শনিবার, ১২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:০৭ পি.এম
ময়মনসিংহ, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও ময়মনসিংহ সদর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ বলেছেন, সারাদেশের ন্যায় ময়মনসিংহে সারের কোনো সঙ্কট নেই। প্রয়োজন অনুপাতে পর্যাপ্ত সার সংরক্ষণ আছে। অযথা কেউ সার মজুদ করবেন না।
আজ শনিবার দুপুরে ময়মনসিংহ সদর উপজেলার বোররচর কাচারী বাজার মাদরাসা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় কৃষকদের তিনি এই বার্তা দেন।
আইন শৃঙ্খলা, মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ, নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন, জনকল্যাণ ও উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকি সংক্রান্ত বিষয়ে সদর উপজেলার ৩নং বোররচর ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় এমপি ওয়াহাব স্থানীয় কৃষকদের উদ্দেশে আরও বলেন, রবি শষ্যের উৎপাদন বাড়াতে সারের কোনো সঙ্কট হবে না। অযথা কেউ মজুদ করবেন না, কোনো সঙ্কট হবে না। তবে সার ব্যবস্থাপনার কিছু ত্রুটি আছে। শহরে ৭টি লাইসেন্স আছে। সেগুলো গ্রাম পর্যায়ে নিয়ে আসার জন্য চেষ্টা চলছে। কিন্তু ১৭ বছরের ঝঞ্জাল সাত মাসে শেষ হবে না।
বিগত ফ্যাসিস্টরা দেশ ধ্বংস করে পালিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিদ্যুৎ গ্যাস সঙ্কট বিএনপির সৃষ্ট কোনো সমস্যা নয়। বতর্মান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের শাসনভার পরিচালনা করছেন। তিনি চেষ্টা করছেন আগামী ৬ মাসের মধ্যে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সমস্যা অনেকটাই সামাধান হবে, ধৈর্য্য ধরুন। আপনারা ভোট দিয়ে আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন এলাকার উন্নয়নে কাজ করতে। আমি সেই দায়িত্বভার শতভাগ পালনে কাজ করছি।
এ সময় সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরে ওয়াহাব আকন্দ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ডের কাজ শুরু হয়েছে। তথ্য সংগ্রহকারীদের সঠিক তথ্য দেবেন। কারও কাছে কোনো তদবির করতে হবে না। পর্যায়ক্রমে সবাই কার্ড পাবেন। ফ্যামিলি কার্ডের জন্য কেউ টাকা দেবেন না। কৃষক কার্ড অচিরেই শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে সকল মসজিদের ইমাম মোয়াজ্জেম এবং খাদেমদের সরকারি ভাতা দেওয়ার কাজ চলমান।
সভায় বোররচরসহ চরাঞ্চলে তিনটি হিমাগার স্থাপন হবে জানিয়ে এমপি ওয়াহাব বলেন, বেইলি ব্রিজ ও হাসপাতাল চালুসহ পর্যায়ক্রমে স্কুল-কলেজ, মাদরাসা, রাস্তা-কালভার্ট বাস্তবায়ন করা হবে। নদ ভাঙন রোধে প্রয়োজনী ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। তবে দুষ্টদের কাছ থেকে সাবধান থাকুন। বেহেশতের টিকেট বিক্রিকারীদের বিষয়ে সর্তক থাকুন।
কোতোয়ালি থানা বিএনপির সদস্য সচিব আতাহারুল ইসলাম বুলবুলের সভাপতিত্বে যুগ্ম আহ্বায়ক এমদাদুল হকের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কোতোয়ালি থানা বিএনপির আহ্বায়ক মো. হেলাল আহম্মেদ, যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াহিয়া হোসেন শাহীন, সদস্য আনোয়ার হোসেন হানু, শেখ মো. আ. সেলিম ও আজিজুল হক সরকার।
এ সময় উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে কয়েক হাজার নারী ও পুরুষ খণ্ড খণ্ড মিছিল সহকারে এই মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর থেকে একজন প্রতিনিধি জানান, বর্তমান সরকারের আমলে সাংবাদিকরা মন খুলে লিখতে পারছেন বলে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি। তিনি উল্লেখ করেছেন যে বিগত ১৫ বছর ফ্যাসিস্টরা সংবাদপত্রের গলা টিপে ধরেছিল। ফ্যাসিস্টরা গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য সমস্ত রকমের চেষ্টা এবং ফন্দিফিকির করেছিল।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর সদরে, বসুন্ধরা গ্রুপের প্রদত্ত জমিতে, বাঞ্ছারামপুর প্রেস ক্লাবের নতুন ভবন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জোনায়েদ সাকি বলেন, বিগত ১৫ বছরের শাসনকালে বাংলাদেশে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা চরমভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছিল। এর পাশাপাশি তিনি উল্লেখ করেন যে, আওয়ামী লীগ সরকার ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনের পর টানা চার মেয়াদে ক্ষমতায় রয়েছে। এই ১৫ বছরে মুক্ত গণমাধ্যম সূচকে ৪৪ ধাপ পিছিয়েছে বাংলাদেশ।
তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগের গণমাধ্যমের টুঁটি চেপে ধরার বিষয়টি দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক নানা মানবাধికార এবং গণমাধ্যম পর্যবেক্ষণ সংস্থার প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে স্বাধীন সাংবাদিকতার পথ রুদ্ধ করতে আইনি, প্রশাসনিক এবং পরোক্ষ নানা চাপ প্রয়োগ করা হয়েছিল।
ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের প্রকাশক ও বসুন্ধরা গ্রুপের উপদেষ্টা ময়নাল হোসেন চৌধুরী, বাঞ্ছারামপুর প্রেস ক্লাবের স্থানীয় সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, ১৯৯৫ সালের কথা, তখন হাতেগোনা কয়েকজন সংবাদকর্মী আমার মাধ্যমে প্রেস ক্লাবের জন্য জায়গা চেয়ে আবেদন করেছিলেন। আমি সেটি চেয়ারম্যানের কাছে ফরোয়ার্ড করার সঙ্গে সঙ্গে তিনি সেটি মঞ্জুর করেন এবং ৬ শতক জায়গা কেনার জন্য সহায়তা করেন। দীর্ঘ ৩০ বছর পরে হলেও সেখানে একটি ভবন হয়েছে। জায়গাটা কাজে লেগেছে। সংবাদকর্মীদের নতুন একটি ঠিকানা হলো।
বাঞ্ছারামপুর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শামিম শিবলীর সঞ্চালনায় এবং মোল্লা মোহাম্মদ নাসিরের সভাপতিত্বে প্রেস ক্লাব ভবন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাবেক এমপি এম এ খালেক পিএসসি, বাঞ্ছারামপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আল এমরান খান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ, সাধারণ সম্পাদক ভিপি এ কে এম মুছা, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছালে মুছা, সাবেক ভিপি ও জেলা বিএনপির সদস্য নাজমুল হক, ভিপি আমিরুল ইসলাম সাজ্জাদ এবং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান দুধ মিয়া মাস্টার প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে স্বাগত এবং সাংবাদিকতা নিয়ে গঠনমূলক বক্তব্য দেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাবেদ রহিম বিজন ও সাধারণ সম্পাদক বাহার উদ্দিন মোল্লা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর নিকটবর্তী প্রতিরোধ ও বিমান হামলা সত্ত্বেও হুথি বিদ্রোহীরা আরও দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হচ্ছে। তবে হুথিদের এই নতুন অগ্রযাত্রার কারণে গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ বাব আল-মান্দেব প্রণালি বন্ধ হওয়ার কোনো শঙ্কা সক্রিয় নেই বলে বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন।
রাজধানী সানা থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক ইউসেফ মাউরি জানিয়েছেন, হুথিদের বাধা দিতে মোখা শহরে সরকারি বাহিনী বেশ কার্যকরী হামলা চালাচ্ছে। বিশেষ করে তারা সাঁজোয়া যান ও গোলাবারুদের মজুতের ওপর সফলভাবে আঘাত হানছে। তাইজ প্রদেশ থেকে প্রাপ্ত খবরে জানা যায়, হুথিদের অবস্থানে সাহায্য পৌঁছাতে যাওয়া অস্ত্র, ড্রোন ও মিসাইলবাহী সাপ্লাই ট্রাকেও সরকারি বাহিনী বিমান হামলা চালিয়েছে।
বিমান হামলার হাত থেকে বাঁচার জন্য হুথিরা নিজেদের কৌশল পরিবর্তন করেছে। তারা মোখা এবং আশপাশের এলাকা থেকে দখল করা সমস্ত অস্ত্র নিজেদের নিয়ন্ত্রিত অন্য স্থানে সরিয়ে নিচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, মোখার বন্দর, বিমানঘাঁটি ও কমান্ড সেন্টারে বড় ধরনের বিমান বা ড্রোন হামলার জন্য তারা প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে ইয়েমেনি বাহিনীর বড় মাপের স্থল অভিযানের খবর পাওয়া যায়নি হারানো এলাকা পুনরুদ্ধারে। ফলে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে সরাসরি কোনো লড়াই ছাড়াই হুথিরা নির্বিঘ্নে দক্ষিণে অগ্রসর হচ্ছে।
অন্যদিকে, হুথিদের নতুন ভূখণ্ড দখলের কারণে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার সম্ভাবনা আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়েছেন মেরিটাইম নিরাপত্তা বিশ্লেষক আরান কেনেডি। তিনি জানান, লোহিত সাগরে হুথিদের পূর্ববর্তী অবস্থান আরও শক্তিশালী হলেও, এখনই তারা প্রণালিটি বন্ধ করে দেবে—এমন সম্ভাবনা একেবারেই ক্ষীণ। তবে এই নতুন অগ্রযাত্রার ফলে শিপিং লেনের আরও কাছাকাছি হুথিদের অস্ত্রশস্ত্র পৌঁছে গেছে, যা তাদের সামরিক সক্ষমতা ব্যাপকভাবে বাড়িয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গত মৌসুমে ফেডারেশন কাপের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল বসুন্ধরা কিংস ও মোহামেডান। ছবি: কালের কণ্ঠ
গত আসরের দুই ফাইনালিস্টের এবার দেখা হচ্ছে গ্রুপ পর্বেই। ফেডারেশন কাপের ড্রয়ে ‘বি’ গ্রুপে পড়েছে বসুন্ধরা কিংস ও মোহামেডান।
গতবার এই দুই দলের শিরোপা লড়াইয়ে জিতেছিল কিংস। ‘এ’ গ্রুপে পড়েছে প্রতিযোগিতার রেকর্ড ১২ বারের চ্যাম্পিয়ন আবাহনী লিমিটেড।
আজ শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বাফুফে ভাবনে ফেডারেশন কাপের ড্র অনুষ্ঠিত হয়। ‘এ’ গ্রুপে আবাহনী তুলনামূলক সহজ প্রতিপক্ষ পেয়েছে।
তাদের প্রতিপক্ষ ফর্টিস এফসি, রহমতগঞ্জ মুসলিম ফ্রেন্ডস অ্যান্ড সোসাইটি, ব্রাদার্স ইউনিয়ন, ফকিরেরপুল ইয়ংমেন্স ক্লাব এবং চট্টগ্রাম সিটি।
এই দলগুলোর মধ্যে ব্রাদার্স ইউনিয়ন সর্বশেষ ফেডারেশন কাপ জেতে ২০১৫ সালে। ২০২১-২২ মৌসুমে রানার্সআপ হয় রহমতগঞ্জ। বাকি কারোর ফাইনালে খেলার অভিজ্ঞতা নেই।
আবাহনী সর্বশেষ এই শিরোপার স্বাদ পেয়েছিল ২০২১-২২ মৌসুমে। এরপর তারা দুইবার ফাইনালে উঠলেও বাজিমাত করতে পারেনি। ২০২২-২৩ মৌসুমে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহামেডান এবং ২০২৪-২৫ মৌসুমে হেরে যায় বসুন্ধরা কিংসের কাছে।
‘বি’ গ্রুপে বসুন্ধরা কিংস ও মোহামেডানের সঙ্গী বাংলাদেশ পুলিশ এফসি, পিডব্লিউডি স্পোর্টস ক্লাব, আরামবাগ ক্রীড়া সংঘ, সিটি ক্লাব এবং ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাব।
মোহামেডান ১১ বার ফেডারেশন কাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে; সর্বশেষ ২০২২-২৩ মৌসুমে।
বর্তমান শিরোপাধারী বসুন্ধরা কিংস জিতেছে পাঁচবার। তিনবার রানার্সআপ হওয়া আরামবাগ সর্বশেষ ফাইনাল খেলেছে ২০১৬ সালে। ঢাকা ওয়ান্ডারার্স একবার ফাইনালে উঠেছিল; সেই ১৯৮৭ সালে।
২০২৬-২৭ মৌসুমে ফেডারেশন কাপ শুরু হওয়ার কথা আগামী ২২ সেপ্টেম্বর।
ফেডারেশন কাপ ২০২৬-২৭
গ্রুপ ‘এ’ : আবাহনী লিমিটেড, ব্রাদার্স ইউনিয়ন, চট্টগ্রাম সিটি এফসি, ফর্টিস এফসি, ফকিরেরপুল, রহমতগঞ্জ।
গ্রুপ ‘বি’ : বসুন্ধরা কিংস, মোহামেডান, আরামবাগ, সিটি ক্লাব, পুলিশ এফসি, ঢাকা ওয়ান্ডারার্স, পিডব্লিউডি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুটেক্স) অনুষ্ঠিত আন্তঃবিভাগ বাংলা বিতর্ক প্রতিযোগিতা ‘অভিস্মৃতি ৪.০’-এ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ফেব্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ।
এ প্রতিযোগিতা এশিয়ান সংসদীয় ধারায় আয়োজন করা হয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১টি বিভাগের ২২টি দল এতে অংশগ্রহণ করে।
গত ১১ ও ১২ সেপ্টেম্বর বুটেক্স ডিবেটিং ক্লাবের (বুটেক্সডিসি) আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট সহযোগিতা করে। প্রতি বছর ওয়েট প্রসেসিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৪৫তম ব্যাচের প্রয়াত শিক্ষার্থী ও বুটেক্সডিসির সাবেক সদস্য অভিষেক পালের স্মরণে এই প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়।
প্রথম দিনের প্রাথমিক পর্বে ২২টি দলের মধ্যে আটটি দল পরবর্তী পর্বে উত্তীর্ণ হয়। এরপর দ্বিতীয় দিন সেমিফাইনাল ও ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়। ফাইনালে ফেব্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দুটি দল মুখোমুখি হয়। পরে বিভাগের একটি দল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্য ছিলেন ফেব্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৪৯তম ব্যাচের আতিয়ার রহমান সাদ, ৫০তম ব্যাচের মো. মুনতাসির বিল্লাহ এবং ৫১তম ব্যাচের সৌমিক আহমেদ। প্রতিযোগিতায় আতিয়ার রহমান সাদকে ডিবেটার অব দ্য টুর্নামেন্ট নির্বাচিত করা হয়। মো. আখলাকুর রহমান চৌধুরী ডিবেটার অব দ্য ফাইনাল-এর খেতাব লাভ করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক (প্রযুক্তি) ড. মো. তারিক হোসেন, পরিচালক (প্রযুক্তি) ইঞ্জিনিয়ার মো. মোসলেম উদ্দিন এবং প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. এইচ. এম. জাকির হোসেন।
এছাড়া অনুষ্ঠানে বুটেক্স ডিবেটিং ক্লাবের মডারেটর সহকারী অধ্যাপক মো. সোহাগ বাবু উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ক্লাবের সভাপতি মাহমুদুল হাসান এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক সাদ আল আশরাফী।
প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, ড. এইচ. এম. জাকির হোসেন, প্রয়াত অভিষেক পালের কৃতিত্ব স্মরণ করেন এবং প্রতিযোগিতার আয়োজনের জন্য বুটেক্সডিসিকে ধন্যবাদ জানান। তিনি শিক্ষার্থীদের পাটের ব্যবহার ও গবেষণায় গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।
ড. মো. তারিক হোসেন বিজয়ী দলকে অভিনন্দন জানান এবং শিক্ষার্থীদের বিতর্কচর্চায় অংশ নিতে উৎসাহিত করেন। তিনি মাইক্রোপ্লাস্টিকের নেতিবাচক প্রভাবের কথা উল্লেখ করে পরিবেশবান্ধব পাট ও পাটজাত পণ্যের ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।
বুটেক্স ডিবেটিং ক্লাবের মডারেটর, সহকারী অধ্যাপক মো. সোহাগ বাবু বলেন, ‘ডিবেটিং ক্লাব শিক্ষার্থীদের বিতর্কচর্চায় উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি সৃজনশীল চিন্তাধারা বিকাশে ভূমিকা রাখতে পারে। তাই ক্লাবটির বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করি।’
অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে প্রয়াত বিতার্কিক অভিষেক পালের স্মরণে বুটেক্সডিসির সদস্যদের পক্ষ থেকে গান ও কবিতা আবৃত্তি করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ