প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন:- ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- talashbd2024@gmail.com
লা লিগায় হারের ধাক্কাকে কাটিয়ে জয়ের ধারায় ফিরে এসেছে রিয়াল মাদ্রিদ। তারা সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে রায়ো ভায়েকানোকে ৪-১ গোলে হারিয়ে উল্লেখযোগ্য জয় তুলে নিয়েছে লস ব্লাঙ্কোসরা। দলের পক্ষে জোড়া গোল করেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। এছাড়াও, আলভারো কারেরাস ও জুড বেলিংহাম একটি করে গোল করে রিয়ালের এই জয়ে বিশেষ অবদান রাখেন।
এই জয়ের ফলে, পাঁচটি ম্যাচে চার জয় নিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে অবস্থান করা চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনার সঙ্গে ব্যবধান কমিয়ে ফেলেছে রিয়াল।
গত সপ্তাহে রিয়াল বেতিসের কাছে অপ্রত্যাশিত হারের পর, এদিন শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলার চেষ্টা করে স্বাগতিকরা। ম্যাচের ১৪ মিনিটে ডি-বক্সের মধ্যে আলভারো কারেরাস ফাউলের শিকার হলে রিয়াল একটি পেনাল্টি পেয়ে যায়। স্পট কিক থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন এমবাপ্পে।
এর মাত্র তিন মিনিট পর, ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কারেরাস। এমবাপ্পে দ্বারা বাড়ানো পাস ধরে দারুণ শটে রায়োর জালে বল পাঠান রিয়ালের এই লেফট-ব্যাক।
প্রথমার্ধের ৩৫ মিনিটে, রিয়ালের তৃতীয় গোলটি আসে বেলিংহামের পা থেকে। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের কাট-ব্যাক থেকে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে গোল করেন ইংলিশ মিডফিল্ডার। বিরতির ঠিক আগে, এমবাপ্পের শক্তিশালী শট পোস্টে না লাগলে প্রথমার্ধে ব্যবধান আরও বাড়াতে পারত রিয়াল।
দ্বিতীয়ার্ধের ৫১ মিনিটে সার্জিও কামেলো গোল করে রায়োকে ম্যাচে ফেরার একটি সম্ভাবনা দেখান। তবে এরপর অন্যদিকে সফরকারীরা স্বাগতিকদের ওপর বিশেষ চাপ তৈরি করতে সক্ষম হয়নি। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতেই ধরে রাখে রিয়াল।
নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে আসা রিয়ালের চতুর্থ গোলটি আসে। আরদা গুলেরের পাস থেকে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন এমবাপ্পে। চলতি লা লিগায় এটি ফরাসি তারকার ষষ্ঠ গোল হিসেবে চিহ্নিত হলো।
রায়ো ভায়েকানের বিরুদ্ধে এই জয়ের মাধ্যমে ঘরের মাঠে শেষ ১৫ ম্যাচে রিয়াল মাদ্রিদ ১৪তম জয় তুলে নিল। ম্যাচজুড়ে অসাধারণ পারফরম্যান্সের জন্য প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচের পুরস্কারও অর্জন করেছেন জুড বেলিংহাম।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন