সোমবার, ৯ই ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং
১১:৪৮ পি.এম
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে এখন দেশজুড়ে রাজনৈতিক আলোচনা তুঙ্গে। শিশু থেকে বৃদ্ধ, কৃষক থেকে কবি—সবাই যেভাবে ভোটের কথা বলছে, তা নজর কাড়ার মতো। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের লোকসংগীত ও বাউল গানের অন্যতম পরিচিত শিল্পী আবদুল কুদ্দুস বয়াতি। তিনি এবার ভোটের উপর নিজের এক মতামত প্রকাশ করেছেন।
সোমবার (৯ জানুয়ারি) রাতে তিনি সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট দেন যেখানে তিনি উল্লেখ করেন, "গানকে হারাম বলা দলটাও গানে গানে ভোট খুঁজছে।" তবে তিনি এখানে কোনো বিশেষ দলের নাম উল্লেখ করেননি।
এই বক্তব্যের পর তার অনুসারীরা মন্তব্য করতে শুরু করেছেন এবং প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন। কুদ্দুস বয়াতি নিয়মিতভাবে দেশ ও সমাজের নানা বিষয় নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় থাকেন।
১৯৯২ সালে প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের নির্দেশনায় গাওয়া ‘এই দিন, দিন না আরো দিন আছে’ গানটি দিয়ে কুদ্দুস বয়াতি পরিচিতি লাভ করেন। কোভিড-১৯ এর সময় ব্র্যাকের উদ্যোগে তিনি "জাইনা চলেন, মাইনা চলেন" গানেও অংশ নেন। কুদ্দুস বয়াতির এখন পর্যন্ত দুটি একক অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে, এবং তিনি অসংখ্য জনপ্রিয় বিজ্ঞাপন, নাটক ও প্রামাণ্যচিত্রে গান গেয়েছেন।
তিনি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার রাজীবপুর গ্রামের অধিবাসী।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ইন্দোনেশিয়ায় বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা প্রমাণিত বুনো সাপ খুঁজে পাওয়া গেছে। যে সাপটির নাম ইবু ব্যারোন, যার অর্থ ‘দ্য ব্যারোনেস’। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস এর স্বীকৃতি প্রাপ্ত এই সাপটি একটি রেটিকুলেটেড পাইথন।
২০২৫ সালের শেষদিকে দক্ষিণ সুলাওয়েসির মারোস অঞ্চলে সাপটি আবিষ্কৃত হয়। পরবর্তীতে অভিযাত্রী ও প্রকৃতিবিষয়ক আলোকচিত্রী রাডু ফ্রেনতিউ এবং বন্যপ্রাণী গাইড দিয়াজ নুগরাহা সাপটির দৈর্ঘ্য ও ওজন পরিমাপ করেন। ১৮ জানুয়ারি তাদের করা পরিমাপে দেখা যায়, ইবু ব্যারোনের দৈর্ঘ্য ২৩ ফুট ৮ ইঞ্চি এবং ওজন ২১৩ পাউন্ড (খালি পেটে)।
ফ্রেনতিউ জানান, সাপটিকে অচেতন না করেই মাপা হয়েছে। তাদের ধারণা, অ্যানেস্থেশিয়ায় পেশি শিথিল হলে সাপটির দৈর্ঘ্য আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।
রেটিকুলেটেড পাইথন সাধারণত ১০ থেকে ১৯ ফুটের মধ্যে লম্বা হয়। যদিও ইতিহাসে বড় সাপের দাবির বিভিন্ন উদাহরণ রয়েছে, সেগুলোর মধ্যে বেশিরভাগই যাচাইযোগ্য নয়। অনেক সাপ ধরা পড়ার পর মেরে ফেলা হয় বা হারিয়ে যায়। তবে ইবু ব্যারোনের বেঁচে থাকা একটি বিরল ঘটনা।
স্থানীয় সংরক্ষণকর্মী বুদি পুরওয়ান্তো সাপটিকে বিক্রি বা হত্যার হাত থেকে রক্ষা করে নিজের তত্ত্বাবধানে নেন। বর্তমানে তার আশ্রয়কেন্দ্রে ইবু ব্যারোনসহ আরও কয়েকটি উদ্ধার কেন্দ্র নির্ধারিত সাপ আছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আবার বনে ছেড়ে দিলে মানব বসতিতে ঢুকে পড়ার ঝুঁকি ছিল, যা সাপটির জন্য প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে।
বন উজাড় ও শিকার প্রাণী কমে যাওয়ার কারণে ইন্দোনেশিয়ায় বড় সাপ এবং মানুষের সংঘাত বাড়ছে। যদিও এরা বিষধর নয়, কিন্তু আকার এবং শক্তিশালীভাবে মানুষের কাছে আতঙ্ক তৈরি করে।
সংরক্ষণকর্মীরা আশা করেন, ইবু ব্যারোনকে জীবিত রেখে এবং গিনেস স্বীকৃতির মাধ্যমে মানুষকে বোঝানোর চেষ্টা করবেন এই বিশাল সাপগুলো মৃত নয়, জীবিত অবস্থায় অধিক মূল্যবান। ফলে ভবিষ্যতে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ এবং বিশেষায়িত পর্যটনের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।
ফ্রেনতিউ বলেন, আমি দাবি করি না যে এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় সাপ। হয়ত আরো বড় সাপ কোথাও আছে। তবে ইবু ব্যারোন দেখিয়ে দেয় যে, পৃথিবীতে এখনও অনেক বিস্ময় অপেক্ষা করছে। সূত্র: ইয়াহু
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সম্পর্কে কোনো উদ্বেগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
ভোটের জন্য এখন ৬০ ঘণ্টারও কম সময় অবশিষ্ট রয়েছে উল্লেখ করে তিনি সাংবাদিকদের জানান, ভোট নিয়ে তার মনে কোনো উদ্বেগ নেই। তিনি বলেন, "যদি এখন বলি উদ্বেগ আছে, তবে মনে হবে— আমার আস্থার অভাব আছে। কাজেই উদ্বেগের কোনো কারণ নেই।"
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানী ঢাকার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে তার অফিসের সামনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে সচিব এসব মন্তব্য করেন।
তিনি আরও জানান, আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচার কার্যক্রম বন্ধ হবে, যা বড় ধরনের মিছিল, মিটিং এবং শোডাউন অন্তর্ভুক্ত করবে। ইসি সচিব আশা করেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও প্রচার বন্ধ থাকবে।
সিনিয়র সচিব বলেন, "আমাদের কাছে মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। একটি সেল নিয়মিত নজর রাখছে এবং অন্যান্য সরকারি এজেন্সির সাথে তথ্য শেয়ার করা হচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য হলো একটি সুষ্ঠু ও আনন্দমুখর নির্বাচন নিশ্চিত করা, যাতে কেউ সমস্যায় না পড়ে।" আইনের শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে আখতার আহমেদ জানান, এখন পর্যন্ত মারাত্মক কোনো ঘটনা বা খবর তাদের কাছে আসেনি। তবে দু’টি দুর্ঘটনা ঘটেছে, যেখানে দু’জনের প্রাণহানি হয়েছে, যা নিন্দনীয়। ঘোষিত তফসিলের পর হাদি এবং শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতিতে এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
তিনি জানান, নির্বাচন সংক্রান্ত মিছিল ও মিটিংয়ের সময় প্রতিবাদ স্বাভাবিকই। তবে সমস্ত কিছু শালীনতার মধ্যে বজায় রয়েছে এবং কোনো মারাত্মক ত্রুটি রিপোর্ট হয়নি।
ইসি সচিব বলেন, "আমাদের গোয়েন্দা নজরদারী কার্যকরভাবে পরিচালিত হচ্ছে। চার থেকে ছয়টি সিল এক জায়গা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ পর্যন্ত বড় কোনো ব্রিজ অব কন্ডাক্ট পাওয়া যায়নি।"
আচার বিধি ভঙ্গের অভিযোগ পরীক্ষা করতে মাঠ পর্যায়ে ইলেক্টরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড জুডিকেশন কমিটি, রিটার্নিং অফিসার, এক্সিকিউটিভ ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোতায়েন করা হয়েছে। অভিযোগের তথ্য প্রাপ্ত হলে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।
তিনি আরও বলেন, "কোনো রাজনৈতিক দলের অভিযোগ নিয়ে সরাসরি মন্তব্য করলে আমি নৈতিকভাবে দায়বদ্ধ হয়ে পড়ব। তাই আমরা সমস্ত অভিযোগের যথাযথ তদন্ত এবং যথাযথ ব্যবস্থা নিশ্চিত করছি।" সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ : জলাবদ্ধতার সমস্যাকে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের জনগণের দীর্ঘমেয়াদী দুর্ভোগ হিসেবে চিহ্নিত করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, যদি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করে, তবে সবার আগে ঢাকাসহ দেশের জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
আজ সোমবার রাতে রাজধানীর লালবাগ বালুর মাঠে অনুষ্ঠিত ঢাকা-৭ আসনের নির্বাচনী জনসভায় এই মন্তব্য করেন তারেক রহমান। জনসভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা-৭ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হামিদুর রহমান হামিদ।
তারেক রহমান আরো উল্লেখ করেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপি যদি জনগণের ভোটে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে সক্ষম হয়, তবে বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই দেশজুড়ে খাল খনন কার্যক্রম হাতে নেওয়া হবে। এই কর্মসূচির সূচনা শহীদ জিয়াউর রহমান করেছিলেন।
তিনি জনগণকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপিকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করতে হবে, কারণ বিএনপিই দেশের উন্নয়নের একটি পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে এসেছে। বিএনপি হচ্ছে একমাত্র রাজনৈতিক দল যার কর্মসূচি রয়েছে বাংলাদেশকে পুনর্গঠন করার। এই দলের অতীতেও দেশের কার্যকর পরিচালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে।
তিনি বলেন, জনগণ যখনই বিএনপিকে ভোট দিয়েছে, তখনই বিএনপি চেষ্টা করেছে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা দিয়ে দেশ উন্নয়ন করতে। সুতরাং, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে আপনাদের ভোট দিয়ে বিএনপিকে দেশ গঠনের সুযোগ দিন। বিএনপি আগামী দিনে আপনাদের সঙ্গে নিয়ে দেশ গঠন করবে।
তারেক রহমান উল্লেখ করেন, বিএনপির উদ্দেশ্য এমন একটি রাষ্ট্র নির্মাণ করা, যেখানে সব নাগরিক নিরাপদভাবে চলাফেরা করতে পারবেন এবং নির্ভয়ে ঘুমাতে পারবেন।
নারীদের নিরাপত্তার জন্য তাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, গৃহিণীদের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা এখন বিএনপির রয়েছে। একইভাবে কৃষকদের জন্য 'কৃষি কার্ড' চালু করে সরাসরি সরকারি সহায়তাও পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হবে।
স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে তারেক রহমান বলেন, গ্রামের মানুষ এখনও প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য বঞ্চিত রয়েছে। বিএনপি সরকার গঠন করলে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দিয়ে ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছানোর চেষ্টা করা হবে। এতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং মানুষ অসুস্থ হওয়ার আগে সচেতনতা সক্ষম হবে, যা সমাজের সামগ্রিক নিরাপত্তা এবং সুস্থতা গঠনে সহায়তা করবে।
নির্বাচন সম্পর্কে সাবধান থাকার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, নির্বাচনের প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে একটি মহল ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তারা বিভিন্নভাবে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াতে চেষ্টা করছে। বিশেষত মা-বোনদের কাছে গিয়ে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে, যা বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। বিএনপি জনগণের সামনে এমন কোনো প্রতিশ্রুতি দিতে চায় যা সত্যিকার অর্থে বাস্তবায়নযোগ্য।
তিনি বলেন, যারা মা-বোনদের বিভ্রান্ত করতে গিয়ে বিকাশ নম্বর এবং এনআইডির নম্বর চায়, তাদের বিরুদ্ধে সচেতন থাকতে হবে। এই প্রক্রিয়া যদি বন্ধ না হয়, তাহলে বিএনপি জনগণের ভোটের অধিকার হারাতে পারে। মত প্রকাশের এই অধিকার একদিন ষড়যন্ত্রের বেড়াজালে আটকে যেতে পারে।
তারেক রহমান বলেন, এই জনসভায় আমাদের সবাইকে শপথ নিতে হবে যে, যেকোনো মূল্যে আমরা বাংলাদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার এবং রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করব। আমরা সকলের মাঝে বন্ধুর মতো কাজ করে আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার চেষ্টা করব।
বেকারত্ব দূর করা ও তরুণদের কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণের বিষয়ে তিনি বলেন, তরুণদের কারিগরি ও আইটি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে গড়ে তোলা হবে। যারা বিদেশে যেতে চান, তাদের জন্য ব্যাংক ঋণ প্রদান করার ব্যবস্থা করা হবে, যাতে তাদের বাপ-দাদার ভিটেমাটি বিক্রি করতে না হয়।
জনসভায় তিনি ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ ধর্মীয় গুরুদের জন্য রাষ্ট্রীয় সম্মানী চালুর কথা ঘোষণা দেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুর, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ : ফরিদপুর-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী হিসেবে শহিদুল ইসলাম বাবুল মনোনীত হয়েছেন। তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদে আছেন। তিনি এলাকার উন্নয়নকে একটি মডেল হিসেবে গড়ে তোলার জন্য প্রতিশ্রতি দেন।
নির্বাচনের প্রেক্ষিতে নানা প্রশ্নের উত্তরের সুযোগে তিনি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ফরিদপুর জেলা সংবাদদাতা আনিচুর রহমানের সঙ্গে কথা বলেছেন।
বাসস : আপনার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি কী?
শহিদুল ইসলাম বাবুল : আমাদের এলাকা নদী ভাঙ্গন প্রবণ। এখানকার মানুষের দুর্ভোগ এবং নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধে স্থায়ী সমাধান নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ভাঙ্গা, সদরপুর, চরভদ্রসন এলাকায় অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়নের কাজ যথাযথভাবে হয়নি। সেখানকার রাস্তাঘাট খারাপ অবস্থায় রয়েছে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থাও খুবই নাজুক। আমি নির্বাচিত হলে এ বিষয়গুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখব।
বাসস : নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার বিষয়ে আপনার নির্দেশনা কী?
শহিদুল ইসলাম বাবুল : অবশ্যই আইন মেনে চলা আবশ্যক। নির্বাচন কমিশনের বিধি-বিধান এবং আইনগুলো আদর্শ হিসেবে মেনে চলতে হবে। আমরা সব সময় আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আমি আমার ব্যানার ফেস্টুন নিজেই অপসারণ করেছি এবং নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিয়েছি। তারা সেই অনুযায়ী কাজ করছে।
বাসস : জুলাই সনদ নিয়ে গণভোটের ক্ষেত্রে আপনার মতামত কী?
শহিদুল ইসলাম বাবুল : গণভোটের সঙ্গে সম্পর্কিত রাজনৈতিক আলোচনা হয়েছিল এবং ঐক্যবদ্ধ মত প্রকাশের চেষ্টা ছিল। তবে কিছু বিষয়ে আমাদের ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি ছিল। তা সত্ত্বেও, আমরা যে প্রস্তাবনা গ্রহণ করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে আমাদের নেতাকর্মীরা শুধু হ্যাঁ ভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
বাসস : আসন্ন সংসদ নির্বাচনের বিষয়ে আপনার প্রত্যাশা কী?
শহিদুল ইসলাম বাবুল : দীর্ঘ সময় ধরে এলাকার মানুষ বৈষম্যের শিকার হয়েছে। আমি আশা করি মানুষ তার ভোটের মাধ্যমে নিজেদের সরকার নির্বাচিত করবে। যা গণতন্ত্র বলে পরিচিত। গণতান্ত্রিক শাসন, সুশাসন ও কল্যাণ রাষ্ট্র এটাই আমার উদ্দেশ্য।
ফরিদপুর-৪ আসন তিনটি উপজেলা ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন নিয়ে গঠিত। এখানে একটি পৌরসভা এবং ২৫টি ইউনিয়ন সবমিলিয়ে ১৮৯টি ভোট কেন্দ্র রয়েছে। আসনের মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ, ৯৬ হাজার ৭০৬ জন, যার মধ্যে ২ লাখ ৫৪ হাজার ৬৬১ জন পুরুষ, ২ লাখ ৪২ হাজার ৫৪ জন নারী এবং ১ জন তৃতীয় লিঙ্গের সদস্য।
এ আসনে বিএনপির প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার সূরা সদস্য এবং ভাঙ্গা উপজেলার আমির মাওলানা মো: সরোয়ার হোসেন। বাংলাদেশের খেলাফত মজলিসের প্রার্থী ফরিদপুর জেলা শাখার সহ-সভাপতি মাওলানা মিজানুর রহমান মোল্লা। এছাড়া আছেন বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির আতাউর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর মো. ইসহাক চোকদার, জাতীয় পার্টির রায়হান জামিল ও স্বাধীন প্রার্থী এ এ এম মুজাহিদ বেগ ও মোহাম্মদ মজিবুর হোসাইন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ