মঙ্গলবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং
০৬:৫৬ পি.এম
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে ১২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তবে, এই সময়টায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।
আজ মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার এবং কন্ট্রোলরুম থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে উল্লেখ করা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ডেঙ্গু রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) একজন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) চারজন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) তিনজন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে তিনজন এবং রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) একজন রয়েছেন।
এই সময়ে আরও ১৫ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর এখনও পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে মোট ১ হাজার ৩৭৩ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।
বর্তমানে চলতি বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৪৫১ জন। এর মধ্যে ৬৪ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৬ শতাংশ নারী।
এখন পর্যন্ত এই বছরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চার জনের মৃত্যু হয়েছে।
২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয় এবং মোট ৪১৩ জন মারা যান। ২০২৪ সালে মোট ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং এ বছরে মারা যান ৫৭৫ জন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আসন্ন গ্রীষ্মে অনুষ্ঠিত ফিফা বিশ্বকাপের সময় থ্রো-ইন এবং গোলকিকের জন্য পাঁচ সেকেন্ডের কাউন্টডাউন ব্যবস্থার প্রবর্তনের প্রস্তুতি গ্রহণ করছে ফুটবলের নীতিনির্ধারকরা। সেইসাথে, খেলার গতিকে ত্বরান্বিত করার জন্য একাধিক নতুন নিয়ম প্রবর্তনের চেষ্টা চলছে।
বর্তমান মৌসুমে গোলরক্ষক যদি নির্ধারিত আট সেকেন্ডের মধ্যে বল ছাড়তে ব্যর্থ হন, তবে একটি কর্নার প্রদান করা হয়। এটি সফল হওয়ায় আন্তর্জাতিক ফুটবল এসোসিয়েশন বোর্ড (আইএফএবি) ম্যাচে গতি নষ্টকারী অন্যান্য কৌশল নিয়ে আরও ব্যবস্থা গ্রহণের প্রতি উৎসাহিত হয়েছে।
শনিবার ওয়েলসে আইএফএবির বার্ষিক সাধারণ সভায় বেশ কিছু আইন পরিবর্তনের অনুমোদনের সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে রেফারিদেরকে ওই সময় পাঁচ সেকেন্ডের কাউন্টডাউন শুরু করার ক্ষমতা প্রদান করা হবে, যদি তারা বুঝতে পারেন যে, কোনো খেলোয়াড় থ্রো-ইন বা স্থির অবস্থানে গোলকিক করতে অযথা বিলম্ব করছেন।
এক্ষেত্রে রেফারি প্রথমে বাঁশি বাজিয়ে সংকেত দেবেন এবং হাতের ইশারায় পাঁচ সেকেন্ড গণনা শুরু করবেন। পাঁচ সেকেন্ড পার হলে থ্রো-ইন প্রতিপক্ষের দখলে চলে যাবে, আর যদি গোলকিক ইচ্ছাকৃতভাবে বিলম্বিত হয়, তাহলে একটি কর্নার প্রদান করা হবে।
শনিবার অনুমোদিত পরিবর্তনগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে। তবে বিশ্বকাপের আগে ইচ্ছাকৃতভাবেই প্রতিযোগিতায় এগুলো ব্যবহৃত হতে পারে।
আইএফএবি বদলির নিয়মের ক্ষেত্রেও ১০ সেকেন্ড সময়সীমা বিবেচনার চিন্তা করছে। যদি নির্ধারিত সময়ে বেশি লাগলে দলটি ওই বদলি খেলোয়াড়কে নামাতে পারবে না এবং অন্তত এক মিনিট একজন কম নিয়ে খেলতে হবে।
চোটের কারণে খেলা বন্ধ হলে খেলোয়াড়দের মাঠের বাইরে থাকাকে সর্বোচ্চ একটি মিনিটের সময়সীমায় সীমাবদ্ধ করার পরিকল্পনাও রয়েছে। বর্তমান বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় ভিন্ন ভিন্ন সময় ছিল; যেমন প্রিমিয়ার লিগে ৩০ সেকেন্ড এবং মেজর সকার লিগে প্রথমে তিন মিনিট। আইএফএবি এবার একটি যুক্তিসঙ্গত নিয়ম চালু করতে চাচ্ছে।
এই সব ব্যবস্থার উদ্দেশ্য হলো খেলার গতির সুরক্ষা এবং অতিরিক্ত সময়কে হ্রাস করা, যা খেলোয়াড়দের স্বাস্থ্য, সমর্থক এবং সম্প্রচারকারীদের জন্য একটি গুরুতর বিষয়।
গোলরক্ষকদের চোট আপাতত এই বিধিমালার বাইরে থাকবে। কিন্তু ভবিষ্যতে এমনটি হওয়ার পরীক্ষা হতে পারে যেখানে গোলরক্ষকের আঘাতে খেলা বন্ধ হলে একজন আউটফিল্ড খেলোয়াড়কে সাময়িকভাবে মাঠ ছাড়তে হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে দলের কিছু কৌশলগত উদ্বেগ রয়েছে, যেখানে গোলরক্ষক সংক্রান্ত নিয়ম খেলার গতিকে কমাতে ব্যবহার করা হচ্ছে।
আসন্ন বিশ্বকাপে কিছু নতুন ভিএআর (ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি) পরিবর্তনও দেখা যেতে পারে। যেগুলোর মধ্যে রয়েছে, মাঠে দ্রুত কর্নার সিদ্ধান্ত যাচাই করার সুযোগ, যাতে খেলা বিলম্বিত না হয়। যদি কর্নার দ্রুত নেওয়া হয় এবং ভিএআরের যাচাই শেষ না হয়, তাহলে খেলা চলতে থাকবে।
এছাড়া দ্বিতীয় হলুদ কার্ড থেকে লাল কার্ডের যাচাইয়ের সুযোগ থাকবে এবং এর ভুল সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে রেফারিকে পর্যালোচনার জন্য উপদেশ দেওয়া যাবে। ভুলভাবে কাউকে কার্ড প্রদানের ক্ষেত্রেও ভিএআর হস্তক্ষেপ করতে পারবে।
সাবেক আর্সেনাল ম্যানেজার আর্সেন ওয়েঙ্গারের প্রস্তাবিত ‘ডেলাইট’ অফসাইড নিয়মের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ আপাতত কানাডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে হচ্ছে না। আইএফএবি অফসাইটকে আমলে নেওয়ার জন্য আক্রমণভাগের খেলোয়াড়ের শরীরের অংশ যদি দ্বিতীয় শেষ ডিফেন্ডারের চেয়ে সামনে থাকে কিনা, সে বিষয়ে আলোচনা করবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর এলাকায় একটি কাভার্ডভ্যানের চাপায় দুজন প্রাণ হারিয়েছেন, এর মধ্যে একজন অটোরিকশাচালকও রয়েছেন। এই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও চারজন।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গাইবান্ধা-সাদুরল্লাপুর সড়কের মন্দুয়ার এলাকায় শাহানা ফিলিং স্টেশনের কাছে এই ভয়াবহ ঘটনা ঘটে।
নিহতদের পরিচয় হলো: সাদুল্লাপুর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের তরফবাজিত এলাকার বেলাল হোসেনের ছেলে ও অটোরিকশাচালক আল আমিন মিয়া (৩০), এবং গাইবান্ধা শহরের পুর্বপাড়ার নারায়ণ চন্দ্রের ছেলে গৌতম চন্দ্র (৬০)।
স্থানীয় লোকজন ঘটনার সম্পর্কে জানান যে, একটি কাভার্ডভ্যান গাইবান্ধার দিকে যাচ্ছিল। এই সময়ে এটি একটি অটোরিকশাকে সাইট দিতে গিয়ে অন্য একটি অটোরিকশাকে চাপা দেয়, যার ফলস্বরূপ দুজন এলাকা স্থলে প্রাণ হারান এবং চার যাত্রী আহত হন।
সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আলিম জানান, সড়ক দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করা হয়। ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) ঈদুল ফিতরের আগে তৈরি পোশাক কারখানাগুলোর শ্রমিকদের বেতন ও বোনাসের পারিশ্রমিক নির্বিঘ্নে পরিশোধ করার জন্য সরকারী সহায়তার আবেদন করেছে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে পাঠানো একটি চিঠিতে তারা বকেয়া নগদ প্রণোদনার অর্থ দ্রুত ছাড় 및 স্বল্পসুদে বিশেষ ঋণ সুবিধার দাবি জানায়, যাতে আসন্ন ঈদ উপলক্ষে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস এবং মার্চ মাসের অগ্রিম মজুরি দেয়ার প্রস্তাব করা হয়।
চিঠিতে বিজিএমইএ জানায়, প্রায় ৪০০টি কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে এবং তাদের রপ্তানি আদেশে সংকট কাজ করছে। ফলে দুই মাসের বেতন পরিশোধের জন্য সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থা করতে অনুরোধ জানিয়েছে।
ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ইনামুল হক খান চিঠিতে উল্লেখ করেন, ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তন, বৈশ্বিক মন্দা এবং শুল্ক যুদ্ধের সঙ্গে নানা ফ্যাক্টরের প্রভাবে রপ্তানি আয় কমছে। এই অবস্থায় কার্যাদেশের সংকোচন এবং নির্বাহ বাতিলের ফলে প্রায় ৪০০ প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে কর্মমূখী ফান্ডে চাপ সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে তৈরি পোশাকগুলোর ইউনিট মূল্যও কমেছে এবং ফেব্রুয়ারি-মার্চ ২০২৬ সালের মধ্যে ২৫ দিনের জন্য কারখানা বন্ধ থাকতে পারে। এছাড়াও, অর্ডার পিছিয়ে যাওয়ার কারণে উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
সম্প্রতি চট্টগ্রাম বন্দরে শ্রমিকরা কর্মবিরতি পালন করেছে। বিজিএমইএ তাদের চিঠিতে উল্লেখ করেছে যে, ঈদের আগে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধ করা দিন দিন কঠিন হয়ে পড়ছে। অর্থসংকটের কারণে এই অর্থভাণ্ডার ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে না।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে যে, চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে তৈরি পোশাক রপ্তানি আয় ২ দশমিক ৪৩ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে এবং এতে উৎপাদন সক্ষমতা কমছে।
ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি খোলার পরিমাণ ১২ দশমিক ৯০ শতাংশ হ্রাস পেয়ে যাচ্ছে, যেটা চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে। এছাড়াও, নানা কারণে শ্রমিকদের বেতন, ইউটিলিটি বিল, পরিবহন খরচ ও ব্যাংক ঋণের পরিশোধে প্রতিষ্ঠানগুলোর চাপ বৃদ্ধি পেয়ে যাচ্ছে।
বিজিএমইএ বিশেষ সুবিধায় ঋণের জন্য দাবি জানাচ্ছে, যাতে ৩ মাসের গ্রেস পিরিয়ডসহ ১২ মাসে এটি পরিশোধ করা সম্ভব হয়। উৎপাদনের জন্য তাদের একার সহযোগিতা দরকার এবং সরকারের সহায়তা ছাড়া জন্য পোশাক শিল্পকে সচল রাখা সম্ভব নয়। বিজিএমইএ বিশ্বাস করে বাংলাদেশ ব্যাংক যদি সঠিকভাবে ঋণ সহায়তা দেয়, তাহলে সংকট মোকাবেলা করে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস তাদের প্রদান করা সম্ভব হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চীন থেকে সুপারসনিক জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ক্রয়ের উদ্দেশ্যে ইরান অগ্রসর হচ্ছে। এই চুক্তির সঙ্গে যুক্ত ছয়টি সূত্র এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতির প্রেক্ষিতে, ইরানের উপকূলের কাছে একটি বিশাল নৌবহর মোতায়েনের সময়ে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হচ্ছে বলে রয়টার্স জানাচ্ছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, চীনে তৈরি সিএম-৩০২ ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর কেনার চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে, যদিও সামনের সময় সরবরাহের সঠিক তারিখ এখনো নির্ধারিত হয়নি।
এই সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর দুরুত্ব প্রায় ২৯০ কিলোমিটার, এবং এগুলো তৈরি করা হয়েছে খুব নিচু দিয়ে দ্রুত গতিতে উড়ে জাহাজের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এড়িয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে।
অস্ত্র বিশেষজ্ঞরা একমত, এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর মোতায়েন ইরানের আঘাত হানার ক্ষমতাকে ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর জন্য একটি বড় হুমকি হিসেবে কাজ করবে।
এটি উল্লেখযোগ্য যে, তিন বছর আগে শুরু হওয়া এই ক্ষেপণাস্ত্র কেনার আলোচনা গত জুনে ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে ১২ দিনের যুদ্ধের পর তড়িঘড়ি বেড়ে যায়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে যে, আলোচনা শেষ পর্যায়ে পৌঁছায় গত গ্রীষ্মে যখন ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও সরকারি কর্মকর্তারা চীন সফর করেন।
নিরাপত্তা সূত্রের অনুযায়ী, ইরানের উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রী মাসউদ ওরাইও ওই সফরে যুক্ত ছিলেন, যা আগে কখনো প্রকাশ হয়নি।
ইসরায়েলের থিঙ্ক ট্যাংক ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্টাডিজের সিনিয়র গবেষক ও প্রাক্তন গুপ্তচর কর্মকর্তা ড্যানি সিত্রিনোয়িক্জ মন্তব্য করেন, ইরান যদি জাহাজে হামলার জন্য সুপারসনিক প্রযুক্তি অর্জন করে, তা হলে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ রূপেই পাল্টে যাবে। এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর প্রতিহত করা অত্যন্ত কঠিন হতে পারে।
চুক্তিতে কোন পরিমাণ ক্ষেপণাস্ত্র অনুমোদিত হয়েছে, ইরান কত টাকা পরিশোধে সম্মত হয়েছে কিংবা আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ার পর চীন প্রকৃতপক্ষে চুক্তিটি কার্যকর করবে কিনা, সে বিষয়ে সঠিক তথ্য নিশ্চিত করা হয়নি।
রয়টার্সকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ইরানের মিত্রদের সঙ্গে কিছু সামরিক ও নিরাপত্তা চুক্তি বিদ্যমান, এবং এখন সেই চুক্তিগুলো কার্যকর করার সঠিক সময় এসেছে।
জাতিসংঘে নিযুক্ত চীনা প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য বেইজিংয়ের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগের সুপারিশ করা হয়েছে। যদিও চীনের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এখনও কোনো মন্তব্য করেনি। হোয়াইট হাউসও ইরান-চীন ক্ষেপণাস্ত্র আলোচনা নিয়ে সরাসরি বক্তব্য প্রদান করেনি।
এক কর্মকর্তা মন্তব্য করেন, ‘মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরিষ্কারভাবে বলেছেন যে, ‘হয় আমরা একটি চুক্তিতে পৌঁছাব, নতুবা পূর্বের মতো কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।’
যদি চীনের কাছ থেকে ইরানের জন্য এই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হস্তান্তর হয়, তবে এটা হবে সবচেয়ে উন্নত সামরিক সরঞ্জামগুলোর মধ্যে একটি। কারণ, ২০০৬ সালে ইরানের ওপর আরোপিত জাতিসংঘের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য মিত্রদের সঙ্গে একটি পারমাণবিক চুক্তির অংশ হিসেবে স্থগিত হয়েছিল। কিন্তু গত সেপ্টেম্বর মাসে আবারও সেই নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ