শুক্রবার, ২৭শে ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং
১০:৫০ পি.এম
বর্তমানে বিজ্ঞাপন স্ট্রিমিং জগতে একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে। অনুষ্ঠান, নাটকীয় মুহূর্ত বা প্লেলিস্টের মাঝে হঠাৎ বিজ্ঞাপন প্রদর্শন একটি সাধারণ পরিস্থিতিতে পরিণত হয়েছে। বিশ্বের সব থেকে বড় ভিডিও প্ল্যাটফর্ম ইউটিউবের ক্ষেত্রেও এই চিত্র একই রকম।
ইউটিউব প্রতি মাসে প্রায় ২৫০ কোটি সক্রিয় ব্যবহারকারীকে আকর্ষণ করে এবং মূলত বিজ্ঞাপন মাধ্যমেই আয়ের বিশাল উৎস হিসেবে স্বীকৃত হয়। এই আয় থেকে নির্মাতাদের একটি অংশ দেওয়া হয়, ফলে এটি নির্মাতা ও দর্শকদের জন্য লাভদায়ক হয়ে ওঠে। কিন্তু একটানা বিজ্ঞাপন চলতে থাকলে ব্যবহারকারীদের বিরক্তি বৃদ্ধি পায়।
স্কিপ করার সুবিধার মাধ্যমে বেশিরভাগ ইন-স্ট্রিম বিজ্ঞাপন ১৫ সেকেন্ড অথবা এর কম সময়ের হয়ে থাকে। পাঁচ সেকেন্ড পর ‘স্কিপ অ্যাডস’ বোতামটি সক্রিয় হয়, যা ক্লিক করার মাধ্যমে বিজ্ঞাপন এড়ানো সম্ভব করে। তবে যদি কেউ তাড়াতাড়ি স্কিপ করে, তাহলে সেই ভিউটি “এনগেইজড ভিউ কনভার্সন” হিসাবে গণ্য হয় না, ফলে নির্মাতা সেই বিজ্ঞাপন থেকে আয় করতে পারেন না। নির্মাতারা বিজ্ঞাপনকে ‘আনস্কিপেবল’ও রাখতে পারেন, যার ফলে স্মার্ট টিভিতে দীর্ঘ বিজ্ঞাপন বিরতি দেখা দিতে পারে।
একাধিক বার একই বিজ্ঞাপন দেখার ফলে
‘এই বিজ্ঞাপনটি নিয়ে’ অপশনে গিয়ে “এই বিজ্ঞাপন দেখা বন্ধ করুন” নির্বাচন করলে ঐ বিজ্ঞাপনটি কম ইনডেক্স হয়ে যাবে। একইভাবে, “ এই বিজ্ঞাপন রিপোর্ট” অপশনটি ব্যবহার করে নীতিমালা লংঘনের অভিযোগও তোলা যেতে পারে, তবে এটি পুরোপুরি বিজ্ঞাপন বন্ধ করার
গ্যারান্টি দেয় না। আরও একটি অপশন হলো ব্যবহারকারীরা বিজ্ঞাপন পার্সোনালাইজেশন বন্ধ করে কিছুটা ট্র্যাকিং কমিয়ে ফেলতে পারেন।
সর্বাপেক্ষা কার্যকর এবং আইনগতভাবে উপযুক্ত পদ্ধতি হলো ইউটিউব প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন নেওয়া। এই সাবস্ক্রিপশন মাধ্যমে বিজ্ঞাপনমুক্ত ভিডিও দেখার সুবিধা পাওয়া যায়, এবং নির্মাতাগণও তাঁদের প্রাপ্য আয় সঠিকভাবে পান।
সম্প্রতি গুগল ক্রোম-এ অ্যাড ব্লকার এক্সটেনশন দিয়ে বিজ্ঞাপন বন্ধ করা খুব সহজ ছিল, কিন্তু গুগল “ম্যানিফেস্ট ভি৩” নীতি প্রয়োগ করার মাধ্যমে অনেক জনপ্রিয় এক্সটেনশনের কার্যকরিতা সীমাবদ্ধ করছে। তবে কিছু ব্যবহারকারী আপডেটেড অ্যাড ব্লকার বা
সাহসী, অপেরা বা মজিলা ফায়ারফক্স এর মত বিকল্প ব্রাউজার ব্যবহার করে। কিন্তু নতুন প্রযুক্তির কারণে এসব পদ্ধতি যথাযথভাবে কাজ নাও করতে পারে।
ইউটিউবের বিজ্ঞাপন এখন নির্মাতাদের জন্য আয়ের একটি মুখ্য উৎস হয়ে উঠেছে। তাই সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপনমুক্ত অভিজ্ঞতা চাইলে বৈধ সাবস্ক্রিপশন নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি, তথাপি ব্যবহারকারীদের জন্য কিছু বিকল্প পথ এখনও খোলা রয়েছে, যদিও এগুলোর স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নরসিংদীতে ধর্ষিতার ঘটনা চাপা দেওয়ার জন্য বাবার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে একটি তরুণীকে হত্যা করার অভিযোগে পুলিশ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঘটনার স্থল পরিদর্শন করার পর ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক সাংবাদিকদের কাছে আটককৃতদের নাম ও ঠিকানা প্রকাশ করেন।
গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন: সদর উপজেলার মাধবদী থানার মহিষাশুরা ইউনিয়নের বিএনপির সহ-সভাপতি এবং সাবেক ইউপি সদস্য আহম্মদ আলী দেওয়ান, তার ছেলে ইমরান দেওয়ান, প্রধান আসামি নূরার চাচাত ভাই মোহাম্মদ আইয়ুব, একই এলাকার এবাদুল্লাহ এবং হোসেন বাজার এলাকার গাফফার।
এর আগে, গত বৃহস্পতিবার রাতে নিহতের মাতা ফাহিমা বেগম ৯ জনকে আসামি করে মাধবদী থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ জানায়, শুক্রবার বিকালে ময়নাতদন্তের পর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
নিহত তরুণীর পরিবার শোকাবহ হয়ে হত্যার সাথে জড়িতদের দ্রুত শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে, ঘটনা স্থলে পরিদর্শন সাপেক্ষে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক বলেছেন, ‘অপরাধীরা যে কোন দলেরই হোক, সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। ইতোমধ্যে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, বাকি ৪ জনের গ্রেফতারের জন্য পুলিশের একাধিক টিম দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাচ্ছে। আশা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যে সব আসামিকে গ্রেফতার করা হবে।’
শুক্রবার সকালে ঘটনা স্থলে গিয়ে নিহতের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান নরসিংদী সদরের এমপি খায়রুল কবির খোকন। তিনি বলেন, ‘অপরাধীরা যেই দলেরই হোক, যত ক্ষমতাধর হোক, কাউকেই ছাড় দেওয়া উচিত নয়। প্রশাসনকে জানিয়েছি, হত্যার প্রধান আসামী নূরাসহ সব আসামিকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করতে হবে।’
এদিকে, হত্যার ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে মাধবদী ও নরসিংদী শহরে বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষ বিক্ষোভ মিছিল করেছে।
স্থানীয়দের বরাত করে জানা যায়, ১৫ বছর বয়সী আমেনা আক্তার বরিশাল থেকে স্বপ্ন নিয়ে বাবা-মায়ের সাথে নরসিংদীতে এসেছিল। মাধবদী থানার বিলপাড় এলাকায় ভাড়া বাসায় বাবা-মা দুজনেই কারখানায় কাজ করতেন। মেয়েটিও সম্প্রতি একটি কারখানায় যোগ দেয়। সেখানে তার পরিচয় হয় স্থানীয় বখাটে নূরার সাথে। নূরা প্রথমে আমেনাকে প্রেমের প্রস্তাব দেয়, তবে পরে গত ১৫ দিন আগে ৫ বন্ধুর সাহায্যে তাকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে। বিষয়টি জানাজানি হলে মহিষাশুরা ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার আহম্মদ আলী দেওয়ান বিচার করার দায়িত্ব নেন, কিন্তু স্থানীয় না হওয়ায় তিনি উল্টো ভুক্তভোগী পরিবারকে দোষারোপ করেন।
অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি অপরাধীদের সাথে মীমাংসা করে বড় অংকের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন এবং কোন বিচার না করেই পুরো ঘটনার ওপর চাপা দিয়েছেন। এছাড়া, ভুক্তভোগীর পরিবারকে গ্রাম ত্যাগের জন্য চাপ দেওয়া হয়। ধর্ষণের ঘটনা চাপা দিতে, কিশোরীর আত্মীয় বাড়িতে যাওয়ার পথে গত বুধবার সন্ধ্যায় সৎ পিতার কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে, মাধবদী থানার কোতালিরচর দড়িকান্দী এলাকার একটি সরিষা ক্ষেত থেকে কিশোরীর মরদেহ গলায় ওড়না পেচানো অবস্থায় উদ্ধার করে মাধবদী থানা পুলিশ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নাটোর পুলিশ লাইন্সে কর্মরত একটি থানার অবৈতনিক এসআই দেওয়ান মামুন নিজের ব্যবহার করা পিস্তল থেকে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী, তিনি বিদেশি নাগরিকের নিরাপত্তার ডিউটি শেষে শুক্রবার সন্ধ্যায় পুলিশ লাইন্সের কোয়ার্টারে ফিরে আসেন। তখন তার নিজের ব্যবহৃত সরকারি পিস্তলের গুলি বাম পায়ের টাকলুতে বিদ্ধ হয়। তার সহকর্মীরা তৎক্ষণাৎ তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে যান।
পরে, তাকে স্থানীয় একটি বেসরকারি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ সুপার আব্দুল ওয়াহাব প্রাইভেট ক্লিনিকে গুলিবিদ্ধ এসআইকে দেখতে যান।
পুলিশ সুপার আব্দুল ওয়াহাব এ ঘটনার বিষয়ে জানান, পিস্তলটি নিয়ে দেওয়ান মামুনের শিশুপুত্র খেলছিল। এ সময় দুর্ঘটনাবশত পিস্তল থেকে গুলি বের হয়ে তার পায়ে লাগে। বিষয়টি তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গুরুত্ব সহকারে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং সাবেক মন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমান। তাকে দেখতে যান প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক নিযোগপ্রাপ্ত ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির বিটু।
আজ শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪ টায় তিনি হাসপাতালে উপস্থিত হন। উপস্থিতির সময় তিনি বেগম সেলিমা রহমানের পরিবারবর্গের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং দায়িত্বরত চিকিৎসকদের সাথে তার শারীরিক অবস্থার একটি বিস্তারিত খোঁজখবর নিবেন।
জানা গেছে, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে গত ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে তিনি রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
শুক্রবার দুপুরে উপদ্বীপ সাতক্ষীরার শ্যামনগর এলাকায় একটি ভূমিকম্পের ফলে বিভিন্ন ঘরবাড়ি ও স্থাপনায় ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। মাটির ঘরগুলো আংশিক ধসে পড়েছে এবং কিছু ভবনে ফাটলেরও নির্দশন পাওয়া গেছে। কম্পনের সময় আতঙ্কিত হয়ে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার চেষ্টা করার সময় অন্তত তিনজন ব্যক্তি আহত হয়েছেন।
শ্যামনগর উপজেলার রমজাননগর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সোনাখালি এলাকার বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম জানান, ভূমিকম্পের কারণে তার একমাত্র মাটির ঘরটি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘরের দেয়ালে ফাটল এবং কিছু অংশ ধসে পড়ায় তিনি পরিবার নিয়ে আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।
শ্যামনগর পৌরসভার নূর কম্পিউটার মার্কেটের পাশে অবস্থিত আওয়ামী লীগ অফিসের ভবনে ফাটল দেখা গিয়েছে। একই এলাকার আরও কয়েকটি ভবনেও ফাটল দেখা দিয়েছে।
অন্যদিকে, গাবুরা ইউনিয়নের হরিশখালি এলাকার একটি মসজিদে ফাটল ধরেছে, পাশাপাশি ভেতরের টাইলসও খুলে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। এ কারণে স্থানীয় মুসল্লিদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
উপজেলার চুনকুড়ি নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দা আকবর হোসেন জানান, 'ভূমিকম্পের সময় নদীর পানি অনেক ওপরে উঠে প্রচণ্ড ঢেউয়ের সৃষ্টি করেছিল। তবে নদীতে ভাটা থাকায় বেড়িবাঁধের কোন ক্ষতি হয়নি। আমরা নামাজের জন্য মসজিদে ছিলাম এবং অনেকে আতঙ্কে সেখান থেকে বের হয়ে যান। এর আগে আমি এমন কম্পন কখনো দেখিনি।'
এই ভূমিকম্পের ফলে ব্যবসায়ীদের মধ্যেও আতঙ্ক বিরাজ করছিল। কম্পনের সময় সবাই নিজেদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছেড়ে রাস্তায় চলে আসেন।
শ্যামনগর পৌরসভার নকিপুর বাজারের একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী পলাশ সাহা বলেন, 'আমরা প্রথমে বুঝতে পারিনি। পরে দেখলাম আমাদের মার্কেটের পুরো ভবন কাঁপছে। এরপর সবাই দৌড়ে বের হয়ে সামনের রাস্তায় বাইরে এসে দাঁড়ালাম। তখন আশপাশের মার্কেটের এবং মসজিদের মুসল্লিরা সবাই রাস্তায় বের হয়ে এসেছে।'
এদিকে ভূমিকম্পের ফলে তিনজন আহত হয়ে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে উপজেলার ভুরুলিয়া এলাকার নুর আলী মোড়লের স্ত্রী ফয়জুন্নেছা (৭৫) বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। অপর দুইজন হলেন ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের গুমানতলী এলাকা থেকে আরিফুল ইসলাম (১৮) এবং আটুলিয়া ইউনিয়নের হাওলভাঙ্গী এলাকা থেকে সোহেল হোসেনের স্ত্রী আঁখি আক্তার (২০), যারা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাকির হোসেন জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের কারণে তিনজন চিকিৎসা নিয়েছেন, এর মধ্যে ফয়জুন্নেছা এখনও হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও শামসুজ্জাহান কনক জানিয়েছেন, ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহের জন্য স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতির অবজারভেশন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এছাড়া, সাতক্ষীরা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, ৫.৪ মাত্রার ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়ন। শ্যামনগর ও আশাশুনি পাশাপাশি হওয়ায় কম্পনের তীব্রতা অধিক অনুভূত হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ