শুক্রবার, ২৭শে ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং
১০:৩৯ পি.এম
ঢাকার প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির ছাত্র নির্জন সরদারকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রাক্তন নেতা আবদুর রাজ্জাক বিন সোলাইমান, যিনি রিয়াদ নামে পরিচিত, সহ আরো তিনজনকে আদালত কারাগারে প্রেরণ করেছে।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিলরুবা আফরোজ তিথি শুনানি শেষে এ নির্দেশ দেন।
অন্য তিনজন যাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে তারা হচ্ছেন মো. রিয়াদুল হাওলাদার, মো. আলিফ আহম্মেদ আশিক এবং সায়েম শিকদার। সকলেই এক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। পুলিশ বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাদের গ্রেফতার করে।
গত বছরের ২৬ জুলাই গুলশানে সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আহমেদের বাসায় চাঁদা দাবি সংক্রান্ত অভিযোগে রিয়াদ পরিচিতি পায়।
আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও গুলশান থানার উপপরিদর্শক আরমান আলী চারজনকে আদালতে হাজির করে তাদের কারাগারে আটক রাখার জন্য আবেদন জানান। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করলেও আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আগামী ১ মার্চ জামিন শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে যে, নির্জনের সঙ্গে অভিযুক্তদের পূর্বশত্রুতা ছিল। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থতলার ৪১২ নম্বর কক্ষে তাদের মধ্যে বাদানুবাদ শুরু হয়। আলোচনা চলাকালীন পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
অভিযোগে বলা হয়, এক পর্যায়ে রিয়াদের নির্দেশে রিয়াদুল ও সায়েম চেয়ার দিয়ে নির্জনের পিঠ ও বুকে আঘাত করে। পরে রাজ্জাক ধারালো অস্ত্র দিয়ে নির্জনের মুখে আঘাত করে, যার ফলে তিনি গুরুতর আহত হন। এছাড়া তাঁকে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়েছে বলেও এজাহারে নির্দেশনা রয়েছে।
নির্জনের সহপাঠী এবং কয়েকজন শিক্ষক এসে সাহায্য করতে চাইলে তাদেরও হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। পুলিশ পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে অভিযুক্তদের আটক করে।
নির্জন সরদার অভিযোগকারী হয়ে রিয়াদসহ ১১ জনের নামে গুলশান থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন এবং মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আরো ১০ থেকে ২২ জন আসামি করা হয়েছে।
মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে এবং আগামী ১ মার্চ জামিন শুনানির মাধ্যমে পরবর্তী আইনি অগ্রগতি নিশ্চিত হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর সুবিধাবঞ্চিত নারী ও শিশুদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান একটি ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেন।
আজ শুক্রবার গুলশানস্থ জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ে এই বিশেষ ইফতার অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়। এতে অর্ধশতাধিক সুবিধাবঞ্চিত নারী ও শিশু অংশগ্রহণ করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, "নারীর নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। আমাদের সরকার বিশ্বাস করে, কন্যা শিশুর নিরাপত্তা ও সুন্দর মানবিক বিকাশ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।"
তিনি উল্লেখ করেন, "একাডেমিক ও কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে একজন কন্যা শিশু দেশের যেকোনো স্থানে সুযোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। সেক্ষেত্রে আমাদের সরকার সংকল্পবদ্ধ। নারীদেরকে পরিবার ও সামাজিক উন্নয়নের কেন্দ্রে রাখা হবে।"
ডা. জুবাইদা রহমান আরও বলেন, "মাধ্যমিক পর্যায় থেকে শিক্ষার্থীদের তৃতীয় ভাষা শেখানো হবে। এতে শিক্ষার্থীরা বিদেশে ও দেশে সব জায়গায় কর্মসংস্থানে অগ্রাধিকার পাবে। পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষাও মাধ্যমিক পর্যায় থেকে কারিকুলামে যোগ করা হবে। সেটা কর্মসংস্থানে বিরাট ভূমিকা পালন করবে।"
তিনি পোশাক কর্মীদের বিষয়েও মন্তব্য করেন, "আমরা বিশ্বাস করি- প্রত্যেক শিল্প-কারখানায় তাদের সবেতনে মাতৃত্বকালীন ছয় মাস ছুটি অবশ্যই প্রয়োজন। এছাড়া ডে-কেয়ার সেন্টার, তাদের নিরাপদ আবাসন, নিরাপদ যাতায়াত ব্যবস্থা প্রয়োজন। একজন কন্যা শিশু ও একজন মা যখন নিরাপদে কর্মস্থলে যেতে পারবে, তখনই আমরা মনে করব নারীর ক্ষমতায়ন সম্ভব হয়েছে।"
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, পরিচালক অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, উপদেষ্টা ব্যারিস্টার নাসিরউদ্দিন অসীম, ইঞ্জিনিয়ার হাসিনুর রহমান, পরিচালক সাংবাদিক হাফিজ আল আসাদ সাঈদ খানসহ ফাউন্ডেশনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বর্তমানে বিজ্ঞাপন স্ট্রিমিং জগতে একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে। অনুষ্ঠান, নাটকীয় মুহূর্ত বা প্লেলিস্টের মাঝে হঠাৎ বিজ্ঞাপন প্রদর্শন একটি সাধারণ পরিস্থিতিতে পরিণত হয়েছে। বিশ্বের সব থেকে বড় ভিডিও প্ল্যাটফর্ম ইউটিউবের ক্ষেত্রেও এই চিত্র একই রকম।
ইউটিউব প্রতি মাসে প্রায় ২৫০ কোটি সক্রিয় ব্যবহারকারীকে আকর্ষণ করে এবং মূলত বিজ্ঞাপন মাধ্যমেই আয়ের বিশাল উৎস হিসেবে স্বীকৃত হয়। এই আয় থেকে নির্মাতাদের একটি অংশ দেওয়া হয়, ফলে এটি নির্মাতা ও দর্শকদের জন্য লাভদায়ক হয়ে ওঠে। কিন্তু একটানা বিজ্ঞাপন চলতে থাকলে ব্যবহারকারীদের বিরক্তি বৃদ্ধি পায়।
স্কিপ করার সুবিধার মাধ্যমে বেশিরভাগ ইন-স্ট্রিম বিজ্ঞাপন ১৫ সেকেন্ড অথবা এর কম সময়ের হয়ে থাকে। পাঁচ সেকেন্ড পর ‘স্কিপ অ্যাডস’ বোতামটি সক্রিয় হয়, যা ক্লিক করার মাধ্যমে বিজ্ঞাপন এড়ানো সম্ভব করে। তবে যদি কেউ তাড়াতাড়ি স্কিপ করে, তাহলে সেই ভিউটি “এনগেইজড ভিউ কনভার্সন” হিসাবে গণ্য হয় না, ফলে নির্মাতা সেই বিজ্ঞাপন থেকে আয় করতে পারেন না। নির্মাতারা বিজ্ঞাপনকে ‘আনস্কিপেবল’ও রাখতে পারেন, যার ফলে স্মার্ট টিভিতে দীর্ঘ বিজ্ঞাপন বিরতি দেখা দিতে পারে।
একাধিক বার একই বিজ্ঞাপন দেখার ফলে
‘এই বিজ্ঞাপনটি নিয়ে’ অপশনে গিয়ে “এই বিজ্ঞাপন দেখা বন্ধ করুন” নির্বাচন করলে ঐ বিজ্ঞাপনটি কম ইনডেক্স হয়ে যাবে। একইভাবে, “ এই বিজ্ঞাপন রিপোর্ট” অপশনটি ব্যবহার করে নীতিমালা লংঘনের অভিযোগও তোলা যেতে পারে, তবে এটি পুরোপুরি বিজ্ঞাপন বন্ধ করার
গ্যারান্টি দেয় না। আরও একটি অপশন হলো ব্যবহারকারীরা বিজ্ঞাপন পার্সোনালাইজেশন বন্ধ করে কিছুটা ট্র্যাকিং কমিয়ে ফেলতে পারেন।
সর্বাপেক্ষা কার্যকর এবং আইনগতভাবে উপযুক্ত পদ্ধতি হলো ইউটিউব প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন নেওয়া। এই সাবস্ক্রিপশন মাধ্যমে বিজ্ঞাপনমুক্ত ভিডিও দেখার সুবিধা পাওয়া যায়, এবং নির্মাতাগণও তাঁদের প্রাপ্য আয় সঠিকভাবে পান।
সম্প্রতি গুগল ক্রোম-এ অ্যাড ব্লকার এক্সটেনশন দিয়ে বিজ্ঞাপন বন্ধ করা খুব সহজ ছিল, কিন্তু গুগল “ম্যানিফেস্ট ভি৩” নীতি প্রয়োগ করার মাধ্যমে অনেক জনপ্রিয় এক্সটেনশনের কার্যকরিতা সীমাবদ্ধ করছে। তবে কিছু ব্যবহারকারী আপডেটেড অ্যাড ব্লকার বা
সাহসী, অপেরা বা মজিলা ফায়ারফক্স এর মত বিকল্প ব্রাউজার ব্যবহার করে। কিন্তু নতুন প্রযুক্তির কারণে এসব পদ্ধতি যথাযথভাবে কাজ নাও করতে পারে।
ইউটিউবের বিজ্ঞাপন এখন নির্মাতাদের জন্য আয়ের একটি মুখ্য উৎস হয়ে উঠেছে। তাই সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপনমুক্ত অভিজ্ঞতা চাইলে বৈধ সাবস্ক্রিপশন নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি, তথাপি ব্যবহারকারীদের জন্য কিছু বিকল্প পথ এখনও খোলা রয়েছে, যদিও এগুলোর স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নরসিংদীতে ধর্ষিতার ঘটনা চাপা দেওয়ার জন্য বাবার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে একটি তরুণীকে হত্যা করার অভিযোগে পুলিশ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঘটনার স্থল পরিদর্শন করার পর ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক সাংবাদিকদের কাছে আটককৃতদের নাম ও ঠিকানা প্রকাশ করেন।
গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন: সদর উপজেলার মাধবদী থানার মহিষাশুরা ইউনিয়নের বিএনপির সহ-সভাপতি এবং সাবেক ইউপি সদস্য আহম্মদ আলী দেওয়ান, তার ছেলে ইমরান দেওয়ান, প্রধান আসামি নূরার চাচাত ভাই মোহাম্মদ আইয়ুব, একই এলাকার এবাদুল্লাহ এবং হোসেন বাজার এলাকার গাফফার।
এর আগে, গত বৃহস্পতিবার রাতে নিহতের মাতা ফাহিমা বেগম ৯ জনকে আসামি করে মাধবদী থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ জানায়, শুক্রবার বিকালে ময়নাতদন্তের পর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
নিহত তরুণীর পরিবার শোকাবহ হয়ে হত্যার সাথে জড়িতদের দ্রুত শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে, ঘটনা স্থলে পরিদর্শন সাপেক্ষে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক বলেছেন, ‘অপরাধীরা যে কোন দলেরই হোক, সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। ইতোমধ্যে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, বাকি ৪ জনের গ্রেফতারের জন্য পুলিশের একাধিক টিম দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাচ্ছে। আশা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যে সব আসামিকে গ্রেফতার করা হবে।’
শুক্রবার সকালে ঘটনা স্থলে গিয়ে নিহতের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান নরসিংদী সদরের এমপি খায়রুল কবির খোকন। তিনি বলেন, ‘অপরাধীরা যেই দলেরই হোক, যত ক্ষমতাধর হোক, কাউকেই ছাড় দেওয়া উচিত নয়। প্রশাসনকে জানিয়েছি, হত্যার প্রধান আসামী নূরাসহ সব আসামিকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করতে হবে।’
এদিকে, হত্যার ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে মাধবদী ও নরসিংদী শহরে বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষ বিক্ষোভ মিছিল করেছে।
স্থানীয়দের বরাত করে জানা যায়, ১৫ বছর বয়সী আমেনা আক্তার বরিশাল থেকে স্বপ্ন নিয়ে বাবা-মায়ের সাথে নরসিংদীতে এসেছিল। মাধবদী থানার বিলপাড় এলাকায় ভাড়া বাসায় বাবা-মা দুজনেই কারখানায় কাজ করতেন। মেয়েটিও সম্প্রতি একটি কারখানায় যোগ দেয়। সেখানে তার পরিচয় হয় স্থানীয় বখাটে নূরার সাথে। নূরা প্রথমে আমেনাকে প্রেমের প্রস্তাব দেয়, তবে পরে গত ১৫ দিন আগে ৫ বন্ধুর সাহায্যে তাকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে। বিষয়টি জানাজানি হলে মহিষাশুরা ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার আহম্মদ আলী দেওয়ান বিচার করার দায়িত্ব নেন, কিন্তু স্থানীয় না হওয়ায় তিনি উল্টো ভুক্তভোগী পরিবারকে দোষারোপ করেন।
অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি অপরাধীদের সাথে মীমাংসা করে বড় অংকের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন এবং কোন বিচার না করেই পুরো ঘটনার ওপর চাপা দিয়েছেন। এছাড়া, ভুক্তভোগীর পরিবারকে গ্রাম ত্যাগের জন্য চাপ দেওয়া হয়। ধর্ষণের ঘটনা চাপা দিতে, কিশোরীর আত্মীয় বাড়িতে যাওয়ার পথে গত বুধবার সন্ধ্যায় সৎ পিতার কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে, মাধবদী থানার কোতালিরচর দড়িকান্দী এলাকার একটি সরিষা ক্ষেত থেকে কিশোরীর মরদেহ গলায় ওড়না পেচানো অবস্থায় উদ্ধার করে মাধবদী থানা পুলিশ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নাটোর পুলিশ লাইন্সে কর্মরত একটি থানার অবৈতনিক এসআই দেওয়ান মামুন নিজের ব্যবহার করা পিস্তল থেকে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী, তিনি বিদেশি নাগরিকের নিরাপত্তার ডিউটি শেষে শুক্রবার সন্ধ্যায় পুলিশ লাইন্সের কোয়ার্টারে ফিরে আসেন। তখন তার নিজের ব্যবহৃত সরকারি পিস্তলের গুলি বাম পায়ের টাকলুতে বিদ্ধ হয়। তার সহকর্মীরা তৎক্ষণাৎ তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে যান।
পরে, তাকে স্থানীয় একটি বেসরকারি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ সুপার আব্দুল ওয়াহাব প্রাইভেট ক্লিনিকে গুলিবিদ্ধ এসআইকে দেখতে যান।
পুলিশ সুপার আব্দুল ওয়াহাব এ ঘটনার বিষয়ে জানান, পিস্তলটি নিয়ে দেওয়ান মামুনের শিশুপুত্র খেলছিল। এ সময় দুর্ঘটনাবশত পিস্তল থেকে গুলি বের হয়ে তার পায়ে লাগে। বিষয়টি তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ