রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৪৪ এম
দুর্গম ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে খাগড়াছড়ি সদর সেনা রিজিয়নের উদ্যোগে বিনামূল্যে মেডিক্যাল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার সকাল থেকে খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতালে এ মেডিক্যাল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়।
ক্যাম্পে চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, নাক-কান-গলা (ইএনটি) বিশেষজ্ঞ, চক্ষু বিশেষজ্ঞ এবং স্ত্রী রোগ ও প্রসূতি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন। সেবা নিতে জেলার বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকা থেকে সহস্রাধিক মানুষ আসেন।
আয়োজকরা জানান, দুর্গম পাহাড়ি এলাকার সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতেই এ ধরনের ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও পার্বত্য অঞ্চলের চিকিৎসা নিশ্চিতে সেনাবাহিনীর এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালিতে ইরান ও ওমানের মধ্যে একটি যৌথ নৌপথ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সোমবার ওমানের রাজধানী মাসকাটে এ বিষয়ে একটি চুক্তি সই হতে পারে। এ বৈঠকে উপসাগরীয় অঞ্চলের আটটি দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা অংশ নেবেন বলে জানিয়েছে ইরান।
ভারতীয় সম্প্রচারমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পেজেশকিয়ান বলেন, সোমবার আরব দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা মাসকাটে বৈঠকে বসবেন। সেখানে ইরান ও ওমানের মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে একটি যৌথ নৌপথ প্রতিষ্ঠার চুক্তি সই হবে এবং বিষয়টি আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশন (আইএমও)কে জানানো হবে।
ইরানের প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, যেসব দেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর হামলা চালিয়েছে, সেসব দেশও বৈঠকে অংশ নেবে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ ও সামরিক হামলার বিষয়ে পেজেশকিয়ান বলেন, যুদ্ধের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র তাদের লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি। সে কারণেই এখন অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের পথ বেছে নিয়েছে ওয়াশিংটন। তবে এ চাপের কারণে ইরান তার অবস্থান থেকে সরে যাবে না বলেও জানান তিনি।
হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ প্রসঙ্গে পেজেশকিয়ান বলেন, ইরানের টিকে থাকা পুরোপুরি সমুদ্রপথের ওপর নির্ভরশীল নয়। তবে যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ ও হামলা বন্ধ করলে ইরান হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেবে।
এর আগে শুক্রবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছিলেন, সোমবার ওমানের আয়োজনে উপসাগরীয় অঞ্চলের আটটি দেশের অংশগ্রহণে একটি আঞ্চলিক মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে আঞ্চলিক বিভিন্ন ইস্যুর পাশাপাশি হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য নিরাপদ নৌপথ নির্ধারণে ইরান ও ওমানের আলোচনার ফলাফল নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
ইরান বলছে, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা কাজ করছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ ও সামরিক হস্তক্ষেপ অব্যাহত থাকলে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেওয়া সম্ভব নয়।
সোমবারের বৈঠকের বিষয়ে এখনো ওমানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা পাওয়া যায়নি। এর আগে গত সোমবার ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজায়ি জানিয়েছিলেন, হরমুজ প্রণালিতে ওমানের সঙ্গে নতুন একটি নৌ করিডোর তৈরির বিষয়ে কয়েক দিনের মধ্যেই চুক্তি হতে পারে। প্রস্তাবিত ওই করিডোরের প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ ইরানের নিয়ন্ত্রণে থাকবে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।
সূত্র: আনাদোলু
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে আফ্রিকা ঘুরে এক লাখ টন ক্রুড অয়েলের (অপরিশোধিত জ্বালানি তেল) চালান নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে এমটি নিনেমিয়া নামের একটি জাহাজ।
শনিবার এটি বন্দরের জলসীমায় পৌঁছায়। মধ্যপ্রাচ্য সংকট ও ‘হুতি বিদ্রোহী’ আতঙ্কে নিয়মিত রুটের পরিবর্তে জাহাজটিকে বাংলাদেশে পৌঁছাতে প্রায় ৯ হাজার নটিক্যাল মাইল বেশি দূরত্ব পাড়ি দিতে হয়েছে।
চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রীয় জ্বালানি তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারির জন্য ক্রুড অয়েলের চালানটি আমদানি করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ জুলাই এমটি নিনেমিয়া সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ক্রুড অয়েল লোড করে যাত্রা শুরু করে। আগে ইয়ানবু বন্দর থেকে ক্রুড অয়েলের জাহাজ আসতে সময় লাগত ১৩-১৫ দিন। এমটি নিনেমিয়া বিকল্প রুটে আফ্রিকা ঘুরে আসতে লেগেছে দেড় মাসেরও বেশি সময়।
চালানটির পরিবহনের দায়িত্বে থাকা বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি) সূত্রে জানা গেছে, আগে ইয়ানবু থেকে রেড-সি দিয়ে বেরিয়ে এসে জিবুতি ও ইয়েমেনের বাব-এল-মান্দেব প্রণালি ও শ্রীলঙ্কা হয়ে চট্টগ্রামে আসা যেত। এ পথে দূরত্ব চার হাজার নটিক্যাল মাইল।
সম্প্রতি বাব-এল-মান্দেবে হুতি বিদ্রোহীদের তৎপরতা বাড়ায় ওই এলাকা দিয়ে জাহাজ চলাচলে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে, এমটি নিনেমিয়াকে আসতে হয়েছে সুয়েজ খাল-মেডিটেরিয়ানসি-জিব্রাল্টার-পশ্চিম আফ্রিকা-কেপ অব গুড হোপ-মাদাগাস্কার-শ্রীলঙ্কা হয়ে। এই ঘুরপথের দূরত্ব ১৩ হাজার নটিক্যাল মাইল। বাড়তি পথ পাড়ি দেওয়ার জন্য ব্যয়ও বেড়েছে।
উল্লেখ্য, ক্রুড অয়েল আমদানির পর ইস্টার্ন রিফাইনারিতে শোধন করে বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি ও উপজাত পণ্য বাজারে সরবরাহ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নয়াদিল্লিতে তিন দিনের ভারত সফরে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আসছেন। ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও জ্বালানি সহযোগিতা নিয়ে নানা আলোচনা পুতিনের। তবে পুতিনের এই সফরের রাজনৈতিক গুরুত্বের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের নজর কেড়েছে যাতায়াতের জন্য ব্যবহৃত বিশেষ বিমানটিও। অত্যন্ত সুরক্ষিত এই বিমানকে প্রায়ই ‘ফ্লাইং ক্রেমলিন’ বা ‘ডুমসডে প্লেন’ নামে অভিহিত করা হয়।
শুক্রবার ভোরে উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল নিয়ে নয়াদিল্লিতে পৌঁছান রুশ প্রেসিডেন্ট। পুতিনের সফরকে ঘিরে ভারতের রাজধানীতে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। কিন্তু তাঁর সফরের নিরাপত্তার প্রথম স্তর শুরু হয়েছে আকাশপথেই। পুতিন যে বহরে ভ্রমণ করেন, সেখানে একই ধরনের দুটি বিমান একসঙ্গে উড্ডয়ন করতে সক্ষম হয়।
পুতিনের ব্যবহৃত এই বিশেষ বিমানটি রাশিয়ায় তৈরি ইলিউশিন আইএল-৯৬-৩০০পিইউ-এর অত্যন্ত পরিবর্তিত সংস্করণ। যদিও এটি সাধারণ যাত্রীবাহী বিমানের মতো দেখতে, কিন্তু এর ভেতরের ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভিন্ন।
আইএল-৯৬ সিরিজের এই বিমানটির মূল নকশার গোড়াপত্তন সোভিয়েত যুগে, ১৯৮০-এর দশকে হয়েছে। দীর্ঘপাল্লার চার ইঞ্জিনের এই বিমানটি মূলত রাশিয়ার ইলিউশিন ডিজাইন ব্যুরোর তৈরি করা। প্রেসিডেন্টের জন্য ব্যবহৃত বিশেষ সংস্করণে সাধারণ যাত্রীবাহী বিমানের তুলনায় যুক্ত করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ যোগাযোগ ও নিরাপত্তা প্রযুক্তি।
বিমানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্যগুলোর একটি হলো এর নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থা।
কোনো বড় ধরনের জাতীয় সংকট বা সামরিক জরুরি পরিস্থিতিতে দেশের মাটিতে থাকা কমান্ড কাঠামোর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলেও প্রেসিডেন্ট যাতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা ধরে রাখতে পারেন, সেই ধারণাকে মাথায় রেখেই এ ধরনের বিমান তৈরি করা হয়েছে। এ কারণেই আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বিমানটির সঙ্গে ‘ডুমসডে প্লেন’ নামটি জুড়ে দেওয়া হয়েছে।
নামটি মূলত এমন একটি বিমানের ধারণাকে বোঝায়, যা ভয়াবহ সংকট বা যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতেও দেশের সর্বোচ্চ নেতৃত্বকে নিরাপদ রেখে কমান্ড ও যোগাযোগ চালু রাখতে সক্ষম।
বিমানটির নিরাপত্তা ব্যবস্থার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ইলেকট্রনিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এতে রাডার জ্যামিংয়ের মতো প্রযুক্তি রয়েছে। এর ফলে বিমানটিকে শনাক্ত বা লক্ষ্যবস্তু করতে সমস্যা তৈরি হয়। একই সঙ্গে এতে বিভিন্ন ধরনের প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা রয়েছে, যা সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলা করতে প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য ব্যবহার করা হয়।
পুতিনের এই বিমান অবশ্য কেবল নিরাপত্তা ও সামরিক যোগাযোগের জন্য তৈরি নয়। এর ভেতরে রয়েছে প্রেসিডেন্টের জন্য অত্যন্ত বিলাসবহুল ব্যক্তিগত পরিসরও। বিমানটির অভ্যন্তরে ব্যক্তিগত শয়নকক্ষ, বিলাসবহুল বাথরুম, রান্নাঘর, খাবারের জায়গা এবং বড় আকারের সম্মেলনকক্ষ রয়েছে। ফলে দীর্ঘ সময় আকাশে থাকার সময়েও প্রেসিডেন্টের কাজ চালিয়ে যাওয়া এবং বৈঠক করার সুযোগ থাকে।
বিমানের সম্মেলনকক্ষটিও বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। প্রেসিডেন্টের সফর অনেক সময় কূটনৈতিক বৈঠক, সরকারি আলোচনা এবং গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের সঙ্গে যুক্ত থাকে। তাই বিমানের ভেতরেই এমন একটি জায়গা রাখা হয়েছে, যেখানে প্রতিনিধিদলের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করা যায়। বোর্ডরুম ধরনের আসন বিন্যাস সেই প্রয়োজনের কথাই তুলে ধরে।
বিলাসিতার দিক থেকেও বিমানটি সাধারণ প্রেসিডেনশিয়াল পরিবহন ব্যবস্থার তুলনায় ভিন্ন। অভ্যন্তরে রয়েছে উন্নতমানের কাঠের কাজ, প্রিমিয়াম চামড়া ও অন্যান্য উচ্চমানের উপকরণ। এমনকি কিছু অংশে সোনার প্রলেপ দেওয়া ফিটিংস ব্যবহারের কথাও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার প্রতীক হওয়ার পাশাপাশি বিমানটি রাশিয়ান প্রেসিডেন্টের জন্য একটি চলমান বিলাসবহুল কার্যালয় হিসেবেও কাজ করে।
বিমানটির আকারও উল্লেখযোগ্য। আইএল-৯৬-৩০০ প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য প্রায় ৫৫ দশমিক ৩৫ মিটার এবং ডানার বিস্তার প্রায় ৬০ দশমিক ১২ মিটার। এতে ব্যবহৃত অ্যাভিয়াডভিগাতেল পিএস-৯০এ টার্বোফ্যান ইঞ্জিন বিমানটিকে দীর্ঘপথ পাড়ি দেওয়ার সক্ষমতা দেয়। একবারে প্রায় ১১ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত উড়তে সক্ষম হওয়ায় দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সফরের ক্ষেত্রে বারবার জ্বালানি নেওয়ার প্রয়োজন তুলনামূলকভাবে কমে যায়।
রাশিয়ার স্পেশাল ফ্লাইট স্কোয়াড্রন এই বিমান পরিচালনা করে। প্রেসিডেন্ট ও রাশিয়ার শীর্ষ নেতৃত্বের সরকারি বিদেশ সফরের জন্য এই বিশেষ বিমানবহর ব্যবহৃত হয়। পুতিনের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কঠোর। একই ধরনের দুটি বিমান একসঙ্গে উড়িয়ে নেওয়ার কৌশলটি তারই অংশ। দুটি বিমান দেখতে একই হওয়ায় বাইরে থেকে কোনটিতে প্রেসিডেন্ট রয়েছেন, তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ে।
এই ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুতিনের বিদেশ সফরে নতুন কিছু নয়। রুশ প্রেসিডেন্ট বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সফরের সময় তাঁর বিমানবহরকে ঘিরে একই ধরনের সতর্কতা অবলম্বন করেছেন। একজন রাষ্ট্রপ্রধানের ক্ষেত্রে আকাশপথে সম্ভাব্য হুমকি, নজরদারি কিংবা হামলার ঝুঁকি কমানোর জন্য এমন কৌশল গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়।
ভারত সফরের ক্ষেত্রেও পুতিনকে ঘিরে নিরাপত্তা তাই শুধু নয়াদিল্লির মাটিতে সীমাবদ্ধ থাকছে না। তাঁর ব্যবহৃত বিমান, যাত্রাপথ এবং সফরসূচির নিরাপত্তাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে পুতিন বিশ্বের অন্যতম কঠোরভাবে সুরক্ষিত রাষ্ট্রপ্রধান হওয়ায় তাঁর বিদেশ সফরের প্রতিটি ধাপেই নিরাপত্তা পরিকল্পনার একাধিক স্তর থাকে।
সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ