০৮:২০ পি.এম
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) হরমুজ প্রণালী বন্ধের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করার পর ইউরোপের গ্যাস বাজারে তীব্র অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে।
লন্ডনের আইসিই এক্সচেঞ্জের উপাত্ত অনুযায়ী, প্রতি হাজার ঘনমিটারে দাম ৭৮৫ ডলারে পৌঁছে গেছে, যা জানুয়ারি ২০২৩–এর পরের সর্বোচ্চ স্তর। একদিনে দাম প্রায় ৪৫ শতাংশ বেড়েছে। তবে পরবর্তীতে দাম কিছুটা পড়ে গিয়ে ৭০০ ডলারে নেমে আসে।
অন্যদিকে, কাতারের রাষ্ট্রীয় জ্বালানি কোম্পানি কাতার এনার্জি ইরানি বিমান হামলার কারণে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) উৎপাদন সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে।
আরও পড়ুন: ডিএমপির ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ৯২৯ মামলা দায়ের
যুক্তরাষ্ট্র এবং অস্ট্রেলিয়ার পর কাতার বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম এলএনজি রপ্তানিকারক হিসেবে পরিচিত। তাদের বর্তমান উৎপাদন সক্ষমতা বছরে ৭৭ মিলিয়ন টন, যা ভবিষ্যতে ১৪২ মিলিয়ন টনে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক আগ্রাসন শুরু করে। তেহরান ও অন্যান্য শহরে হামলা করা হয়। হোয়াইট হাউস উল্লেখ করেছে যে এই পদক্ষেপটি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক কর্মসূচির কারণে প্রয়োজনীয় ছিল। সেই সঙ্গে ইরানি জনগণকে সরকারবিরোধী আন্দোলনে যোগ দেওয়ার আহ্বান করা হয়েছে।
হামলার ফলস্বরূপ, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এবং আরও বেশ কিছু শীর্ষ সরকারী কর্মকর্তার নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ইরানি রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, গত শনিবার থেকেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার কারণে ইরানে ৭৮০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।
এর জবাবে ইরান 'অপারেশন ট্রু প্রোমিস ৪' নামে পাল্টা হামলা শুরু করেছে। ইসরাইলসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন সেনাবাহিনী ও অন্যান্য স্থানে হামলা চালানো হচ্ছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী দ্বারা।
আরও পড়ুন: দুবাই ও দোহার কিছু এলাকায় সাধারণ মানুষকে সরানোর নির্দেশ ই-রানের
ইরানের সরকারি গণমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, সোমবার (২ মার্চ) এক আইআরজিসি কমান্ডার উল্লেখ করেন যে, হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে যে, যে কোনও জাহাজ যদি এই প্রণালী দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে তবে তাদের বিরুদ্ধে হামলা করা হবে।
তথ্যসূত্র: তাস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন