শনিবার, ১২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৪৮ পি.এম
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান মন্তব্য করেছেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার সঙ্গে শিল্পখাতের (ইন্ডাস্ট্রি) সমন্বয় হলে বাংলাদেশের গবেষণা ক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে।"
তিনি শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নভোথিয়েটারে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’-এ বেরোবির উদ্ভাবনী গবেষণা প্রকল্প প্রদর্শনকালে এ কথা বলেন।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী এ মেলা ১২ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মেলায় বেরোবির বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী ও গবেষকদের নির্বাচিত চারটি উদ্ভাবনী গবেষণা প্রকল্প প্রদর্শন করা হচ্ছে। প্রজেক্টগুলো হলো—Silicon-based Perovskite Solar Cells, AgriTrace BD, Carbon Setu এবং DeshGuard AI।
অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, “বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণার সঙ্গে ইন্ডাস্ট্রির কোনো সমন্বয় নেই। বর্তমান সরকার এ বিষয়টি সমন্বয়ের চেষ্টা করছে। বিশ্ববিদ্যালয় ও ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে সমন্বয় হলে বাংলাদেশে গবেষণার ক্ষেত্রে বিশাল পরিবর্তন আসবে।”
তিনি আরো বলেন, “এই সমন্বয়হীনতার কারণে বাংলাদেশের সমসাময়িক অনেক দেশ আমাদের থেকে এগিয়ে গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাকে শিল্পখাতের সঙ্গে যুক্ত করা গেলে গবেষণার ফলাফল বাস্তব ক্ষেত্রে প্রয়োগের সুযোগ তৈরি হবে।”
মেলায় অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে বেরোবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী বলেন, “আমাদের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তিকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরতে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় সবসময় বদ্ধপরিকর। ল্যাবরেটরির নতুন নতুন আবিষ্কার যখন বাণিজ্যিক বাজারে জায়গা পাবে, তখনই দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সমৃদ্ধি ত্বরান্বিত হবে।”
তিনি আরও বলেন, “এই ইনোভেশন ফেয়ার আমাদের তরুণ গবেষকদের জন্য নতুন সম্ভাবনা ও নেটওয়ার্ক তৈরির অনন্য সুযোগ।”
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান, দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. এমদাদুল হক এবং পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ মন্তব্য করেছেন যে, বিগত ১৮ বছরে বিদ্যুৎ ও গ্যাস খাতকে ধ্বংস করা হয়েছে। তিনি বলেন, এই ধ্বংসস্তূপ থেকে বিদ্যুৎ এবং গ্যাস খাতকে পুনর্গঠন করে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সরকারকে সময় দিতে হবে।
তিনি আশ্বস্ত করে বলেছেন, সরকারকে যদি প্রয়োজনীয় সময় দেওয়া হয়, তাহলে বর্তমান সংকট দ্রুত কেটে যাবে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পূর্ব চত্বরে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রকাশনা বিভাগ আয়োজিত মাসব্যাপী ইসলামী বইমেলা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
ধর্মমন্ত্রী বলেছেন, একটি বাচ্চা যখন জন্মগ্রহণ করে, তখনই যদি তাকে ‘আব্বা’ ডাকতে বলা হয়, সেটা কখনও সম্ভব হবে? বাচ্চাকে সময় দিতে হবে, তাকে বড় করতে হবে; যখন বাচ্চা বড় হবে তখন সে অটোমেটিক আব্বা ডাকবে। ঠিক তেমনি, বর্তমান সরকারকেও পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে।
ধর্মমন্ত্রী দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, সরকারকে কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় সময় দেওয়া হলে ইনশাআল্লাহ বর্তমান অবস্থা থাকবে না। মহান আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা রেখে ধৈর্যের সঙ্গে সঠিক পথে কাজ করে যেতে হবে এবং সরকারকে সময় ও সহযোগিতা দিলে দেশের সকল সংকটের সমাধান সম্ভব।
তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের মাঝে ইসলামী জ্ঞানচর্চা, পাঠাভ্যাস ও নৈতিক মূল্যবোধের প্রসারে মাসব্যাপী এই ইসলামী বইমেলা বিশেষ ভূমিকা পালন করবে। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র জীবনাদর্শ প্রসঙ্গে ধর্মমন্ত্রী বলেন, মহানবী (সা.)-এর মহান জীবন-আদর্শ এবং ইসলামের শান্তির ও কল্যাণময় বার্তা সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে।
ধর্মমন্ত্রী বলেছেন, বিগত ১৮ বছর ধরে ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার এবং আওয়ামী লীগীকরণ করা হয়েছিল। অতীতের মুজিববাদী প্রভাব থেকে মুক্ত করে এই প্রতিষ্ঠানকে পবিত্র কোরআন ও হাদিস প্রচারের প্রকৃত কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক স্বচ্ছতার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে সর্বপ্রকার অন্যায় ও অবিচার চিরতরে দূর করতে হবে। কোনো হালাল কাজের জন্য যেন কাউকেই এক পয়সাও দিতে না হয়, সেভাবে প্রতিষ্ঠানটিকে পুনর্গঠন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত জাতীয় পর্যায়ের ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’-এ অংশ নিয়েছে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর। আজ শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকালে ঢাকার নভোথিয়েটারে আয়োজিত একটি আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তিন দিনব্যাপী (১২-১৪ সেপ্টেম্বর) এই ঐতিহাসিক মেলার শুভ উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে প্রধানমন্ত্রী দেশীয় গবেষণা ও মেধাভিত্তিক উদ্ভাবনগুলোকে ল্যাবরেটরির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনে রূপান্তর এবং সরাসরি মূলধারার বাজারের সঙ্গে যুক্ত করার আহ্বান জানান।
এ বিষয়ে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম গবেষক প্রফেসর ডঃ মোঃ ফেরদৌস রহমান বলেন, বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণার সঙ্গে ইন্ডাস্ট্রির কোন সমন্বয় নাই। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর জনাব তারেক রহমান এই বিষয়টা সমন্বয় করার চেষ্টা করতেছে, আর এটা সমন্বয় হলে বাংলাদেশে গবেষণার বিশাল একটি পরিবর্তন হবে। এই সমন্বয়হীনতার কারণে বাংলাদেশের সম সাময়িক দেশগুলো বাংলাদেশ থেকে এগিয়ে গেছে, যেটা বাংলাদেশ করতে পারেনি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী অংশগ্রহণ করেন এবং শিক্ষার্থী ও গবেষকদের প্রকল্প প্রদর্শন করেন। এ সময় উপাচার্য বলেন, “আমাদের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তিকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরতে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় সবসময় বদ্ধপরিকর। ল্যাবরেটরির নতুন নতুন আবিষ্কার যখন বাণিজ্যিক বাজারে জায়গা পাবে, তখনই দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সমৃদ্ধি ত্বরান্বিত হবে। এই ইনোভেশন ফেয়ার আমাদের তরুণ গবেষকদের জন্য নতুন সম্ভাবনা ও নেটওয়ার্ক তৈরির অনন্য সুযোগ।”
রাজধানীর নভোথিয়েটারে অনুষ্ঠিত এই মেলায় বেরোবির বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী ও গবেষকদের নির্বাচিত ৪টি উদ্ভাবনী গবেষণা প্রকল্প প্রদর্শন করা হচ্ছে। প্রকল্পগুলো হলো: ১. Silocon based perovskite solar cells, ২. Agritrace BD, ৩. Carbon Setu ও ৪. Deshguard AI।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বেরোবি রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মোঃ ফেরদৌস রহমান, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ মিজানুর রহমান, দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ এমদাদুল হক এবং পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ কামরুজ্জামান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (আইএবি) নাগেশ্বরী থানা শাখার উদ্যোগে একটি পথসভা। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) নাগেশ্বরী মুক্তমঞ্চে এই পথসভা আয়োজিত হয়, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম পীর সাহেব চরমোনাই।
মূলত, পথসভাকে কেন্দ্র করে মুক্তমঞ্চ এলাকার চারপাশে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সমাগম ঘটে। এই সমাগমের কারণে পুরো এলাকাটি জনসমাগমে মুখরিত হয়ে ওঠে।
পথসভা আয়োজনের কাজটি করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী থানা শাখা, যেখানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ নুর বখত।
আলহাজ্ব জনাব হারিসুল বারি রনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই পথসভায় দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ব্যাপক অংশগ্রহণ দেখা যায়। বিশেষ করে, পীর সাহেব চরমোনাইয়ের উপস্থিতিকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্যণীয় ছিল।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ নাগেশ্বরী থানা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এই পথসভাটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেট বিভাগ যোগাযোগ ও উন্নয়ন পরিষদের উদ্যোগে টাগুয়ার হাওরের ঐতিহ্য এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষার লক্ষ্যে ৭ দফা দাবীতে মানব বন্ধন করেছেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সিলেটের বৃহত্তর অঞ্চলের সুনামগঞ্জ জেলার অবহেলিত ও দুর্গম এলাকা সমূহের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে, সড়ক সংস্কার ও জনদুর্ভোগ নিরসনের দাবিতে একটি মানববন্ধন করা হয়েছে। এই মানববন্ধনটি সিলেট বিভাগ যোগাযোগ ও উন্নয়ন পরিষদের বাস্তবায়নে অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শিমুল বাগান, মধ্যনগর উপজেলা এবং ধর্মপাশা উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির জন্য স্বতন্ত্রভাবে মানববন্ধন করার ব্যবস্থা করেন। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখা নেতাদের মধ্যে রয়েছেন সিলেট বিভাগ যোগাযোগ ও উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ শাহজাহান, সাধারণ সম্পাদক মোঃ কুতুব উদ্দিন সোহেল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-এ এইচ সাইদুল হক চৌধুরী, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক-রিপন কবীর লস্কর, সহ সভাপতি-হামিদুল কিবরিয়া চৌধুরী আজহার, এবং সহ সভাপতি -ইন্তেশার আহমেদ চৌধুরী।
স্থানীয়দের রাজনৈতিক ভাবে ণ করে বক্তব্য রাখেন মধ্যনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আলামিন তালুকদার, সহ সভাপতি ডাক্তার সাইদুর রহমান জিয়া, সহসভাপতি আব্দুল কাদির, এবং সার্জেন্ট( অব) মুসাব্বির হুসাইন। এছাড়াও সাংবাদিক আশরাফুল উদ্দিন হিল্লোল উপস্থিত ছিলেন। অন্যান্য নেতাদের মধ্যে কবির এমএসএম কামরুজ্জামান ও মোঃ সারোয়ার খান ফারুকের নাম উল্লেখযোগ্য। বক্তারা বলেন, সুনামগঞ্জের তাহিরপুর, মধ্যনগর ও ধর্মপাশা উপজেলার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। বক্তারা বিশেষ করে গুরুত্বারোপ করেছেন সড়কগুলোর বেহাল দশা এবং প্রয়োজনীয় ব্রিজ-কালভার্টের অভাবের দিকে, যার ফলে বর্ষা মৌসুমে জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করে।
বক্তারা আরও আলোচনা করেন, এসব এলাকার পর্যটন, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং শিক্ষা-স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নের জন্য টেকসই যোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরি করা অপরিহার্য। সিলেট বিভাগ যোগাযোগ উন্নয়ন পরিষদের নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেছেন, জনগণের দীর্ঘদিনের দাবি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। মানববন্ধনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং সচেতন নাগরিকরা অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ