ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হামলা, মূল্যস্ফীতি, চাকরি সংকট, চরম দুশ্চিন্তায় ইরানের মানুষ


হামলা, মূল্যস্ফীতি, চাকরি সংকট, চরম দুশ্চিন্তায় ইরানের মানুষ

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন দফার হামলার পর যুদ্ধবিরতির সময় তৈরি হওয়া সাময়িক স্বস্তি ভেঙে আবারও গভীর অনিশ্চয়তায় পড়েছেন সাধারণ ইরানিরা। যুদ্ধের পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি, কর্মসংস্থানের সংকট এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা তাদের দৈনন্দিন জীবনকে আরও কঠিন করে তুলেছে।যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে যে সংকট সৃষ্টি হয়েছে, তা নিয়ে ইরানিদের মধ্যে উদ্বেগ প্রকট হয়ে উঠেছে।

রয়টার্সের সঙ্গে এনক্রিপ্টেড মেসেজিং অ্যাপের মাধ্যমে কথা বলা কয়েকজন ইরানি জানান, সবচেয়ে বড় সংকট এখন অর্থনীতি। রাজধানী তেহরানের ৪০ বছর বয়সী আলোকচিত্রী সোমাইয়েহ বলেন, যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় এখন সাপ্তাহিক বাজারের খরচ প্রায় দ্বিগুণ। প্রতিদিন পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে। এক দিন যুদ্ধ, পরদিন শান্তি, কী হবে তা কেউ জানে না। দুই দিনের পরিকল্পনাও করা যাচ্ছে না।

পশ্চিমাঞ্চলের কুর্দিস্তান প্রদেশের সানানদাজের সফটওয়্যার প্রকৌশলী আমির বলেন, যুদ্ধ শুরুর আগে তিনি বিয়ে করেছিলেন। জানুয়ারিতে ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় চাকরি হারানোর পর নতুন কাজ শুরু করলেও যুদ্ধের কারণে আবারও দূরবর্তীভাবে কাজের সুযোগ বন্ধ হয়ে যায়। এতে তিনি ঋণের বোঝায় পড়েন। সম্প্রতি নতুন চাকরি পেলেও আবার হামলা শুরু হওয়ায় ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে।

আরও পড়ুন: কৃষি ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাকৃবিতে আন্তর্জাতিক প্রকল্পের উদ্বোধন

একই শহরের মনোচিকিৎসক নাজানিন জানান, উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও রিয়ালের দরপতন এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার কারণে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে না।

সোমাইয়েহ বলেন, আগে দেশ ছাড়ার ইচ্ছা থাকলেও এখন আর তা নেই। তার ভাষায়, জীবন, পরিবার ও বাড়ি সবই এখানে। শেষ পর্যন্ত ফিরতেই হবে।

মাহাবাদের বাসিন্দা হিওয়া মনে করেন, যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক সংকট ও লাগামহীন মূল্যস্ফীতি ভবিষ্যতে সামাজিক অস্থিরতা ও বিক্ষোভের কারণ হতে পারে।

এদিকে জানুয়ারির সরকারবিরোধী বিক্ষোভের পর থেকে গ্রেপ্তার, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর এবং কড়া নিরাপত্তা নজরদারির মাধ্যমে নতুন করে অস্থিরতা ঠেকানোর চেষ্টা করছে ইরান সরকার।

আরও পড়ুন: ঢাকার বড় চ্যালেঞ্জ যানজট ও রাস্তায় হকারের অব্যবস্থাপনা: ডিএসসিসি প্রশাসক

তবে যুদ্ধ ও অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যেও অনেক ইরানি দেশ ছাড়তে চান না। আমির বলেন, নিজেদের ঘর ছেড়ে অন্য দেশে শরণার্থী হয়ে বেঁচে থাকার চেয়ে নিজের দেশেই থাকতে চান তারা।

সূত্র: রয়টার্স

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারত আইনি প্রক্রিয়ায় শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয় পর্যালোচনা করছে: জয়সওয়াল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪৪ পি.এম


ভারত আইনি প্রক্রিয়ায় শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয় পর্যালোচনা করছে: জয়সওয়াল

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল জানিয়েছেন, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের আবেদনের বিষয়টি পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) দিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য প্রদান করেন তিনি।

এক সাংবাদিক জানতে চেয়েছিলেন, শেখ হাসিনা এবং অন্যান্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের প্রত্যর্পণ সম্পর্কে বাংলাদেশ কি আবারো ভারতকে অনুরোধ করেছে এবং দুই দেশের মধ্যে এ বিষয়ে কোনও যোগাযোগ হয়েছে কি না। ওই সাংবাদিক যথাযথভাবে উল্লেখ করেন যে শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

উত্তর দেওয়ার সময় রণধীর জয়সোয়াল জানান, তারা প্রত্যর্পণের জন্য একটি অনুরোধ পেয়েছেন। তিনি আরও জানান, আগেও যেমনটি বলেছিলেন, অনুরোধটি এখন পরীক্ষা করা হচ্ছে এবং এটি সংশ্লিষ্ট আইনগত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার আলোকে বিবেচনা করা হবে।

অন্য এক প্রশ্নে, একজন সাংবাদিক বলেন যে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, তারা এক ব্যক্তিকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ জানিয়েছেন এবং ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে সব প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও পাঠিয়েছে। ওই ব্যক্তি বর্তমানে ভারতীয় পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে বাংলাদেশে নির্বাচনের প্রাক্কালে একজন রাজনীতিবিদকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে। এ ব্যাপারে নির্বাহী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ হয়েছে কি না, তা জানতে চাওয়া হয়।

রণধীর জয়সোয়াল বলেন, এ বিষয়ে তার কাছে বিশেষ কিছু জানা নেই। তিনি আরো জানান, প্রত্যর্পণের যেকোনো অনুরোধ আইনগত এবং বিচারপ্রক্রিয়ার দিক থেকে খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ম্যারাডোনার ঐতিহাসিক ‘হ্যান্ড অব গড’ বল উঠছে নিলামে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪৪ পি.এম


ম্যারাডোনার ঐতিহাসিক ‘হ্যান্ড অব গড’ বল উঠছে নিলামে

১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ডিয়েগো ম্যারাডোনার ঐতিহাসিক ‘হ্যান্ড অব গড’ এবং ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’ এই দুটি গোলের সাক্ষী বিখ্যাত ম্যাচ বলটি এখন নিলামে উঠতে যাচ্ছে।

স্মারক সংগ্রহের বাজারে আলোড়ন তোলার জন্য এই বলটির দাম ম্যারাডোনার ঐতিহাসিক জার্সির সমান হতে পারে, এমনকি তারও বেশি হতে পারে হেরিটেজ অকশনসের ধারণা অনুসারে।

এই মাসের শেষ দিকে বলটির নিলাম শুরু হবে, এবং এটি শেষ হবে আগামী ২১ থেকে ২৩ আগস্ট। প্রতিষ্ঠানটির মতে, ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে আইকনিক দুটি গোলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকায় বলটির মূল্য কয়েক মিলিয়ন ডলার হয়ে যাবে।

২০২২ সালে অনুষ্ঠিত একই ম্যাচে ম্যারাডোনার পরে জার্সি নিলামে ৯২ লাখ ৮০ হাজার ডলারে বিক্রি হয়েছিল, যা প্রকাশ্যে বিক্রি হওয়া ইতিহাসের সবচেয়ে দামি ফুটবল জার্সি।

হেরিটেজ অকশনসের প্রোডাকশন ম্যানেজার মাইক প্রোভেনজেল বলেছেন, তিনি অনেক ঐতিহাসিক স্মারক দেখেছেন, কিন্তু এই বলটি পুরো বিভাগের কাজ থামিয়ে দেওয়ার মতো ব্যতিক্রমী। তার মতে, ফুটবল সম্পর্কে ধারণা না থাকা সত্ত্বেও মানুষ এই বলটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব বুঝতে পারবেন।

এই বলটি প্রথমবারের মতো নিলামে উঠছে না। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে গোল্ডিনের নিলামে বলটির সর্বোচ্চ দর ২০ লাখ ৪০ হাজার ডলার উঠেছিল, কিন্তু বিক্রেতার নির্ধারিত ন্যূনতম মূল্য পূরণ না হওয়ায় তা বিক্রি হয়নি। এবারও একটি গোপন ন্যূনতম মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রোভেনজেলের বিশ্বাস, বলটির মূল্য ম্যারাডোনার জার্সির কাছাকাছি, এমনকি তার চেয়েও বেশি হতে পারে। কারণ, এই বলটি সরাসরি ইতিহাসের অংশ যে বল দুটি গোল ইংল্যান্ডের জালে জড়িয়েছে।

১৯৮৬ সালের ২২ জুন মেক্সিকো সিটির অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে ম্যারাডোনা হাত দিয়ে বিতর্কিত গোল করেন, যা পরে ‘হ্যান্ড অব গড’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। মাত্র চার মিনিট পর তিনি নিজের অর্ধ থেকে বল নিয়ে প্রায় ৬০ মিটার দৌড়ে ছয়জন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে অবিশ্বাস্য এক গোল করেন যা পরবর্তীতে ফিফা ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। সেই ম্যাচে আর্জেন্টিনা ২-১ ব্যবধানে জয় লাভ করে এবং ম্যারাডোনার নেতৃত্বেই দলটি বিশ্বকাপ জয়ী হয়।

ঐতিহাসিক বলটি দীর্ঘদিন ধরে ওই ম্যাচের তিউনিসিয়ান রেফারি আলী বিন নাসের সংরক্ষণ করেছিলেন। পরে এটি একটি ব্যক্তিগত সংগ্রাহকের কাছে বিক্রি করা হয়। আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে ছবি ও ভিডিও বিশ্লেষণ করে নিশ্চিত করা হয়েছে, এই বলটিই ‘হ্যান্ড অব গড’ এবং ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’ উভয় গোলের সময় ব্যবহৃত হয়েছিল।

বর্তমানে, বলটির ভেতরের বাতাস বের হয়ে গিয়ে এটি চুপসে গেলেও, প্রোভেনজেলের মতে এটি বরং এর ঐতিহাসিক সত্যতার প্রমাণ। তার ভাষায়, মাত্র ১০০ ডলার খরচ করলে এটি ঠিক করা যেত, কিন্তু ইতিহাসের সঙ্গে কেউ কারসাজি করতে চাননি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শহীদ মাইদুর রহমান হত্যাকাণ্ডের চার্জশিট প্রত্যাখ্যানের দাবিতে পোরশায় বিক্ষোভ মিছিল ও সংবাদ সম্মেলন, ঘোষণা তিন দফা কর্মসূচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

পোরশা (নওগাঁ) প্রতিনিধি

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪৫ পি.এম


শহীদ মাইদুর রহমান হত্যাকাণ্ডের চার্জশিট প্রত্যাখ্যানের দাবিতে পোরশায় বিক্ষোভ মিছিল ও সংবাদ সম্মেলন, ঘোষণা তিন দফা কর্মসূচি

নওগাঁর পোরশা উপজেলার নিতপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শহীদ মাইদুর রহমান-এর বহুল আলোচিত হত্যাকাণ্ড মামলায় দাখিলকৃত চার্জশিট মন্থরিত করে ফিরিয়ে দেয়া, মামলাটির পুনঃতদন্তের দাবি জানিয়ে এবং প্রকৃত পরিকল্পনাকারী ও হত্যাকাণ্ডে জড়িত সকল ব্যক্তিকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি ওঠে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেলে পোরশা উপজেলা পরিষদ চত্বরে পোরশা উপজেলা বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে উপজেলা বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং শহীদ মাইদুর রহমানের পরিবারের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নেতারা অভিযোগ করেন যে, দীর্ঘ তদন্ত শেষে দাখিল করা চার্জশিটে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত পরিকল্পনাকারী ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে নিহতের পরিবার, দলীয় নেতাকর্মী এবং এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশার সঞ্চার হয়েছে। তারা দাবী জানান, অবিলম্বে দাখিলকৃত চার্জশিট প্রত্যাহার করে নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য পুনঃতদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা উচিত।

বক্তারা বলেন, একটি আলোচিত হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে হলে নিরপেক্ষ তদন্তের কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু বর্তমান চার্জশিটের মধ্যে প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টা চলছে বলেও তারা অভিযোগ করেন। তারা বিচারপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে মামলাটি পুনঃতদন্তের জোর দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে নিহত শহীদ মাইদুর রহমান-এর বাবা মোঃ আজাদ আলী আবেগঘন বক্তব্যে বলেন, "আমি আমার সন্তানের সুষ্ঠু বিচার চাই। আমি বিএনপির মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আমার সন্তানের প্রকৃত হত্যাকারীদের বিচারের আওতায় এনে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য আমি তাঁর সহযোগিতা কামনা করছি। আমি এখনও আমার সন্তানের প্রকৃত বিচার পাইনি।"

এ সময় নিহতের ভাই মোঃ ওবাইদুর রহমান বলেন, "আমরা শুধু আমার ভাইয়ের সুষ্ঠু বিচার চাই। মামলার চার্জশিট থেকে প্রকৃত হত্যাকারীদের নাম কেন বাদ দেওয়া হয়েছে, তার জবাব চাই। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।"

পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও একই দাবিতে মুখর হয়েছেন এবং জানান, প্রকৃত হত্যাকারীদের বিচারের আওতায় না আনা পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন নিতপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের নেতা মোঃ রাকিবুল ইসলাম (রাকিব)। তিনি বলেন, ঘোষিত তিন দফা কর্মসূচি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। তিনি পোরশা উপজেলার সকল নেতাকর্মীর প্রতি আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, "শহীদ মাইদুর রহমান হত্যাকাণ্ডে প্রকৃত আসামিদের নাম চার্জশিট থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে আমরা মনে করি। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে তাদের আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করতে হবে।"

তিনি নওগাঁ-১ (পোরশা-সাপাহার-নিয়ামতপুর) আসনের সংসদ সদস্য মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান-এর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, এলাকায় জনগণ ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করে। তিনি মামলাটি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানান।

বক্তারা আরও বলেন, নিহত মাইদুর রহমানের পরিবার দীর্ঘকাল ধরে ন্যায়বিচার পাওয়ার প্রত্যাশায় রয়েছে। তাই মামলাটির পুনঃতদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট তদন্ত সংস্থা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিচারিক কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

২০ জুলাই ২০২৬ (সোমবার): পোরশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রাকিবুল ইসলাম-এর নিকট স্মারকলিপি প্রদান।

২৪ জুলাই ২০২৬ (শুক্রবার): লংমার্চ।

২৮ জুলাই ২০২৬ (মঙ্গলবার): পোরশা থানা ঘেরাও কর্মসূচি।

বক্তারা জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে তারা নিহত শহীদ মাইদুর রহমানের পরিবারের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল মহলের কার্যকর ভূমিকা কামনা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীকে মাদক নির্মূলের দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান চরমোনাই পীরের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪৬ পি.এম


প্রধানমন্ত্রীকে মাদক নির্মূলের দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান চরমোনাই পীরের

শুক্রবার বিকালে চরমোনাই ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে মাদকবিরোধী আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, ‘মাদক সরবরাহের সঙ্গে দেশের অনেক রথি-মহারথিদের সংযোগ থাকে। শর্ষের মধ্যে ভূত থাকে। তাই মাদকের সরবরাহ লাইন নির্মূল করতে সরকারপ্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রীকে একক দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। আজ শুক্রবার বিকালে চরমোনাই ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে মাদকবিরোধী আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চরমোনাই ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ ব্যানারে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। তিনি আরো বলেন, দেশের জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপান্তরিত করে জনশক্তি রপ্তানি ও দেশে কর্মসংস্থান তৈরি করা যেত। অতীতের কোনো সরকারই এ ধরনের পদক্ষেপ নেয়নি, বরং উদ্বৃত্ত জনশক্তিকে নষ্ট করতে মাদককে প্রশ্রয় দিয়েছে। ফলে আমাদের জনসম্পদ নিষ্ক্রিয় হয়েছে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে ধ্বংস হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি ও বহুমাত্রিক ক্ষতির বিবেচনায় দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা মাদক। জাতির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলো, মাদক প্রতিরোধ করা। চাহিদা ও জোগান উভয় দিক নির্মূল করতে হবে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসিবে বক্তব্য দেন ইসলামী আন্দোলনের জেষ্ঠ নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম, সহকারী মহাসচিব মাওলানা সৈয়দ এসহাক মুহাম্মদ আবুল খায়ের, বরিশাল মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মুহাম্মাদ বেলাল হুসাইন ও কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই রবিউস সানি, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৩৫
জোহর ১১:৪৯
আসর ০৪:০৭
মাগরিব ০৫:৪৭
ইশা ০৬:৫৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫০ সূর্যাস্ত : ০৫:৪৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%