শনিবার, ২৮শে ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং
০২:০০ পি.এম
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের যৌথ হামলার পরিপ্রেক্ষিতে, ইরানের সংসদের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের প্রধান ইব্রাহীম আজিজি এক কঠোর বার্তা দিয়েছেন।
তিনি তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সময় এক বিবৃতিতে বলেছেন, "আমরা তোমাদের সতর্ক করার চেষ্টা করেছি! এখন তোমরা একটি পথে পদক্ষেপ নিয়েছ যা তোমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে।"
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে যৌথ হামলা শুরু করে। এ সময়, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কার্যালয়ের সামনে এক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তবে, রয়টার্সের খবর অনুযায়ী, তিনি নিরাপদ স্থানে আছেন।
রিপোর্টগুলোতে বলা হয়েছে, শনিবার সকালে যখন ইসরাইল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালায়, তখন তেহরানে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়, যার ফলে ইসরাইল জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে।
রয়টার্সের উদ্ধৃতি দিয়ে, একটি ইরানি কর্মকর্তার দাবি করেছেন যে, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি তেহরানে নেই এবং তাকে 'নিরাপদ স্থানে' নেওয়া হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান প্রতিপাদন করেছেন যে, ধর্ষণ বা যে কোনও গুরুতর অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের, অপরাধীদের আশ্রয়দাতা এবং সহযোগীদের আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগের মাধ্যমে বিচারের জন্য দাঁড় করানো হবে। রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনায় অপরাধীদের যথেষ্ট কোন আশ্রয়ের সুযোগ নেই।
আজ শনিবার সকালবেলা ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সংসদ সদস্য ও সরকারী কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি যোগ করেন, নরসিংদীর আলোচিত ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় জড়িতদের যদি কেউ আশ্রয় দেয় তাহলে তাদের শেকড় উপড়ে ফেলা হবে। মাগুরার আলোচিত আছিয়া হত্যাকাণ্ডের সময় আমি অ্যাটর্নি জেনারেল ছিলাম এবং দ্রুত আছিয়া হত্যার বিচার সম্পন্ন করা হয়েছে। নরসিংদী ও ঝিনাইদহের ধর্ষণ ও হত্যা মামলাকেও অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে দেখা হবে। অপরাধীদের আইন অনুযায়ী কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।
আইনমন্ত্রী দুর্নীতি নির্মূলে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের কঠোর অবস্থানে থাকার নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, এই সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স অবলম্বন করেছে। যারা প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতির সাথে যুক্ত হবে, তাদের শুধু চাকরি যাবে না বরং বিভাগীয় মামলার পাশাপাশি দুদকের মাধ্যমে মামলা করা হবে।
মন্ত্রী আরও জানান, জনগণের উন্নয়ন ও অবকাঠামো খাতে বরাদ্দকৃত প্রতিটি টাকার হিসাব কড়ায়-গন্ডায় বুঝে নেওয়া হবে। তিনি সতর্ক করেন, কেউ যদি এক পয়সা কমিশন নেয় বা দুর্নীতি করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কমিশন বাণিজ্য ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে সরকার ও বিরোধীদল ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাবে বলেও জানান আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, আজকের পর থেকে ঝিনাইদহে যারা চাঁদাবাজি, কমিশন বাণিজ্য, হুমকি-ধামকি বা রাজনৈতিক দলাদলি করার চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যেকোন অনিয়মের কথা আমাকে জানাবেন; দুর্নীতি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও মাদক নির্মূলে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
আসাদুজ্জামান বলেন, অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময়ে সাংবিধানিকভাবে ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি হয়। আগামী সংসদের প্রথম অধিবেশনেই আমরা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রত্যেকটি অধ্যাদেশকে বিল আকারে পেশ করব।
এসময় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের স্মরণ করিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, তাদের অমর্যাদা এই সরকার গ্রহণ করবে না। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় যারা অপরাধ করেছে, তাদের অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে। ফ্যাসিজম ও গণহত্যার সঙ্গে জড়িতদের আইনসম্মত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রেহাই পাওয়ার সুযোগ নেই।
তিনি উল্লেখ করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের তাজা রক্তের বিনিময়ে দেশে একটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে; আমরা একটি সরকার পেয়েছি। জুলাই শহীদদের অমর্যাদা বা তাদের আত্মা কষ্ট পায় এমন কোনো কর্মকান্ড এই সরকার মানবে না।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ-২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আলী আজম মো. আবুবকর, ঝিনাইদহ-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মতিয়ার রহমান, ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা আবু তালেব, জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মাসউদ ও পুলিশ সুপার মাহফুজ আফজালসহ জেলার অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তারা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ইরান যারা উচ্চ সামরিক নেতা এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল হামলা চালিয়েছে। প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে সফলভাবে টার্গেট করা হয়েছে। তবে উভয়েই অক্ষত আছেন বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে।
দেশটির প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ের একটি সূত্রের মাধ্যমে জানিয়েছে আইআরএনএ সংবাদ সংস্থা, প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান নিরাপদ ও অক্ষত রয়েছেন।
অন্যদিকে, ইরানের একজন কর্মকর্তার বরাতে রয়টার্স জানাচ্ছে যে, সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি তেহরানে নেই এবং তাঁকে ‘নিরাপদ স্থানে’ স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২-এর তথ্য অনুযায়ী, ইরানে এখন পর্যন্ত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু হয়েছে, এর মধ্যে মন্ত্রী ও সামরিক প্রধানদের বাসভবন, প্রতিরক্ষা ও গোয়েন্দা মন্ত্রণালয়ের এলাকাগুলি, এবং প্রেসিডেন্টের অফিসও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলাকে কেন্দ্র করে ইরান সংসদের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের প্রধান ইব্রাহিম আজিজি ডেডিকেটেড বার্তা প্রদান করেছেন।
অভিযোগ করে, তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উল্লেখ করেছেন, "আমরা তোমাদের সতর্ক করেছিলাম! এখন তোমরা এমন একটি পথে যাত্রা শুরু করেছ যার শেষ আর তোমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মেহেরপুর, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ : ভারতের সীমান্তের কাছে অবস্থিত মেহেরপুর জেলার একটি শান্তিপূর্ণ ও সবুজ গ্রাম আনন্দবাস। গ্রামে ভোরের আলো ফুটে পাখির কললগ্ন এবং আজানের ধ্বনি ছাড়ানো হয়। এসব ধ্বনির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে আনন্দবাসের ১০ গম্বুজ মসজিদ, যা প্রায় দেড়শ’ বছরের পুরনো। এটি শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় স্থান নয়, বরং ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং সামাজিক সম্প্রীতির একটি জীবন্ত দলিল হিসেবেও পরিচিত। এটি ইতিহাসের একটি নীরব সাক্ষী। স্থানীয়দের মুখে শোনা যায় যে, এই এলাকায় ইসলামের প্রভাব বিস্তারে বিনোদনমূলক দরবেশেরা অবদান রেখেছেন। তাঁদের মধ্যে একজন শেখ ফরিদের অনুপ্রেরণায়ই মসজিদটি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলে অনেকে বিশ্বাস করেন। যদিও প্রতিষ্ঠাতা বিষয়ে কোনও লিখিত দলিল নেই, তবে প্রবীণদের স্মৃতিতে তার নির্মাণ ইতিহাস সংরক্ষিত রয়েছে।
মসজিদ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইবনে সুয়ায়েজ মামুন বাসস’কে জানিয়েছেন যে, আবুল মাস্টার, মফেম উদ্দীন মণ্ডল এবং জিন্দার আলীসহ গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তিরা দীর্ঘকাল ধরে মসজিদটির দেখভাল করেছেন। এখন তাঁদের উত্তরসূরিরা এ দায়িত্ব পালন করছেন।
বয়োজ্যেষ্ঠ হাসেম আলী জানিয়েছেন, তাঁদের পূর্বপুরুষরা মসজিদটির নির্মাণ করেছিলেন এবং এটা স্থাপত্যের স্বাতন্ত্র্যের পরিচায়ক হিসেবে পরিচিত ১০ গম্বুজ মসজিদ নামে পরিচিত। সারিবদ্ধ গম্বুজের ডিজাইন গ্রামীণ স্থাপত্যের মধ্যে বিরল।
মসজিদের ইমাম মাওলানা সালাহ উদ্দীন বলেছেন, বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদের তুলনায় আমাদের একটি গম্বুজ আকারের দিক থেকে বড়। এটি আমাদের গর্বের বিষয়। লালচে ইটের গাঁথুনি, প্রশস্ত নামাজঘর ও খোলা প্রাঙ্গণসহ, মসজিদটি গ্রামীণ ঐতিহ্য এবং স্থাপত্য রুচির এক অদ্বিতীয় উদাহরণ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সংস্কার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে, কিন্তু মূল কাঠামোর ঐতিহ্য স্থানীয়রা অটুট রেখেছেন।
মসজিদের নিকটবর্তী সনাতন ধর্মাবলম্বী জয়দেব শর্মা জানিয়েছেন, তাঁর দাদুরা এই মসজিদটি দেখেছেন। বহু বছর আগে স্থাপন হওয়া এই মসজিদটিতে ১০ গম্বুজ থাকার স্থানটি ঐতিহ্য হিসেবে চিহ্নিত রেখে ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে দ্বিতল ভবন ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হয়।
হাসেল উদ্দিন বিশ্বাস জানিয়েছেন, গ্রামে ৬টি নতুন মসজিদ নির্মিত হলেও, প্রতি শুক্রবার জুমার নামাজে মুসল্লিরা দূর-দূরান্ত থেকে এখানে অবস্থান করেন। নামাজের পাশাপাশি পারস্পরিক কুশল বিনিময়ে এবং সামাজিক আলাপ-আলোচনায় এটি একটি মিলনমেলা হয়ে উঠেছে।
বয়োজ্যেষ্ঠ আব্দুল করিম বলেছেন, এই মসজিদ আমাদের গৌরবের প্রতীক। বহু দূর থেকে লোকজন এই মসজিদটি দেখার উদ্দেশ্যে আসেন। মোয়াজ্জিন ময়েন উদ্দীনও একই অনুভূতি ব্যক্ত করেছেন। অনেকের মতে, ১০ গম্বুজ মসজিদের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে এলাকায় ইসলামের শিক্ষা এবং চর্চা বিস্তৃত হয়েছে। এই মসজিদের আদলে একাধিক নিকটবর্তী মসজিদ গড়ে উঠেছে। ধর্মীয় শিক্ষা ছাড়াও এটি সামাজিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
দেড়শ’ বছরের ঐতিহ্য ধারণ করা মসজিদটি এখনও স্থানীয় উদ্যোগের মাধ্যমে টিঁকে আছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, যদি প্রত্নতাত্ত্বিক বা সরকারি সহায়তা মিলে, তাহলে এটি জেলার অন্যতম ঐতিহাসিক নিদর্শন হয়ে উঠতে পারে। এই আনন্দবাসের ১০ গম্বুজ মসজিদও তাই শুধুমাত্র ইট-সুরকির একটি নির্মাণ নয়—এটি গ্রামের আত্মপরিচয়ের একটি চিহ্ন। প্রার্থনার শান্তি ও মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের সেতুবন্ধন এটি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বর্তমানে তেহরানে নেই। তাকে একটি ‘নিরাপদ স্থানে’ স্থানান্তরিত করার বিষয়টি একটি ইরানি কর্মকর্তা রয়টার্সের কাছে নিশ্চিত করেছেন।
আজ শনিবার সকালে, ইসরায়েল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর আক্রমণ চালাতে শুরু করে। ইসরায়েল এই হামলাকে ‘পূর্ব-নির্ধারিত আক্রমণ’ (প্রি-এম্পটিভ অ্যাটাক) হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা সংস্থার এক সূত্র জানায়, এই হামলার একটি প্রধান উদ্দেশ্য হবে ‘ইসরায়েলের প্রতি হুমকি দূর করা, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপক এবং ড্রোন ঘাঁটির ওপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করা।’
আক্রমণের ফলে তেহরানের বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণের আওয়াজ শোনা গেছে। ইরানের ফার্স নিউজ এজেন্সি তাদের প্রতিবেদনে জানায়, তারা খবর পেয়েছে যে, রাজধানী তেহরানের রিপাবলিক এলাকায় বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। তেহরানের ইউনিভার্সিটি স্ট্রিট ও জোমহুরি এলাকাতেও ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত করেছে। পশ্চিম তেহরানে অবস্থানরত আমাদের সংবাদদাতা দুটি বিস্ফোরণের শব্দশুনেছেন।
একই সাথে, ইরান তার সারা দেশের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে। দেশের সিভিল অ্যাভিয়েশন অরগানাইজেশনের মুখপাত্র মজিদ আকহাভান মেহের সংবাদমাধ্যমকে এক সাক্ষাৎকারে এই ঘোষণা দেন।
ইসরায়েলও জরুরি অবস্থা জারি করেছে। শনিবার সকালে ইরানের হামলার আশঙ্কার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং ইসরায়েল তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে, যেটি দেশটির পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন সূত্রে খবর, ইরান ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে পাল্টা আক্রমণ চালাতে পারে বলে উদ্বিগ্ন হয়ে ইসরায়েল সরকার জরুরি অবস্থার ঘোষণাটি দিয়েছে। ইসরায়েলের হোম ফ্রন্ট কমান্ড পশ্চাতে জনগণকে দেশের সর্বত্র প্রয়োজনীয় কার্যকলাপ পরিচালনার নির্দেশনা দিয়েছে। নতুন বিধিনিষেধগুলিতে জনসমাবেশ, কর্মক্ষেত্রে এবং স্কুলে যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ