ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নজরে পুতিনের ‘ডুমসডে প্লেন’, কী আছে ‘ফ্লাইং ক্রেমলিনে’


নজরে পুতিনের ‘ডুমসডে প্লেন’, কী আছে ‘ফ্লাইং ক্রেমলিনে’

নয়াদিল্লিতে তিন দিনের ভারত সফরে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আসছেন। ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও জ্বালানি সহযোগিতা নিয়ে নানা আলোচনা পুতিনের। তবে পুতিনের এই সফরের রাজনৈতিক গুরুত্বের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের নজর কেড়েছে যাতায়াতের জন্য ব্যবহৃত বিশেষ বিমানটিও। অত্যন্ত সুরক্ষিত এই বিমানকে প্রায়ই ‘ফ্লাইং ক্রেমলিন’ বা ‘ডুমসডে প্লেন’ নামে অভিহিত করা হয়।

 শুক্রবার ভোরে উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল নিয়ে নয়াদিল্লিতে পৌঁছান রুশ প্রেসিডেন্ট। পুতিনের সফরকে ঘিরে ভারতের রাজধানীতে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। কিন্তু তাঁর সফরের নিরাপত্তার প্রথম স্তর শুরু হয়েছে আকাশপথেই। পুতিন যে বহরে ভ্রমণ করেন, সেখানে একই ধরনের দুটি বিমান একসঙ্গে উড্ডয়ন করতে সক্ষম হয়।

 পুতিনের ব্যবহৃত এই বিশেষ বিমানটি রাশিয়ায় তৈরি ইলিউশিন আইএল-৯৬-৩০০পিইউ-এর অত্যন্ত পরিবর্তিত সংস্করণ। যদিও এটি সাধারণ যাত্রীবাহী বিমানের মতো দেখতে, কিন্তু এর ভেতরের ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভিন্ন।

আরও পড়ুন: কৃষি ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাকৃবিতে আন্তর্জাতিক প্রকল্পের উদ্বোধন

 আইএল-৯৬ সিরিজের এই বিমানটির মূল নকশার গোড়াপত্তন সোভিয়েত যুগে, ১৯৮০-এর দশকে হয়েছে। দীর্ঘপাল্লার চার ইঞ্জিনের এই বিমানটি মূলত রাশিয়ার ইলিউশিন ডিজাইন ব্যুরোর তৈরি করা। প্রেসিডেন্টের জন্য ব্যবহৃত বিশেষ সংস্করণে সাধারণ যাত্রীবাহী বিমানের তুলনায় যুক্ত করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ যোগাযোগ ও নিরাপত্তা প্রযুক্তি।

 বিমানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্যগুলোর একটি হলো এর নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থা।

 কোনো বড় ধরনের জাতীয় সংকট বা সামরিক জরুরি পরিস্থিতিতে দেশের মাটিতে থাকা কমান্ড কাঠামোর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলেও প্রেসিডেন্ট যাতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা ধরে রাখতে পারেন, সেই ধারণাকে মাথায় রেখেই এ ধরনের বিমান তৈরি করা হয়েছে। এ কারণেই আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বিমানটির সঙ্গে ‘ডুমসডে প্লেন’ নামটি জুড়ে দেওয়া হয়েছে।

 নামটি মূলত এমন একটি বিমানের ধারণাকে বোঝায়, যা ভয়াবহ সংকট বা যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতেও দেশের সর্বোচ্চ নেতৃত্বকে নিরাপদ রেখে কমান্ড ও যোগাযোগ চালু রাখতে সক্ষম।

আরও পড়ুন: ঢাকার বড় চ্যালেঞ্জ যানজট ও রাস্তায় হকারের অব্যবস্থাপনা: ডিএসসিসি প্রশাসক

 বিমানটির নিরাপত্তা ব্যবস্থার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ইলেকট্রনিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এতে রাডার জ্যামিংয়ের মতো প্রযুক্তি রয়েছে। এর ফলে বিমানটিকে শনাক্ত বা লক্ষ্যবস্তু করতে সমস্যা তৈরি হয়। একই সঙ্গে এতে বিভিন্ন ধরনের প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা রয়েছে, যা সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলা করতে প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য ব্যবহার করা হয়।

 পুতিনের এই বিমান অবশ্য কেবল নিরাপত্তা ও সামরিক যোগাযোগের জন্য তৈরি নয়। এর ভেতরে রয়েছে প্রেসিডেন্টের জন্য অত্যন্ত বিলাসবহুল ব্যক্তিগত পরিসরও। বিমানটির অভ্যন্তরে ব্যক্তিগত শয়নকক্ষ, বিলাসবহুল বাথরুম, রান্নাঘর, খাবারের জায়গা এবং বড় আকারের সম্মেলনকক্ষ রয়েছে। ফলে দীর্ঘ সময় আকাশে থাকার সময়েও প্রেসিডেন্টের কাজ চালিয়ে যাওয়া এবং বৈঠক করার সুযোগ থাকে।

 বিমানের সম্মেলনকক্ষটিও বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। প্রেসিডেন্টের সফর অনেক সময় কূটনৈতিক বৈঠক, সরকারি আলোচনা এবং গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের সঙ্গে যুক্ত থাকে। তাই বিমানের ভেতরেই এমন একটি জায়গা রাখা হয়েছে, যেখানে প্রতিনিধিদলের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করা যায়। বোর্ডরুম ধরনের আসন বিন্যাস সেই প্রয়োজনের কথাই তুলে ধরে।

 বিলাসিতার দিক থেকেও বিমানটি সাধারণ প্রেসিডেনশিয়াল পরিবহন ব্যবস্থার তুলনায় ভিন্ন। অভ্যন্তরে রয়েছে উন্নতমানের কাঠের কাজ, প্রিমিয়াম চামড়া ও অন্যান্য উচ্চমানের উপকরণ। এমনকি কিছু অংশে সোনার প্রলেপ দেওয়া ফিটিংস ব্যবহারের কথাও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার প্রতীক হওয়ার পাশাপাশি বিমানটি রাশিয়ান প্রেসিডেন্টের জন্য একটি চলমান বিলাসবহুল কার্যালয় হিসেবেও কাজ করে।

আরও পড়ুন: ব্রিকস দেশগুলোর জন্য ‘ওপেন-সোর্স এআই জোন’ গঠনের প্রস্তাব সি চিন পিংয়ের

 বিমানটির আকারও উল্লেখযোগ্য। আইএল-৯৬-৩০০ প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য প্রায় ৫৫ দশমিক ৩৫ মিটার এবং ডানার বিস্তার প্রায় ৬০ দশমিক ১২ মিটার। এতে ব্যবহৃত অ্যাভিয়াডভিগাতেল পিএস-৯০এ টার্বোফ্যান ইঞ্জিন বিমানটিকে দীর্ঘপথ পাড়ি দেওয়ার সক্ষমতা দেয়। একবারে প্রায় ১১ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত উড়তে সক্ষম হওয়ায় দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সফরের ক্ষেত্রে বারবার জ্বালানি নেওয়ার প্রয়োজন তুলনামূলকভাবে কমে যায়।

 রাশিয়ার স্পেশাল ফ্লাইট স্কোয়াড্রন এই বিমান পরিচালনা করে। প্রেসিডেন্ট ও রাশিয়ার শীর্ষ নেতৃত্বের সরকারি বিদেশ সফরের জন্য এই বিশেষ বিমানবহর ব্যবহৃত হয়। পুতিনের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কঠোর। একই ধরনের দুটি বিমান একসঙ্গে উড়িয়ে নেওয়ার কৌশলটি তারই অংশ। দুটি বিমান দেখতে একই হওয়ায় বাইরে থেকে কোনটিতে প্রেসিডেন্ট রয়েছেন, তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ে।

 এই ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুতিনের বিদেশ সফরে নতুন কিছু নয়। রুশ প্রেসিডেন্ট বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সফরের সময় তাঁর বিমানবহরকে ঘিরে একই ধরনের সতর্কতা অবলম্বন করেছেন। একজন রাষ্ট্রপ্রধানের ক্ষেত্রে আকাশপথে সম্ভাব্য হুমকি, নজরদারি কিংবা হামলার ঝুঁকি কমানোর জন্য এমন কৌশল গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়।

 ভারত সফরের ক্ষেত্রেও পুতিনকে ঘিরে নিরাপত্তা তাই শুধু নয়াদিল্লির মাটিতে সীমাবদ্ধ থাকছে না। তাঁর ব্যবহৃত বিমান, যাত্রাপথ এবং সফরসূচির নিরাপত্তাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে পুতিন বিশ্বের অন্যতম কঠোরভাবে সুরক্ষিত রাষ্ট্রপ্রধান হওয়ায় তাঁর বিদেশ সফরের প্রতিটি ধাপেই নিরাপত্তা পরিকল্পনার একাধিক স্তর থাকে।

আরও পড়ুন: রোমান্টিক নাটক-সিনেমা নির্মাণ বন্ধে সেই আইনজীবীর ফের রিট

 

সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোংলা বন্দর বস্ত্র ব্যবসায়ী সমিতির নতুন কমিটির অভিষেক ও শপথ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৫৭ এম


মোংলা বন্দর বস্ত্র ব্যবসায়ী সমিতির নতুন কমিটির অভিষেক ও শপথ

মোংলা বন্দর বস্ত্র ব্যবসায়ী সমিতির অভিষেক ও শপথ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকালে পৌর শহরের আব্দুস সামাদ সড়কে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র মো. জুলফিকার আলী।

অনুষ্ঠানে সমিতির নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দের শপথবাক্য পাঠ করান নির্বাচন কমিটির চেয়ারম্যান মো. হাবিবুর রহমান।

শপথ গ্রহণকারীরা হলেন- মোংলা বন্দর বস্ত্র ব্যবসায়ী সমিতির নবনির্বাচিত সভাপতি মো. কামরুল হাসান খোকন, সহ-সভাপতি আজিজুর রহমান সোহাগ ও মো. মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফ হোসেন ও মো. আলাউদ্দিন সাগর, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রেজাউল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ মো. আঃ সালাম ব্যাপারী, প্রচার সম্পাদক মো. সোহাগ গাজী, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম সাদী, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক রাব্বি মিয়া, সদস্য আনোয়ার হোসেন, কামরুল ইসলাম, মো. রুবেল, মো. সোয়েব আক্তার ও হাফিজুল ইসলাম। 

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আঃ মান্নান হাওলাদার, বিএনপি নেতা এমরান হোসেন, গোলাম নুর জনি, মো. জসিম উদ্দিন ও আঃ সালাম ব্যাপারী। 

উল্লেখ্য, গত ৬ সেপ্টেম্বর মোংলা বন্দর বস্ত্র ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফেনীতে অভিযানে ২১ জন গ্রেপ্তার, উদ্ধার মদ ও ইয়াবা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৫৮ এম


ফেনীতে অভিযানে ২১ জন গ্রেপ্তার, উদ্ধার মদ ও ইয়াবা

ফেনী মডেল থানা এলাকায় ২৪ ঘণ্টার বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন মামলার আসামিসহ ২১ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

একই সঙ্গে ৫০ বোতল বিদেশি মদ, ১০ লিটার দেশীয় চোলাই মদ, তিন বোতল বিয়ার ও ৫৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়েছে।

শনিবার ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নেতৃত্বে থানার বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

পুলিশ জানায়, ফেনীর পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় মাদকবিরোধী অভিযান, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেফতার এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে এ অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে মহিপাল এলাকা থেকে সমাজবিরোধী কর্মকাণ্ডের মামলার আসামি আশরাফুল জামান সোহাগ (২০) এবং এসএসকে রোড এলাকা থেকে ডাকাত দলের সদস্য সাইফুল ইসলাম রিয়াজকে (২৮) গ্রেফতার করা হয়।

অন্যদিকে ধর্মপুর এলাকা থেকে ৫০ বোতল বিদেশি মদসহ একাধিক মাদক মামলার আসামি মো. সেলিমকে গ্রেফতার করা হয়। এক্ষেত্রে একই এলাকা থেকে ১০ লিটার দেশীয় তৈরি চোলাই মদসহ গ্রেফতার করা হয় রাবেয়া আক্তারকে।

এদিকে, পুলিশের অভিযানে ৫৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ শাহরিয়ার হোসেন (২২), নাজমুল ইসলাম (২১), শহিদুল ইসলাম মন (৩৪), ইসমাইল হোসেন ইমন (২৬) ও মো. রুবেলকে (২৬) গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি তিন বোতল বিয়ারসহ আরও কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, গ্রেফতারদের মধ্যে মাদক কারবারি, মাদকসেবী, ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি এবং বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা আছেন। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা ও প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

ফেনীর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ফেনী মডেল থানা এলাকায় নিয়মিত মাদকবিরোধী ও অপরাধ বিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাঁচ থানায় ডিএমপির অভিযানে ৫১ জন গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:০০ এম


পাঁচ থানায় ডিএমপির অভিযানে ৫১ জন গ্রেপ্তার

 রাজধানী ঢাকা শহরের মোহাম্মদপুর, দক্ষিণখান, বংশাল, মতিঝিল ও তুরাগ থানার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পুলিশের হাতে ৫১ জন অপরাধী গ্রেফতার হয়েছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গতকাল শুক্রবার এদের গ্রেফতার করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে মোহাম্মদপুর থানার পুলিশ ২৫ জন, বংশাল থানার পুলিশ ১১ জন, মতিঝিল থানার পুলিশ ৬ জন, তুরাগ থানার পুলিশ ৫ জন এবং দক্ষিণখান থানার পুলিশ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে।

মোহাম্মদপুর থানায় গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছে- সাব্বির (২২), রাকিব (২৩), সিয়াম আহমেদ তুহিন (২৪), ইব্রাহিম (২৫), শাকিল (২৫), রাসেল (২৮), সুরুজ (৩০), মানিক (৩৩), মনির (৪৫), সুজন (২২), রায়হান (২৬), নাঈম (২৬), জাহাঙ্গীর (২৮), আব্দুল্লাহ আল নোমান (৩০), মাহাজাবিন নাসরিন (২৫), বশির (২৯), সোলাইমান (২৪), সাইফুল ইসলাম (৩০), শান্ত (১৯), কাজল (৫০), শাহীন (৩০), আরিফ হোসেন (২৩), রাফসান (২৭), রুবেল (২৮) ও তাজিম ইবনে জলিল (৩২)।

বংশাল থানায় গ্রেফতারকৃতদের তালিকায় রয়েছে-মো. আশিক ইকবাল, মো. ফারুক মিয়া (৩৭), মো. ইয়াসিন (২৪), মোহাম্মদ নবীদুল হক (৫০), মো. শাহ আলম (৪০), মো. মোস্তফা (৪৫), মো. জনি (৩২), মো. তুষার আহম্মেদ (২৮), মো. রোকনুজ্জামান, মো. নুর ইসলাম (৪৯) ও মো. জামাল হোসেন (৩৫)।

মতিঝিল থানায় গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছে- মো. ইমন হোসেন রনি ওরফে পাইপ রনি, মো. নুর ইসলাম ওরফে নয়ন ইসলাম (২৮), মো. নাজমুল হক (২৮), মো. তালিম হোসেন (২৮), মানিক মিয়া (৫৪) ও মো. মজিবর (২৮)।

তুরাগ থানায় গ্রেফতারকৃতরা হলো- মো. আমিনুল ইসলাম সোহাগ (২৬), শেখ শাহানাজ মাহি (২৫), মো. শরীফ (১৯), মো. তানভীর হক (২১) ও মো. তানজিল (১৯)।

দক্ষিণখান থানার গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন- শান্ত ইসলাম (২১), মো. রাকিবুল হাসান রুবেল, কাইয়ুম ভূঁইয়া (৪০) ও মোছা. খুকুমনি (৪৫)।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সতর্ক করা সেই বিএনপি নেতাকে অব্যাহতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:০৪ এম


সতর্ক করা সেই বিএনপি নেতাকে অব্যাহতি

 

দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডের কারণে জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক মো. সুজন মিয়াকে দলের সব পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান রতন স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে এ সিদ্ধান্তটি জানানো হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ‘দলীয় পদে থেকে সুজন মিয়া দলের ভাবমূর্তি ও শৃঙ্খলাবিরোধী বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। একাধিকবার সতর্ক করার পরেও তিনি তা অব্যাহত রেখেছেন, যার কারণে তাঁকে দলীয় সব পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।’

উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান রতন কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে দলকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করার জন্য সুজন মিয়াকে আগেই সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি সতর্কবার্তা আমলে না নেওয়ায় সাংগঠনিকভাবে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই রবিউস সানি, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৩৫
জোহর ১১:৪৯
আসর ০৪:০৭
মাগরিব ০৫:৪৭
ইশা ০৬:৫৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫০ সূর্যাস্ত : ০৫:৪৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%