প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন:- ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- talashbd2024@gmail.com
প্রতিদিনের রান্নায় ব্যবহৃত সবজিগুলোর মধ্যে আলু অন্যতম। তাই অনেকেই একসঙ্গে বেশ কিছু আলু কিনে সংরক্ষণ করে থাকেন। তবে সঠিকভাবে সংরক্ষণ না করা হলে আলুতে দ্রুত অঙ্কুর গজাতে পারে, আবার পচেও যেতে পারে। কিছু সহজ নিয়ম মেনে চললে আলু দীর্ঘদিন সতেজ এবং ভালো রাখা সম্ভব।
আলু সংরক্ষণের জন্য ঠান্ডা, শুষ্ক এবং আলো কম এমন জায়গা সবচেয়ে উপযোগী। অতিরিক্ত তাপ, আর্দ্রতা ও উজ্জ্বল আলো আলুতে অঙ্কুর গজানোর প্রক্রিয়া দ্রুত করে দিতে পারে। তাই সংরক্ষণের জায়গা নির্বাচনের সময় এসব বিষয়গুলি মাথায় রাখা জরুরি।
আলুর পাশে পেঁয়াজ বা রসুন রাখা উচিত নয়। পেঁয়াজে থাকা আর্দ্রতা এবং পেঁয়াজ-রসুন থেকে নির্গত কিছু গ্যাস আলুতে অঙ্কুরোদগমের প্রক্রিয়া দ্রুত করতে পারে। তাই এই সবজিগুলো আলাদা জায়গায় রাখা ভালো।
বাজার থেকে আনার পর আলু প্লাস্টিকের ব্যাগে রেখে দেওয়া ঠিক নয়। এতে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচল করতে পারে না এবং ব্যাগের ভেতরে আর্দ্রতা জমে যায়। ফলে আলু দ্রুত পচে যেতে পারে কিংবা অঙ্কুর গজাতে পারে। এর পরিবর্তে পাট বা সুতির ব্যাগ কিংবা বাতাস চলাচল করতে পারে এমন জালের ঝুড়ি ব্যবহার করা যেতে পারে।
আলু রাখার জন্য কাগজের ব্যাগও কার্যকর। কাগজ আলো থেকে আলুকে আড়াল করার পাশাপাশি অতিরিক্ত আর্দ্রতাও শোষণ করতে পারে। ফলে আলু সংরক্ষণের জন্য তুলনামূলকভাবে উপযোগী পরিবেশ তৈরি হয় এবং তা দীর্ঘসময় ভালো থাকে।
চুলা, ওভেন বা অন্য কোনো তাপের উৎসের পাশে আলু রাখা উচিত নয়। রান্নাঘরের তাপমাত্রা সাধারণত বাড়ির অন্যান্য জায়গার তুলনায় বেশি থাকে, যা আলু দ্রুত নষ্ট হওয়ার কারণ হতে পারে। তাই আলুর জন্য অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা, শুষ্ক এবং বাতাস চলাচল করে এমন জায়গা বেছে নিতে হবে।
সংরক্ষণ করা আলুগুলো কিছু দিন পরপর পরীক্ষা করা উচিত। যদি কোনো আলুতে পচন বা অঙ্কুর গজানোর লক্ষণ দেখা যায়, তাহলে সেটি দ্রুত আলাদা করে ফেলুন। কারণ একটি নষ্ট আলু আশপাশের অন্যান্য আলুগুলোকেও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
সঠিকভাবে আলু সংরক্ষণ করলে শুধু দীর্ঘদিন সতেজ এবং শক্ত রাখা যায় না, একই সঙ্গে খাবারের অপচয়ও কমানো সম্ভব। তাই আলু কেনার পর সংরক্ষণের পদ্ধতির দিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন