রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:০৬ পি.এম
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ব্যবসায়ীর কাছ থেকে প্রায় ৮০ লাখ টাকার মূল্যের ৪০ ভরি সোনা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে পুলিশ কনস্টেবল জাকির হোসেনসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার পর পুলিশ কনস্টেবল জাকিরসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
এসময় ছিনিয়ে নেওয়া সোনার সাড়ে ২০ ভরি উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি সোনা উদ্ধারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী নিঝুম মামলাটি করেন। মামলার এজাহারে কনস্টেবল জাকির হোসেনকে একটি আসামি হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়াও আরো দুজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং একজন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
মামলা দায়েরের পর রাতেই এজাহারভুক্ত আসামি কনস্টেবল জাকির হোসেন এবং বাদীর দুলাভাই মোহাম্মদ আলীকে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। মোহাম্মদ আলীর বাড়ি থেকেই রাতে সাড়ে ২০ ভরি সোনা উদ্ধার করে পুলিশ।
জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) এ এন এম ওয়াসিম ফিরোজ এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
এ এন এম ওয়াসিম ফিরোজ জানান, প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে পুলিশ কনস্টেবল জাকির হোসেনসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কনস্টেবল জাকির হোসেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার্স মেসে কর্মরত ছিলেন। তার আবাস রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার শ্যামপুর গ্রামে। গত ৮ আগস্ট বিকেল ৩টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার কালীনগর ব্রিজের পাশে সোনা ছিনতাইয়ের ঘটনাটি ঘটে।
পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গলিত অবস্থায় থাকা ৪০ ভরি সোনা রাজশাহী থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের এক ব্যবসায়ীর কাছে পাঠিয়েছিলেন ব্যবসায়ী নিঝুম।
স্বর্ণের চালানটি রাজশাহী থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জে নিয়ে যান নিঝুমের দুলাভাই মোহাম্মদ আলী। তার বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জের চকআলমপুরে।
পুলিশ কনস্টেবল জাকির হোসেন মোহাম্মদ আলীর ছেলে মো. নয়নের বন্ধু। মোহাম্মদ আলী যখন সোনার চালানটি চাঁপাইনবাবগঞ্জের ওই ব্যবসায়ীর কাছে পৌঁছে দেওয়ার দুই মিনিটের মধ্যেই কনস্টেবল জাকিরসহ দুজন সেখানে হাজির হন। পরে অভিযোগ রয়েছে যে পুলিশ পরিচয়ে তারা ওই সোনা নিয়ে চলে যান।
এরপর এক মাসের ছুটি নিয়ে কনস্টেবল জাকির হোসেন গ্রামের বাড়িতে চলে যান। ছুটি শেষ হওয়ার পর কয়েক দিন আগে তিনি কর্মস্থলে যোগদান করেন। পরে তাকে প্রত্যাহার করা হয় এবং পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়। মামলা হওয়ার পর পুলিশ লাইন্স থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) এ এন এম ওয়াসিম ফিরোজ জানিয়েছেন, কনস্টেবল জাকির হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করার চিঠিও প্রস্তুত করা হয়েছে। পুলিশ সুপার আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় থাকার কারণে তিনি ফিরে আসার পর সাময়িক বরখাস্তের আদেশে সই করবেন।
এছাড়া মোহাম্মদ আলী তার কাছে থাকা সোনা বের করে দিলেও কনস্টেবল জাকির হোসেন এখনও বাকি সোনা দেননি। ওই সোনা উদ্ধারের প্রচেষ্টা চলছে পুলিশের পক্ষ থেকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরের নবনিযুক্ত সিভিল সার্জন ডা. এস এম মনজুর-এ-এলাহীর নিয়োগ বাতিলের দাবিতে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মূল ফটক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন ‘সচেতন ছাত্র সমাজ’-এর ব্যানারে আন্দোলনকারীরা।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় আন্দোলনকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং নবনিযুক্ত সিভিল সার্জনের নিয়োগ বাতিলের দাবি জানান।
বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন রাজেন্দ্র কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি খাইরুল ইসলাম রোমান এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি কাজী রিয়াজ।
বক্তারা অভিযোগ করেন, ডা. এস এম মনজুর-এ-এলাহী অতীতে ‘ফ্যাসিবাদের দোসর’ ছিলেন। তাদের অভিযোগ, এ ধরনের অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তাঁকে ফরিদপুরের সিভিল সার্জন হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারা অবিলম্বে এ নিয়োগ বাতিলের দাবি জানান।
বিক্ষোভকারীরা ডা. এস এম মনজুর-এ-এলাহীকে ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিয়ে তাঁর নিয়োগ বাতিলের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
বক্তারা বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে নিয়োগ বাতিল করা না হলে তারা আরও বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।
তবে আন্দোলনকারীদের উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে ডা. এস এম মনজুর-এ-এলাহী বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রিকস সম্মেলন উপলক্ষে অনুষ্ঠিত ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দেওয়া রাজকীয় নৈশভোজে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং যোগ দেননি। ব্রিকসের সদস্য ও অংশীদার দেশগুলোর শীর্ষ নেতাদের সম্মানে এই নৈশভোজটি গত শনিবার আয়োজন করা হয়েছিল।
সম্মেলনের কর্মসূচির সমাপ্তির আগেই তিনি নিজ দেশে ফিরে যাওয়ায় নৈশভোজে উপস্থিত ছিলেন না আবুধাবির যুবরাজ শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদও।
তবে, শনিবার সম্মেলনের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করা শি জিনপিং কেন নৈশভোজে অনুপস্থিত ছিলেন, তার সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি এখনও। একটি সূত্র জানায়, বিশ্রামের জন্য হোটেলে ফিরে গিয়েছিলেন চীনের প্রেসিডেন্ট।
এছাড়া, নৈশভোজে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনসহ ব্রিকসের অন্যান্য নেতারা সশরীরে উপস্থিত ছিলেন।
গত ১২ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়া ব্রিকস সম্মেলন আজ ১৩ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হচ্ছে। ভারতের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে ১১টি সদস্য দেশ এবং ১০টি অংশীদার দেশের শীর্ষ নেতাদের পাশাপাশি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরাও অংশগ্রহণ করেছেন।
সূত্র: টাইমস অফ ইন্ডিয়া
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, সরকার নাগরিকের বাকস্বাধীনতা এবং ব্যক্তিগত সুরক্ষার বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে প্রতিটি নাগরিকের মতপ্রকাশ ও গঠনমূলক সমালোচনার অধিকার রয়েছে।
তবে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, যে গঠনমূলক সমালোচনা রয়েছে, তা আর রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে চরিত্রহননের সঙ্গে ইঙ্গিত করা উচিত নয়।
রবিবার দুপুরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সচিবালয়ে আন্তর্জাতিক রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের (আইআরআই) একটি প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি সামনে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের তরুণ সমাজ ও রাজনৈতিক কর্মীরা বর্তমানে সাইবার বুলিং এবং সংগঠিত অপপ্রচারের কারণে হয়রানি ও মানহানির শিকার হচ্ছেন। এই অবস্থায় তিনি সরকার ও বিরোধী দলগুলোর জন্য একটি সর্বসম্মত নীতি এবং আইনগত সুরক্ষার আহ্বান জানিয়েছেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিনিধিদলকে আশ্বস্ত করে বলেন, সরকারের নাগরিকের বাকস্বাধীনতা এবং ব্যক্তিগত সুরক্ষার প্রতি অত্যন্ত সচেতন।
তিনি আরও বলেন, প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন পরিমার্জনের ক্ষেত্রে গত দুই মাস ধরে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, সিনিয়র সম্পাদক এবং সুশীল সমাজের অংশীজনদের মতামত গ্রহণ করা হচ্ছে। এই আইনটির মূল লক্ষ্য হবে ডিজিটাল স্পেসে শালীনতা ফিরিয়ে আনা, নারী ও তরুণদের সাইবার বুলিং থেকে রক্ষা করা এবং একই সঙ্গে সাংবাদিকদের পেশাগত সুরক্ষা নিশ্চিত করা, যাতে এই আইনের কোনো ধরনের অপব্যবহার না ঘটে।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক ও বহিরাগমন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমদ এবং রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান মন্তব্য করে বলেছেন, গ্যাস-বিদ্যুতের সংকট বর্তমানে এক জাতীয় সংকটে পরিণত হয়েছে। এই সংকটের সমাধানের জন্য সরকার এবং বিরোধী দলের একসঙ্গে কাজ করা আবশ্যক।
কিন্তু জামায়াত এই সংকট সমাধানে সরকারের সহযোগিতা না করে লংমার্চের নামে লংড্রাইভের কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি উল্লেখ করেন, জামায়াত ৯৬ এর বিএনপির বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের সঙ্গে একটি আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিল। বর্তমানে জ্বালানি সংকটকে পুঁজি করে জামায়াত আওয়ামী লীগকে বিক্ষোভ প্রদর্শনের সাহস দিচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এসময় তিনি জামায়াত আমীরের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা লংমার্চের নামে লংড্রাইভ বন্ধ করুন।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার তেতুলতলা মায়াধরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের করা এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথাগুলি বলেন। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাশেদ খান।
আওয়ামী লীগের অবস্থান সম্পর্কে রাশেদ খান বলেন, আওয়ামী লীগ আর ফিরে আসবে না। শেখ হাসিনা মারা গেলে, তার লাশও দেশে ফিরিয়ে আনার মতো শেখ পরিবারের সদস্য কেউ থাকবে না। আওয়ামী লীগের নেতারা কেউ দেশে আসতে পারবে না। তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগ বর্তমানে পচে গলে ধ্বংস হয়ে গেছে এবং দেশের জনগণ তাদের আর গ্রহণ করবে না।
জামায়াতের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদের সাম্প্রতিক বক্তব্যের সমালোচনা করে রাশেদ খান বলেন, তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। বক্তৃতায় বলেছেন, তিনি অনেক বড় ‘হ্যাডমওয়ালা’ এবং তার ‘হ্যাডম’ নাকি শেখ হাসিনা জানতেন।
তিনি তার বক্তব্যে যোগ করেছেন, যদি আমি শেখ হাসিনাকে পেতাম, তবে আমি জানতে চাইতাম শফিকুল ইসলাম মাসুদের ‘হ্যাডম’ বা শক্তি কতটুকু। গুপ্ত বট বাহিনী ব্যবহার করে শফিকুল ইসলাম মাসুদসহ জামায়াতের নেতারা বিপক্ষ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের চরিত্র হনন করছে। তারা সেনাবাহিনী ও অন্যান্য বাহিনী মানে না, কারণ তাদের কাছে তাদের বট বাহিনীই সবকিছু।
সার সংকট ও কৃষকের সমস্যার বিষয়ে রাশেদ খান বলেন, দেশে কোনো সার সংকট নেই। ডিলাররা কৃত্রিমভাবে সার মজুদ করে সংকটের চিত্র তুলে ধরার অপচেষ্টা করছে। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের ১৭ বছরে কারা সার ডিলার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছে, তা সবার জানা। সরকার সেই সকল ফ্যাসিস্ট সুবিধাভোগী সার ডিলারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। সার ব্যবসার পুরো সিস্টেম নতুন করে সাজানোর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে। এসময় তিনি কৃষকদের ধৈর্য্য ধারণ করার আহ্বান জানান।
এর আগে সকাল ১০টায় সদর উপজেলার তেঁতুলতলা মায়াধরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাশেদ খান। এসময় জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি মুন্সি কামাল আজাদ পান্নু, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন আলম, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ইমরান হোসেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মহিউদ্দীনসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা সভায় অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ