শুক্রবার, ২৭শে ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং
০৩:৫২ পি.এম
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভূ-অভ্যন্তরে পীড়ন ঘটে শক্তি সঞ্চয়ের মাধ্যমে যা হঠাৎ মুক্তি পেলে ভূ-পৃষ্ঠ কেঁপে ওঠে এবং ভূ-ত্বকের কিছু এলাকা আন্দোলিত হয়; এই ধরনের আকস্মিক কম্পনকে ভূমিকম্প বলে। সাধারণত, কম্পন তরঙ্গ থেকে সৃষ্ট শক্তি ভূমিকম্পের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়।
ভূমিকম্প কিভাবে ঘটে?
বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে, যখন পৃথিবীর দুই ব্লক হঠাৎ একে অপরের পাশ দিয়ে পিছলে যায়, তখন ভূমিকম্প অনুভূত হয়। যে তল বরাবর এই পিছলে যাওয়ার ঘটনা ঘটে, তাকে চ্যুতিতল বা ফল্ট প্লেন বলা হয়। পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে যার উৎপত্তি ঘটে, সেটিকে হাইপোসেন্টার নির্দেশ করা হয় এবং ভূমিকম্পের কেন্দ্রের ঠিক উপরিস্থ জায়গাকে এপিসেন্টার বা উপকেন্দ্র বলা হয়।
কুরআনের দৃষ্টিতে ভূমিকম্প
১. ভূমিকম্প কখনও আল্লাহর গজব হিসেবে চলে আসে, কিছু জাতি তাদের অবাধ্যতার কারণে আল্লাহর নির্দেশে ভূমিকম্পের শিকার হয়েছে। তাদের মধ্যে একটি হল সামুদ জাতি। আল্লাহ তাআলা কুরআনে বলেন, ‘অতঃপর ভূমিকম্প তাদের গ্রাস করলো, আর তারা নিজেদের গৃহে উপুড় হয়ে পড়ে রইলো।’ (সুরা আরাফ: আয়াত ৭৮)।
২. ভূমিকম্প কখনও আল্লাহর সতর্কবার্তা, এটি মানুষের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি নেকনজর। যেন মানুষ তাওবা করে মহান আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করে।
নিজেদের আচরণ সঠিক করে নিতে হবে। সার্বিক নিরাপত্তার জন্য দুআ করতে হবে। আল্লাহকে বেশি স্মরণ করতে হবে এবং তাঁর কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আমি নিদর্শনসমূহ (প্রাকৃতিক বিপর্যয়) পাঠাই শুধুমাত্র ভয়-সতর্কতা প্রদর্শনের জন্য।’ (সুরা বনি ইসরাইল: আয়াত ৫৯)।
ভূমিকম্প আল্লাহর শক্তির প্রকাশ
আল্লাহ তাআলা বলেন, 'বলে দিন, আল্লাহ তোমাদের ওপর থেকে অথবা তোমাদের পায়ের নিচ থেকে আজাব পাঠাতে সক্ষম।’ (সুরা আনআম: আয়াত ৬৫)। আরেক জায়গায় বলা হয়েছে, 'নিশ্চয় আল্লাহ সবকিছুর ওপর সর্বশক্তিমত্তা প্রাপ্ত।’ (সুরা বাকারা: আয়াত ২০)।
ভূমিকম্প কেয়ামতের সংকেত
মহান আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয় কেয়ামতের ভূকম্পন একটি ভয়াবহ ব্যাপার। সেদিন তোমরা প্রত্যেক স্তন্যদানকারী তার শিশুকে ভুলে যাবে এবং প্রত্যেক গর্ভধারিণী তার গর্ভপাত করবে, তুমি দেখবে মানুষকে মাতালের মতো, অথচ তারা মাতাল নয়। তবে আল্লাহর আজাবই কঠিন।’ (সুরা হজ: আয়াত ১-২)।
অন্য আয়াতে উল্লেখ আছে, ‘যখন জমিন প্রবল কম্পনে প্রকম্পিত হবে। আর জমিন তার বোঝা বের করে দেবে। আর মানুষ বলবে, এর কী হলো? সেদিন জমিন তার বৃত্তান্ত বর্ণনা করবে। কারণ আপনার রব তাকে নির্দেশ দিয়েছেন। সেদিন মানুষ বিক্ষিপ্তভাবে বের হয়ে আসবে যাতে দেখানো যায় তাদের নিজেদের কৃতকর্ম।’ (সুরা জিলজাল: আয়াত ১-৬)।
ভূমিকম্প মানুষের কামাই
ভূমিকম্পসহ সমস্ত বিপদ মানুষের হাতের কামাই, আল্লাহ বলেন, ‘যে বিপদ-আপদই তোমাদের ওপর আসুক, তা তোমাদের নিজেদের হাতের কামাই। আর আল্লাহ তোমাদের অনেক (অপরাধ) ক্ষমা করে দেন।’ (সুরা শুরা: আয়াত ৩০)।
ভূমিকম্প আল্লাহর পরীক্ষা
যারা মুমিন ও এই ধরনের বিপর্যয়ে বেঁচে থাকেন, এগুলো তাদের জন্য পরীক্ষার কাজ করে। এসময় যদি তারা ধৈর্য ধরেন, মহান আল্লাহ তাদের উত্তম পুরস্কার দেবেন। কুরআনে বলা হয়েছে, ‘আর আমি অবশ্যই তোমাদের পরীক্ষা করবো কিছু ভয়, ক্ষুধা এবং জান-মাল ও ফল-ফলাদির স্বল্পতার মাধ্যমে। আর তোমরা ধৈর্যশীলদের জন্য সুসংবাদ দাও।’ (সুরা বাকারা: আয়াত ১৫৫)।
হাদিসের আলোকে ভূমিকম্প
প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ মানুষের অপরাধ। হজরত আলি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, 'যখন গনিমতের সম্পদ ব্যক্তিগত হয়ে যাবে, আমানাত লুট হবে এবং জাকাত জরিমানা মনে হবে, মসজিদে শোরগোল হবে, যখন সবচেয়ে খারাপ চরিত্রের লোক সম্প্রদায়ের নেতা হবে, তোমরা একটি অগ্নি বা ভূমিধ্বসের আজাবের অপেক্ষা করবে।'
ভূমিকম্প কেয়ামতের পূর্বাভাস
আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, কেয়ামত ততক্ষণ হবে না, যতক্ষণ না ইলম উঠিয়ে নেওয়া হবে, ভূমিকম্পের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে, সময় সংকুচিত হবে এবং খুনখারাবি বাড়বে। তোমাদের সম্পদ এমন পরিমাণ বাড়বে যে, উপচে পড়বে।
ভূমিকম্প কখনও মর্যাদা বাড়ানোর কারণ
মুমিনদের ওপর আসা বিপর্যয়ের ফলে অনেক সময় তাদের গোনাহ মাফ হয় এবং মৃত্যু হলে শহীদি মর্যাদা লাভ হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, 'শহীদ হলে পাঁচ প্রকারে মরতে হবে।' (মুয়াত্তায়ে মালেক: হাদিস ২৮৫)।
করণীয়
১. অধিক তাওবা ও ইস্তেগফার করা। ২. দান সদকা বাড়ানো। ৩. হকের আদায় করা। ৪. আল্লাহর হুকুম পালন করা। ৫. সব ধরনের নাফরমানি ও গোনাহ থেকে বিরত থাকা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় নির্বাচনের জন্য নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকার নির্দেশনা দিয়ে জামায়াত আমির ও বিরোধী দলের নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, "গেল নির্বাচনে আমাদের অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে।"
শुक्रবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) জামায়াতে ইসলামী সিলেট জেলার উদ্যোগে উপজেলা শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্যদের শিক্ষাশিবিরের অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, "এটি সংসদীয় রাজনীতিতে জামায়াতের প্রথম বড় অর্জন।" আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে থাকতে হবে বলেও উল্লেখ করেছেন। "গেল নির্বাচনে আমাদের অধিকার হরণ করা হয়েছে, এটি জাতির সামনে পরিষ্কার।"
জামায়াত আমির জানান, "এটি প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে একটি অর্থবহ ঐক্য প্রতিষ্ঠা হয়েছে।" জীবনে প্রথমবার প্রধান বিরোধী দলের দায়িত্ব আল্লাহতা'আলাম আমাদের দিয়েছেন বলেও তিনি জানান।
তিনি সম্মিলিত শক্তির বিরুদ্ধে আগামীতে লড়াইয়ের জন্য নেতাকর্মীদের আহ্বান জানান।
এর আগে সিলেট নগরীর মালঞ্চ কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত দিনব্যাপী এই শিবিরে বিভিন্ন উপজেলা থেকে নেতাকর্মীরা সকালের দিকে দলে দলে অংশ নেয়।
শিবিরে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা, আদর্শিক শিক্ষা এবং দায়িত্বশীল নেতৃত্ব গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। বক্তারা বলেন, "নৈতিকতা ও জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সংগঠিত ও আদর্শবান কর্মীর কোনো বিকল্প নেই।"
শিক্ষাশিবিরে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা জামায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। পুরো দিনব্যাপী আয়োজনে প্রশিক্ষণমূলক আলোচনা, মতবিনিময় এবং দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করা হয়। আয়োজকদের প্রত্যাশা, এই শিক্ষাশিবির সংগঠনের সাংগঠনিক সক্ষমতা ও কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম বলেছেন, দেশে হাসিনাতন্ত্র আর পুনরায় ফিরে আসতে দেয়া হবে না। তিনি বলেছিলেন, 'দরকার হলে আবার রাজপথে নেমে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলবো।'
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) জুম্মার নামাজ শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
সাদিক কায়েম এ সময় আরো বলেন, 'নির্বাচনের পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সহিংসতাজনিত ঘটনা ঘটেছে। মা-বোনদের ওপর নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে। এমন ন্যক্কারজনক ঘটনার সঠিক বিচার করতে হবে এবং সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।'
তিনি উল্লেখ করেন, 'এ দেশের একদম হাসিনাতন্ত্র আর ফিরে আসতে দেব না। যদি মা-বোনদের ওপর নির্যাতন আরও বাড়ে, তাহলে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলবো।'
সাদিক কায়েম আরও দাবি করেন, 'ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে ফাঁসি কার্যকর করা উচিত এবং জনসম্মুখে ধর্ষকের বিচার করা উচিত।'
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সাবেক আফগান প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলার বিষয়ে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছেন, আফগানরা সব পরিস্থিতিতে ঐক্যবদ্ধভাবে নিজেদের প্রিয় মাতৃভূমি রক্ষা করবে এবং যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের সাহসিকতার সঙ্গে মোকাবিলা করবে।
কারজাই বলেন, পাকিস্তানকে তাদের নীতি পরিবর্তন করতে হবে এবং আফগানিস্তানের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে যা হবে ভালো প্রতিবেশীসুলভ, সম্মানজনক ও সভ্য।
কয়েক মাসের উত্তেজনার পরে, আফগানিস্তান ও পাকিস্তান আবার সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছে। গত রোববার পাকিস্তানি বাহিনী আফগানিস্তানের নানগারহার ও পাকতিকা প্রদেশে হামলা চালায়।
আফগানিস্তানে জাতিসংঘের মিশন জানাচ্ছে, এই হামলায় ১৩ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে, ইসলামাবাদের দাবি অনুযায়ী, এই ঘটনায় ৮০ জনের বেশি সশস্ত্র যোদ্ধা মারা গেছেন। কাবুলের পক্ষ থেকে ১৮ জন নিহত হওয়ার খবরও জানানো হয়েছে।
এর জবাবে, বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) আফগান বাহিনী পাকিস্তান সীমান্তে দেশটির সামরিক অবস্থানে হামলা চালিয়ে দুই সেনাকে হত্যা করে।
এরপর, পাকিস্তান আগের রাতেই আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল ও কান্দাহার শহরে হামলা চালায়। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মোহাম্মদ আসিফ আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ‘প্রকাশ্য যুদ্ধ’ ঘোষণা করে প্রতিবেদনে সামাজিকমাধ্যম এক্সে লেখেন।
শুক্রবার ভোর ৪টা ১৮ মিনিটে (বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত) আসিফ জানিয়েছেন, পাকিস্তান সরাসরি ও বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোর মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে এবং পূর্ণাঙ্গ কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
পাকিস্তান সরকার জানিয়েছে, পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে প্রতিশোধমূলক অভিযানে আফগান তালেবান সরকারের ১৩৩ সদস্য নিহত হয়েছেন এবং ২০০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন।
পাকিস্তান আরও বলছে, তারা আফগান তালেবানের ২৭টি সীমান্ত পোস্ট ধ্বংস করেছে এবং তালেবান বাহিনীর ব্যাপক ক্ষতি সাধন করেছে।
প্রতিক্রিয়া হিসেবে আফগান বাহিনীও পাকিস্তানের ওপর হামলা চালিয়েছে। আফগানিস্তানের তালেবান সরকার জানাচ্ছে, তারা পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তে পাকিস্তানের কয়েকটি সীমান্ত চৌকিতে পাল্টা হামলা করেছে।
তালেবান সরকারের মুখপাত্র জবিহুল্লাহ মুজাহিদ ডিজিটাল সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে জানিয়েছেন, আফগান বাহিনী ১৯টি পাকিস্তানি সীমান্ত পোস্ট ধ্বংস করেছে এবং কিছু পাকিস্তানি সেনাকে আটক করেছে।
তিনি আরও দাবি করেছেন, এই ঘটনায় ৫০ জনেরও বেশি পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়েছেন। তবে, এই সংখ্যার সত্যতা নিশ্চিত করার জন্য কোনো স্বাধীন বা নিরপেক্ষ তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হবে এবং গণতন্ত্রকে তার প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে প্রশাসন প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলার হাজীপাড়ায় স্থানীয়দের অর্থায়নে নির্মাণাধীন এক হাফেজিয়া মাদ্রাসার চারতলা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য প্রদান করেন।
তার নির্বাচনী এলাকায় এসে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন কাজে অংশ নিতে পেরে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন মন্ত্রী। তিনি এমনকি বলেছেন, 'মাদ্রাসার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি। মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করি, আমরা যেন এই প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন কাজে সবসময় শরিক হতে পারি।'
মন্ত্রী আরও ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, 'আমি ঠাকুরগাঁওয়ের জনগণের কাছে ঋণী। তারা সবসময় আমাকে অকুণ্ঠ সমর্থন দিয়েছেন। তাদের সেই সমর্থনের কারণেই আমি আজ দেশের সেবা ও উন্নয়ন কাজ করার সুযোগ পেয়েছি।' তিনি এই সহযোগিতার ধারা অব্যাহত রাখার জন্য ঠাকুরগাঁওবাসীর কাছে আহ্বান জানান।
দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে মন্ত্রী সুস্পষ্টভাবে জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কোনো ধরনের অনিশ্চয়তা নেই। নির্বাচনের কাজ নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠিত হবে। তাছাড়া, গণতন্ত্রের ভিত্তি মজবুত করতে এবং তাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ রয়েছে। সূচনা অনুষ্ঠান চলাকালে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ এবং মাদ্রাসার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে মন্ত্রী মাদ্রাসার সমৃদ্ধি ও দেশের কল্যাণ কামনার জন্য মোনাজাতে অংশ নেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ