতো প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ানোর ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্থের চাপ কমানো এবং অভ্যন্তরীণ চাহিদার মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ানো।

অর্থনীতির নতুন উৎস

উত্তর কোরিয়ার এই বিনোদন ও ভোগব্যবস্থার পেছনে অর্থের উৎস নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার গবেষকদের মতে, পিয়ংইয়ংয়ের বিনোদন খাতের অর্থায়নে ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরি, ইউক্রেনে রাশিয়ার পক্ষে উত্তর কোরীয় সেনা মোতায়েন এবং কয়লা ও অন্যান্য খনিজ রপ্তানি থেকে আসা অর্থ ভূমিকা রাখছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার সরকার-অর্থায়িত ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্ট্র্যাটেজির হিসাব অনুযায়ী, ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে উত্তর কোরিয়ার সম্পৃক্ততা থেকে দেশটি সর্বোচ্চ ১৪ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে বলে তাদের অনুমান।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য দেশের কর্মকর্তারা এবং সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বহুবার উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্র-সমর্থিত হ্যাকারদের সঙ্গে ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরির যোগসূত্রের কথা বলেছেন।

নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও অর্থনীতি বাড়ছে

উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে জাতিসংঘের কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এসব নিষেধাজ্ঞার মধ্যে বিলাসপণ্য, জ্বালানি ও খনিজ বাণিজ্যের ওপরও বিধিনিষেধ রয়েছে, যার অন্যতম উদ্দেশ্য দেশটির অস্ত্র ও পারমাণবিক কর্মসূচিকে বাধাগ্রস্ত করা।

তবুও দক্ষিণ কোরিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালে উত্তর কোরিয়ার অর্থনীতি ৩ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছে। এটি টানা তৃতীয় বছর দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৩ শতাংশের বেশি হওয়ার ঘটনা।

এমনকি গত মে মাসে পিয়ংইয়ং সফর শেষে সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভিভিয়ান বালাকৃষ্ণানও উত্তর কোরিয়ার রাজধানীর পরিবর্তনকে ‘উল্লেখযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেন। তার ভাষায়, পিয়ংইয়ংকে পূর্ব এশিয়ার যেকোনো আধুনিক শহরের মতো মনে হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞা শিথিলের প্রয়োজন কমছে?

বিশ্লেষকদের মতে, দেশের অভ্যন্তরে ভোগ ও বাণিজ্যের সুযোগ বাড়ানোর ফলে উত্তর কোরিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার প্রয়োজনীয়তা কিছুটা কমে যেতে পারে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারমাণবিক আলোচনা পুনরায় শুরুর প্রণোদনাও কমতে পারে।

এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিম জং উনের সঙ্গে আবার বৈঠকের আগ্রহ প্রকাশ করলেও उत्तर কোরিয়া আলোচনায় ফেরার বিষয়ে অনাগ্রহ দেখিয়েছে।

চীন জানিয়েছে, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব বাস্তবায়নের পাশাপাশি তারা উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য ও সহযোগিতা বজায় রাখছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, নিষেধাজ্ঞার কারণে উত্তর কোরিয়ার মানুষের জীবনযাত্রা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া উচিত নয়।

সব মিলিয়ে, কিম জং উনের ভোগ ও বিনোদনকেন্দ্রিক উদ্যোগ উত্তর কোরিয়ার অর্থনীতিতে নতুন এক অধ্যায়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, এর মূল উদ্দেশ্য নাগরিকদের শুধু আনন্দ দেওয়া নয়; বরং তাদের হাতে থাকা অর্থকে রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থার মধ্যে নিয়ে আসা এবং অনানুষ্ঠানিক বাজারের ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ বাড়ানো।

রুডিগার ফ্রাঙ্কের ভাষ্য হল, ‘ভোগব্যয় সময় কিনে দেয়। কিন্তু চিরদিনের জন্য আনুগত্য কিনে দেয় না।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজবাড়ীতে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:২১ পি.এম


রাজবাড়ীতে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

রাজবাড়ী, ১৩ সেপ্টেম্বর, বাসস (২০২৬): জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ রোববার সকালে রাজবাড়ী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উসেন মে’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক নিয়ন্ত্রণ, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ, সড়ক নিরাপত্তা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন।

এই সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামসুল হক, জেলা সিভিল সার্জন ডা. এস এম মাসুদ, সরকারি হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. এস এম আব্দুল হান্নান, জেলা বিএনপি নেতা গাজী আহসান হাবিব ও অধ্যাপক মঞ্জুরুল আলম দুলাল।

বক্তারা বলেছেন, মাদকের বিস্তার রোধে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকদের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। বিশেষ করে যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহ ক্ষতি সম্পর্কে সচেতন করার পাশাপাশি প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম আরও জোরদার করার আহ্বান জানান তারা।

সভায় সামাজিক ও পারিবারিক অবক্ষয় রোধে মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। একই সঙ্গে বাল্যবিয়ে বন্ধ, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানানো হয়।

এ সময় জেলার পাঁচ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাদের, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, বিআরটিএর উপ-পরিচালকের প্রতিনিধি, রাজবাড়ী প্রেসক্লাবের সভাপতি এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আদানির বন্ধ ২ নম্বর ইউনিট চালু, বাংলাদেশে ফের বিদ্যুৎ সরবরাহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:২২ পি.এম


আদানির বন্ধ ২ নম্বর ইউনিট চালু, বাংলাদেশে ফের বিদ্যুৎ সরবরাহ

ভারতের ঝাড়খণ্ডে আদানি পাওয়ারের গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্রের কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়া ২ নম্বর ইউনিটটি চালু হয়ে গেছে। এর ফলে বাংলাদেশে আবারও বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়েছে।

আজ রোববার দুপুর ১২টা ৪ মিনিটে ৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার ইউনিটটি জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) সদস্য (উৎপাদন) মো. জহুরুল ইসলাম জানিয়েছেন, ইউনিটটি পুনরায় চালুর পর জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়েছে। বর্তমানে ইউনিটটিতে উৎপাদন ধীরে ধীরে বাড়ানো হচ্ছে।

পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ (পিজিসিবি)-এর জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. নাহিদ হাসান বাসস’কে জানান, বর্তমানে ২ নম্বর ইউনিট থেকে ২৯০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে।

তিনি আরও জানিয়েছেন, কেন্দ্রটির ১ নম্বর ইউনিট থেকে ৭৫৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে ফিড ইউনিটে ত্রুটির কারণে ২ নম্বর ইউনিটটি বন্ধ হয়ে যায়।

ভারতের ঝাড়খণ্ডে অবস্থিত আদানি পাওয়ারের গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্রের দু’টি ইউনিট রয়েছে। সেগুলো থেকে ৮০০ মেগাওয়াট করে মোট ১৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে থাকে আদানি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই রবিউস সানি, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৩৫
জোহর ১১:৪৯
আসর ০৪:০৭
মাগরিব ০৫:৪৭
ইশা ০৬:৫৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫০ সূর্যাস্ত : ০৫:৪৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%